বাংলাদেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে কারা সক্রিয়?
এই ব্যক্তির সাম্প্রতিক বক্তব্য গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। তাঁর বক্তব্যের ধরন, সময় নির্বাচন এবং রাজনৈতিক প্রভাব বিবেচনা করলে অনেকের মনেই প���রশ্ন জাগে, তিনি আসলে কার স্বার্থ রক্ষা করছেন।
অতীতে তাঁর বিরুদ্ধে নানা বিতর্ক ও অভিযোগের কথা জনপরিসরে এসেছে। ২০০৩ সালে মোসাদের সাথে গুপ্তচরবৃত্তি অভিযোগে গ্রেফতারও হয়েছিলেন। সেই প্রেক্ষাপটে বর্তমান বক্তব্য আরও বেশি প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। বিশেষ করে বাংলাদেশ যখন গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে, তখন এ ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্য জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী বলেই মনে হয়।
হামাস, ফিলিস্তিন বা আন্তর্জাতিক রাজনীতি নিয়ে বাস্তবতা যাই হোক না কেন, বাংলাদেশের জনগণের সামনে ভয়, বিভ্রান্তি ও সন্দেহ ছড়ানো কোনো দায়িত্বশীল আচরণ হতে পারে না।
আমার মতে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার উচিত তাঁর বক্তব্য, যোগাযোগ ও কর্মকাণ্ড নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা। যদি জাতীয় নিরাপত্তা, বিদেশি প্রভাব বা ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ডের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
বাংলাদেশের রাজনীতিকে অস্থিতিশীল করার যে কোনো অপচেষ্টা জনগণ প্রত্যাখ্যান করবে। দেশের স্বার্থের ঊর্ধ্বে কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা বিদেশি এজেন্ডা হতে পারে না।
#highlightseveryone
জনাব শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ (এমপি) মুন্সিগঞ্জ-১ উনার আরও একটা পরিচয় আছে উনি আল মুসলিম গ্রুপের মালিক।
উনার সাভারের (উলাইল) ফ্যাক্টরীর শ্রমিকরা পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটি শেষে ফ্যাক্টরীতে এসে দেখে ১৮৬৮ জনের চাকরী নাই। কেন নাই এর কোনো উত্তর কোথাও নাই, কোনো নোটিশ নাই। খুশিতে ঠেলায় ঘোরতে এইজন্য চাকরী নাই।
সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ব্যাপার হইলো চাকরী হারানো শ্রমিকদের পেটানোর জন্য পুলিশ, জলকামান আরও যা যা লাগে আরকি ওসব এনে আগেই প্রস্তুত রাখছে। জালিম হওয়ার চেষ্টা এরাও কম করতেছে না।
মহান আল্লাহ এদেরকে জালিম রুপে প্রতিষ্ঠিত করুক, এরপর এদেরকে ধ্বংস করুক।
#BoycottBNP
রাত বাজে ২টা।
আর এই পোলাটা আসছে কোন যায়গায় কত টাকার তহবিল আসছে, সেসব নিয়ে জবাবদিহিতার আলাপ দিতে...
গতকাল হাসনাতকে ঘিরে যে পরিকল্পিত মিডিয়া ট্রায়াল চালানো হয়েছিল,
সম্ভবত সেটার জবাব দিতেই আজকে লাইভে আসা।
এদেশের হলুদ মিডিয়াগুলো এসব সস্তা ন্যারেটিভ উৎপাদন করে, আদৌও এ ছেলেগুলোরে ব্যাকফুটে ফালাইতে পারবে?
যে তরুণেরা বন্দুকের নল, দমন-পীড়ন আর রাষ্ট্রীয় শক্তির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে নিজেদের অবস্থান থেকে একচুলও সরেনি!!
তাদের বিরুদ্ধে কয়েকটি শিরোনাম বা টকশোর প্রপাগান্ডা কোনোদিনই যথেষ্ট হবে কি?
- Ashraful Islam Shoheb
Professor Muhammad Yunus wrote a letter to President Xi Jinping conveying his deepest condolences and solidarity with those affected by the tragic gas explosion at the Liushenyu coal mine in Shanxi Province.
আজ থেকে সাড়ে চৌদ্দশ বছর আগে.
হেরা গুহা থেকে ফিরে এসে নবী মুহাম্মদ ﷺ কাঁপছিলেন। ভয়ে, আবেগে, দায়িত্বের বোঝায়। তিনি তাঁর স্ত্রী খাদিজাতুল কুবরা (রা.)-এর কাছে ছুটে গিয়ে বললেন:
হে খাদিজা! আমাকে কে বিশ্বাস করবে?
খাদিজা (রা.) তাঁর হাত ধরে, অটল বিশ্বাসে, শান্ত কণ্ঠে উত্তর দিলেন:
“আমি বিশ্বাস করব। আরবরা বিশ্বাস করবে। আর এই পুরো জাহান একদিন বিশ্বাস করবে...
ইন শা আল্লাহ।
আর আজ?
দেখুন আরাফার ময়দানের এই অপূর্ব চিত্র। লক্ষ লক্ষ মানুষ, সাদা ইহরামে ঢেকে, এক আল্লাহর সামনে মাথা নত করে দাঁড়িয়ে। যেখানে দয়াল নবী ﷺ-এর সেই ডাক আজও প্রতিধ্বনিত হয়।
যিনি একদিন বলেছিলেন “আমাকে কে বিশ্বাস করবে? আজ তাঁর উম্মত পৃথিবীর প্রতিটি কোণে পৌঁছে গেছে।
এই তো সেই বিশ্বাসের জয়যাত্রা।
খাদিজা (রা.) এর কথা সত্য হয়েছে।
আল্লাহর ওয়াদা সত্য হয়েছে।
Versity Voice
অস্ত্র হাতে মিরপুর থানা আওয়ামী লীগের ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ১৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইসমাইল মোল্লা।
জ** ঙ্গি ঈসমাইল এর গুলিতে ৩ইং আগস্ট এবং ৪ইং আগস্ট অসংখ্য ছাত্র জনতা গ���"লিবিদ্ধ হয়।
হাম ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে নাগরিক গোলটেবিল আলোচনা।
গোলটেবিলে কোন ডাক্তার নে��, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্তারা নেই। বাম থেকে বসে আছেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর, অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন, কবি আখতারুজ্জামান আজাদ, সাহিত্যিক মোজাফফর হোসেন, এই পাশে বসে আছেন সাংবাদিক মাসুদ কামাল। বোঝাই যাচ্ছে আওয়ামী লীগের প্রতি সহানুভূতিশীল অথবা ইন্টেরিমকে ঘৃণা করে এমন "ইনফ্লুয়েন্সার"��ের চেরি-পিক করে এই আলোচনা বসেছে। এতে দোষেরও কিছু নেই। এই পর্যন্ত বোঝার পর অবাক হওয়ার কিছু নেই।
অবাক করার বিষয় হলো এই গোলটেবিলের আয়োজন করেছে "বাংলাদেশ চাইল্ড প্রোটেকশন ইনিশিয়েটিভ"!!
অর্থাৎ ইউনিসেফ নিজেই এর আয়োজক। জাতিসংঘের ফান্ডের বাইরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইউনিসেফকে যে ফান্ড দেয় সেই প্রোগ্রামের নামই "বাংলাদেশ চাইল্ড প্রোটেকশন ইনিশিয়েটিভ"।
প্রশ্ন হলো - কেন ইউনিসেফ নিজেই বেছে ���েছে আওয়ামী ঘেষা বুদ্ধিজীবীদের ডেকে গোলটেবিল আয়োজন করলো? উত্তর জানতে বাঙলাদেশ সরকারের "হাম মহামারী তদন্ত প্রতিবেদন" প্রকাশ হবার অপেক্ষা করতে হবে।
কিন্তু কয়েকটা তথ্য জানা ভাল -
১. অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে বাঙলাদেশে টিকার কোন সংকট ছিল না। স্টার নিউজের তদন্তে (যেটা ইন্টেরিম হেটার জুলকারনাইন সায়ের নিজেই শেয়ার দিয়েছেন) দেখা গেছে ��ুরো অন্তর্বর্তী সরকার আমলে টিকার সংকট ছিল না। শেষ টিকার চালান এসেছে ২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে।
২. কূটনৈতিক ভাষার পরিপন্থী - "আল্লাহর ওয়াস্তে" আমাদের বাদ দিয়ে সরাসরি টিকা কিনবেন না - বলা ইউনিসেফের কান্ট্রি ডিরেক্টর রানা ফ্লাওয়ার্স এই অতি-নাটকীয় চিঠি যে তারিখে ইস্যু করেছেন সেটা ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬।
এর দু'দিন পর ১২ তারিখ জাতীয় নির্বাচন। সর্বোচ্চ সম্ভাবনা হলো - এই চিঠি স্বাস্থ্য উপ���েষ্টা বা স্বাস্থ্য সচিব নির্বাচনের আগে খুলেও দেখেননি। দেখলেও তাদের কিছুই করার ছিল না কারণ নির্বাচনের এই পিক টাইমে মন্ত্রী-সচিবদের হাতে নির্বাহী ক্ষমতা থাকে না।
৩. মিডিয়া এবং জনমনে যে ন্যারেটিভ সম্পূর্ণরূপে এস্টাবিশড তা হলো - অন্তর্বর্তী সরকার ইউনিসেফকে বাদ দিয়ে প্রকিউরমেন্ট নিজেই করতে চাচ্ছিলো। আর তাই হাম মহামারী হয়েছে। অথচ ইন্টেরিম আমলে পরিবর্তিত ��দ্ধতিতে এক পিস টিকা কেনা হয়নি। সব হয়েছে ইউনিসেফের মাধ্যমে।
কিন্তু হ্যাঁ, অন্তর্বর্তী সরকার ভবিষ্যতের সরকারি কেনাকাটায় ইউনিসেফকে বাদ দিয়ে টিকা কেনার পলিসি বানাতে শুরু করেছিল।
৪. ইন্টেরিম আমলেই বাংলাদেশ রেকর্ড পরিমাণ টিকা কিনেছে। ১০২৮ কোটি টাকার টিকা কেনা হয়েছে দেড় বছরে। এখন যে টিকা দেওয়া হচ্ছে - তাও ঐ আগের টিকাই। বিএনপির নতুন কোন টিকা কেনার প্রয়োজন পড়েনি।
৫. ১০২৮ কোটি টা���ার যে টিকা ইউনিসেফ আমাদের কিনে দিয়েছে তাতে ইউনিসেফ দিয়েছে ০ টাকা। বেশিরভাগ টাকা দিয়েছে যুক্তরাজ্য সরকার, বিল গেটস, নরডিক দেশগুলো। এই দাতা দেশ, ব্যক্তি ও সংস্থার ক্লাবকে বলে GAVI. এর সাথে অল্প টাকা দিয়েছে বাঙলাদেশ সরকার।
কিন্তু এই টাকা থেকে শুধু টিকা প্রকিউর করে দেওয়ার জন্য ইউনিসেফ পেয়েছে ৭১ কোটি টাকা। এই টাকা দিয়ে ইউনিসেফের ঢাকা অফিসের সবাইকে এক বছরের বেতন-বোনাস দেওয়া যায়।
এই ���াকাটা কোন মন্ত্রী যদি একবার বন্ধ করে দেয়, সে যদি মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে গ���য়ে এই ৭১ কোটি টাকা সেইভ করে দেওয়া নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সামনে শো অফ করতে পারে, আর কোনদিন কোন সরকার ইউনিসেফকে এই এক্সট্রা টাকাটা দিবে না। সরাসরি প্রতিযোগিতামূলক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে টিকা কিনবে।
ইউনিসেফ কেন নির্বাচনের আগ দিয়ে স্বাস্থ্য উপদেষ্টাকে চিঠি দিয়ে আল্লাহর ওয়াস্তে বলে নাটকীয়তা শুরু করলো, কেন ইউনিসেফ এখন আওয়ামী ইনফ্লুয়েন্সারদের দাওয়াত করে এনে খাম ধরিয়ে দিতে ��াধ্য হচ্ছে - তার উত্তর হলো পেটের দায় সবার আছে। ইউনিসেফেরও আছে।
বাংলাদেশের আর কোন সরকার কস্মিনকালেও ইউনিসেফকে বাদ দিয়ে টিকা কেনার সাহস করতে পারবে না। আর বুঝে হোক না বুঝে হোক, মিডিয়া ইউনিসেফের Point of View থেকেই সারা বাংলাদেশে টিকার ন্যারেটিভ এস্টাব্লিশ করে ফেলেছে।
Irfan Sheikh
In Gaza, a young girl carried her younger brother on her back for nearly two kilometers in order to reach a safer place, as they tried to escape the danger caused by ongoing Israeli aggression.
He might have been granted bail long ago. But his supporters mobbed the court and killed a young lawyer. The victim’s family has also included Chinmoy Krishna Das in the case, which has made it difficult for him to obtain bail early.
Sharjeel Imam and Umar Khalid have been jailed for five times longer than Chinmoy Das without even trial.
You can also raise your voice for them, they are from your own country.