@SonarBangla2026 @From_Himalaya It was the bangal who voted to muslim league and make bengal muslim majority. And many don't go for voting for their Pride. It's their Karma that make them suffer.
প্রেমে পড়বেন বুঝেশুনে!
পরিচয়, প্রেম, পরিণয়। অর্থাৎ, সাত পাকে বাঁধা। চেনা পথ তো? তবে আজকে অন্য পথের কাহিনি। যার ছকটা হল– পরিচয়, প্রেম, প্রতারণা। লক্ষ লক্ষ টাকার প্রতারণা, সঙ্গে রীতিমত ‘ইমোশনাল অত্যাচার’।
কেসটা যখন প্র��ম হুগলী পুলিশ (গ্রামীণ)-এর সাইবার গোয়েন্দাদের হাতে আসে, তখন মনে হয়েছিল, রুটিনমাফিক সাইবার জালিয়াতি। কিন্তু আসল কাহিনি যে আরও গভীরে এবং তার সঙ্গে যে জড়িয়ে রয়েছে অন্তত ২০ জন মহিলার আবেগ, শুরুর দিকে দূরতম কল্পনাতেও ভাবিনি আমরা। তদন্তে ক্রমশ যা বেরিয়ে এল, ফিল্মি চিত্রনাট্যও ফেল!
প্রথম অভিযোগ জমা পড়ে সিঙ্গুরের এক ২৯ বছর বয়সী মহিলার তরফে। অভিযোগের কেন্দ্রে ‘অনুপম রায়’ নামে এক যুবক, যাঁর সঙ্গে গত বছর ডিসেম্বর মাসে মহিলার আলাপ হয় কোনও এক ‘ম্যাট্রিমোনিয়াল’ অর্থাৎ বিবাহ সম্পর্কিত ওয়েবসাইটে। নিজেকে বর্ধমানের এক চালের কলের মালিক হিসাবে পরিচয় দিয়েছিলেন সুপুরুষ 'অনুপম’। বা��া-মা গত হয়েছেন, বিশ্বসংসারে আপন বলতে তেমন কেউই নেই – হবু স্ত্রীর কাছে হৃদয় উজাড় করে দুঃখের কাহিনী ফাঁদেন ‘প্রেমিক’। সবটাই অনলাইনে।
চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেই আসে প্রথম ধাক্কা। তথাকথিত চালের কলের মালিকের প্রয়োজন হয়ে পড়ে কিছু টাকার। কেন? না, আয়কর সংক্রান্ত কিছু গোলমালের ফলে ‘ফ্রিজ’ করে দেওয়া হয়েছে তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট। প্রেমিকা কি পারবেন তাঁকে উদ্ধার করতে? কত টাকা দরকার? ���ু-পাঁচশো টাকা নয়, পাঁচ-দশ হাজারও নয়, দরকার একেবারে ৯ লক্ষ টাকা। তাতে কী? উদ্ধারকার্যে ঝাঁপিয়ে পড়লেন হবু স্ত্রী। টাকা পৌঁছে গেল অন্য একটি নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্টে, সৌজন্যে পাত্রী, তাঁর মা এবং দিদিমা। বিপদে পড়েছে সোনার টুকরো ছেলেটা। এটুকু সাহায্য না ক��লে কীসের আর আপনজন?
কিছুদিনের মধ্যেই আপাতদৃষ্টিতে ফেরতও এসে গেল টাকা। একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের আরামবাগ শাখার ডিপোজিট স্লিপ-এর ছবি পাঠিয়ে দিলেন ‘অনুপম’। রীতিমত ব্যাঙ্কের সীলমোহর সমেত। জানালেন, তাঁর অ্যাকাউন্টটি পুনরুদ্ধার হলেই পাত্রীর অ্যাকাউন্টে দেখা যাবে টাকা। কিন্তু সেই শুভলগ্ন আর এল না।
বরং এল আরও টাকার অনুরোধ। বারবার, লাগাতার। মনে রাখবেন, তখনও ‘পাত্রের’ সঙ্গে মুখোমুখ�� দেখা হয়নি পাত্রীপক্ষের। এমনকি ভিডিও কল পর্যন্ত নয়। পাত্রী ভিডিও কলের কথা তুললেই খারাপ নেটওয়ার্কের অজুহাত দেখিয়ে এড়িয়ে যেতেন ‘অনুপম’। এবার একটু একটু করে সন্দেহ দানা বাঁধতে শুরু করে পাত্রীর মনে। মাকে বারকয়েক নিষেধও করেন টাকা পাঠাতে। কিন্তু আবেগ বড় বিষম বস্তু। কোমল মাতৃহৃদয় নিষেধ মানেনি। অতএব চলতে থাকে সাহায্যের পর্ব। এবং দেখতে দেখতে টাকার অঙ্কটা গিয়ে দাঁড়ায় ৪৩ লক্ষে।
অবশেষে চলতি বছরের মে মাসে ভেঙে পড়ে তাসের ঘর। ওয়েবসাইট থেকে উধাও হয়ে যায় ‘অনুপমের’ প্রোফাইল, ফোন নম্বর হয়ে যায় ‘আনরিচেবল’। পাত্রীপক্ষ অবশেষে বোঝেন, বড় রকমের ভাঁওতা দেওয়া হয়েছে তাঁদের। আঘাত শুধু আর্থিক নয়, মানসিকও। টাকার সঙ্গে খোওয়া গেছে বিশ্বাস, আস্থা, আবেগ।
২৭ মে আমাদের কাছে অভিযোগ জানান পাত্রী নিজেই। তারপর ���েশি সময় নিইনি আমরা। ৩ জুলাই গ্রেফতার হয় ৩২ বছরের মডেল অভিষেক রায়। যে পাঁচটি অ্যাকাউন্টে টাকা জমা পড়ে, তাদের একটির মালিক এই অভিষেক। তারই সূত্র ধরে এক সপ্তাহের মধ্যে জালে উঠে আসে জাহির আব্বাস (৪১), এবং অবশেষে ১৪ অক্টোবর ধরা পড়ে মন্দারমণির এক রিসর্টে লুকিয়ে থাকা এই চক্রের পাণ্ডা জামির আব্বাস (৩১)।
পোড়খাওয়া মক্কেল এই আব্বাস ভাইয়ে��া। বাড়ি খানাকুলে। দক্ষিণ ভারতীয় এক মডেলের ছবি-ভিডিও বেআইনিভাবে ব্যবহার করে এরা ম্যাট্রিমোনিয়াল সাইটে ভুয়ো প্রোফাইল তৈরি করত – যা থেকে ফুটে উঠত অর্থবান, সুদর্শন, সুভদ্র এক ‘পাত্রের’ ছবি। যাকে দেখে সম্ভাব্য পাত্রীরা তো বটেই, আপ্লুত হয়ে পড়তেন তাঁদের মায়েরাও।
বর্ধমান, হাওড়া, তারকেশ্বর, মায় দিল্লি পর্যন্ত ছড়িয়েছিল এই জাল, ‘ব্যবসা’ থেকে আয় হয়েছিল মোট ৩ কোটি টাকা। প্রেম এবং স���্ভাব্য বিয়ের ফাঁদে পড়ে ঠকেছিলেন ২০ জন তরুণী।
সহনাগরিকদের অনুরোধ, একটু দেখেশুনে ম্যাট্রিমোনিয়াল সাইট ব্যবহার করবেন। বিয়ের নামে প্রতারণার ফাঁদ কোথায় কীভাবে পাতা রয়েছে, কে বলতে পারে!
অভিনন্দন @HglyRuralPolice
@ebanchuta@VHindus71 Which law you are talking to? Sharia... Muslim increase means jihadi, terrorism, bomb blast, illegal activities. Maksad iead aa gya to killing of innocent Hindu.
@mrsinha Tension mat lo, ai wala video kon banaya? Bhosrike kab tension lena hai? banduk baj gum raha hai, family person ko goli mara gya hai....loru admi hai na terrorist ke sath Mila hua hai tu.....
@iSoumikSaheb@ashoswai Go to USA or England, we hindus hold most jobs there also. Some community whose mind fixed in 600 a.d. can only become terrorist.