ছেলেটার নাম সৈকত, মাহমুদুর রহমান সৈকত, মোহাম্মদপুর মডেল কলেজের ছাত্র। বেশ মায়া মাখানো মুখের এই ছেলেটাকে কয়েকফুট দূরত্ব থেকে হত্যার উদ্দেশ্যে সরাসরি গলায় গুলি করে খুন করা হয়েছে গত ১৯শে জুলাই ২০২৪। সৈকতের কোন রাজনৈতিক পরিচয় ছিলোনা, কখনো কোন অপরাধের সাথেও সে যুক্ত ছিলোনা, অমায়��ক এই ছেলেটার কোন শত্রুও নেই। তাহলে কে তাঁকে গুলি করে মারলো? কেন মারলো?
১৯ জুলাই ২০২৪, দুপুরে সৈকত মোহাম্মদপূরের নূরজাহান রোডের প্রাইমারী স্কুলের গলিতে ঘোরাঘুরি করছিলো, এমাথা থেকে ওমাথা দৌড়াচ্ছিলো। ছাত্র আন্দোলনের কোন মিছিল আসলেই সেও তাতে যুক্ত হচ্ছিলো এবং মিছিলের সামনের ভাগে অবস্থান করছিলো বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়। সৈকতের এই তৎপড়তা বেশ চোখে লাগে সেখানে দায়িত্ব পালনরত পুলিশের সহকারী পরিদর্শক শাহরিয়ারের। শাহরিয়ার সৈকতের বিষয়ে আরেক পুলিশ সদস্যকে বলেন 'ছেলেটা খুব ডিস্টার্ব করতেছে'। একটু পরেই বিকেল ৩.৪৫ মিনিটে এসআই শাহরিয়ার তার সহকর্মীর কাছ থেকে চাইনিজ টাইপ ৫৬ এসকেএস রাইফেলটি নিয়ে ১৫-২০ ফুট দূরে থাকা ��ৈকতকে লক্ষ্য করে সম্পূর্ণ বিনাকারণে একটি গুলি করেন। প্রশিক্ষিত শ্যুটার এসআই শাহরিয়ারের ছোঁড়া বুলেট সৈকতের গলায় এফোঁড়-ওফোঁড় করা বেরিয়ে যায়। এবং ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায় তরতাজা তরুন মাহমুদুর রহমান সৈকত।
ঘটনার পর-পর যখন এসআই শাহরিয়ার'কে উপস্থিত একটি গোয়েন্দা সংস্থার মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা জিজ্ঞাস করেন, কেন ছেলেটাকে গুলি করলেন, এতো বাচ্চা একটা ছেলে। তিনি বেশ ভাবলেশহীনভ���বে উত্তর দেন 'দেখেন নাই ছেলেটা আমাদের কাজে ডিস্টার্ব করতেছিলো', উল্লেখ্য এস আই শাহরিয়ার একজন সাবেক ছাত্রলীগ কর্মী এবং RAB এ'ও কাজ করেছেন বলে গোয়েন্দা সূত্র দাবি করেছে।
এই ঘটনার পর রাজধানীর রায়ের বাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই শাহরিয়ার তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম একাউন্ট ডিএক্টিভেট করে দেন। ফোন করেও তাকে পাওয়া যাচ্ছেনা।
এই খুনীকে চ��নে রাখুন এবং এর পরিবার-পরিজনকে শনাক্ত করতে সহায়তা করুন। যারাই সাধারণ নাগরিকদের হত্যার সাথে জড়িত তাদের প্রত্যেককেই খুঁজে বের করা হবে।
from @ZulkarnainSaer
The officer who was in command of the soldiers who opened fire on unarmed protestors in Dhaka's Mohammadpur area on 20th July 2024, has been identified.
BA 7516 Major Md. Noman Al Faruq, Second in Command (2IC) of the 23rd East Bengal Regiment (under the 46th Independent Infantry Brigade), was responsible for the group of soldiers.
Although the order to shoot was given by the magistrate present, as the senior-most officer present, Major Noman also bears responsibility.
While most army officers have expressed their unwillingness to fire on civilians, a few officers have become desperate to gain favor from the regime.