দেশ ও জনতার কল্যাণে যাঁরা গায়ের জামা খুলে মাঠে নামেন, তাঁরা মহান ব্যক্তি। তাঁদেরকে জাতী যুগ যুগ ধরে স্মরণে রাখে। আর যারা তাদের এহেন মহৎকর্মের সমালোচনা করে, তারা একেকটা আস্ত শুয়োরের বাচ্চা।
আদ-দীন হাসপাতাল বন্ধ করা হলো, আর ঐদিকে ভারত দীর্ঘ দুই বছর বন্ধ রাখার পর বাংলাদ��শীদের চিকিৎসা ভিষা দেয়া শুরু করল। বুঝলেন তো কলকাঠি কোথা থেকে নাড়া হচ্ছে?
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অনুমতি পেয়েই আওয়ামীলীগ মিছিল করছে। পুলিশ আগাম তথ্য পেয়েও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। আইনমন্ত্রীর অনুমতি পেয়েই আওয়ামীলীগ নেতাদের জামিন দেয়া হচ্ছে। এখানে আমাদের তাকিয়ে দেখা ছাড়া আর কিইবা করার আছে?
সবার আগে বাংলাদেশ শ্লোগান দিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান সবার আগে দিল্লি যাচ্ছেন প্রথম সফরে!
হাসিনা চলে গেলেও নতুন গো'লা'ম খুঁজে পেতে ভারতের কোন সমস্যা হয়নি।
দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, নয় অন্য কোন দেশ,
সবার আগে বাংলাদেশ!😁
যশোর ও খুলনা দখল করতে বাংলাদেশে আসার সময় ব্রা��্মণবাড়িয়া জেলা হয়ে আসবেন দাদা। সাথে করে পোড়া ত্যানা আর নেবানল পাউডার নিয়ে আসবেন দাদা। খৎনা করার পরে বাঁধতে হবে তো। আরেকটা কাজ অবশ্যই করবেন দাদা, ছোট্ট একটা তেলাপিয়া মাছকে ২২ টুকরো করে খেয়ে আসবেন, হতে পারে এটাই শেষ খাওয়া।
বাস্তবে যা দেখা যাচ্ছে, তা আর কল্পনা করে কি লাভ? খুন, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে আঘাত করা ছাড়া আর কিইবা থাকতে পারে সেই প্ল্যানে? কারণ, এগুলোই তো হচ্ছে দেশে।
২০৪২ পর্যন্ত তারেক রহমান ক্ষমতায় থাকবে। বলেছেন বিএনপি নেতা জয়নাল আবেদীন ফারুক।
এই ধরনের কথাবার্তা আওয়ামীলীগের নেতারা বলতো। শেখ হাসিনাকে এমনভাবে পাওয়ারফুল করেছিলো, শেখ হাসিনা আর পাওয়ার থেকে নামতেই চায়নি।
এসব কথা বলে বলে তারেক রহমানকেও সেখানে নেবে এরা, যা মনে হচ্ছে।
৪ সংগঠনের মানবন্ধনে উপস্থিতি ৫জন! একজন বেশী হয়ে গেলো না! কি দরকার ছিলো এতো লোক এক জায়গায় জড়ো হওয়ার? এমনিতেই রাজধানী ঢাকায় মানুষের জ্বালায় রাস্তায় হাঁটা যায় না, তারওপর ৪ টা সংগঠনের এক জায়গায় জড়ো হয়ে জনাকীর্ণ পরিবেশ তৈরী করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করার তীব্র নিন্দা জানা��্ছি।
খবরে নতুনত্ব এসেছে। যে বিষয়গুলোকে মানুষ এতদিন খবরের বিষয়বস্তু মনে করতো না, সেগুলোও এখন খবরের শিরোনাম হচ্ছে। ধন্যবাদ বাংলাদেশী মিডিয়া। এভাবেই চিরকাল আমাদেরকে খবর সরবরাহ করে যাবে।