🕊️🇧🇩🕊️
-----------
"এ-কোন মৃত্যু? কেউ কি দেখেছে মৃত্যু এমন,
শিয়রে যাহার ওঠেনা কান্না, ঝরেনা অশ্রু?
হিমালয় থেকে সাগর অবধি সহসা বরং
সকল বেদনা হয়ে ওঠে এক পতাকার রং
এ-কোন মৃত্যু? কেউ কি দেখেছে মৃত্যু এমন,
বিরহে যেখানে নেই হাহাকার? কেবল সেতার
হয় প্রপাতের মোহনীয় ধারা, অনেক কথার"
পরাণের গহীন ভিতরে- ❝৪❞
আমি কার কাছে গিয়া জিগামু সে দুঃখ দ্যায় ক্যান,
ক্যান এত তপ্ত কথা কয়, ক্যান পাশ ফিরা শোয়,
.....
মানুষ এমন তয়, একবার পাইবার পর
��িতান্ত মাটির মনে হয় তার সোনার মোহর।
_ _সৈয়দ শামসুল হক_ _
পরাণের গহীন ভিতরে..❝১১❞
_ _সৈয়দ হক_ _
কি আছে তোমার দ্যাশে? নদী আছে? আছে নাকি ঘর?
ঘরের ভিতরে আছে পরানের নিকটে যে থাকে?
উত্তর সিথানে গাছ, সেই গাছে পাখির কোটর
আছে নাকি? পাখিরা কি মানুষের গলা নিয়া ডাকে?
যখন তোমার দ্যাখা জানা নাই পাবো কি পাবো না,
যখন গাছের তলে এই দেহ দিবে কালঘুম,
কমলালেবু
__জীবনানন্দ দাশ__
একবার যখন দেহ থেকে বার হয়ে যাব
আবার কি ফিরে আসব না আমি পৃথিবীতে?
আবার যেন ফিরে আসি
কোনো এক শীতের রাতে
একটা হিম কমলালেবুর করুণ মাংস নিয়ে
কোনো এক পরিচিত মুমূর্ষুর বিছানার কিনারে।
@harunalrashid73 ভ্লাড ড্রাকুলা তুর্ক ওরফে ভলকার টুর্ক! ব্লাড সাকার, ভ্যাম্পায়ার! আর ক্লিনটন কেলেঙ্কারির পরও হিলারি ক্লিনটনের সাথে বাদুড় ঝুলা ঝুলে আছেন আজো যা পশ্চিমা সমাজ ব্যবস্থায় একেবারেই বেমানান! আমার মতে হিলারির নির্বাচনে হারার কারণও তাই..মনিকার কথা বাদ, কেননা তিনি ছিলেন ইন্টার্ন, ভিকটিম
===
হায় চিল, সোনালি ডানার চিল, এই ভিজে মেঘের দুপুরে
তুমি আর কেঁদো নাকো উড়ে-উড়ে ধানসিড়ি নদীটির পাশে!
তোমার কান্নার সুরে বেতের ফলের মতো তার ম্লান চোখ মনে আসে!
পৃথিবীর রাঙা রাজকন্যাদের মতো সে যে চলে গেছে রূপ নিয়ে দূরে;
আবার তাহারে কেন ডেকে আনো? কে হায় হৃদয় খুঁড়ে বেদনা.....
আগরতলা মামলা, রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান।
সশস্ত্র বাহিনীর একটি বিপ্লব চেষ্টায় নাম জড়িয়ে শেখ মুজিবুর রহম��নের রাজনৈতিক মৃত্যু ঘটাতে চেয়েছিলো আইয়ুব খান সরকার। উল্টো এই মামলা তাঁকে বাঙালির অবিসংবাদিত নেতায় পরিণত করে; শেখ মুজিব থেকে তিঁনি হয়ে উঠেন বঙ্গবন্ধু।_কর্নেল শওকত আলী
==============
অনেক দিক থেকে তাঁরা বিপরীত। এ জন্যই বোধ হয় মেলবন্ধনটাও হয়েছিল এমন সুদৃঢ়। একের খামতি যেন অন্যে পূরণ করেছেন, হয়ে উঠেছেন একে অপরের প��িপূরক। ছয় দফার চূড়ান্ত রূপ দেয়া....
_ _ _অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন।
____
তাজউদ্দীন আহমদ, বঙ্গবন্ধুর ছায়াসঙ্গী-শুভাকাঙ্ক্ষী-বন্ধু।
=======
বাংলার মুখ
——জীবনানন্দ দাশ——
বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই আমি পৃথিবীর রূপ
খুঁজিতে যাই না আর: অন্ধকারে জেগে উঠে ডুমুরের গাছে
চেয়ে দেখি ছাতার মতো বড় পাতাটির নিচে বসে আছে
ভোরের দয়েলপাখি–চারিদিকে চেয়ে দেখি পল্লবের স্তূপ
জাম-বট-কাঁঠালের-হিজলের-অশথের করে আছে চুপ;
=============
আবার আসিব ফিরে
——জীবনানন্দ দাশ——
আবার আসিব ফিরে ধানসিড়ির তীরে—এই বাংলায়
হয়তো মানুষ নয়—হয়তো বা শঙ্খচিল শালিকের বেশে;
হয়তো ভোরের কাক হয়ে এই কার্তিকের নবান্নের দেশে
কুয়াশার বুকে ভেসে একদিন আসিব এ কাঠাঁল-ছায়ায়;
হয়তো বা ���াঁস হবো—কিশোরীর ঘুঙুর রহিবে লাল পায়,