��াংলা থেকে ভিনরাজ্যে কাজ করতে গিয়ে সমস্যায় পড়লে যোগাযোগ করুন রাজ্য পুলিশের হেল্পলাইনে
বাংলা থেকে ভিনরাজ্যে কাজ করতে গিয়ে অনেকে নানা সমস্যার মুখে পড়��েন এবং হেনস্থার শিকার হচ্ছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে আমরা খবর পাচ্ছি। কিন্তু যাঁরা ভুক্তভোগী, তাঁদের বা তাঁদের পরিবারের লোকজন এই সমস্যার কথা কাকে জানাবেন, কীভাবে জানাবেন, সেই বিষয়ে ওঁদের কোনও স্পষ্ট ধারণা নেই।
বাংলা থেকে ভিনরাজ্যে কাজ করতে যাওয়া নাগরিকরা যদি কোনও ধরনের সমস্যায় পড়েন, তাঁদের বা তাঁদের পরিবারের কাছে আমাদের আবেদন, সঙ্গে সঙ্গে আপনার স্থানীয় থানায় জানান। জেলার কন্ট্রো��� রুমেও জানাতে পারেন। এ ছাড়া, পরিবারগুলির সুবিধার্থে আমরা চালু করছি একটি হেল্পলাইন। যার নম্বর হল 9147727666 । এই নম্বরে শুধু হোয়াটস্যাপ করা যাবে। মেসেজ করে প্রয়োজনীয় তথ্য এখানে দিতে পারেন, নিজের নাম-ঠিকানাসহ। প্রতিটি তথ্য যাচাই করে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের সঙ্গে যোগাযোগ করে আমরা ��্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।
Swami Vivekananda, a visionary who championed universal brotherhood and selfless service, continues to inspire generations with his timeless teachings. His legacy remains a guiding force in building a compassionate and united society.
On his birth anniversary, our Nat'l GS Shri @abhishekaitc visited Swamiji’s birthplace to pay tribute to the great spiritual leader. The gesture reaffirmed a commitment to empowering the youth and upholding the ideals Swamiji stood for.
Here are some poignant moments 👇
The first leg of Sebaashray has set new standards!
In a short span of 10 DAYS, we've served 2,76,229 PEOPLE at the #Sebaashray health camps in Diamond Harbour AC. Today’s extraordinary number of 84,139 patients is proof of how far we've come.
This monumental success wouldn't have been possible without the relentless dedication of our medical team and volunteers who have been working around the clock. Kudos to all those who have made this possible!
The first leg of the #Sebaashray may be complete, but we're just getting started. More ACs, more impact, and more lives touched are on the horizon!
নার্স বর্ণালী দত্ত গণধর্ষণ এবং খুন: ১৯৮২: পশ্চিমবঙ্গ:
৪২ আগে কোচবিহার মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের এক নার্সকে নৃশংস ভাবে খুন হতে হয়েছিল। তাঁকে করা হয়েছিল ‘গণধর্ষণ’। অভিযোগ উঠেছিল তেমনই।
নার্স বর্ণালী দত্ত গণধর্ষণ এবং খুন: ১৯৮২:
সঠিক বিচার হয়নি বলে দাবি নার্সের পরিবারের৷ মূল দোষীরা সাজা পাননি বলে দাবি।সরকার ক্ষতিপূরণ দিয়ে দায় সেরেছিল। আজ থেকে ৪২ বছর আগে ১৯৮২ সালে উত্তর কোচবিহারে এমন এক বিভৎস ঘটনার শিকার হন বালুরঘাটের মেয়ে। গনধর্ষণের পর খুন করা হয়েছিল ওই স্টাফ নার্সকে। ঘটনার পর এলাকার কয়েকজন তরুণ তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্ণালি পরে মারা যান।
ওই সময় এই ঘটনা রাজ্য ছাড়িয়ে দেশ জুড়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছিল।শুধু তাই নয় ওই সময় শোকবার্তা পাঠিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। তৎকালীন মুখ��যমন্ত্রী জ্যোতি বসু দিয়েছিলেন ১০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ। বামফ্রন্ট সেই সময় রাজ্যের ক্ষমতায়। ওই ঘটনায় অভিযুক্তরা শাসকদল ঘনিষ্ঠ ছিল বলে অভিযোগ।
বিষয়টি নিয়ে সেই সময় রাজনৈতিকভাবে বেশ জলঘোলা হয়। তৎকালীন কংগ্রেস নেতাদের দাবি, ওই নৃশংস ঘটনার প্রতিবাদে তাঁরা আন্দোলনে নেমেছিলেন। কিন্তু অভিযুক্তরা সিপিএম ঘনিষ্ঠ হওয়ায় তাদের গ্রেপ্তার করা যায়নি। নার্সের ছোট বোন এখন দক্ষিণ দিনা���পুর জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি। পূর্ণিমার মতে, “১৯৮২ সালের ওই ঘটনা আমাদের পরিবারকে ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছিল। দাদাকে রাজ্য সরকার চাকরি দিয়েছিল ঠিকই, কিন্তু আমার বাবা, দিদির মৃত্যুর শোক সহ্য করতে পারেননি। আমার দিদি প্রতিবাদী ছিল, তাই ওই সময় চক্রান্ত করেই তার উপরে এমন ঘৃণ্য হামলা হয়েছিল।”
কিভাবে ধর্ষণ করে খুন করা হয় বর্ণালী দত্তকে এবং আদালতের ন্যায়বিচার :
সকালে নার্সের প্রতিবেশীরা তারা তাকে নগ্ন, অর্ধমৃত, কথা বলতে অক্ষম, গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তার গলা ফাটানো ছিল। তার গোপনাঙ্গ পুড়ে গেছে।
রাইলের টিউব দিয়ে তার মুখে এক বোতল অ্যাসিড ঢেলে দেওয়া হয়েছিল যাতে সে কখনই তার ধর্ষকদের শনাক্ত করতে না পারে। ধর্ষণের সমস্ত শারীরিক চিহ্ন মুছে ফেলার জন্য একই অ্যাসিড ব্যবহার করা হয়েছিল।
তার বাড়ির টিনের ছাদ সে রাতে তার কান্না গ্রাস করেছিল। বৃষ্টি তখন খুব জোরে। আই���ের দীর্ঘ হাত দশজন লোককে ধরেছিল কিন্তু ন্যায়বিচার অনেক মাইল দূরে ছিল। এই দশজনের মধ্যে তিনজনের দশ বছরের জেল হয়েছে। এরপর তারা উচ্চ আদালত থেকে জামিন পান। বাকি সাতজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়। অপরাধের পিছনে মূল ব্যক্তিরা খুব শক্তিশালী, ক্ষমতাসীন সরকারের খুব ঘনিষ্ঠ বলে অভিযোগ রয়েছে। তাদের ক্ষমতা এবং ক্ষমতায় থাকা লোকেরা তাদের বিচারের অন্ধ চোখ থেকে রক্ষা করেছিল। তার চিৎকার, একবার বৃষ্টি এবং অ্যাসিডের বোতল দ্বারা নীরব হয়েছিল, আবার বিচারের আদালতে নীরব হয়েছিল। কোচবিহারে নার্স বর্ণালি দত্ত ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনায় যারা ধরা পড়েছিল, পরে প্রমাণ হয়েছিল, তারা সকলেই সিপিএম ক্যাডার। এবং ওই ঘটনার পর মুখ্যমন্ত্রী বা স্বাস্থ্যমন্ত্রী তো দূরের কথা, সিপিএমের কোনও নেতার মুখে সামান্য অনুতাপটুকুও শোনা যায়নি বানতলার মতোই কোচবিহারের ঘটনাকেও জ্যোতি বসু তাঁর নীরবতা দিয়েই উপেক্ষা করতে ��েয়েছিলেন।
@CPIM_WESTBENGAL @AITCofficial @kakoligdastidar
@KunalGhoshAgain @ItsYourDev @abhishekaitc
@MamataOfficial @DharDipsita @aishe_ghosh @MinakshiMukher8 @mishra_surjy @Sukhendusekhar
@DrSukantaBJP @Sujan_Speak @salimdotcomrade
@BJP4Bengal @me_locket @paulagnimitra1 @SuvenduWB @shatarupghosh @KBanerjee_AITC
@mondal_arup @IshaniDas11
https://t.co/MW7OKGF9Lk
তোমাকে না পাওয়ার আক্ষেপ,
আমার মনে জেগে থাকে,
অস্পৃশ্য এক স্বপ্ন যেন,
অতলান্ত পথে ডাকে।
কতোবারই হাত বাড়াই,
তবু তুমি দূরে দূরে,
চোখের মাঝে ঝাপসা স্বপ্ন,
আকাশে মেঘ হয়ে ঘুরে।
তোমার ছোঁয়ার অপেক্ষায়,
প্রতিটা রাত ফুরায় না,
তোমার নামের একটুকু হাসি,
তবু যেন আর আসেনা।
আক্ষেপ���র ঢেউগুলো,
তবু আমায় ভাসিয়ে নেয়,
তোমার কাছে না যাওয়ার বেদনাই,
আমার গল্প বুনে যায়।
তবুও এ আক্ষেপ ভালোবাসা,
তোমার স্মৃতির ছায়া ছুঁয়ে,
তুমি না থেকেও আছো পাশে,
এ ভালোবাসা চিরকাল বয়ে।