বিধানসভার ইতিহাসে এই প্রথম। নির্দিষ্ট একজনকে বলতে দেওয়া হবে না।
গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় আমার নাম দিচ্ছেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। অথচ স্পিকার-পোষিত বিরোধী মুখ্যসচেতক আখরুজ্জামান আমার নাম কাটছে। স্পিকার বলছেন ওঁর কিছু করার নেই। আজ স্বরাষ্ট্র বাজেট বিতর্কেও আমার নাম বাদ। আখরুজ্জামান বলছে ওর উপর নির্দেশ আছে আমার নাম কেটে দেওয়ার।
যে নাম কাটছে, সেই আখরুজ্জমান যখন নিজে বক্তৃতা করতে দাঁড়ায়, আমি গিয়ে বলি, 'আমাকে বলতে দেওয়া হবে না কেন?'
তার পরেই দমনপীড়ন শুরু।
মার্শাল দিয়ে বার করে আমাকে আজকের মত সাসপেন্ড করা হল।
এত ভয়???
বিজেপি চাইছে সরকার তাদের, বিরোধীও হবে ওদের পোষা। নির্বিষ ভাষণ। গলায় বকলস বাঁধা বিরোধী। তাই বালিশ চাটনদের তোল্লা আর আমার কন্ঠরোধ।
আমাকে সাসপেন্ডের পর দলের বাকিরা ওয়াকআউট করেন। তারপর সাংবাদিক সম্মেলন।
.@KolkataPolice
Yesterday night I posted a serious matter.
After that, at midnight, a team of goons came at my area, asked about me. According to sources, a police team was also with them. But, as I went out from residence before they came, they couldnt find me. But what is this going on?? These incidents are dangerous.
কাল রাতে তারপর যা হয়েছে।
* গতকালই লিখেছিলাম: রাতে হঠাৎ বিশেষ সূত্রে জানতে পারি কিছুক্ষণ পর আমার বাড়ি আক্রান্ত হবে। আমাকে সভায় যেতে দেওয়া হবে না। আটকে রাখা হবে। আমি বিষয়টি পুলিশকে যুক্ত করে X এ পোস্টও করি।
* আজ লিখছি: খবর ঠিক ছিল। গতকাল মাঝরাতে কুড়ি-পঁচিশজনের একটি বহিরাগত টিম পাড়ায় আসে। আমার খোঁজ করে। পুলিশও হঠাৎ এসে গার্ড রেল বসিয়ে রাস্তার দুদিক বন্ধ করে। ওই রাতে প্রতিবেশীর কাছে আমার খোঁজ নেয়। কেন তারা এসেছিল, আনুষ্ঠানিক কারণ বলেনি। তিন-চারটি গাড়ি ছিল পুলিশের। রাত দুটো নাগাদ এসব হয়েছে পাড়ায়।
* প্রশ্ন হল, তাহলে আমি আজকের সভায় থাকলাম কী করে? জবাব: আমার সোর্সের কাছ থেকে খবর পাওয়ার পরই আমি এক কাপড়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাই। আমার দুই সহকর্মী তাদের গাড়িতে আমাকে তুলে নিয়ে বেরিয়ে যায়। রাতে সভাস্থল, অন্যত্র, তারপর সভায় নির্ধারিত কাজ করেছি। বহিরাগত টিম এবং পুলিশ যখন পাড়া ঘিরেছে, তখন আমি বেরিয়ে গেছি।
* এসব ঘটনা অবশ্যই বিপজ্জনক। এরা আমাকে টার্গেট করে নানা কৌশল সাজাচ্ছে।
* আমার শেষ কথা: চল্ ভাই, দেখা যাবে।
সমাবেশ শেষের পর। সভাস্থলে সন্ধে পর্যন্ত বসে সকলের ফেরা এবং আনুষঙ্গিক কাজকর্ম যাতে মসৃণ থাকে, সেদিকে নেতৃত্বের সমন্বয় রাখা। এবং তারও পরে, গঙ্গার ধারে আধঘন্টার ব্রেক। ভেলপুরী আর চা।
1993, 21 জুলাই-এর শহিদ পরিবারেরা @MamataOfficial মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শহিদতর্পণ মঞ্চে। তাঁদের প্রণাম। এই মঞ্চটিই যে তর্পণের প্রকৃত মঞ্চ, শহিদপরিবারগুলিই তা প্রমাণ করে দিলেন।
21 জুলাই @MamataOfficial মমতাদির আহ্বানে শহিদতর্পণ সমাবেশের কিছু মুহূর্ত। বিড়লা তারামন্ডলের কাছে। 2012র পর আবার সঞ্চালকের দায়িত্বে। নেত্রী এবং @AITCofficial দলকে এই সৈনিকের তরফ থেকে ধন্যবাদ।
.@KolkataPolice@CPKolkata
Just got the information that some goons will attack my residence from 6:30am, so that I can't go out to attend party programme. If I try to go out, they will attack me physically.
Please communicate this to Narkeldanga PS, DC ESD and related police units to ensure security.
এখন গভীর রাতে বিশেষ সূত্রে আমি খবর পেলাম সকাল 6:30র পর থেকে আমার বাড়িতে পরিকল্পিত হামলা করা হবে। আমাকে কোনো অবস্থায় আজ বেরিয়ে সভায় যেতে দেওয়া হবে না। বেরোতে গেলে শারীরিক আক্রমণ করা হবে। সন্ধেয় একজনের বাড়িতে ছজনের আলোচনা এবং ফোনে আর দুজন, এই পরিকল্পনা নিয়েছে।
.@CPKolkata
Just now some criminals came to our meeting spot, tried to attack and damage.
Ensure proper security.
Those, who are scared of @MamataOfficial and @AITCofficial, trying to disturb our meeting. Deeprooted conspiracy is going on.
We are organising the meeting according to HC order. How can political criminals attack the preparation? What is police doing?
They have tried to damage stage, mike lines; threaten workers to stop work. Used bad languages. After protest from our workers they left the place. What is this going on?
Police should send adequate force with responsible officers so that no untoward incident cant take place.
Our opponents are scared. So they are trying to disturb our meeting.
Hope Kolkata Police will perform their duty and act urgently.
21 জুলাই অ্যালবাম। 2011 ব্রিগেড। ভরা বর্ষায় জলকাদায় খুব অসুবিধে হয়েছিল সহকর্মীদের। 2012তে আবার ধর্মতলা। প্রতিবারই জনসমুদ্র। আগামীকাল 2026-এর শহিদতর্পণও সফল হবে। যদি কেউ প্রকৃত তৃণমূলকর্মী হন, যদি শরীরে বেইমানির রক্ত না থাকে, তাহলে মঙ্গলবার সবার গন্তব্য বিড়লা তারামন্ডল, মমতাদির ডাকে শহিদতর্পণের সমাবেশে।