আপনার কাছে যদি মুরগির ঝোল আর সাদা ভাত বেশি ভালো লাগে তবে আপনি সেটাই খান! গার্লফ্রেন্ড বা বয়ফ্রেন্ডের চোখে স্মার্ট সাজার জন্য চাইনিজ অর্ডার করার দরকার নাই!🌸
নারীর লজ্জা হচ্ছে লজ্জাবতী গাছের ��তো।
হাত লাগলেই শেষ।
সেইটা স্বামীর হাত হোক বা অন্য কোনো পুরুষের।
এই হাত লাগা শুধু শারীরিক স্পর্শে না,
পুরুষের সঙ্গতায়ও নারীর লজ্জা কেটে যায়।
.
যে মেয়ে যত বেশি পুরুষের সংস্পর্শে যাবে,
তার লজ্জা তত কমবে।
.
যেমন-চিত্র নায়িকারা।
বিকিনি পড়তেও দ্বিধা করেনা।
পুরুষের মাঝে থেকে চক্ষু লজ্জা উঠে গেছে।
.
কনজারভেটিভ ফ্যামিলির মেয়েকে ওড়না ছাড়া
দাঁড়াতে বললেও সে লজ্জায় মরে যাবে।
.
ইদানিং ফেসবুক এই লজ্জা নিবারণের
ভূমিকা পালন করছে।-
ফেসবুকে বন্ধু বেশি।
.
অতি-আধুনিকরা ছেলে বন্ধুর সঙ্গে
পিরিয়ড নিয়ে কথা বলে।
ফ্ল্যার্ট করতে গিয়ে শরীর নিয়ে নগ্ন কথা
বলে- মাইন্ড করলে বলে '' জাস্ট
কিডিং, টেক ইট ইজি।'
.
ইজিলি নিতে নিতে সেই অশালীন
বিষয় আর অশালীন লাগে না।
লজ্জা শেষ !
.
আবার ফেসবুকে প্রেমিক বেশি!!
কেউ প্রেমে পড়েছে তো,
প্রেমিক রোমান্সের ছলে অশ্লীল কথা বলে।
স্বামীর মতো।
এরপর ব্রেকআপ হয়।
আবার কারো প্রেমে পড়ে।
আবারো চুম্মা-চাটি,আরো কত কি করে !!
.
আবার ব্রেকাপ।
.
লজ্জা -শরমের মাথা খেয়ে মেয়েটা এক সময় নির্লজ্জ
হয়ে যায়।
.
'প্রেম নারীর লজ্জাশীলতাকে গ্রাস করে,
পুরুষের সব বিলীন হয়ে যায়।
.
নারীর কাছে পুরুষের উপস্থিতি ইয়াবার মতো।
প্রথমে একটা খেলেই পিনিক আসে।
পরে ২০-২৫ টা খেলেও কাজ হয় না।
ব্যস !
এক সময় পুরুষের প্রতি ফিলিংস কাজ করেনা।
.
প্রেমিকের ভালবাসা তার কাছে পানসে লাগে।
.
একটার পর একটা পুরুষ বদল করে।
কিন্তু স্থির হতে পারে না।
.
জানাশোনা শেষ হলেই - আর ভালো লাগে না।
বোরিং লাগে।
.
কারণ, ডিফারেন্ট টেস্ট নিতে নিতে ভালবাসার
অনুভূতিই শেষ !
.
মুরব্বীরা বলতেন বিয়ের পরে মেয়ের
লজ্জা কমে।
বাচ্চা হবার পরে আরো কমে যায়।
তখন বুঝতাম না।
ভাবতাম লজ্জা 'ফোঁড়ার' মতো কিছু।
বিয়ের পরে গলে যায়।
tongue emoticon
.
এখন বুঝি।
আগে মেয়েদের কাছে স্বামীই ছিলো পুরুষ।
তাই বিয়ের পরের কথা এসেছে।
.
এখন বিয়ে লাগে না পুরুষের কাছে
আসতে- ফেসবুক হলেই চলে।
ফেসবুক সেই স্বামীর ভূমিকা পালন করে।
.
লেখাটি না বুঝলে আরেকবার পড়ুন,
তারপরে মন্তব্য করুণ।
.
প্রিয় 🌸
অপেক্ষা বোঝো?
তীব্র অভিমানে মুখ ফিরিয়ে ��িয়েও বার্তা পাবে না জেনেও আকুলতায় একটি বার্তার আশায় বসে থাকার নাম অপেক্ষা। ঐ যে, সন্ধ্যা নামলে যে পাখি নীড় হারায়, সে পাখি দ্বিকবিদিক ছুটাছুটি করে ঘরে ফেরার তাড়া নিয়ে। ঘর খুঁজে পাবে না জেনেও সে উড়তে থাকে আকাশে।
প্রিয় 🌸
অসহায়ত্ব বোঝো?
যে প্রেম জুটেনি কপালে, যে আদরে হৃদয় পুড়ে অঙ্গার, সেই প্রেম আর আদর পেতে পায়ের কাছে বসে থাকার নাম অসহায়ত্ব! যে কুকুর খাবার পায় তিনবেলা, সেও তো অবহেলা নিতে পারে না।
প্রিয় 🌸
উপেক্ষা বোঝো?
যে জিনিসে মানুষের আগ্রহ কমে যায়, মানুষ আর ফিরেও তাকায় না কখনো, তার নাম উপেক্ষা। উপেক্ষায় পড়ে থাকার যন্ত্রণা বোঝো?
প্রিয় 🌸
নীরবতার ভাষা বোঝো?
বলার অনেককিছুই থাকে, শুধু বলতে গিয়ে গলায় আঁটকে যাওয়ার নামই নীরবতা। অপেক্ষা,অবহেলায় পড়ে থেকে মানুষ নীরব হয়ে যায়!
তুমি তো সবই বোঝো। শুধু বোঝো না, কেউ থাকার পরেও একা লাগার যন্ত্রণা। ���োঝো না, ভালো থাকার একমাত্র অবলম্বন হারিয়ে ফেলার বেদনা, মানুষ হয়ে জন্মেও কুকুরের মতো অবহেলা পাওয়ার অসহায়ত্ব!
ঐ যে সঙ্গী হারানো ডাহুক পাখির চিৎকার–কান্না, তুমি তো বোঝো না। তুমি মৃ ত্যু দেখো, ভালোবেসে মানুষের হৃদয়ের মৃ ত্যু! এসব দেখে দেখে অভ্যস্ত তুমি। শুধু আমায় দেখো না, শুধু আমায় বোঝো না!