@ShafChowdhury@MushfiqulFazal Need free and fair election under caretaker government. Without caretaker government free and fair election not possible under Sheikh Hasina.
The politically motivated verdict against @AdilurKhan underscores the legitimacy of his documentation of human rights violations under Sheikh Hasina regime. Regrettably, it justifies our ongoing struggle and sacrifice for democracy, rule of law, and human rights in Bangladesh.
ভোট দিতে না পারার
অক্ষমতায় রাজনীতির প্রতি
তরুণদের অসন্তোষ বাড়ছে
———
পিটার হাস
বাংলাদেশের তরুণদের রাজনীতির প্রতি অসন্তোষ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে। এর পেছনের কারণের মধ্যে রয়েছে—বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক সহিংসতা, দুর্নীতি, বাক্স্বাধীনতায় বাধা, যে দল ক্ষমতায় থাকে তাদের একচেটিয়া ছাত্ররাজনীতি, রাজনীতিবিদ ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার প্রতি আস্থার অভাব এবং ভোট দিতে না পারার অক্ষমতা। ��রুণদের ভাষ্য তুলে ধরে এ মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস। গণতন্ত্রের চর্চার জন্য সোচ্চার হতে তরুণদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
বুধবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৩, বিকেলে বনানীর একটি হোটেলে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল আয়োজিত জাতীয় যুব সম্মেলনে বক্তব্যে এসব কথা বলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন তখনই সম্ভব, যখন ���ব ধরনের মানুষ ভূমিকা পালন করতে পারে ও ভূমিকা পালনের সুযোগ পায়। নাগরিকদের প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারা রাজনৈতিক দল ভোটে হেরে যায়।
‘যুব আলোচনা: নাগরিক প্রত্যাশা’ শিরোনামে এই সম্মেলন বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা তরুণেরা তাঁদের মতামত তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের ��ভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফরুল্লাহ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান এবং জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ফখরুল ইমাম।
দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে অতিথির বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বলেন, নাগরিকদের প্রত্যাশাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। এর সঙ্গে রাজনীতি ও নির্বাচন যুক্ত। রাজনৈতিক দল তাদের পরিকল্পনা নাগরিকদের কাছে তুলে ধরে এবং নাগরিকেরা সিদ্ধান্ত নেন কোন দল তাঁদের জন্য ভালো ও সে অনুযায়ী ভোট দেন। যে দল নাগরিকদের অগ্রাধিকারকে গুরুত্ব দিতে ব্যর্থ হয়, সে দল ভোটে হেরে যায়। ভোটে জেতা ও হারা—এ দুটো বিষয়ই কার্যকর গণতন্ত্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
নতুন চিন্তাভাবনা নিয়ে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে পিটার হাস বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে ছাত্ররাজনীতির ভূমিকা সবাই জানে। বাংলাদেশের ভিত্তি মজবুত করেছে ছাত্ররাজনীতি। তবে এই অনুষ্ঠানে তিনি শুনেছেন, রাজনীতিতে তরুণদের অংশগ্রহণের সংস্কৃতি কমে যাচ্ছে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক সহিংসতা হচ্ছে। দুর্নীতি, বাক্স্বাধীনতায় বাধা থাকায়, রাজনীতিবিদ ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় আস্থা হারিয়ে যাওয়ার কথা বলছেন তরুণেরা। এসব কারণে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় অসন্তোষ বাড়ছে তরুণদের।
মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, আগামীর পথচলাকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন তরুণেরা। তাঁরা নতুন নতুন ধারণা নিয়ে আসবেন। তরুণদের দায়িত্ব এই পরিস্থিতিতে পরিবর্তন করা। তরুণদের কণ্ঠ ও উদ্যোগে তাঁরা যেমন বাংলাদেশ দেখতে চান, তা গড়ে উঠবে। তরুণেরা এগিয়ে এলেই প���িবর্তন আসবে। সহিংসতামুক্ত বাংলাদেশ গড়ে উঠবে। রাজনৈতিক নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে পিটার হাস বলেন, ‘রাজনৈতিক দলের ভেতরে গণতন্ত্রের চর্চার জন্য আপনারা সক্রিয় হোন। আপনারা সোচ্চার হলে দল তরুণদের দাবির প্রতি আগ্রহ দেখাতে শুরু করবে।’
ভুয়া তথ্যের বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়ে পিটার হাস বলেন, তাঁর অফিশিয়াল কোনো টুইটার অ্যাকাউন্ট নেই। অথচ তাঁর নামে অনেক মন্তব্য সেখানে পোস্ট করা হয়। এমন এমন জায়গায় তাঁর যাওয়ার ছবি প্রকাশ করা হয়, যেখানে তিনি যাননি। এটা শুধু তাঁর সঙ্গে নয়, অনেকের সঙ্গেই হচ্ছে। তরুণদের এসব ভুয়া তথ্যের উৎস চিহ্নিত করে তা বন্ধ করতে হবে।
��নুষ্ঠানে তিনটি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণকে স্বাগত জানিয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, বিরোধিতা থাকা সত্ত্বেও তাঁরা এসেছেন, এটা প্রশংসনীয়। সমাজে সমস্যাগুলো একে–অপরের সঙ্গে কথা না বলে সমাধান করা কঠিন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বলেন, এখন দেশে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে তরুণেরা রাজনীতিতে আসতে ভয় পাচ্ছেন। তাঁদের মনে প্রশ্ন—কেন ২০১৪ ও ২০১৮ সালে ভোট দিতে পা���েননি?
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফরুল্লাহ বলেন, ছাত্র অবস্থায় তাঁরা অনেকেকে দেখেন যে ১০ বছর আগে যিনি ভ্যানগাড়িতে চড়তেন, রাজনীতি করে তিনি এখন পাজেরো চালাচ্ছেন। ফলে রাজনীতি নিয়ে তরুণদের মধ্যে এক ধরনের দ্বিধা কাজ করে। রাজনীতির মধ্যে কীভাবে ঢুকবেন, একবার ঢুকে গেলে হয়তো বের হতে পারবেন না।
জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ফখরুল ইমাম বলেন, ভোটের মাধ্যমে তরুণেরা সমা��কে একটি কাঠামো দিতে পারেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের চিফ অব পার্টি ডানা এল ওল্ডস।
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক আর দুদকের সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ চৌধুরীকে কানাডায় বাড়ি কিনে দেন পিকে হালদার কলকাতার আদালতে দেয়া পিকে হালদারের জবানবন্দি এ তথ্য রয়েছে।
@StateDept@USTreasury@usembassydhaka
ভিসা আবেদন জয��� বাংলা হয়েছে অতিরিক্ত আইজিপি (হাইওয়ে) শাহাব উদ্দিন খানের। মেয়েকে দেখতে মহারাজের আর যাওয়া হচ্ছে না মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। যদিও বলে বেড়াচ্ছেন মার্কিন
ভিসার আবেদনই করেন নাই আর যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার ইচ্ছাও নাই। এবার হিসাব মেলান কেনো যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার ইচ্ছা নাই 😀😀
BAL is creating howcow after a selfie with President Baiden! News claims, Hasina managed
@POTUS with this selfie? Why they r exaggerating with trivial things? If taking a selfie can change the state policy, what happened to Gaddafi after pictures with Obama! Then all are history!