ইরানের মিসাইলের রেঞ্জের বাইরে আমেরিকা, কিন্তু রেঞ্জের ভিতরে আছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ গুলো। এরা সবাই তো মুসলিম, কিন্তু তাদেরকেই কেন ইরান মারছে। সব মুসলিম দেশ গুলো এক হয়ে ইরানে অ্যাটাক করলে তো ইরান আরো সহজেই দূর্বল হয়ে পরবে যুদ্ধে।
ইরানের পার্স গ্যাসফিল্ডে ইসরায়েল হামলা করার পর, আজ ইরান মধ্যপ্রাচ্যের এনার্জি সেক্টর গুলোতে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে। এটা অবশ্য তারা আগেই ওয়ার্নিং দিয়ে রেখেছিলো। আমরা শেষ মানে পুরো মধ্যপ্রাচ্যের সর্বোচ্চ ক্ষতি আমরা করব। কিন্তু কেন?
আলি লারিজানি শহীদ হওয়ার কিছু দিন আগেই একটা চিঠি লিখেছিলেন - ইরান বড় শয়তান আর ছোট শয়তানের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ চালিয়ে যাবে। কিন্তু একটা বড় প্রশ্ন: নবীজি (সা.) বলেছেন, “যদি কোনো মুসলিম ফরিয়াদ করে আর তোমরা তার ডাক�� সাড়া না দাও, তাহলে তোমরা মুসলিম নও।” এটা কোন ইসলাম? এটা কেমন মুসলমানি?
খুব কম ইসলামী দেশ ছাড়া আর কোনো ইসলামী দেশই ইরানের মানুষকে সত্যিকারের সাহায্য করেনি, এমনকি রাজনৈতিকভাবে ও পাশে দাঁড়ায়নি। শয়তানদের হামলার নিন্দা ও জানায় নি।
তোমরা ভবিষ্যতের কথা ভাবো। তোমরা জানো আমেরিকা তোমাদের সাথে কোনো বিশ্বাস রাখবে না—তারা তোমাদের সাথে থাকবে না। ইসরায়েল তো তোমাদের শত্রু। নিজেদের আর অঞ্চলের ভবিষ্যত নিয়ে একটু চিন্তা করো। ইরান তোমাদের শুভাকাঙ্ক্ষী।
যদি পুরো মুসলিম উম্মাহ একসাথে পুরোপুরি ঐক্যবদ্ধ হয়, তাহলে সব ইসলামী দেশের নিরাপত্তা, উন্নয়ন আর স্বাধীনতা নিশ্চিত করা যাবে।
আল্লাহর একজন বান্দা,
আলি লারিজানি।
এই চিঠির মূল উদ্দেশ্য ছিলো - তোমরা সাইড চুজ করো। হয় তোমরা মুসলমানদের পক্ষে, অথবা শয়তানদের পক্ষে দাঁড়াও। যদি তোমরা শয়তানদের সাইড চুজ করো, নিরব থাকো, তোমাদের আকাশ ও ভূমি শয়তানদের ব্যবহার করতে দাও। তাহলে তোমরা ও আমাদের কাছে শয়তানদের অনুসারী। আমরা তোমাদের সর্বোচ্চ ক্ষতি করে যাব। কারণ তোমার আমাদের হাতের নাগালে।
সবাই জানে - একজন একজন করে একদিন সবার টাইম'ই আসবে। এমনকি ইরানের পর তুর্কি, যা ইসরায়েল প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়ে রেখেছে। কিন্তু তারা শুধু টাইম বাইয়িং করে যাচ্ছে।
আজ যদি মধ্��প্রাচ্য-ইরান-তুর্কি-মিশর-পাকিস্তান এক হয়ে লড়াই করতো, তাহলে শয়তানরা পিছু হটতে বাধ্য হত। টেকনোলজি এবং গোলাবারুদের ও কোন কমতি ছিলো না, ৫৭ টা মুসলিম দেশ মিলে নিজেদের মধ্যে ব্যবসা-বানিজ্য সব'ই করতে পারত। আল্লাহ দেয়া তেল-গ্যাসের ও কোন কমতি ছিলো না। কিন্তু তারা মাথানত করে ফেললো বড় ও ছোট শয়তানের কাছে।
#IranWar
Children’s Blood and the White Gloves of Diplomacy
History is full of chapters of hypocrisy -
but rarely has cruelty been so stark
that children’s blood hasn’t even dried
before a “Children in Conflict” conference is presided over.
When a school lies in ruins,
when dusty red soil covers pencils and notebooks,
when mothers scream names while clearing rubble -
international politics searches not for justice,
but for “statements.”
Global powers now pose as teachers of morality,
yet in their hands are the weapons
that pierce the chests of the young.
On one side missiles,
on the other, speeches about human rights -
two faces of the same coin.
The greatest danger is this:
double standards have become normal.
Children’s deaths are reduced to diplomatic jargon:
“unintended casualties,”
“regrettable collateral damage,”
“complex security circumstances.”
But history does not forgive so easily.
The chambers where children’s futures are discussed
will one day have questions etched on the walls:
Who made the weapons?
Who authorized them?
Who remained silent?
Humanity cannot be selective.
Children’s lives do not carry different values depending on friend or foe.
If you truly wish to protect them —
first break the hypocritical ethics that prop up the machinery of war.
Before you speak their names,
wash your hands -
for history does not easily erase bloodstains.
@UN
#ChildrenInConflict
#StopKillingChildren
#NoMoreWar
#AccountabilityNow
#EndTheHypocrisy
#JusticeForChildren
#WarCrimes
#ProtectChildren