আজ ১���ই আগস্ট-এক ভয়াল স্মৃতি বিজড়িত দিন। এই দিনেই পশ্চিমবঙ্গ দেখেছিল ‘দ্য গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং’-এর বিভীষিকা, যখন মুসলিম লীগের সোহরাওয়ার্দীর নির্দেশে কলকাতার রাজপথ সনাতনীদের রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল। কিন্তু এই দিনটি আজ বিদ্রূপের চরম সীমায় পৌঁছে, এই দিনটিকেই তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘খেলা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন। হ্যাঁ, খেলা তো হচ্ছে, সনাতনী নিধনের খেলা।
সেই কালো দিনের প্রতিচ্ছবি আজ আবারও ফিরে এসেছে।মুখ্যমন্ত্রী মমতার কার্যকলাপে তারই যেন এক ভয়ঙ্কর প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠছে। আজ প্রায় আট দশক পর, আবারও সেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটতে চলেছে।
৩০ শতাংশ ভোটব্যাঙ্ক��ে শক্তিশালী করার জন্য পশ্চিমবঙ্গের বাকি ৭০ শতাংশ সনাতনীরা আজ চরম বিপদগ্রস্ত। গত এক বছরের ঘটনাক্রম এর প্রমাণ। গার্ডেনরিচ থেকে ডায়মন্ড হারবার, পূজা মণ্ডপে হামলা, প্রতিমা ভাঙচুর, কালীপুজোয় বাজির বদলে বোমা,সবকিছুর পেছনেই মমতার প্রিয় দুধেল গাইদের হাত।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য অনুযায়ী, যারা কাপুরুষ, তারা নাকি কাফের। কাফের শব্দের অর্থ কী, তা কি জানেন? কোরআন না মানলে তাকে কাফের বলা হয়। অর্থাৎ, সমস্ত অ-মুসলমানরাই কাফের! এর থেকে স্পষ্ট যে, মমতার একমাত্র লক্ষ্য হলো সনাতনপন্থীরা। তাঁর কার্যকলাপ আসলে পশ্চিমবঙ্গের এক ভয়াবহ পরিস্থিতি তুলে ধরছে, যেখানে সনাতনী সমাজের অস্তিত্বই আজ প্রশ্নের মুখে। এই ‘খেলা’ আর কতদিন চলবে? এই অবক্ষয় ��ুখতে হবে আমাদেরকেই।
দেশ বিভাজনে লক্ষ লক্ষ বাঙালি রাতারাতি ভিটে-মাটি, প্রিয়জন ও শেকড় হারিয়ে শূন্য হাতে শরণার্থী হন। ক্ষুধা,তৃষ্ণা, অনিশ্চয়তা আর মৃত্যুভয় পেরিয়েও তাঁরা টিকে ছিলেন ��াহসে। ভিডিওতে শুনুন বিভাজনের বিভীষিকা থেকে বেঁচে ফেরা এক বাঙালির অশ্রুভেজা গল্প। তাঁদের ত্যাগ ও সাহসকে জানাই শ্রদ্ধা
PM Shri @NarendraModi Ji is the Defender of India.
The Congress, on the other hand, represents the surrendering forces of the country.
#OperationSindoorDebate