একাত্তরের পরাজিত শক্তির দোসররা আবারও নৈরাজ্য সৃষ্টির পাঁয়তারা চালাচ্ছে।।
ভোটকেন্দ্র পাহারা দেওয়ার জন্য বাঁশের লাঠিতে তেল মাখিয়ে রাখার নির্দেশ দেওয়ায় চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী রুহুল আমিনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।
বেশিরভাগ বাংলাদেশি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের অসততার শুরুটা হয় নির্বাচনী হলফনামা দাখিলের মাধ্যমে। অসততা যে কারণে উল্লেখ করলাম, তা হলো স্ট্যাম্প পেপারে স্বাক্ষর করে সজ্ঞানে তাঁদের অনেকেই সম্পদ ও নিজ উপার্জনের অসত্য সব তথ্য দাখিল করেন।
এটা একটা গুরুতর সমস্যা।
ধরুন একজন ব্যক্তির ঢাকায় একটা বাড়ি আছে, তিনি মূল্য দেখালেন ৩০ লক্ষ টাকা, কিন্তু বাস্তবে বাড়ির মূল্য ৫ কোটি টাকা। আবার কেউ বললেন তাঁর তিনটি ফ্ল্যাটের মূল্য ৭০ লক্ষ টাকা, যেখানে প্রকৃত মূল্য ৩ কোটি টাকা। আবার কেউ বলেন তাঁদের আসবাবপত্রের মূল্য ৪০ হাজার টাকা, যেখানে তাঁর বেড রুমেই হয়তো ৪ লক্ষ টাকার আসবাব রয়েছে। স্বর্ণের উচ্চমূল্য থাকা সত্বেও কেউ দাবি করে বসেন ১০ ভরি স্বর্ণের দাম নাকি ১ লক্ষ টাকা।
যিনি প্র্যাডো ছাড়া রাস্তায় নামেন না, ফাইভ স্টারে প্রতি সপ্তাহে সপরিবারে ডিনার করেন আর দুই-তিন মাস পরপর বিদেশ ট্রিপ দেন। তিনি দাবি করেন তাঁর বছরে উপার্জন নাকি ৩ লক্ষ টাকা। নিজের দ্বৈত নাগরিকত্ব বহাল রেখে বেমালুম মিথ্যা তথ্য দিয়ে বলেন তাঁর আর কোন দেশের নাগরিকত্ব নাই।
জনপ্রতিনিধিত্বের শুরুটাই যদি হয় মিথ্যা এবং অসততার মাধ্যমে, তাহলে বাকি পথটা যে কিভাবে যাবে সেটা বুঝতে নিশ্চই সমস্যা হয়না?
নির্বাচন কমিশনের যে বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা উচিত ছিলো তা হলো, প্রতিটি মনোনয়নপত্রের সাথে দাখিল করা হলফনামার তথ্য সঠিক কিনা সেটা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করা, এবং অসামঞ্জস্যপূর্ণ তথ্য প্রদানকারীদের প্রার্থীতা বাতিল করা।
উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রাজনীতিবিদ যখন অসৎ প্রবণতা ধারণ করেন, তখন স্বাভাবিকভাবেই সময়ের সাথে সাথে তাঁরা দু্র্নীতির সাথে সম্পৃক্ত হয়ে পড়েন।
দুর্নীতির মূল উৎপাটনে সৎ মানসিকতার রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জঙ্গী সুদির শাসন আমলে
খাল-বিল-নদী-নালাতে মাছের পরিবর্তে লাশ পাওয়া যায়
জেলেরা মাছ ধরতে গিয়ে লাশ ভাসতে দেখতে পায়
তারপর জেলেরা জাল ফেলে মরাদেহ উদ্ধার করে
নু নু সে র অন্ধকার যুগীয় শাসনে চলছে গণহত্যা।।
@bbcbangla@sajeebwazed@TulipSiddiq@albd1971
অথর্ব ইউনুসের অপশাসনের স্বরুপ দেখুন।খোদ রাজধানীর কারওয়ান বাজারে চাদাবাজদের বিরুদ্ধে ব্যাবসায়ীদের মানববন্ধনে চাঁদাবাজরাই হামলা করে পুলিশের সামনেই ব্যাবসায়ীকে বেধড়ক পেটাচ্ছে!এটাই দেশের বর্তমান পরিস্থিতি!
দেশ বাচাতে এক হোন।
#হটাওইউনুসবাচাওদেশ
সংযুক্ত পাসপোর্টের তথ্য অনুযায়ী এটি ইস্যু করেছে তুরস্ক এবং সেই সূত্রে একুশে পদকে ভূষিত জনাব মাহমুদুর রহমান তুরস্কের নাগরিক। কিছুদিন আগেও এই পাসপোর্ট ব্যবহার করে তিনি ভ্রমণ করেছেন।
যে কারণে এই পোস্টটি করা, তা হলো, ঠিক কোন পদ্ধতিতে তিনি তুরস্কের নাগরিকত্ব পেয়েছেন? এটি পাওয়ার জন্য তিনি কত কোটি টাকা ব্যয় করেছিলেন? আর অর্থ ব্যয় না করলে কেন বা কি কারণে তুরস্ক সরকার তাকে দেশটির নাগরিকত্ব দিয়েছে?
আমার দেশ সম্পাদক ও নিজেকে মাজলুম সাংবাদিক দাবি করা মাহমুদুর রহমান বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে ২০১৮ সালে মালয়েশিয়া যাবার পর থেকে ২০২৪ এ তুরস্কের নাগরিক হিসেবে দেশে ফেরার আগ পর্যন্ত বিভিন্ন দেশে থাকলেও কোথাও কোন চাকরি বা অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক কোন কাজকর্ম তিনি করেন নাই বলে জানা যায়।
ধরে নেয়া যায় এই সময় তার খরচের টাকার উৎস ছিল জমানো অর্থ বা তার পরিবার এবং কাছের মানুষরা। কিন্তু ২০২০ সালে তুরস্কের নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্যে যে পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করতে হয় সেটা কি তিনি বৈধ চ্যানেলে বাংলাদেশ হতে নিয়েছেন? নাকি কোন বিশেষ সংস্থা বা গোষ্ঠী তাকে এই পাসপোর্টটি পুরস্কার হিসেবে প্রদান করেছে?
বাংলাদেশ থেকে পাসপোর্টে বিনিয়োগের জন্যে কোটি-কোটি টাকা বিদেশে পাঠানোর কোন সুযোগ নেই। তাহলে কোন পদ্ধতিতে ওনার কাছে এত টাকা টাকা পাঠানো হয়েছিলো? হুন্ডি করে? অন্যদের দুর্নীতির সবক দেওয়া এই সত্যবাদী যুধিষ্ঠির তাহলে কি দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে হুন্ডি করে দেশের অর্থ বিদেশে পাচার করেছেন?
আশা করি মাহমুদুর রহমান এই বিষয়গুলো খোলাসা করবেন।
চট্টগ্রামে বিচারকের গানম্যানকে আটক করে ৯০ হাজার ইয়াবা গায়েব, কাঠগড়ায় বাকলিয়া থানা পুলিশ : বিষ্ফোরক অনুসন্ধানে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য — মাজেদুল ইসলামের প্রতিবেদন।
কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারকের গানম্যানকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ আটক করার পরও তাকে ছেড়ে দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে চট্টগ্রামের বাকলিয়া থানা পুলিশের বিরুদ্ধে। এমনকি আটককৃত ইয়াবাগুলোও গায়েব করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত ৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ সোমবার রাত দেড়টা থেকে ৩টার মধ্যে। এ ঘটনায় কেউ সরাসরি কথা না বললেও সিএমপিতে ব্যাপকভাবে আলোচনা চলছে। তবে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য।
ঘটনার দিন দেশ ট্রাভেলসের রাত ১০টা ১৫ মিনিটের গাড়িতে কক্সবাজারের কলাতলী কাউন্টার থেকে টিকেট কেটে ঢাকাগামী বাসের ই-ওয়ান সিটে ওঠেন কনস্টেবল ইমতিয়াজ, যিনি কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারকের গানম্যান।
যদিও টিকেটে তার যাত্রা শুরুর স্থান চকরিয়া লেখা রয়েছে। টিকেটে প্রদত্ত নম্বরটি ঢাকা ধামরাই এলাকার জনৈক বাহারউদ্দিন নামে এক ব্যক্তির এনআইডি ব্যবহার রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে। এ যাত্রার সময় তিনি বিচারক কিংবা কক্সবাজার জেলা পুলিশ থেকে ছুটিও নেননি।
বাসের সুপারভাইজার মিজান জানান, ওইদিন কর্ণফুলী ব্রীজ পার হওয়ার পর বাকলিয়া থানার চেকপোস্টে গাড়ি তল্লাশির সময় ইমতিয়াজ নামে যাত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তিনি নিজেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পরিচয় দেয়ার পর তাকে পুলিশ বক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে পুলিশ এসে গাড়ির বক্স থেকে ওই যাত্রীর ২টি ব্যাগ নিয়ে যায়। সেখানে লাগেজে তালা মারা ছিল। ৩০ মিনিট পর ইমতিয়াজকে রেখে বাসটিকে চলে যেতে বলা হয়। সেদিন আরও ৩টি স্থানে ওই বাসকে তল্লাশি করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
ইমতিয়াজের পেছনের সিটে থাকা যাত্রী জানান, পুলিশ সদস্যরা এসে তার সামনের সিটের যাত্রীকে গাড়ি থেকে নামিয়ে নিয়ে যায়। এরপর ওই যাত্রীকে ছাড়াই গাড়ি ঢাকা চলে যায়।
পুলিশের সূত্র বলছে, ওই দিন পুলিশ সদস্য ইমতিয়াজের সাথে থাকা ব্যাগে ৯০ হাজার পিস ইয়াবা ছিল।
যদিও ঘটনার দিন ইমতিয়াজ নামে কোন পুলিশ সদস্যকে তল্লাশী ও ইয়াবা গায়েবের কথা পুরোদমে অস্বীকার করে আসছেন অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তারা।
বাকলিয়া থানা পুলিশের মতোই নিজের পরিচয় অস্বীকার করেছেন পুলিশ সদস্য ইমতিয়াজ হোসেনও। তবে এক পুলিশ সদস্যের কাছে স্বীকার করেছেন সেদিন তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল ইয়াবা। তাকে পুলিশ বক্সে নেয়ার পর সেখানে সিভিল পোশাকে ওসি তদন্ত তানভীর আহমেদ,সেকেন্ড অফিসার আল আমিন, আরেকজন এসআই ,তিনজন এএসআই ,পুরুষ কনস্টেবল একজন এবং দুইজন মহিলা কনস্টেবলসহ সোর্স ছিলেন।
একটি জব্দ তালিকা তৈরী করা হয় এবং তার কাছ থেকে জবানবন্দী নিয়ে সেটিতে স্বাক্ষর করানো হয়।
পরে কারও কাছে এবিষয়ে না জানানোর শর্তে কয়েক ঘন্টা পর তাকে কুমিল্লাগামী বাসে তুলে দেয় বাকলিয়া থানা পুলিশ।
কনস্টেবল ইমতিয়াজের ব্যক্তিগত নম্বরের ডেটা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, তিনি গত ১৩ অক্টোবর কক্সবাজার থেকে ঢাকা গিয়েছেন। আবার ১৭ অক্টোবর কক্সবাজার চলে আসেন। পরের মাসে ১৫ নভেম্বর কক্সবাজার থেকে ঢাকা যান। ১৭ নভেম্বর চলে আসেন। আবার ২২ নভেম্বর ঢাকায় যান এবং ২৪ নভেম্বর কক্সবাজার ফিরে আসেন। সবশেষ গত ৮ ডিসেম্বর রাতে কক্সবাজার থেকে ঢাকার বাসে উঠেন ইমতিয়াজ। তবে কর্ণফুলী ব্রিজের চেকপোস্টে আটক হন তিনি। এরপর মুক্ত হয়ে চলে যান গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায়।
পুলিশের বিরুদ্ধে মাদক পাচারকারীকে সহায়তা এবং আলামত গায়েবের এই গুরুতর অভিযোগ এখন টক অব দ্য টাউন। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি নিয়ে ক্যামেরার সামনে কথা না বললেও, বিষয়টি গড়িয়েছে আদালত পর্যন্ত।
মঙ্গলবার চট্টগ্রামের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এস এম আলাউদ্দিন মাহমুদ গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলা করেন। আদালত আগামী ১২ জানুয়ারির মধ্যে সিএমপির উপ-কমিশনারকে (দক্ষিণ)- তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।