The sky’s the limit.
Earn respect, not attention.
Failure is not an option; success is a necessity.
Work all day to achieve the dreams you see all night.
A 5 minute traffic jam at a signal, and this man, sitting on a bike, pulled out his laptop and started working.
Even after an 8 hour job, he still has to work on the way home. That probably means he'll continue working even after reaching home.
People have slowly turned into machines in India.
বিজ্ঞান বা প্রযুক্তি নয়..আমরা একটা প্রথম বিশ্বের দেশের থেকে পিছিয়ে আছি শুধুমাত্র শিক্ষা..সহবত আর মানসিকতার কারণে! আমি ইউরোপের ট্রেনে বা জাপানের ট্রেনে যখন সফর করেছি ,তখন সেই সব সহ যাত্রীদের ব্যবহা�� আর আমাদের দেশের সহ যাত্রীদের ব্যবহারের ফারাক দেখলেই বোঝা যায়...শিক্ষা হোক..শালীনতা হোক, সভ্যতা হোক ...আমরা কতটা আলোকবর্ষ দূরে আছি! একটা বিশ্বমানের ট্রেনে, আমাদের বারবার করে ..টয়লেট নোংরা না করার ঘোষনা করা হচ্ছে! চিৎকার করে কথা বলা..loudspeaker on করে reels দেখা....বাচ্চাদের অসহ্য অসভ্যতা!এবং last..but not the least ...একটা সুস্থ..সুন্দর..পরিষ্কার ট্রেনকে কিভাবে নোংরা করা যায়....সেটা এই ভারতীয় যাত্রীদের না দেখলে কেউ বিশ্বাস করবে না!! ট্রেনের কর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রম স্বত্বেও 'তথাকথিত ভদ্র, অর্থবান যাত��রীরা কি অনায়াসে পুরো ট্রেনটাকে একটা dustbin এ পরিনত করে চলে গেলেন!🤨 সত্যি!! কি আর বলবো!একটা দেশে..শুধু আর্থিক দিক দিয়ে স্বাবলম্বী হলেই ,উন্নত হয়ে যায় না! উন্নত তখনই হয়..যখন সেই দেশের সাধারণ মানুষের মানসিকতার মধ��যে ,প্রকৃত শিক্ষার ছাপ থাকে! আর এই শিক্ষা কখনও পুঁথি থেকে আসে না..আসে পারিবারিক শিক্ষা ...তার মনন..তার রুচি থেকে! আর তা না হলে...প্রযুক্তি বা প্রশাসন যতোই উন্নত হোক না কেন....
#indianrailways
আমরা কোনওদিন বিশ্বকাপ ফুটবল খেলতে পারবো না। কারণ আমরা ডিসার্ভই করি না ফুটবল বিশ্বের সদস্য হওয়াটা। যে দেশগুলো খেলছে, খেলবে, তাদের আবেগ বোঝা সম্ভব? কখনই না। দেশের কোটি কোটি মানুষ কীভাবে ৮০০ টাকা ��িয়ে খেলা দেখবে, একবারও কেউ ভাবলো? যে দেশে ৮০০ টাকায় অনেকের সংসার চলে, যে দেশে ৮০০ টাকায় আমার মতো সচ্ছ্বলের ৮ দিনের ওষুধের দাম যায়, সে দেশে ৮০০ টাকা দিয়ে সবাই ফুটবল বিশ্বকাপ দেখতে পারে? মুখে বিশ্ব বিশ্ব করবে রাজনৈতিক দলগুলো। আসলে আমরা কেউই বিশ্ব নাগরিক হতে পারবো না। অন্তত, ৮০০ টাকা দিয়ে তিনটে মোবাইলে খেলা দেখার বন্দোবস্ত হত? সেটাতেও পুরোপুরি ছ্যাবলামো হলো। পেমেন্ট করার পর একটা ডিভাই���েই শো হচ্ছে, বাকি কোনও অপশনই নেই। ওদিকে, সাবস্ক্রিপশন নিতে গেলেও চিটিংবাজি। অটো পে না করলে পেমেন্টও হচ্ছে না। মানে, অটো পে যারা করবে, তাদের ১% রও বিশ্বকাপের পর অটো পে হয়ে গেলে, মুনাফাই মুনাফা।
আজ কত ফুটবল ভালোবাসা ভোটার, ৮০০ টাকার যন্ত্রণায় ভুগছে, কেউ কি ভাববে? সরকারি ডিডি স্পোর্টস? ওটা শুধু প্রথম ম্��াচ, কোয়ার্টার টু ফাইনাল। তাও কিক অফ থেকে, এখন যে মেক্সিকো বা সাউথ আফ্রিকা নামছে, হাজার হাজার দর্শক আবেগে ফুঁসছে, এটা থেকে দেশ বঞ্চিত।
আমি দেখছি কষ্ট করে হলেও, বাকিরা? এটা অসভ্যতামো জাস্ট।
কেন সরকার বা রাষ্ট্র, গ্রেটেস্ট শো অফ দ্য আর্থ থেকে নাগরিককে বঞ্চিত করছে? কেন এই ব্যবস্থা করারা চেষ্টাটুকু করা হলো না? এই প্রশ্ন করতে না পারার মতো দাসক্ষত দেওয়ার ফুটবল ভক্ত নই। সরি 🙏
আমাদের জন্য সব স��কার, হাজার কোটি, লক্ষ কোটি খরচ করে, বাজেটে শুনি এসব। নেতাদের খাটের তলা থেকেই কোটি কোটি পাওয়া যায় এদেশে, অথচ ফুটবল বিশ্বকাপ দেখতে, মাত্র সাড়ে তিনশো কোটি দেওয়া যায় না? ওটা বেসরকারি সংস্থা দেয় ও স্বাভাবিক নিয়মে ব্যবসা করে। মেসিদের আনার আগে একরাশ লজ্জা নেই তবুও আমাদের, ছি:
#zee5 #fifa #México