যাদের কোরবানি ঈদে গরু কোরবানি নিয়ে পশু প্রেম জেগে ওঠে, তাদেরকে এই ভিডিওটা নিয়ে একটু মন্তব্য করা উচিত! হিন্দুদের পাঠা বলি নিয়ে তাদের কেন পশু প্রেম জেগে ওঠে না?
এখানে যে ডকুমেন্টটি দেখছেন সেটা হাসিনা পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় ও তার স্ত্রী ক্রিস্টিনা ওয়াজেদের বিবাহ বিচ্ছেদের সেটেলমেন্ট এগ্রিমেন্টের অংশ বিশেষ। ২২ পাতার ওই চুক্তির কেবল দুটি পাতা এখানে প্রকাশ করছি। যার অর্থ দাঁড়ায় সম্পূর্ণ ৩৪৬ পাতার ডকুমেন্টের মাত্র ২টি পাতা এখানে তুলে ধরা হয়েছে।
যতটুকু তুলে ধরেছি সেখানে আপনারা দেখেছেন যে সামিট কমিউনিকেশনে হাসিনা পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের মালিকানা রয়েছে, আদালতের কাছে উভয় পক্ষের স্বাক্ষর করা এই চুক্তিতে জয় তার স্ত্রীকে এককালীন ১ মিলিয়ন ডলার প্রদান করবেন তা উল্লেখ করা হয়েছে, পাশাপাশি ২০২৪ থেকে ২০৩৪ সাল পর্যন্ত প্রতিমাসে ক্রিস্টিনাকে ২০,০০০ ডলার করে প্রদান করবেন এমনটাও প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছেন।
যার অর্থ দাঁড়ায় প্রতিবছর সজীব ওয়াজেদ জয় তার তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীকে বছরে ২৪০,০০০ ডলার (দুই লক্ষ চল্লিশ হাজার মার্কিন ডলার), ১০ বছরে সর্বমোট ২.৪ মিলিয়ন ডলার প্রদান করবেন। এছাড়াও চুক্তিটি স্বাক্ষরের সময় ১জুন, ২০২৫ এর মধ্যে ট্যাক্স ফ্রি ১ মিলিয়ন ডলার প্রদান করবেন বলেও চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন।
হাসিনা সরকারের শাসনামলে ব্যবসায়ীকভাবে লাভবান হয়েছে যে কয়েকটি শিল্পগোষ্ঠী তাদের মধ্যে সামিট গ্রুপ অন্যতম। আবার হাসিনার পুত্রেরই রয়েছে সামিটের সাথেই ব্যবসায়ীক অংশীদারিত্ব? ব্যাপারটা কি চরম স্বার্থের সাথে সাংঘর্ষিক হয়ে গেলোনা?
আর এতসব অর্থই বা জয় সাহেব কিভাবে উপার্জন করলেন? এত এত ট্রাস্টের নেপথ্যে যে অর্থ সেসব কিভাবে সংগ্রহ করা হলো?
সম্পূর্ণ ডকুমেন্টটিতে এমন বহু-বহু তথ্য রয়েছে, সেসব যখন সামনে আসবে, তখন শির উঁচু করে প্রত্যাবর্তন খোয়াবের পরিবর্তে, মাথায় একটা লাইনই ঘুরপাক খাবে, আর তা হলো — ধরণী দ্বিধা হও।
-Copied from Zulkarnain Saer
🇮🇳 In Hindu-majority areas across India, Hindu men are daily forcibly abducting and dragging away Muslim women against their explicit refusal of marriage proposals as seen in the video.
This alarming wave of coercion erupted after a senior Hindu priest, a close associate of Modi, publicly announced and offered a ₹500,000 bounty to any Hindu man who brings a Muslim woman into Hinduism by any means necessary.
১ ডিসেম্বর ২০২৪, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় সম্পূরক অভিযোগপত্রের ভিত্তিতে বিচারিক আদালতের বিচার অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে রায় প্রদান করেন হাইকোর্ট। যার ফলে সকল আসামিদের এই মামলা থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
স্বাভাবিকভাবেই তাহলে ধরে নেয়া যায় এই ঘটনা ঘিরে আগে যেসব তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করা হয়েছিলো সেসবের সত্যতা না থাকায় দেশের হাইকোর্ট বিচারিক আদালতের বিচার অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করেন।
যদি তাই হয়, তাহলে যেসকল গণমাধ্যম সংযুক্ত প্রতিবেদনটির হেডলাইনের মতো অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ছাপিয়েছিলো সেসবও নিশ্চই সঠিক ছিলোনা, তাই না? যেমন ডেইলি স্টারের এই প্রতিবেদনের সাথে যুক্ত জুলফিকার আলী মানিক লিখেছিলেন
[The Daily Star investigation reveals some characters behind the chilling conspiracy to kill Hasina; Babar 'supplied' grenades; Huji used as mercenary group]
আদালত কিন্তু বাবর সাহেবকে বেকসুর খালাস ঘোষণা করেছেন, তাহলে কেন এখনো এই রিপোর্ট অনলাইনে পাওয়া যাচ্ছে? অথবা পত্রিকাটির পক্ষ হতে কি বলা হয়েছে তাদের এই প্রতিবেদনে যা উল্লেখ করা হয়েছে সেসব অসত্য?
আবার শিরোনামে দেখুন উল্লেখ করা হয়েছিলো 'Aug 21 Attack on Hasina — a Hawa Bhaban plot'
হাইকোর্ট বিচারিক আদালতের বিচার বাতিলের পর এ ধরণের শিরোনামও কিন্তু বানোয়াট প্রমাণিত হয়, তাই নয় কি?
তাহলে ডেইলি স্টার-প্রথম আলো সহ আরো অন্যান্য যেসকল গণমাধ্যম আদালতের সুস্পষ্ট রায়ের পরও নিজ অবস্থান পরিষ্কার না করে এসব লিংক লাইভ রেখেছেন, তা কতটা যৌক্তিক? পাশাপাশি এসকল পত্রিকার সম্পাদকদের প্রধানমন্ত্রীর সাথেও নিয়মকরে দেখা সাক্ষাৎ করতে দেখা যাচ্ছে, যদি তারা এসব অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের বিষয়ে নিজ অবস্থান স্পষ্ট না করেন তাহলে কি ব্যাপারটা একরকমের দ্বিচারিতা হয়ে যাচ্ছে না?
Farmers are standing in livestock markets in West Bengal with their cattle, but there are absolutely no buyers coming. Even if a few do come, they are negligible.
🧵 ১/২
জ্বালানী খাতে কোন ধরণের অভিজ্ঞতা না থাকলেও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিপিজিসিবিএল) স্বতন্ত্র পরিচালক হন সাবেক শিবির নেতা রাফে সালমান রিফাত। অভিযোগ এসেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে একটি সিন্ডিকেট তৈরী করেছিলেন রিফাত। তার সিন্ডিকেটের সাথে “সমঝোতা’ না করলে কোন প্রতিষ্ঠান টেন্ডারে যোগ্য হলেও কাজ পেত না। আবার সমঝোতা হলে অযোগ্য প্রতিষ্ঠানকে আদালতের আদেশ অমান্য করেও কাজ দেয়া হতো।
রিফাতের সঙ্গে সমঝোতা না করায় সিংগাপুর ভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠানের দরপত্র বাতিল করে দরপত্রে অযোগ্য এক প্রতিষ্ঠানকে ১০ লাখ টন কয়লা সরবরাহ করার কাজ পাইয়ে দিয়েছেন — এমন অভিযোগ করেছে ইয়ংতাই এনার্জি পিটিআই লিমিটেড, বিভিন্ন নথি পর্যালোচনা করে দেখা যায় প্রতিষ্ঠানটির কোটি কোটি টাকা ক্ষতি করেও এক বছর কাজ বন্ধ রেখে নিম্নমানের কয়লা কেনা হয়েছে আন্তর্জাতিকভাবে বিতর্কিত প্রতিষ্ঠান পিটি সাম্বার গ্লোবাল এনার্জি টিবি (এসজিইআর) থেকে।
গত মাসে এনসিপিতে যোগ দিয়ে যুগ্ম সদস্য সচিব পদে আসা রাফে সালমান রিফাতের বিরুদ্ধে গত বছর আগস্টে সিংগাপুর ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ইয়ংতাই এনার্জি পিটিআই লিমিটেড প্রধান উপদেষ্টার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েও কোন কাজ হয়নি বলে জানা গেছে।
প্রমাণ হিসাবে লিখিত অভিযোগের সাথে হোয়াইটঅ্যাপে রাফে সালমান রিফাত যে "সমঝোতার প্রস্তাব দিয়েছেন" এ সংক্রান্ত ম্যাসেজ ও কল রেকর্ডও সংযুক্ত করা হয়।
উচ্চ আদালতের রায় উপেক্ষা করে জাতীয় নির্বাচনের মাত্র একদিন আগে গত ফেব্রুয়ারী মাসে পিটি সাম্বার থেকে এক মিলিয়ন টন কয়লা ক্রয়ের চুক্তি করেছে পটুয়াখালীর আরএনপিএল (আরপিসিএল-নরিনকো) ১,৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র কর্তৃপক্ষ। এর পেছনে রয়েছেন সাবেক শিবির নেতা ও সিপিজিসিবিএল এর সদ্য সাবেক স্বতন্ত্র পরিচালক রিফাতের নেতৃত্বাধীন একটি চক্র।
রিফাত অন্তর্বর্তী সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানের সহযোগী এবং বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ফারজানা মমতাজের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত।
ফাওজুল-ফারজানা-রিফাত সিন্ডিকেটের রোষানলে পড়ে কাজ পাওয়ার পরও বঞ্চিত হওয়ায় গত বছরের ২১ আগস্ট প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অভিযোগ দেয় সিঙ্গাপুরভিত্তিক ইয়ংতাই এনার্জি ।
অভিযোগে বলা হয়, “আরএনপিএলের এমডি সেলিম ভূইয়া আমাদের রাফে সালমান রিফাতের সঙ্গে সমঝোতায় আসতে চাপ দেন। রিফাত—যিনি সিপিজিসিবিএলের স্বতন্ত্র পরিচালক ও ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক—টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কোনো বৈধ ভূমিকা না থাকা সত্ত্বেও প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করেন। এটি স্পষ্ট স্বার্থের সংঘাত ও যোগসাজশের প্রমাণ।”
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, এসব কার্যক্রম সরকারি ক্রয় আইনের ন্যায্যতা, স্বচ্ছতা ও সমতা নীতির গুরুতর লঙ্ঘন এবং আরএনপিএল ও সংশ্লিষ্টদের অসৎ আচরণ, যোগসাজশ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের ধারাবাহিকতা নির্দেশ করে।
প্রমাণ হিসাবে প্রতিষ্ঠানটি রাফে সালমান রিফাতের হোয়াইটঅ্যাপে "সমঝোতার প্রস্তাব" কল রেকর্ড সহ অভিযোগপত্রের সাথে সংযুক্ত করে। তবে এসব অভিযোগের পরও রিফাতের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেননি সাবেক উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান।
উল্টো আদালতের রায় না মেনে গোপনে গত ফেব্রুয়ারী মাসে পিটি সাম্বারের সঙ্গে চুক্তি করা হয়, যে প্রতিষ্ঠানকে আগেই অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছিল এবং যার বিরুদ্ধে নিম্নমানের কয়লা সরবরাহের অভিযোগ রয়েছে।
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ভিয়েতনাম সরকার পিটি সাম্বারের বিরুদ্ধে পূর্বনির্ধারিত মানে কয়লা সরবরাহ না করার মাধ্যমে ব্যবসায়িক প্রতারণার অভিযোগ এনে ইন্দোনেশিয়ার সরকার চিঠি দিয়েছিল।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে নিয়ে আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং ইঞ্জিয়ার মোশারফ হোসেনের মন্তব্য। আর তার নামাজ এ জানাজায় উপস্থিত থাকে বিএনপির মেয়র এবং নগর জামাতের নেতা। জানাজার পর, আওয়ামীলীগের লোকজন আবার ফ্যাসিবাদী স্লোগান দিয়ে মিছিল ও করেছে। এসবের অনুমতি কে দিয়েছে? কাদের আস্কারায় এরকম হয়েছে? লোকাল বিএনপি এবং জামাতের নেতাদের এত ফ্যাসিস্ট প্রেম থাকলে, তরুণদেরকে ভিন্ন পথ অবলম্বন করতে হবে।
How Suvendu Adhikari Ran an Anti-Muslim Campaign to Win Bengal
@KunalPurohit went through Adhikari’s publicly available statements and speeches between 2021 and 2026, and found a clear pattern of communally-charged and divisive remarks.
He might have been granted bail long ago. But his supporters mobbed the court and killed a young lawyer. The victim’s family has also included Chinmoy Krishna Das in the case, which has made it difficult for him to obtain bail early.
Sharjeel Imam and Umar Khalid have been jailed for five times longer than Chinmoy Das without even trial.
You can also raise your voice for them, they are from your own country.