The United Nations stood by its detailed report on genocide and crimes against humanity committed by the deposed regime during the 2024 Monsoon Uprising. The last ditch attempt by the fallen fascists to deny their wrongdoings was a loss of hope and right to return!
Amending Bank Resolution Act 2026 by way of inserting Section 18A in order to enable the oligarchs of the deposed regime to return to lost ownership by depositing only 7.5 percent of the government liquidity fund, approximate USD 214 million, which is a meagre sum for someone who already siphoned off around 28 billion USD from the banking industry over the last decade. It’s a breach of pledge by the ruling government on reforms, good governance and the July National Charter 2025.
Congratulations are in order for Bangladesh and Rt. Hon. Minister for Foreign Affairs, Dr. Khalilur Rahman, for being elected as the Chairman of the 81st session of the United Nations General Assembly, UNGA. Credit is also due for the Interim Administration, IA, led by Prof. Dr. Muhammad Yunus for such an achievement.
One taka for each slang/foul comment on the FB post by dissenting voices/writers/critics of the ruling party - an investigative report found that how the ‘bought force’ operates online in exchange of money. Major political parties are the critical customers of such rude and unhealthy practices in the country. It doesn’t benefit anyone, rather undermines our democracy and peaceful coexistence.
Indian Border Security Force, BSF, has started pushing undocumented migrants through the international zero line into Bangladesh. West Bengal government had already stripped off over nine millions voters from the list, mostly Muslims and other minorities, under SIR project just before the election. India has chosen to remain isolated globally and in breach of international law and conventions.
It’s not the job of the Rt. Hon. PM of the country to spend four hours in the streets of the capital city to inspect post-Eid-al-Adha waste management. What’s the point then to have appointing two of his party men as administrator of Dhaka North and South City Corporation. The worst tragedy is that the government decided to suspend or withdraw two CEOs for failure to clean the city in time while, in reality, all the ills lie with the political appointees as administrator who have failed miserably to run the city corporations and provide necessary public services.
AB Party pays tribute to Ziaur Rahman, former President who was brutally assassinated on this very day in 1981, who was the most popular and successful statesman this country had witnessed.
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে এবি পার্টির শ্রদ্ধা
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)। এক যৌথ বিবৃতিতে এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু এবং সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, বাংলাদেশের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব ছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। তিনি একটি শোষণমুক্ত, স্বনির্ভর ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন এবং সেই লক্ষ্যেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘আমার রাজনীতির রূপরেখা’ গ্রন্থে জিয়াউর রহমান যে শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন তুলে ধরেছেন, তার মূল ভিত্তি ছিল মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা। তিনি অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা, বাসস্থান ও স্বাস্থ্য এই পাঁচটি মৌলিক প্রয়োজন পূরণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছিলেন এবং সুষম সম্পদ বণ্টনের মাধ্যমে সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার কথা বলেছিলেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর তাঁর প্রতিষ্ঠিত দল বিএনপি দুই দফা রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হলেও তিনি যে শোষণহীন সমাজব্যবস্থার স্বপ্ন দেখেছিলেন, তা আজও বাস্তবায়িত হয়নি। রাজনৈতিক দুর্নীতি, দলীয়করণ, লুটপাট এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপব্যবহার জনগণের প্রত্যাশিত কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পথে প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এবি পার্টির নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, জিয়াউর রহমান জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার প্রত্যয় ধারণ করতেন। তিনি বিশ্বাস করতেন যে, জনগণের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ এবং বহুমতের চর্চার মাধ্যমেই জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করা সম্ভব। কিন্তু তাঁর শাহাদাতের ৪৫ বছর পরও বাংলাদেশ রাজনৈতিক বিভাজন, মতাদর্শিক সংঘাত এবং গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির সংকট থেকে পুরোপুরি মুক্ত হতে পারেনি।
নেতৃবৃন্দ বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে জনগণ ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটায়। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে মানুষের মধ্যে নতুন প্রত্যাশা ও স্বপ্নের জন্ম হয়। কিন্তু গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ও জনগণের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে শহীদ জিয়ার প্রতিষ্ঠিত দল বিএনপি আজও অনেক দূর পিছিয়ে রয়েছে বলে তারা মন্তব্য করেন। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এবি পার্টি একটি কল্যাণমূলক, শোষণমুক্ত ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। দলের লক্ষ্য হলো এমন একটি গণতান্ত্রিক কল্যাণরাষ্ট্র গঠন করা, যার ভিত্তি হবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে ঘোষিত তিন মূলনীতি,সাম্য, মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক সুবিচার। বিবৃতির শেষে নেতৃবৃন্দ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং মহান আল্লাহর নিকট দোয়া করেন, তিনি যেন তাঁর দেশপ্রেম, ত্যাগ ও অবদানের উত্তম প্রতিদান দান করেন।
AB Party pays tribute to Kazi Nazrul Islam, poet of rebellion and social equity, on his 127th birth anniversary.
বিদ্রোহী কবির জন্মদিনে মোরা ‘গাহি সাম্যের গান’
‘আয় চলে আয় রে ধূমকেতু
আঁধারে বাঁধ অগ্নিসেতু,
দুর্দিনের এই দুর্গশিরে
উড়িয়ে দে তোর বিজয় কেতন’
- নজরুলকে উদ্দেশ্য করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭ তম জন্মবার্ষিকী ছিল ২৫ মে। যেখানেই অন্যায়-অবিচার, সেখানেই কবির কলম হয়ে উঠেছে খাপখোলা তলোয়ার। তিনি আমাদের নজরুল; জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ মোতাবেক ১৮৯৯ সালের এই দিনে পশ্চিম বঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামে। বাবা কাজী ফকির আহমেদ, মা জাহেদা খাতুন। দরিদ্র পরিবারে জন্মের পর দুঃখ-দারিদ্র্য ছিল তার নিত্যসঙ্গী, তাই তার ডাকনাম ছিল দুখু মিয়া। বাবার অকাল মৃত্যুতে পরিবারের ভরণ পোষণের জন্য তিনি শিশু বয়সেই মক্তবে শিক্ষকতা, হাজি পালোয়ানের মাজারে খাদেম, মসজিদে মুয়াজ্জিনের কাজ করেন। তবে নিজের দুঃখ নিয়ে নয়, তিনি জাতির দুঃখ-ক্লেশ, দৈন্য-লজ্জা ঘোচানোর জন্য ভাবতেন সব সময়।
নজরুল ইসলাম শুধু বিদ্রোহী কবি ছিলেন না, ছিলেন মানবতাবাদীও। তার সাম্য ও মানবতাবাদ বাংলা সাহিত্যে এক নতুন দ্যোতনা সৃষ্টি করে। তার আগে বাংলা কাব্য সাহিত্যে এমন মানবতাবাদ ও সাম্যের বাণী আর কেউ শোনায়নি। তিনি যেন মানুষের মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার ব্রত নিয়ে বাংলা সাহিত্য আকাশে উদিত হয়েছিলেন। বাংলা সাহিত্যের আকাশ যখন পুরোটাই দখল করে নিয়েছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, সেই সময় কাজী নজরুল ইসলামের আবির্ভাব। সেই আবির্ভাব পর্বেই বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, তিনি ধূমকেতু হতে আসেননি, ধ্রুব তারা হতে এসেছেন এবং ধ্রুব তারা হয়েছেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাব ও তত্ত্বের জায়গায় প্রেম এবং দ্রোহ, নিগূঢ় দর্শনের জায়গায় সাম্য-মানবতার গান গাইলেন নজরুল। পাকা করে নিলেন বাংলা সাহিত্যে নিজের স্থান, যে স্থান আজ পর্যন্ত কেউ নিতে পারেনি আর অদূর ভবিষ্যতে পারবেন বলেও মনে হয় না। রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে বাংলা সাহিত্যে যে নামটি উচ্চারিত হয়, সেটি কাজী নজরুল ইসলাম।
ছোটগল্প, উপন্যাস ও নাটক লিখলেও কাজী নজরুল ইসলামের মূল পরিচয় কবি হিসেবে। তিনি প্রায় তিন হাজার গান রচনা এবং সুর করেছেন, যা নজরুল সঙ্গীত হিসেবে পরিচিত। বাংলা সঙ্গীতের ক্ষেত্রে তিনি ইসলামী সঙ্গীত বা গজলের নতুন এক ধারাও সৃষ্টি করেছেন। বাঙ্গালী হিন্দুর জন্য রচনা করেছেন ১,৫০০ শ্যামা সঙ্গীত। কাজী নজরুলের রচিত 'চল চল চল' বাংলাদেশের রণসঙ্গীত। তিনি ১৯টি রাগের সৃষ্টি করেন, যা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গেও সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন; অগ্নিবীণা, বিষের বাঁশী, দোলন চাঁপা, ছায়ানট, ইত্যাদি তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। বাঁধনহারা, মৃত্যুক্ষুধা, কুহেলিকা তার উপন্যাস। ব্যথার দান, রিক্তের বেদন, শিউলিমালা ইত্যাদি তার বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ। তিনি সুগায়ক ছিলেন। ‘ধ্রুব’ নামে একটি চলচ্চিত্রে অভিনয়ও করেন। কমরেড মুজাফ্ফর আহমদ, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, কাজী মোতাহার হোসেন ছিলেন তার বন্ধু। নজরুল যেমন রবীন্দ্রনাথকে তার বই উৎসর্গ করেছেন, তেমনি রবীন্দ্রনাথ তার ‘বসন্ত’ নাটক উৎসর্গ করেন নজরুলকে।
কোমল আর কঠিনে মেশানো এক অপূর্ব ব্যক্তিত্ব কাজী নজরুল ইসলাম। প্রেমে পূর্ণ, বেদনায় নীল, আবার প্রতিবাদে ঊর্মি মাতাল। তিনি আমাদের অনন্ত প্রেরণার উৎসও। বাংলার মানুষের সবচেয়ে কাছের, প্রাণের মানুষ তিনি।
মধ্যবয়সে কাজী নজরুল পিকস্ ডিজিজে আক্রান্ত হন এবং এক সময় তিনি মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। ১৯৭২ সালের ২৪ মে ভারত সরকারের অনুমতিক্রমে কবি নজরুলকে সপরিবারে বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয় এবং তাকে জাতীয় কবির মর্যাদা দেয়া হয় যদিও সরকারের তরফে সে মর্মে কোন গেজেট এখনো প্রকাশ করা হয়নি, ৫০ বছর পেড়িয়ে গেলেও। ১৯৭৬ সালে কবিকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেওয়া হয়, তাকে 'একুশে পদকেও' সম্মানিত করা হয়। একই বছরের ২৯ আগস্ট মোতাবেক ১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র ইন্তেকাল করেন এই ক্ষনজন্মা মহাপুরুষ। কবিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয়।
নজরুল বৈষম্যহীন, শোষণমুক্ত ও শান্তিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখতেন, তা বাস্তবায়নে আমাদের সম্মিলিত প্রয়াস অব্যাহত রাখতে হবে। এবি পার্টি বিশ্বাস করে আমাদের কর্ম, চিন্তা ও মননে নজরুলের উপস্থিতি বাঙালি জাতির প্রাণশক্তিকে চিরকাল জাগরিত রাখবে। দারিদ্র্যের কশাঘাতে জর্জরিত হয়েও তিনি কখনো আপস করেননি, মাথা নত করেননি লোভ-লালসা, খ্যাতি, অর্থ-বিত্ত ও বৈভবের কাছে। ‘চির উন্নত মম শির’ বলে আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। জাতীয় কবির চেতনা ও আদর্শ চিরস্মরণীয় হয়ে আছে এবং থাকবে আমাদের জীবনে, এমনটাই প্রত্যাশা এবি পার্টির।
Eid-al-Adha Mubarak to everyone across the world. We must not forget the oppressed Muslims in India, Palestine, Iran and beyond who are unable to celebrate and sacrifice.
ঈদ-আল-আযহা মুবারক। ভারত, ফিলিস্তিন, ইরান সহ দুনিয়ার বিভিন্ন প্রান্তে মুসলমানরা মজলুম এবং জিম্মী হালতে কোরবানীর আনন্দে শরীক হয়েও পারবে না। ত্যাগ ও আনন্দের মাঝেও আমরা যেন তাদেরকে ভুলে না যাই!
When we talk about July National Charter 2025, we mean reforms, good governance, rule of law, transparency and accountability in every aspect of the state. Such an incredible sacrifice and movement simply cannot be forgotten or undermined.
নিউরোসার্জন ডা. রুহুল কুদ্দুস বিপ্লব বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান এ দেশের ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগ, সাহস ও গণআকাঙ্ক্ষার প্রতীক। কিছু মানুষ আজ সেই ইতিহাসকে আড়াল ও ভুলিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা করছে। আমাদের নতুন প্রজন্মের কাছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরতে হবে। ইতিহাস বিকৃতি ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। গণমানুষের আন্দোলনের চেতনা ধরে রেখে একটি ন্যায়ভিত্তিক, গণতান্ত্রিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়াই হোক আমাদের অঙ্গীকার।”
It is sad to see that how the ruling government has appointed a close ally to S Alam, the infamous oligarch of the last deposed regime, as the Chairman of Islami Bank Bangladesh Ltd. - IBBL, country’s most successful private bank on a flimsy ground - a narrative built by the fallen regime prior to taking it over in 2017 using the military intelligence agency.
Farida Akhter, former adviser of the Interim Administration, said that it’s the supreme prerogative of the state to protect women and children from all kinds of abuse. It is sad to see that a culture of impunity surrounding fair and speedy trial to dispense justice became so prevalent which encourages the criminals to carry on their pervert actions under political patronage. She was speaking at a protest event organised by Bangladesh Students’ Party - BSP in the University of Dhaka.
সারা দেশে নারী-শিশু নিপীড়ন, ধর্ষণ, সাইবার হয়রানি বন্ধ; নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে করণীয়' শীর্ষক প্রতিবাদী সভা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে বাংলাদেশ ছাত্রপক্ষ'র উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, নারী অধিকারকর্মী ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব। কিন্তু বিচারহীনতা, রাজনৈতিক প্রভাব এবং সামাজিক নীরবতার কারণে অপরাধীরা বারবার পার পেয়ে যাচ্ছে। ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে শুধু আইন প্রণয়ন করলেই হবে না, আইনের কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।
AB Party welcomes the goodwill gesture shown by the Rt. Hon. Prime Minister @BangladeshPM to the family of young rape victim; however, the nation would like to see structural reforms undertaken within the law enforcement agencies and judiciary to assure real possibility of justice being delivered.
Attack on Nasiruddin Patowary, NCP leader, @NCP_bd25 is a pure contradiction of democratic values which the ruling party activists must learn and practice with patience.
নিরাপদ ঈদযাত্রা ও কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে সংবাদ সম্মেলন;
বিচারহীনতা, সহিংস রাজনীতি ও অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে কাঠামোগত সংস্কারের দাবি এবি পার্টির ;
ভিন্নমত সহ্য করতে না পারা রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বের বহিঃপ্রকাশ - ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নিরাপদ ঈদযাত্রা, কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বিচারহীনতা, রাজনৈতিক সহিংসতা ও সামাজিক অবক্ষয় নিয়ে আজ বিজয়নগরস্থ এবি পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)-এর সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। তিনি বলেন, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু-এর আহ্বানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইনমন্ত্রীর রামিসার বাসায় গিয়ে সমবেদনা জানানোর ঘটনায় দল কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে। তবে প্রশ্ন থেকে যায়,দেশব্যাপী ক্ষোভ ও প্রতিবাদ কেন প্রশমিত হচ্ছে না? কারণ রাষ্ট্রে বিচারহীনতার যে কাঠামোগত সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে, তাতে সাধারণ মানুষ আর কোনো প্রতিশ্রুতির ওপর আস্থা রাখতে পারছে না।
তিনি বলেন, ধর্ষণ, হত্যা, মাদক ও চাঁদাবাজি,এসব অপরাধ পরস্পর সম্পর্কযুক্ত। রাষ্ট্র যদি এই অপরাধচক্রের রাজনৈতিক ও সামাজিক ভিত্তিকে আমলে না নেয়, তাহলে নতুন নতুন “রামিসা”র জন্ম হতে থাকবে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। বিচার ব্যবস্থার প্রতি আস্থাহীনতা তৈরি হলে মানুষ আইন নিজের হাতে তুলে নিতেও উদ্বুদ্ধ হতে পারে,যার উদ্বেগজনক নজির ইতোমধ্যে খুলনা, চট্টগ্রাম ও ঢাকার বিভিন্ন স্থানে দেখা গেছে।
সংবাদ সম্মেলনে ঝিনাইদহে এনসিপি নেতা নাসির উদ্দীন পাটোয়ারী-এর ওপর সরকারদলীয় নেতা-কর্মীদের হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। এবি পার্টি মনে করে, মতপার্থক্য ও রাজনৈতিক দ্বিমত কখনোই হামলা, রক্তাক্ত আক্রমণ কিংবা গণতান্ত্রিক কণ্ঠরোধের পর্যায়ে যেতে পারে না। এ ধরনের সহিংস রাজনৈতিক সংস্কৃতিই অতীতে দেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে। একইসঙ্গে রাজনৈতিক সমালোচনার ভাষাতেও সংযম, ভদ্রতা ও সহনশীলতা বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয় সকল পক্ষের প্রতি।মতপার্থক্যের কারণে গায়ে হাত তোলা কোন সভ্য সমাজে চলতে পারে না, ভিন্নমত সহ্য করতে না পারা রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বের বহিঃপ্রকাশ। বিরোধী দলের কাজই তো সরকারের সমালোচনা করা, সেটি গ্রহণ করবার মানসিকতা সরকারের থাকতে হবে।
ঈদকে সামনে রেখে নিরাপদ সড়ক ও গণপরিবহন ব্যবস্থার বিষয়েও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। প্রতিবছরের মতো এবারও কোটি কোটি মানুষ ঈদযাত্রায় বাড়ি ফিরবেন। কিন্তু কার্যকর ও নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিবছর শত শত মানুষ প্রাণ হারান, আহত হন হাজার হাজার। স্বাধীনতার পাঁচ দশক পরও কেন একটি নিরাপদ ও মানবিক যাতায়াত ব্যবস্থা রাষ্ট্র নিশ্চিত করতে পারেনি,এ প্রশ্ন জনগণের।
কোরবানির পশুর হাট, জবাই প্রক্রিয়া ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নের দাবিও পুনর্ব্যক্ত করে এবি পার্টি। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, প্রতি বছর কোরবানির মৌসুমে পুরো শহর কার্যত অস্থায়ী পশুর হাট ও দুর্গন্ধময় বর্জ্যভূমিতে পরিণত হয়। পরিকল্পনাহীন পশু জবাই ও বর্জ্য অপসারণ ব্যবস্থার অভাবে পরিবেশ দূষণ, জনদুর্ভোগ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়।ইসলামের পবিত্রতা, সৌন্দর্য ও পরিচ্ছন্নতার চেতনাকে ধারণ করে আধুনিক, স্বাস্থ্যসম্মত ও পরিবেশবান্ধব কোরবানি ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে সরকার ও সিটি করপোরেশনগুলোর প্রতি কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানায় দলটি।
Doctors, physicians and medical students played critical role in the Monsoon Uprising 2024, yet they are hardly remembered for their contribution, in addition to their work in the public health service. It is sad to see that how medical professionals are treated on a daily basis.
ডা: পারসা রহমান বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে মেডিকেল কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ডাক্তাররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে রক্ত দিয়েছে রাজপথে অথচ সারাদেশে আমরা দেখতে পাচ্ছি বিভিন্ন জায়গায় দুর্বৃত্তদের কর্তৃক চিকিৎসকদের উপর হামলা করা হচ্ছে। জুলাই পরবর্তী বাংলাদেশের যা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
There is an increasing trend in this country, specially from the victims’ families, not to seek justice from the state, rather only from God/Allah on the day of judgement. And it calls for a serious contemplation into the societal mistrust or lack of confidence in the whole justice business - law enforcement agencies, judiciary, investigation and prosecution, fairness of trial process - nowhere the citizens have any faith. We love to see the tears of Ramisa’s father breaths fresh air into the halls of power.
AB Party holds Press Conference protesting extortion and demanding a business-friendly environment. Power has changed, but the culture of extortion has not. Silent extortion is being carried out by threatening businessmen with trumped up cases.
চাঁদাবাজমুক্ত মহল্লা ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশের দাবিতে এবি পার্টির সংবাদ সম্মেলন;
ক্ষমতা বদলেছে, চাঁদাবাজির সংস্কৃতি বদলায়নি- এবি পার্টি
ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মামলার ভয় দেখিয়ে নিরব চাঁদাবাজি চলছে- ব্যারিস্টার ফুয়াদ
চাঁদাবাজি, দখলবাণিজ্য ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)।
আজ রাজধানীতে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, যে ধরনের অর্থনীতি গড়ার কথা বলা হচ্ছে, সেখানে চাঁদাবাজি থাকলে কখনোই ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরি হতে পারে না। তিনি অভিযোগ করেন, তৈরি পোশাক শিল্পকেন্দ্রিক অঞ্চল সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর, নরসিংদী ও চট্টগ্রামে ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ, নগদ চাঁদাবাজি ও দখলবাণিজ্য এখন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। সংবাদ নিয়ন্ত্রণের পরও যেসব তথ্য প্রকাশ্যে আসছে, তাতে প্রতীয়মান হয়, সরকার দলীয় প্রভাবশালী মহল এসব কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ করছে। ব্যবসায়ীরা চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলনের মামলায় জড়িয়ে দেওয়ারও অভিযোগ করেন তিনি।
ফুয়াদ বলেন, রাজনৈতিক দলকে সত্যিকারের প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে হলে আগে দলকে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও অপরাধমুক্ত করতে হবে। দলের ভেতরে সংস্কার ছাড়া রাষ্ট্র সংস্কার সম্ভব নয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম অঙ্গীকারই ছিল এ ধরনের রাজনৈতিক সংস্কার। তিনি আরও বলেন, বিএনপি একসময় হাজার হাজার নেতা-কর্মীর পদ-পদবি স্থগিত করে বলেছিল, ফৌজদারি অপরাধের বিচার তারা করতে পারবে না। কিন্তু এখন ক্ষমতায় থেকেও নিজেদের অপরাধী নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে দেখা যাচ্ছে না। এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিশ বছরের রাজনৈতিক রোজাদারদের ইফতার খানা-পিনার ব্যবস্থা জনগণের টাকায় চলতে পারে না।
মিরপুরে একটি মাজারকে কেন্দ্র করে ৪০০ দোকানের মালিকানা নিয়ে সংঘাতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে পুরো বিষয়টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করা হয়েছে এবং গণমাধ্যমও বাস্তবতা এড়িয়ে গেছে।রাষ্ট্র বিচার করছে না বলেই মানুষ নিজের হাতে আইন তুলে নিতে বাধ্য হচ্ছে। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সবকিছু জানলেও কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না। পাশাপাশি তিনি মিরপুরের শিশু রামিসা হত্যার প্রতিবাদ ও দুঃখ প্রকাশ করেন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে ফুয়াদ বলেন, কয়েক মাস সংবিধান পড়া বন্ধ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দিকে নজর দিন। মন্ত্রণালয়কে কার্যকর করুন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর কথা ও কাজে মিল থাকতে হবে। দলীয় বিবেচনায় পোস্টিং বন্ধ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, হকারদের কার্ড দেওয়ার নামে চাঁদাবাজি চলছে এবং গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের প্রবণতা গণঅভ্যুত্থানের পথই প্রশস্ত করবে। টেলিভিশন দখল করে নিজেদের পছন্দের লোক বসিয়ে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা কার্যকর হবে না। আওয়ামী লীগও একই চেষ্টা করে শেষ পর্যন্ত গণঅভ্যুত্থান ঠেকাতে পারেনি, বলেন তিনি। র্যাব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-ও একসময় র্যাব বিলুপ্তির কথা বলেছিলেন। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার প্রশ্ন ও মার্কিন নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকা অবস্থায় শুধুমাত্র নাম পরিবর্তন করে সমস্যার সমাধান হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
AB Party condemns brutal rape followed by murder of a young girl and demands speedy justice.
মিরপুরে শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডে এবি পার্টির শোক, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ;
বিচারহীনতার সংস্কৃতি ভেঙে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি
মিরপুরে নিষ্পাপ শিশু রামিসাকে নৃশংসভাবে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় গভীর শোক, তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)। এক যৌথ বিবৃতিতে এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু এবং সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, রামিসার ওপর চালানো এই পাশবিক নির্যাতন শুধু একটি পরিবারের নয়, সমগ্র জাতির বিবেককে নাড়িয়ে দিয়েছে। একটি রাষ্ট্র কতটা নৈতিক, সামাজিক ও মানবিক অবক্ষয়ের দিকে গেলে শিশু পর্যন্ত নিরাপদ থাকে না, রামিসা হত্যাকাণ্ড তারই নির্মম প্রমাণ।
নেতৃদ্বয় বলেন, দেশে আজ সামাজিকতা, মানবিকতা ও মূল্যবোধের ভয়াবহ পতন ঘটেছে। বিচারহীনতার সংস্কৃতি, রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা এবং রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতা সমাজকে এমন এক অন্ধকার বাস্তবতায় ঠেলে দিয়েছে, যেখানে ধর্ষণ ও হত্যার মতো জঘন্য অপরাধও অনেকের কাছে যেন স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত হচ্ছে। রাষ্ট্র যখন নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়, তখন সমাজে মানবিকতার পরিবর্তে পশুত্বই প্রাধান্য পায়। তারা উল্লেখ করেন, রামিসার পিতা নিজেই আক্ষেপ করে বলেছেন, তিনি ন্যায়বিচার পাবেন না। এই হতাশা কেবল একজন শোকাহত পিতার নয়; এটি দেশের কোটি মানুষের দীর্ঘদিনের বিচারহীনতার অভিজ্ঞতার প্রতিফলন। বারবার অপরাধ সংঘটিত হলেও দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হওয়ায় অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।
এবি পার্টির নেতৃদ্বয় বলেন, কেবল ঘটনার পর শোক প্রকাশ, দায়সারা গ্রেফতার বা সাময়িক তৎপরতা যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন অপরাধ ও বিচারহীনতার রাজনৈতিক সংস্কৃতির অবসান। শিশু ও নারী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রকে কঠোর, কার্যকর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে হবে। অপরাধীর রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক কিংবা সামাজিক পরিচয় নয়,তার অপরাধই যেন বিচারের একমাত্র ভিত্তি হয়। তারা অবিলম্বে রামিসা হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন এবং জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান। একইসঙ্গে দেশজুড়ে শিশু ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য সকল সচেতন নাগরিক, রাজনৈতিক দল ও মানবাধিকার সংগঠনের প্রতি আহ্বান জানান।