Central Executive Council meeting of Bangladesh Jamaat-e-Islami held
Call to make the grand rally at Suhrawardy Udyan on 3 January successful
This evening, 27 December, a meeting of the Central Executive Council of Bangladesh Jamaat-e-Islami was held under the chairmanship of the Party Ameer Dr. Shafiqur Rahman. The meeting, held at the central office of Jamaat-e-Islami was attended by the Party’s Nayeb-e-Ameers, Secretary General, Assistant Secretary Generals, and other members of the Central Executive Council.
The meeting discussed in detail the prevailing situation in the country, Jamaat's grand rally scheduled for 3 January, and seat-sharing arrangements for the upcoming national parliamentary elections.
For the welfare of the country and the nation, and with the aim of establishing justice and truth to transform Bangladesh into a peaceful and welfare-oriented state in the coming days, from the Executive Council Meeting, a call was made for people from all walks of life to unite. To this end, the people of the country were urged to ensure the success of the grand rally to be held on Saturday, 3 January, at Suhrawardy Udyan in Dhaka.
আমি বিশ্বাস করি, আমরা সবাই বাংলাদেশকে ভালোবাসি। এই ভালোবাসার দায়বোধ থেকেই আপনি প্রাণ খুলে জনতার ইশতেহার প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হবেন। আগামীর বাংলাদেশ গঠনে আপনার মূল্যবান ভাবনাগুলো জানতেই আমাদের এই আয়োজন।
জনতার ইশতেহার প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হতে ভিজিট করুনঃ https://t.co/i8omHZYpFI
ডা. শফিকুর রহমান
আমীর, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
#জনতার_ইশতেহার
#চলো_একসাথে_গড়ি_বাংলাদেশ
#চলোএকসাথেগড়িবাংলাদ��শ
#দুর্নীতিকে_লালকার্ড
#VoteforDaripalla
#Daripalla
#দাঁড়িপাল্লা
#দাঁড়িপাল্লায়_ভোট_দিন
Meeting of the Central Executive Council of Bangladesh Jamaat-e-Islami held
Today, 26 November, the meeting of the Central Executive Council of Bangladesh Jamaat-e-Islami was held with its Ameer Dr. Shafiqur Rahman in the chair. The meeting, held at the central office on Wednesday at 4:30 PM, was attended by the Nayeb-e-Ameers, the Secretary General, the Assistant Secretary Generals, and the members of the Central Executive Council.
In the meeting, prayers were offered before the Almighty Allah seeking speedy recovery and complete healing of Bangladesh Jamaat-e-Islami’s Nayeb-e-Ameer and former MP Dr. Syed Abdullah Mohammad Taher, who has been hospitalized due to illness, and for BNP Chairperson and former Prime Minister Begum Khaleda Zia. At the same time, an appeal was made to the leaders and workers of the organization as well as to the people of the country to pray for their early recovery.
The meeting held detailed discussions on the necessity of conducting the upcoming national parliamentary elections in a free, fair, acceptable, and fear-free environment, as well as on the overall current political situation of the country.
In addition, a decision was taken to conduct a campaign to generate widespread public opinion in favor of a ‘Yes’ vote for the implementation of the July National Charter (Constitutional Order).
A special appeal was also made to the people of the country to make successful the assemblies to be held in seven divisional cities as part of the previously announced programs of the eight-party alliance, which is continuing its movement for the implementation of the five-point demands including a referendum before the national elections.
Furthermore, detailed discussions were held regarding the preparatory activities for the annual session of the Central Majlis-e-Shura of the organization to be held on the upcoming 28 and 29 November.
In conclusion, prayers and cooperation were sought from the people at all levels for the welfare of the country and the nation, for the establishment of justice and truth, and for turning the Bangladesh of tomorrow into a peaceful, justice-based, and prosperous state.
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে��� চূড়ান্ত সুপারিশমালার উপর প্রতিক্রিয়া এবং অবিলম্বে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়ন আদেশ জারি করে আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যেই গণভোট আয়োজনসহ গণদাবিসমূহ আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলনরত রাজনৈতিক দলসমূহের আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন
প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ,
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।
দেশের এক গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আজ আমরা আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি। বর্তমানে বাংলাদেশ একটি রাজনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হচ্ছে। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের সফল গণঅভ্যুত্থানের পর জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তি এবং জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়।
অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর রাষ্ট্রের প্রয়োজনকে সামনে রেখে জনগণের প্রত্যাশা পূরণের লক্ষ্যে গণহত্যার বিচার, রাষ্ট্রসংস্কার এবং স্বৈরাচার ফিরে আসার সকল পথ রুদ্ধ করার প্রত্যয় নিয়ে কাজ শুরু করে। ��ঠিত হয় বিভিন্ন সংস্কার কমিশন। কমিশনগুলোর সুপারিশের ভিত্তিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ১৬৬টি প্রস্তাবের আলোকে রাজনৈতিক দলসমূহের সঙ্গে আলোচনায় মিলিত হয়। দীর্ঘ আলোচনার পর ৮৪টি প্রস্তাব সিদ্ধান্ত আকারে গৃহীত হয়। অনেক প্রস্তাবের বিষয়ে কিছু রাজনৈতিক দল ভিন্নমত পোষণ করায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ সম্ভব হয়নি।
প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ,
ইতোমধ্যে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন প্রধান উপদেষ্টার নিকট ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের সুপারিশমালা জমা দিয়েছে। বাস্তবায়নের উপায় হিসেবে সরকারকে তিন ভাগে সুপারিশ করেছে ঐকমত্য কমিশন। এই সুপারিশের মধ্যে যেসব বিষয় সংবিধান-সংশ্লিষ্ট নয়, সেগুলো সরকার অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে করতে পারে। সংবিধান-সংশ্লিষ্ট ৪৮টি বিষয় ও ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ সংক্রান্ত বিষয়ে সরকার একটি আদেশ জারির পর জনগণের ম্যান্ডেট গ্রহণের জন্য গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। গণ��োট ব্যতীত ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ আইনগতভাবে টেকসই ভিত্তি পাবে না।
গণভোটের বিষয়ে সবাই একমত হয়েছেন। আমরা মনে করি, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে, অর্থাৎ নভেম্বর মাসের মধ্যেই গণভোট সম্পন্ন ��রতে হবে।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ নির্ধারিত হয়েছে। আমরা ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ী অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও ভয়ভীতিমুক্ত গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে আসছি। আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা অনুযায়ী কালো টাকার ব্যবহার বন্ধ, ভোটকেন্দ্র দখল, পেশিশক্তির প্রদর্শন ও ভোটের অনিয়ম ও অপতৎপরতা প্রতিরোধ, গুণগতমানসম্পন্ন পার্লামেন্ট এবং দক্ষ আইনপ্র���েতা তৈরি ও প্রতিটি ভোটের সঠিক মূল্যায়নের জন্য ‘পিআর পদ্ধতিতে’ নির্বাচনের দাবি জানিয়ে আসছি।
বাংলাদেশের অধিকাংশ রাজনৈতিক দল, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক, কলামিস্ট, লেখক, গবেষক, শিক্ষাবিদ এবং নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ ‘পিআর পদ্ধতিতে’ নির্বাচনের দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন।
প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ,
নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। ইতোমধ্যে উপদেষ্টা পরিষদ ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ’ সংশোধনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা লক্ষ্য করছি, ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ’-এর কিছু বিষয় পরিবর্তনের জন্য একটি রাজনৈতিক দল দাবি জানিয়েছে। এ দাবি কোনো অবস্থাতেই গ্রহণযোগ্য নয়।
দাবিসমূহ হলো—
আমরা আন্দোলনরত দলসমূহ ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়ন, আগামী নভেম্বরে গণভোট অনুষ্ঠান এবং ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ৫-দফা দাবির ভিত্তিতে আন্দোলন করে আসছি। আন্দোলনকে আরও বেগবান করার জন্য আমরা নিম্নোক্ত কর্মসূচি ঘোষণা করছি।
কর্মসূচি নিম্নরূপ—
১। আগামীকাল ৩০ অক্টোবর নির্বাচন কমিশনের নিকট স্মারকলিপি প্রদান।
২। আগামী ৩ নভেম্বর শীর্ষ নেতৃবৃন্দের বৈঠক এবং বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে, ইনশাআল্লাহ।
এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য আমরা দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।
ধন্যবাদান্তে—
অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার
সেক্রেটারি জেনারেল, বাংলাদেশ জামায়াতে ই���লামী
অধ্যক্ষ ইউনুছ আহমাদ
মহাসচিব, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
ড. আহমেদ আবদুল কাদের
মহাসচিব, খেলাফত মজলিস
মাওলা��া ইউসুফ আশরাফ
সিনিয়র নায়েবে আমীর, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস
মাওলানা মুসা বিন ইযহার
মহাসচিব, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি
মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী
নায়েবে আমীর, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন
ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান
সহ-সভাপতি ও মুখপাত্র, জাগপা
নিজামুল হক নাঈম
মহাসচিব, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি
দেশে বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে কর্মসূচি ঘোষণা উপলক্ষে জামায়াতে ইসলামীর সংবাদ সম্মেলন
আজ ১৫ সেপ্টেম্বর (সোমবার) দুপুর সাড়ে ১২টায় মগবাজার আল-ফাল��হ মিলনায়তনে জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনসহ ৫-দফা দাবিতে আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণার লক্ষ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এড. এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এর সঞ্চালনায় সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্ন্রে জবাব দেন নায়েবে আমীর সাব���ক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহ��র। উপস্থিত ছিলেন সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আজাদ (সাবেক এমপি), মাওলানা আবদুল হালিম ও এডভোকেট মোয়াযযম হোসাইন হেলাল, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য জনাব সাইফুল আলম খান মিলন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, কেন্দ্রীয় নির্ব���হী পরিষদ সদস্য জনাব আব্দুর রব ও জনাব মোবারক হোমাইন, ঢাকা মহানগরী উত্তরের নায়েবে আমীর আবদুর রহমান মূসা, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ইয়াসিন আরাফাত এবং প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি আতাউর রহমান সরকার প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপিত বক্তব্য দেশবাসীর উদ্দেশে তুলে ধরা হলোঃ-
“বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
প্র���য় সাংবাদিক বন্ধুগণ,
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।
দেশের এক গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আজ আমরা আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি। বর্তমানে বাংলাদেশ একটি রাজনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে সামনে অগ্রসর হচ্ছে। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের সফল গণঅভ্যুত্থানের পর স্বৈরাচার শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়। দেশের প্রশাসনিক কাঠামো ভেঙে পড়ে। দেশে কোনো সরকার না থাকায় সাংবিধানিক শূন্যতা সৃষ্টি হয়। সংবিধানের অনেক বিধানাবলি অকার্যকর হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তি এবং জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। এ সরকারের বৈধতার উৎস এবং ভিত্তি হচ্ছে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭-এ বর্ণিত বিধানের জনগণের অভিপ্রায়।
প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ,
সংবিধানের ত্রুটি ও রাষ্ট্রের কাঠামোগত অব্যবস্থার সুযোগে কর্তৃত্ববাদী শাসন, ভিন্নমত দমন, দুর্নীতি ও দলীয়করণের ফলে গোটা দেশ অকার্যকর হয়ে পড়ে। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহ ধ্বংস হয়ে যায়। ফলে রাষ্ট্রের সব বিভাগের সংস্কার অপরিহার্য হয়ে ওঠে। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর রাষ্ট্রের প্রয়োজনকে সামনে রেখে জনগণের প্রত্যাশা পূরণের লক্ষ্যে গণহত্যার বিচার, রাষ্ট্র সংস্কার ও স্বৈরাচার ফিরে আসার সকল পথ রুদ্ধ করার প্রত্যয় নিয়ে কাজ শুরু করেন। গঠিত হয় বিভিন্ন সংস্কার কমিশন। কমিশনগুলোর সুপারিশের ভিত্তিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ১৬৬টি প্রস্তাবের ভিত্তিতে রাজনৈতিক দলসমূহের সাথে আলোচনায় মিলিত হন। দীর্ঘ আলোচনার পর ৮৪টি প্রস্তাব সিদ্ধান্ত আকারে গৃহীত হয়। অনেকগুলো প্রস্তাবের সাথে দু/একটি রাজনৈতিক দল ভিন্নমত পোষণ করায় অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি।
প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ,
সরকার ইতোমধ্যেই জুলাই জাতীয় ঘোষণা ও জুলাই জাতীয় সনদ প্রস্তুত করেছেন। একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জুলাই জাতীয় ঘোষণা ও জুলাই জাতীয় সনদের প্রয়োজনীয় সংশোধনীসহ তাদের পরামর্শ সরকারের নিকট উপস্থাপন করে। জামায়াতে ইসলামী বরাবরই জুলাই জাতীয় সনদকে আইনগত ভিত্তি দেওয়ার বিষয়ে জোরালো ভূমিকা পালন করে আসছে। জাতির ক্রান্তিলগ্নে ‘ডকট্রিন অব নেসেসিটি’ হিসেবে অতীতের বিভিন্ন নজির ও উদাহরণ তুলে ধরে জুলাই জাতীয় সনদের আইনগত ভিত্তির বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান বারবার ব্যক্ত করে আসছে। আমরা মনে করি, জুলাই জাতীয় সনদের আইনগত ভিত্তি প্রদান ব্যতীত ছাত্রজনতার রক্তের বিনিময়ে অর্জিত অভ্যুত্থান ও তার অর্জন ব্যর্থতায় পর্যবসিত হতে পারে।
প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ,
ইতোমধ্যেই জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ নির্ধারণ করা হয়েছে। আমরা ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ী অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও ভয়ভীতিমুক্ত গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্র���ণের আহবান জানিয়ে আসছি। আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা অনুযায়ী কালো টাকার ব্যবহার বন্ধ, ভোটকেন্দ্র দখল, পেশিশক্তি প্রদর্শন ও ভোটের বিভিন্ন অনিয়ম ও অপতৎপরতা বন্ধ, কোয়ালিটি-সম্পন্ন পার্লামেন্ট এবং দক্ষ আইনপ্রণেতা তৈরিসহ প্রতিটি ভোট মূল্যায়নের লক্ষ্যে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনের জন্য জোর দাবি জানিয়ে আসছি। বাংলাদেশের অধিকাংশ রাজনৈতিক দল, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক, কলামিস্ট, লেখক, গবেষক, শিক্ষাব��দ ও নানা শ্রেণিপেশার মানুষ পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনের দাবির সাথে একমত পোষণ করেছেন।
প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ,
আমরা লক্ষ্য করছি জনগণের দাবিসমূহ কার্যকর করার কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে না। এমতাবস্থায় জনগণের দাবি আদায়ের জন্য গণআন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই। তাই জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে আগামী ফেব্রুয়ারিতে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন এবং জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যম�� বাংলাদেশকে একটি ন্যায়ভিত্তিক ও জবাবদিহিতামূলক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্ররূপে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে আজ ১৫ সেপ্টেম্বর আন্দোলনের ৫-দফা গণদাবি জাতির সামনে তুলে ধরা হচ্ছে।
দাবিসমূহ হলো-
১। জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন আয়োজন করা
২। আগামী জাতীয় নির্বাচনে উভয় কক্ষে পিআর পদ্ধতি চালু করা
৩। অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন��র লক্ষ্যে সকলের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত ��রা,
৪। ফ্যাসিস্ট সরকারের সকল জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার দৃশ্যমান করা।
৫। স্বৈরাচারের দোসর জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা
উক্ত দাবিসমূহ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নিম্নোক্ত কর্মসূচি পালন করা হবে ইনশাআল্লাহ।
* ১৮ সেপ্টেম্বর রাজধানী ঢাকায় সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল
* ১৯ সেপ্টেম্বর দেশের সকল বিভাগীয় শহরে বিক্ষোভ মিছিল
* ২৬ সেপ্টেম্বর দেশের সকল জেলা/উপজেলায় ব��ক্ষোভ মিছিল
এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য আমরা দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।”
Exchange of views held between Jamaat-e-Islami and three other parties on giving legal shape to the July Declaration and Charter, expected reforms, trial, existing political situation and electoral roadmap https://t.co/wsZ59t6zky
‘জুলাই’২৪ এর গণঅভ্যুত্থান: প্রত্যাশা, প্রাপ্তি ও করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা এবং ‘২য় স্বাধীনতার শহীদ ও আহত যারা’ বইয়ের ইংরেজি ও আরবি ভার্সনের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত
১ আগস্ট জাতীয় সেমিনার বাস্তবায়ন কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত
‘জুলাই’২৪ এর গণঅভ্যুত্থান: প্রত্যাশা, প্রাপ্তি ও করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা এবং ‘২য় স্বাধীনতার শহীদ ও আহত যারা’ বইয়ের ইংরেজি ও আরবি ভার্সনের মোড়ক উন্মোচন উপলক্ষে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সেমিনার বাস্তবায়ন কমিটির এক বৈঠক ৩১ জুলাই বৃহস্পতিবার স��ালে অনুষ্ঠিত হয়। জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। বৈঠকে জাতীয় সেমিনার সর্বতোভাবে সফল করে তোলার লক্ষ্যে সেমিনারের বিভিন্ন দিক আলোচনা করে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দেওয়া হয়।
উপস্থিত ছিলেন বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলা���া রফিকুল ইসলাম খান, মাওলানা আবদুল হালিম ও এড. এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য জনাব মোবারক হোসাইন, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতের নায়েবে আমীর এড. ড. হেলাল উদ্দিন, ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. রেজাউল করিম, সহকারী সেক্রেটারি জনাব নাজিম উদ্দিন মোল্লা, ডা. ফখরুদ্দিন মানিক ও জনাব ইয়াসিন আরাফাত এবং ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি জনাব কামাল হোসাইন প্��মুখ।
অনুষ্ঠানের সার্বিক সফলতা কামনা করে এবং উপস্থিত সদস্যদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বৈঠকের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
গোপালগঞ্জে জুলাই যোদ্ধাদের ওপর নিষিদ্ধ ঘোষিত সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের হামলার প্রতিবাদে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তর ও দক্ষিণের যৌথ উদ্যোগে বিশাল সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত
‘সরকারের দুর্বলতা ও সিদ্ধান্তহীনতায় মনে হয় সরকারের সাথে ��োপন কোনো শক্তি কাজ করছে’
-ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মাদ তাহের
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষ শঙ্কিত নয়, উদ্বিগ্ন। হাজার-হাজার ছাত্র-জনতার জীবন ও রক্তের বিনিময়ে অর্জিত নতুন বাংলাদেশ। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দুর্বলতা ও সিদ্ধান্তহীনতায় মনে হয় সরকারের সাথে গোপন কোন শক্তি কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি ���লেন, গোপালগঞ্জের ঘটনায় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলে মনে হয়েছে, তিনি খুবই অসহায়। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেছেন, ‘প্রশাসনের কোন দুর্বলতা থাকলে তিনি ব্যবস্থা নিবেন।’
ডা. তাহের বলেন, আমাদের মনে হয়, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নিজেই দুর্বল ও অসহায়। যার বাস্তবতা রাষ্ট্রের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে ফুটে উঠেছে। মিটফোর্ডের ঘটনা থেকেই গোপালগঞ্জের ঘটনার সাহস দেখিয়েছে পতিত আওয়ামী ���ীগের দোসররা। আমরা অনতিবিলম্বে ‘মিস্টার অসহায়’ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে প্রত্যাহার করতে সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।
বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) বিকেল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ ও উত্তরের যৌথ আয়োজনে ‘গোপালগঞ্জে এন��িপির সমাবেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল’ পূর্বক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরও বলেন, এনসিপির সমাবেশে হামলার ঘটনায় জড়িত নিষিদ্ধ ঘোষিত সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি প্রশাসনের দায়িত্বশীলদের দায়��ত্বহীনতার কারণে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, যখন জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে একটি নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং ১৯ জুলাই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় সমাবেশ হতে যাচ্ছে- ঠিক এই মুহূর্তে এনসিপির পদযাত্রায় গোপালগঞ্জের হামলা একটি অশনি সংকেত। তিনি আরও বলেন, যেখানে এনসিপি সমাবেশ করার আগে প্রশাসনকে লিখিতভাকে জানিয়েছে। সেখানে প্রশাসন কী ভূমিকা রেখেছে?- গণমাধ্যমে দেখা গেছে যখন সমাবেশের মঞ্চ ভাংচুর করা হয়, তখন সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোন সদস্য উপস্থিত ছিলো না।
প্রশাসনের কাছে প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, জাতি কী এখনো ফ্যাসিবাদের জামানায় রয়েছে কিনা? কারণ ফ্যাসিবাদ আওয়ামী লীগের শাসনামলে বি��োধী দলমতের লোকদের কোন সভা-সমাবেশ করতে দেওয়া হতো না। সেই একই কায়দায় এনসিপির সমাবেশ পন্ড করেছে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা।
তিনি আরও বলেন, জাতি আজ দুই দিকে দুই ভাগ হয়ে গেছে। একদিকে গণতন্ত্রকামী, শান্তিকামী, দেশপ্রেমিক ছাত্র-জনতা, অপরদিকে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও তাদের সঙ্গি চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, খুনি, ধর্ষক, নৈরাজ্যকারী গোষ্ঠী। জনগণ এদের প্রতিহত করবেই, করবে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি তিনি আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশের জনগণের জান ও মালের নিশ্চয়তা প্রদান করতে হবে। গোপালগঞ্জের সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর মো. নূরুল ইসলাম বুলবুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা এটিএম মাছুম বলেন, গোপালগঞ্জে সংঘটিত ন্যক্কারজনক ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। এই ঘটনায় জড়িত আওয়ামী সন্ত্রাসীদের পাশাপাশি প্রশাসনে থাকা আওয়ামী দোসরদেরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। যাতে করে বাংলাদেশে আর কোনদিন স্বৈরাচার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারবে। যারা সন্ত্রাসীদের লালন-পালন করছে তারাও জাতির সামনে অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে। ৫ আগস্ট যেই ঐক্যের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে সেই ঐক্যে ফাটল দেখা যাচ্ছে। তিনি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অংশীজনদের জাতীয় স্বার্থে ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান জানান।
জুলাই বিপ্লবে হাজার-হাজার মানুষ জীবন দিয়ে বাংলাদেশকে ফ্যাসিবাদ মুক্ত করার পরও সমাবেশে হামলা করার সাহস কারা কিভাবে পায় প্রশ্ন রেখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেন, সরকারের ভিতরে ফ্যাসিবাদের দোসররা থাকায় ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠী রাষ্ট্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। প্রশাসন থেকে যত দ্রুত ফ্যাসিবাদের দোসরদের বিতাড়িত করা হবে, তত দ্রুত দেশের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আসবে, সরকারের ভাবমর্যাদা, গ্রহণযোগ্যতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা দেশে-বিদেশে বৃদ্ধি পাবে। তাই দেশ ও জাতির স্বার্থে সরকারের আইন প্রয়োগ কঠোর হতে তিনি আহ্বান জানান।
সহকার�� সেক্রেটারি সাবেক এমপি ড. এইচএম হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, ০৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর তার দোসররা কীভাবে বিপ্লবীদের উপর হামলা করার সাহস পায়? সেখানে প্রশাসন কী দায়িত্ব পালন করেছে? এই হামলা বাংলাদেশের গণতন্ত্রের উপর আঘাত হেনেছে। যারা হামলা চালিয়েছে তাদেরকে অনতিবিলম্বে গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। গোপালগঞ্জের ঘটনায় সরকারের ��ুর্বলতা প্রমাণিত হয়েছে। সরকারের সক্ষমতা প্রমাণে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রশাসনের ভিতরের এবং বাহিরের প্রত্যেককে চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। নতুবা বাংলাদেশের জনগণ লংমার্চ টু গোপালগঞ্জ কর্মসূচি পালনে বাধ্য হবে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় প্রচার সেক্রেটারি এডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. রেজাউল করিম প্রমুখ। এছাড়াও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসেন, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর এডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটার��� যথাক্রমে দেলাওয়ার হোসেন, মোহাম্মদ কামাল হোসেন, ড. আব্দুল মান্নান, মো. শামছুর রহমান সহ কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ।
সভাপতির বক্তব্যে মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, গোপালগঞ্জ বাংলাদেশের বাহিরের অংশ নয়। বাংলাদেশেরই অংশ। তাই সরকারকে গোপালগঞ্জের সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্র লীগকে বুঝতে হবে, এটা হাসিনার বাংলাদেশ নয়; এট�� ছাত্র-জনতার বাংলাদেশ। ছাত্র-জনতার বাংলাদেশে সন্ত্রাস করার সুযোগ কেউ পাবে না। করলেও ছাড় পাবে না। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজ মুক্ত বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে জামায়াতে ইসলামীর ঘোষিত ৭-দফা দাবি আদায়ে ১৯ জুলাইয়ের জাতীয় সমাবেশে দেশবাসীকে দলে দলে যোগদানের আহ্বান জানান তিনি।
সমাবেশ শেষে কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর নেতৃবৃন্দের নেতৃত্বে এক বিশাল প্রতিবাদ মিছিল বায়তুল মোকাররম উত্তর গেইট থেকে শুরু হয়ে প্রেসক্লাব, মৎস্য ভবন, শাহবাগ চত্বরে গিয়ে মিছিল শেষ হয়।
Call to clarify the role of the Chief Advisor before the nation for resolving the confusion that have arisen regarding the elections https://t.co/QgF44hBM0a
রাজবাড়ী জেলা জামায়াতের উদ্যোগে ‘জেলা ও উপজেলা কর্মপরিষদ, শূরা সদস্য এবং পৌরসভা ও ইউনিয়ন সমূহের ওয়ার্ড সভাপতি ও সেক্রেটারি সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত
বিস্তারিত: https://t.co/RsGqNoiQwx