সেকেন্ডের কাটার নাম সেকেন্ড হয়েছে কেন,ফার্স্ট না হয়ে?সে তো ঘড়িতে সবার আগে যাত্রা করে।তবুও সে সেকেন্ড?
শুরুতে মিনিটের কাটার নাম ছিল প্রাইম মিনিটস।ঘণ্টাকে ভাগ করে এই নাম রাখা হয়।এরপর মিনিটকে ভাগ করা হয় যখন তখন নাম হয় সেকেন্ড মিনিটস।পরে সেকেন্ড মিনিটস শর্টকাটে সেকেন্ড রাখা।
হিংসা + নজর :
বান্ধবীর সাথে বহুদিন পর দেখা →
ছবি পোস্টিং → কারো কমেন্ট এতোদিন পরেও এমন বন্ধুত্�� → অতপর বান্ধবীর মন খারাপ এবং সাথে ঝগড়া।
মানুষের মনে রাগ, ক্ষোভ, হতাশা, অভিমান আসতেই পারে। তাই বলে অন্যদের খুশির উপর এভাবে নজর দেয়া কি ঠিক?!
"Whoever observes fasts during the month of Ramadan out of sincere faith, and hoping to attain Allah's rewards, then all his past sins will be forgiven."
— The Prophet ﷺ | Sahih al-Bukhari 38
স্কুল জীবনের অনেক বান্ধবীদের আইডি হঠাৎ চোখের সামনে ঘুরা ফেরা করছে। বহুকাল পার হয়ে গেছে তাদের সাথে যোগাযোগ নেই। কারো কারো ১টা ২টা করে বাচ্চাও আছে।
���তোকাল প��ে, কার মন-মানুষিকতা কেমন হয়ে গেছে এই ভেবে আর যোগাযোগ করার সাহস হয় না।
আহারে ছোট বেলা......!!!
কারো কথা শুনে ভেতরে ভেতরে খারাপ লাগছে কিন্তু, তবুও হেসে উড়িয়ে দিচ্ছি, is a different type of self control.
এখন প্রায়-ই এটা করে থাকি, কারন কারো সাথে তর্ক বা ঝামেলা করার থেকে চুপ থাকা ভালো মনে করি!!
@Eraboti_moni যাকে দেখার চেয়ে মৃত্যু কে দেখা শ্রেয় মনে হয়। তাকে না দেখতে পাওয়ার জন্য যেন মৃত্যু তো দূরে থাক, কোনো কষ্টও যে না হয়।
এ জীবনের অনেক দাম।
তখন মনে হয় যদি এক বার চিৎকার করে বলতে পারতাম "দেখলে তোমরা এই জন্যই আমি শুধু মাত্র প্রয়োজন ছাড়া কথা বলতে চাই না " :)
একমাত্র কম কথা বলা মানুষরা বুঝতে পারবে এসব অসহায়ত্ব বোধ কতোটা ভোগায় :)
একটু বেশি কথা বললে এমন অস্থীর লাগে আর মনে হয় ভালো মন্দ যা বলেছি সব ডিপ্রেশন থেকে বলেছি, যেগুলো মন থেকে কখনই বলতে চাই নাই :)
আর বেশিরভাগ সময় অন্য মানুষরা সেসব কথার প্যাচ ধরে এমন বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলে যা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না :)
মাঝে মাঝে মায়েরা বকা দেয় না, কিছু বলেও না। শুধু ঘরের কাজের ফাকে কয়েকবার তাকায়।😑
ঐ তাকানো দেখলেই, মাথায় সারাদিনে কি কি আজাইরা কাজে সময় নষ্ট করেছি সে হিসাবের খাতা খুলে যায়।🤯
ঐ চোখের এক নজর যেন হাজার বকা দেওয়ার থেকেও মারাত্মক। 😰
আমি আমার শাশুড়ির সবকিছুই নিয়েছি। তার উল্টো কিছুই নেইনি। নেয়ার প্রয়োজন হয়নি। কখনো নিবোও না।আমি ঠিক করেছি আমার সংসারেও আমার শাশুড়ির অলিখিত সংবিধান সব সময় বলবত থাকবে। আমার ছেলে মেয়েদের দিয়েই এটা শুরু করবো।
'
#সংসারের_সংবিধান#অনন্য_শফিক
বিয়ের আগে ভাইদের জন্য মাছের মাথা কিংবা ভালো টুকরো গুলো খুব কমই পেতাম। ভাইদের ভাগেই এগুলো বেশি জুটতো। এখানে আসার পর দেখলাম সমতা। শাশুড়ি মা খাবারের ক্ষেত্রে কাউকেই প্রাধান্য দিতেন না।ঘুরে ফিরে সবাই সপ্তাহে একদিন হলেও মাছের মাথা পায়। আমিও কয়েকবার পেয��েছি।
আসরের আজান হলে বাথরুমে গিয়ে অজু করে এলেন। নামাজ পড়বেন বলে জায়নামাজ বিছালেন। কিন্তু নামাজে দাঁড়াতে পারলেন না। বললেন, শরীর দূর্বল ��াগছে।মাথা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে পারছেন না। বলতে বলতে তিনি জায়নামাজেই শুয়ে পড়লেন। এবং সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যু বরণ করলেন।
দিনগুলো কীভাবে যেন লাগামহীন ঘোড়ার মতো দৌড়ে চলে যায়।
শাশুড়ি মারা গিয়েছেন আজ চার বছর হয়েছে। এরিমধ্যে আমার টুইন বাবু হয়েছে। একটা ছেলে একটা মেয়ে। এদের বয়স এখন দুই।কথা বলতে শিখেছে। হাঁটতে শিখেছে।দৌড়াতেও জানে।আমি শাশুড়ির শিক্ষায় শিক্ষিত হয়েছি।