মার্কিন প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তি হতে যাচ্ছেন ইলন মাস্ক। শেখ হাসিনা ও দাদা বাবুদের দুশ্চিন্তার কারণ হতে পারেন তিনি। ইতিমধ্যেই তার বক্তব্যে কপালে ভাঁজ ধরেছে লুটেরাদের।
আমাদের সীমান্তে আর কোনো ভাই বা বোনের লাশ দেখতে চাই না। সীমান্ত হত্যার অবসান ঘটাতে এবং নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা সর্বোচ্চ সংগ্রাম চালিয়ে যাব।
আজকের ‘মার্চ ফর ফেলানী’ সেই সংগ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। যদি আর কোনো দিন কাঁটাতারে আমাদের মানুষের রক্ত মাখা হয়, তাহলে আমরা কেবল প্রতিবাদে সীমাবদ্ধ থাকব না; আমাদের লং মার্চ কাঁটাতার ভেদ করে আরও দূরে এগিয়ে যাবে।
আমরা বিশ্বকে জানাতে চাই, সীমান্তে হত্যার এই অমানবিক ঘটনা কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। বাংলাদেশের যে সব নাগরিক সীমান্তে জীবন হারিয়েছেন, তাদের প্রতিটি হত্যার বিচার আন্তর্জাতিক আদালতে করতে হবে।
আমাদের ছাত্র-জনতার ঐক্য আজ নতুন বাংলাদেশের ভিত্তি। এই বাংলাদেশ কখনো নতজানু পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করবে না। যে কোনো শাসকগোষ্ঠী, যারা ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার জন্য বিদেশিদের পদলেহন করবে, তাদের ভবিষ্যৎও হবে খুনি হাসিনার মতো।
আমরা পাঁচটি দাবি স্পষ্ট করেছি:
১. ফেলানী হত্যাসহ সীমান্তে সকল হত্যার আন্তর্জাতিক বিচার।
২. সীমান্তে মরণঘাতী অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ।
৩. শহীদ ফেলানীর নামে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক ভবনের নামকরণ।
৪. নতজানু পররাষ্ট্রনীতি বাতিল করে সাম্যের ভিত্তিতে নতুন নীতি গ্রহণ।
৫. কুড়িগ্রামের চরের জনগণের জীবিকা উন্নয়নে নদী সংস্কার।
এ লং মার্চে ফেলানীর বাবা নুর ইসলাম, জাতীয় নাগরিক কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং ছাত্র-জনতার অসংখ্য মানুষ অংশগ্রহণ করেছেন। এই সংগ্রাম মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য, মানবিক মর্যাদার জন্য। আমরা আর কোনো ফেলানীর লাশ দেখতে চাই না।
সীমান্ত হত্যার অবসান ঘটুক। এই লড়াই মানুষের জন্য, ন্যায়ের জন্য।