@Diparoy90 @HarunIzharBD তা আপনি বুঝিয়ে দিন। আমি তো জানিই হিন্দুরা নিজেদের অন্যদের তুলনায় শ্রেষ্ঠ ভাবে। জাতে উঠতে না পারার একটা দাম্ভিক মনোভাব তাদের মধ্যে তো চিরকালই ছিলো। মানুষকে মানুষ মনে না করাটা তাদের চিরকালের স্বভাব।
Women have never been safe in India.
The perversion level of the Indians are sky high and against women, they display that without a second thought.
The Indians can't ensure security to their own citizens, but, they're highly concerned about the security of the Hindus in Bangladesh.
What a joke of a country India is!
The incident is horrifying. I hope the criminal will be punished.
https://t.co/nvlJGzOk3O
এগারো বছরের সঞ্চয় নিয়ে যশোর থেকে এক বোন এসেছিলেন ফাউন্ডেশন অফিসে।
এক মধ্যবিত্ত নারী, যিনি দীর্ঘ প্রায় এক যুগ ধরে একটু একটু করে জমিয়েছেন টাকাগুলো, ওই টাকার গায়ে তার কতটা মমতা আর ভালোবাসা লেগে আছে, যাদের জীবনে এমন ঘটনা ঘটেছে, কেবল তারাই উপলব্ধি করতে পারবেন।
ঢাকা ইউনিভার্সিটির আজ একটু আগে এই প্রেস ব্রিফিং দিয়েছে।
এটা হয়তো কোন বিজয় না বা আমরা যা অ্যাচিভ করতে চাই তার তুলনায় কিছু না। কিন্তু ঢাকা ইউনিভার্সিটির তুলনায় এটা একটা কিছু বটে।
কারণ ছাত্রলীগ দ্বারা আক্রান্ত 'প্রডাকটিভ রমাদ্বন' ইভেন্টকে স্পেসিফাই করে "এ ধরণের কোন কর্মকান্ড পরিচালনার অনুমতি না দেওয়ার" যে আদেশ প্রক্টরের ১৫ মার্চের চিঠিতে দেয়া হয়েছিল, এটার ক্রিটিসিজম যতটুকু যাই হচ্ছে তা মূলত অনলাইনেই সীমাবদ্ধ। ঢাকা ইউনিভার্সিটির মত একটা চিহ্নিত ইসলামবিদ্বেষী প্রতিষ্ঠান সেই ক্রিটিসিজমকে ম্যানেজ করতে চাচ্ছে, ঘটনাটাকে আর বাড়তে দিতে চাচ্ছে না, এটা তাদের পক্ষে স্বাভাবিক আচরণ না।
আল্লাহ তা'আলা ঐ ক্রিটিসিজমে উনার ওয়াস্তে জড়িত প্রত্যেককে যাজা খাইর দান করুন। মুসলিমবঙ্গে মুসলিমদের রমাদ্বন পালন ও গরুর মাংস খাওয়ার চলমান আয়োজন আরও বহুগুনে বেশি গতিতে অব্যহত থাকুক, আল্লাহ তা'আলা তাতে বারাকাহ, সাফল্য ও যাজা খাইর দিন।
আমাদেরকে অবশ্যই নিজ কওমের অস্তিত্ব, নিরাপত্তা ও ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে হবে। আমরা থেমে যেতে পারি না, ইন শা আল্লাহ থেমে যাব না।
আলহামদু লিল্লাহ, তারাবীহর সালাতে কুরআনের বার্তা পাঠ ও প্রতিযোগিতার নমুনা পরীক্ষায় ১৭ হাজার ৬০০ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেছেন। সৎকর্মে প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হওয়ার জন্য আল্লাহ সবাইকে উত্তম বিনিময় দিন। ফলাফল জানতে চোখ রাখুন ইসলামী জ্ঞানের ভুবন পেজে।
আদালতের বাইরে তারা "ধইরা ধইরা জবাই কর" এই স্লোগান দিচ্ছে উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা। আপনারা বুজতেছেন এটা তারা কিভাবে বলছে? সরাসরি উন্মুক্তভাবে তারা মুসলমানদেরকে গণহত্যার আহ্বান করতেছে। এর আগে তারা হেফাজতকে জঙ্গি সংগঠন বলে চট্রগ্রামে উন্মুক্তভাবে ইসলামের বিরোধীতা করে স্লোগান তুলছিল। অথচ এই গণহত্যা উস্কানিমূলক স্লোগান নিয়ে প্রশাসনের কোন মাথাব্যথা নেই। সরকার যদি নিজের ক্ষমতা রেখে অন্তত নিজ দেশের সার্বভৌমত্ব এবং অধিকার নিয়ে সচেতন থাকতো, এই ধরনের উস্কানিমূলক স্লোগানের সাথে সাথে তাদেরকে গ্রেফতার করার কথা ছিলো।
সরাসরি একটা দাঙ্গার দিকে পরিকল্পিতভাবে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে প্রজন্মকে এটা স্পষ্টভাবে বুঝা যাচ্ছে। এই সমস্ত ছোট ছোট কেস হচ্ছে তাদের শক্তির বহিঃপ্রকাশের একটা উপলক্ষ। প্রশাসনের লোকজন সরাসরি এর সাথে সম্পৃক্ত এবং উস্কানিদাতাদের তারা পরক্ষভাবে ব্যাকআপ দিচ্ছে। সরকার যদি অজ্ঞাত থাকে, তবুও সত্য হলো প্রশাসনের আমলারা এর সাথে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট আছে।