@BJP4Bengal@SuvenduWB আজ tmc চোরদের দলে নিয়ে রাজ্যসভার সাংসদ পদের জন্য প্রার্থী করার বিষয়টা মানুষের বিশ্বাস ক্ষুন্ন করলো,২১শের ভোটের পর বিজেপিতে জয়েন করা tmc নেতাদের পাল্টিবাজী থেকে শিক্ষা নেওয়ার পরও দিল্লির কথায় একই ভুল,ইঙ্গিত একটাই,শুরুর আগেই বঙ্গ বিজেপি শেষের পথে যাচ্ছে।
😂 ভূতের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি! 👻
পশ্চিমবঙ্গে নাকি ভোটার লিস্টে ৪৬ লক্ষ মৃত ভোটার! এখনো গোনাগুনতি বাকি — ডুপ্লিকেট, জাল, কাল্পনিক—সবই একে একে বেরোবে!
কিন্তু চিন্তা নেই!
আমাদের “মানবিক মুখ্যমন্ত্রী” মমতা ব্যানার্জি তো আছেন।
তিনি “ভূত অধিকার আন্দোলন” শুরু করেছেন—
কারণ তার মতে, “মানুষ মরে গেলেই ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া মানবিক নয়!” 😇
এখন তৃণমূলের মিটিংয়ে মাইক বাজে—
“জয় ভূতমুল!”
আর ব্যানারে লেখা থাকে—
“ভোটাধিকার মানে জীবনাধিকার, জীবিত হোক বা মৃত—সবাই সমান!” 🪦🗳️
এমনকি খবর আছে, এবার Election Commission এর সামনে ওরা দাবি তুলতে চলেছে—
“ভোটের দিন শ্মশান আর কবরস্থানেও বুথ হোক!”
শেষমেশ মমতা ব্যানার্জি ইতিহাসে নাম তুললেন—
ভারতের প্রথম “ভূতদের মুখ্যমন্ত্রী”,
যিনি জীবিতদের নয়, মৃতদের আশীর্বাদে সরকার চালান। 💀👑
#ভোটের_আত্মা #ভূতমুল_কংগ্রেস #DeadlyDemocracy
🔴 মানবতার নামে এক প্রশ্ন 🔴
যে মানুষ জান্নাতের আশায়, মৃত্যুর পর ৭২ হুরের আশায় নিরীহ মানুষ হত্যা করে— তার কাছে প্রশ্ন থাকে।
আর যারা এসব জানার পরও চোখ বন্ধ রাখে, তারা নিজের বিবেককে প্রশ্ন করুক।
দিল্লির বিস্ফোরণে ধর্মের দোহাই দিয়ে ব্লাস্ট করা হয়েছে। অনেক পরিকল্পনা করে কাজ চলছিল। শেষ ৩০ দিনে আমাদের সিকিউরিটি এজেন্সি ভারতবর্ষকে ৮ বার ভয়াবহ ঘটনা থেকে বাঁচিয়েছে। দিল্লির ক্ষেত্রে পারেনি । বিশ্বের কোন দেশ পারেনা সব সময় রক্ষা করতে।
কিন্তু এখান থেকেও কতগুলো জিনিস আমাকে ভাবাচ্ছে বিশেষত দিল্লির ঘটনার মৃত এবং আহত ব্যক্তিদের নামের তালিকা দেখার পর।।
যে বিস্ফোরণে প্রাণ গেছে— সেখানে হিন্দু মুসলমান সবাই রক্তাক্ত।
যারা বোম ব্লাস্ট করালো তারা বুঝতে পারেনি তার শিকারদের মধ্যে নিজের ধর্মের মানুষও আছে? আসলে তাদের কাছে মানুষ খুন আসল ছিল। নিজের ধর্মের লোক আছে সেটা বুঝতে পারেনি হয়তো।
তাহলে তারা কাকে খুশি করছে?
যে আল্লাহ নাকি তাদের দয়া, শান্তি আর মানবতার শিক্ষা দিয়েছেন— তাঁর নামে মানুষ খুন করে তাঁকেই কি অসম্মান করা হচ্ছে না?
মানুষ মেরে কিসের জে হা দ? কিসের যুদ্ধ এটা? এই যুদ্ধ করতে এসে ওদের মৃত্যু তো কুকুরের থেকেও খারাপ হয়।
জান্নাত কি এমন পথে মেলে, যেখানে অন্যের রক্তে হাত রঞ্জিত?
যেখানে ৭২ হুর নয়, ৭২ অভিশাপ অপেক্ষা করছে?
মানব সভ্যতায় এমন কোনও মতবাদ, কোনও চিন্তা, কোনও শিক্ষার জায়গা নেই—
যা মানুষকে বিভক্ত করে, বিদ্বেষ শেখায়, কিংবা হত্যার যুক্তি দেয়।
মানবতা কখনও ধর্মের শত্রু নয়— কিন্তু যারা ধর্মের নামে ঘৃণা ছড়ায়,
তারা মানবতার শত্রু।
🙏 শান্তি হোক— সকল ধর্মের প্রকৃত মর্ম যেন মানবতার পথেই ফিরে আসে।
যে ধর্ম বিধর্মীদের হত্যার কথা বলে সেটা মানবজাতির ধর্ম হতে পারে না। যে ধর্ম বলে যে আমার ধর্ম একমাত্র সঠিক এবং অন্যান্য ধর্ম শয়তানের সেটা মানবজাতির ধর্ম হতে পারে না। যে ধর্ম অন্য ধর্মের বা অন্য ধর্মের উপাস্য দেবদেবীর অস্তিত্বকে অস্বীকার করে সেটা মানবজাতির ধর্ম হতে পারে না। কেউ একজন ঠিকই বলেছিল, " THE WORLD WOULD HAVE BEEN A PEACEFUL PLACE WITHOUT THE SELF CLAIMED RELIGION OF PEACE "
জেনারেল বিপিন রাওয়াত একবার বলেছিলেন — ভারতকে প্রস্তুত থাকতে হবে 2.5 ফ্রন্টের যুদ্ধের জন্য।
দু'টি ফ্রন্ট বাইরের শত্রুর বিরুদ্ধে, আর সেই অর্ধেক ফ্রন্টটা দেশের ভেতরের ছদ্মবেশী শত্রুদের বিরুদ্ধে।
এই “অর্ধেক ফ্রন্ট” মানে কারা, তা আজ সবাই জানে।
ওরা হলো সেই ঘরের ভেতরের ঘুণ — যারা দেশের ভিতরেই বসে দেশের শত্রুদের কাজ করে।
যখনই ভারত সন্ত্রাসবাদ, বেআইনি অনুপ্রবেশ বা জঙ্গি শক্তির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয় —
ঠিক তখনই ওরা বুদ্ধিজীবী, অ্যাকটিভিস্ট বা মানবতার মুখোশ পরে চিৎকার শুরু করে।
এই মুখোশধারীদের চেনার সময় এসেছে।
দেশের শত্রু শুধু সীমান্তের ওপারে নয়, আমাদের ভেতরেও আছে।
🇮🇳 এখনই সময়, সেই .5 ফ্রন্টকে চিহ্নিত করার।
একটা ইংরেজি প্রবাদ আছে — “A picture speaks a thousand words.”
ছবিই হাজার কথার সমান।
কাকতালীয়, না কি পরিকল্পনার অংশ — সেটা বলা মুশকিল। কিন্তু ঘটনাটা অস্বীকার করা যায় না —
সিপিএমের বাংলা মুখপত্র,
একমাত্র ঈশ্বরকে ভয় পাওয়া বর্তমান , ভাইপোর পত্রিকা,
আর পশ্চিমবঙ্গের বাঙালির স্বঘোষিত অভিভাবক সংবাদপত্র আনন্দবাজার—
সকলেই আজ সকালে একই ছবি প্রথম পাতায় ছেপেছে।
বার্তাটা একটাই — “সন্ত্রাসবাদের কোন ধর্ম হয় না।”
ছবিটা সত্যিই সুন্দর, কিন্তু আসল সত্যিটা আমরা অর্থাৎ ওদের কাছে কাফেররা জানি।
মমতা ব্যানার্জির অনুপ্রেরণায় বাংলা আজ সব দিক থেকে এগিয়ে, সেটা রাজনৈতিক সন্ত্রাস হোক বা চাকরি দুর্নীতি। স্বাধীনতার পর ভারতবর্ষের ইতিহাসে সবথেকে বেশি চাকরি বাতিলের রেকর্ড ছিল বাম আমলের ত্রিপুরার। সেই রেকর্ড ছাপিয়ে গেছেন মমতা ব্যানার্জি।
সুযোগ ছিল যোগ্য অযোগ্য চিহ্নিত করার, কিন্তু মমতার সরকার অযোগ্যদের বাঁচাতে গিয়ে যোগ্যদের পথে বসিয়েছেন। চোখের জলে দিন কাটছে হাজার হাজার পরিবারের।
মহুয়া মৈত্রর বিয়ের রিসেপশনে ঢোকার জন্য Card এর QR Code scan করিয়ে ঢুকতে হয়েছে তৃণমূলের চোর বাটপার গুলোকে, খাবার আগে হাতের স্টাম্প দেখাতে হয়েছে। তৃণমূলের নেত্রী তাদের দলের লোকজনকে বিশ্বাস করে না। কার্ড এবং স্টাম্প না থাকলে খাবার পর্যন্ত দেয় না আর এরা চায় যাতে দেশে কারা ভোট দেবে সেটা যেন ECI চেক পর্যন্ত না করে।
তৃণমূলের চোর বাটপার সমর্থকদের ওদের নেত্রী ভরসা করে না তাহলে তৃণমূল কি করে মনে করে যে মানুষ তাদেরকে ভরসা করবে?
এসআইআর (SIR) শুরু হতেই পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন বিচিত্র দৃশ্য দেখা যাচ্ছে, অদ্ভুত সব তথ্য সামনে আসছে। কখনো রাজারহাট - নিউ টাউন এলাকার অবৈধ বাংলাদেশী কলোনির বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্কের পরিবেশ, কখনো গুলশান কলোনিতে গিয়ে কার্যত গোলক ধাঁধায় পড়ছেন বিএলও-রা। ঘিঞ্জি এলাকার এত মানুষজনের মধ্যে ভোটার খুঁজতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে তাঁদের। জানা যাচ্ছে যে আবাসিকদের প্রায় ৮৫ শতাংশ বহিরাগত। এলাকায় ২ লক্ষ লোক, ৪ হাজার ভোটার! কখনো জানা যাচ্ছে যে কিরকম অবাস্তব হারে ভোটার সংখ্যা বৃদ্ধি হয়েছে ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রে, বিশেষত মুসলিম ভোটারদের সংখ্যা।
সংযুক্ত ভিডিও তে দুটি এই রকম চিত্র তুলে ধরলাম। দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগর বিধানসভার গোঁড়ের হাট খাল পাড়ে থাকা বাংলাদেশী রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারীদের বস্তি অনেকটাই ফাঁকা। অন্যদিকে হাওড়া জেলার রামরাজাতলা থেকে পালাতে ব্যস্ত অবৈধ বাংলাদেশীরা :-
Is the BJP central leadership aware that Trinamool agents are very often accompanying the BLOs during distribution of forms and bossing over them? Sometimes CPI(M) agents are also with them. BUT BJP - NEVER.
No wonder. West Bengal BJP has not even been able so far to select its office-bearers.
VERY, VERY, VERY, BAD. @narendramodi@AmitShah@RSSorg
ফেসবুকে এটা ঘুরে বেড়াচ্ছে।
The news Bangla এটা প্রকাশ করেছে।
মহুয়া মৈত্রর বিয়ের রিসেপশন পার্টিতে মমতার পার্সোনাল চাকর গুলোর পোস্টিং করেছে।
এরা মমতার জন্য সবকিছু করে। মমতার বাড়িতে খিচুড়ি রান্না থেকে শুরু করে দলীয় মিটিংয়ে জল দেওয়া পর্যন্ত।
মমতার নির্দেশে মহুয়া কাকিমার বিয়েতে গেছে এতগুলো পুলিশ। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়?
তৃণমূলের রাজনীতিতে আজকাল এক নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে — কে কাকে ছাপিয়ে “পুরস্কারপ্রাপ্ত চোর” হবে! 😄
বড় বড় নেতারা তো বিদেশে ঘুরে, চাকরি বিক্রি করে, বালি-কয়লা গিলে ফেলেছে এমনভাবে যেন পৃথিবীর ভূগর্ভই তাদের ব্যক্তিগত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট! আর সেই টাকায় কেউ নকল “ইন্টারন্যাশনাল পিস অ্যাওয়ার্ড” কিনছে, কেউ “গ্লোবাল ইনস্পিরেশন লিডার” হচ্ছে, "স্কচ award" পাচ্ছে— নাম শুনলেই মনে হয় যেন নোবেল–অস্কার–ভারতরত্ন একসাথে! 😜
এই চমকপ্রদ চোর প্রতিযোগিতায় এবার নতুন নাম তৃণাঙ্কুর।
বেচারা এখনো বড় মাপের চোর হতে পারেনি, তাই নিজের ক্ষমতা অনুযায়ী কাজ করছে। কলেজে ভর্তি করানো, GTA-র ৩১৩টা চাকরি বেচা — ছোটখাটো চুরি, কিন্তু মনের জোর বিশাল!
বড় ভাইরা যখন কোটি কোটি টাকায় “ইউরোপিয়ান হিউম্যানিটি অ্যাওয়ার্ড” কিনছে, তখন ছোট ভাই ভাবল — “আমিও পিছিয়ে থাকবো কেন?”
তাই একেবারে Golden Book of World Records নামের জালি সংস্থার কাছ থেকে একটা পুরস্কার কিনে ফেলল। এখন তো পুরো রাজ্য জানতে পেরেছে, “ওয়ার্ল্ড রেকর্ড” নয়, “ওয়ার্ল্ড রসগোল্লা”! 🍬
আর সোশ্যাল মিডিয়ায় সবাই হেসে গড়াগড়ি খাচ্ছে!
কিন্তু ভাই, হাসো না — বড় চোররা কয়েকশো কোটি টাকায় নকল পুরস্কার কেনে,
ছোট চোররা কয়েক লাখ টাকায় কেনে! চুরি তে পার্থক্য, কৌশলে নয়! 😏
তাই যখন ভাইপো ব্যানার্জির জন্মদিন আসে, তখন মনে পড়ে যায় —
আজ শুধু এক রাজনীতিকের নয়, পশ্চিমবঙ্গের এক ফুটফুটে চোরের জন্মদিন! 🎂💰
তৃণমূলের এই পুরস্কার–রাজনীতি দেখে এখন মনে হয়,
“বাংলার নতুন স্লোগান হওয়া উচিত —
‘চুরি করো, পুরস্কার পাও, তারপরে গোল্ডেন বুকেও ঢুকে যাও!’” 😂
SIR আসছে তেড়ে, ভাগ অনুপ্রবেশকারী পশ্চিমবঙ্গ ছেড়ে,
বাংলাদেশে যার চাচার বাড়ি, পশ্চিমবঙ্গ ছাড়ো তাড়াতাড়ি।
ভারতবর্ষ ভারতের নাগরিকদের দেশ — হিন্দু, মুসলমান, খ্রিস্টান, জৈন, পার্সি — সবার দেশ। এই দেশের মাটিতে থাকা সবার অধিকার আছে যারা ভারতীয়। বাংলাদেশের অত্যাচারিত হিন্দুরা এখানে শরণার্থী তাদের জন্য ভারত সরকার আছে। যে মুসলমানদের পরিবারের কবর এই মাটিতে আছে এই ভারত বর্ষ তাদেরও।
কিন্তু বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে প্রবেশ করা মুসলমানেরা বা রোহিঙ্গারা, আপনাদের জন্য স্পষ্ট বার্তা — যেখান থেকে এসেছিলেন, সেখানেই ফিরে যান। এখনো সুযোগ আছে শান্তিপূর্ণভাবে চলে যাওয়ার। কাউকে রক্ষা করা যাবে না, কারণ এটাই দেশের আইন। এটা পশ্চিমবঙ্গের বা কারও রাজনৈতিক দলের আইন নয়।
ভারতীয় মুসলমানদের কোন চিন্তার দরকার নেই, কারণ দেশভাগের সময় যাঁরা এই দেশের নাগরিক হিসেবে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, ভারত সেই সিদ্ধান্তকেই সম্মান দেয়।
বাংলাদেশি হিন্দুদেরও কোনও ভয় পাওয়ার কারণ নেই। কেন্দ্রীয় সরকার ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত আগত হিন্দু শরণার্থীদের বিরুদ্ধে কোনও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে না বলে দিয়েছে। বাংলাদেশ আফগানিস্তান এবং পাকিস্তান থেকে আসা সংখ্যালঘুদের CAA এর মাধ্যমে নাগরিকত্ব দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে।
সব হিসাব স্পষ্ট — যারা অবৈধভাবে দেশে ঢুকেছেন, তারা ফিরবেন। যারা ভারতের, তারা অটলভাবে থাকবেন।
ভারত কারোর ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়, কিন্তু ভারত শুধুই ভারতীয়দের।
To intimidate honest BLOs TMC workers are harassing them and walking with them while they go door to door❗️
No other state has this culture of harassment and intimidation that Mamata has created‼️
She is openly trying to rig the process‼️
কারা উল্টোপাল্টা বলে এসআইআর-এর বিরোধিতা করছে চোখ খুলে দেখে নিন । যেসব পর্দানশীন মুসলিম মহিলারা (ভারতীয় হোক বা বাংলাদেশী বা রোহিঙ্গিয়া) প্রকাশ্যে বেরিয়ে পরপুরুষের সঙ্গে কথাই বলতে পারেন না, তারা মিছিল করলেন কি করে আর তাদের হাতে এই সব ইস্তাহারই বা কে ধরিয়ে দিল, তা বুঝতে খুব বেশি বুদ্ধি খরচ করতে হয় কি ?
এসব করেছে তৃণমূল । কারণ তারা ভয় পেয়েছে ।
SIR মানছি না, মানবো না বলে গলা ফাটালেন...
আর তারপর?
চুপি চুপি নিজের জন্য ফর্ম তুলে নিলেন মাননীয়া! 😏
লোককে ভয় দেখানোই আপনার পেশা।
পশ্চিমবঙ্গের মানুষ জানে,
আপনি কথায় এক, কাজে আরেক!
🎯 যারা চুপিচুপি ফর্ম তুলে নিচ্ছেন, তারা-ই আজ মানুষকে ফাঁকি দিচ্ছেন!
সচেতন হোন, নিজের ভোটের অধিকার নিজেই সুরক্ষিত করুন।
#SIR #WestBengal #PoliticalDrama #SachetanNagarik #IndiaFirst
📢 তৃণমূল সাংসদ গলায় ঝুলিয়েছেন প্ল্যাকার্ড —
“ভোটার তালিকা তৈরি করতে গিয়ে নাগরিকত্ব যাচাই করা চলবে না।”
মানে স্পষ্ট — বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা যেন অবাধে ভোট দিতে পারে!
সংবিধানের শপথ নেওয়া একজন সাংসদের মুখে এমন দাবি শুনলে অবাক না হয়ে উপায় নেই।
🇮🇳 ভারতবর্ষে ভোট দেওয়ার অধিকার শুধুমাত্র ভারতীয় নাগরিকেরই।
কোন মৃত মানুষ ভোট দেবে না, কেউ একাধিক জায়গায় ভোট দিতে পারবে না —
এই সরল দাবিতেই কেন এত ভয় তৃণমূলের?
মমতা ব্যানার্জির হাতে একটা সংবিধান দেখলাম, ওটা একটু ধার করে নিয়ে পড়তে পারে তো। ECI এর কাজটা কি তাহলে বুঝতে পারবে।
😔 করুণা হয় সেইসব মানুষদের দেখে, যারা এমন চিন্তাধারার লোকদের পার্লামেন্টে পাঠায়।
এই মানুষরাই আজ দেশের লজ্জা।
#IndiaFirst #TMC #Citizenship #VoterList #BengalPolitics #SaveDemocracy #বাংলা #ভারতীয়নাগরিক #দেশেরলজ্জা
🔴 পশ্চিমবঙ্গের স্বঘোষিত মহারানী ও তাঁর যুবরাজের রাজসভা আজ 🔴
আজ কলকাতার বুক জুড়ে চলছে রাজকীয় প্রস্তুতি।
সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউর অর্ধেক দখল করে তৈরি হচ্ছে মঞ্চ — যেন জনগণের নয়, জমিদারের রাজত্ব চলছে!
যদি কোনও বিরোধী দল একই জায়গায় সভা করতে চাইত,
তাহলে পুলিশ হতো কড়া,
ফাইল যেত কোর্টে,
আর রাজ্যের আইনজীবীরা বলত — “জনগণের অসুবিধা হবে!”
কিন্তু আজ?
মহারানী ও তাঁর ভাইপো অভিষেক ব্যানার্জি সভা করছেন,
মানুষের চলাচল বন্ধ, যানজট তীব্র, দোকানপাট অচল —
সব ঠিক আছে, কারণ তারা পশ্চিমবঙ্গের মালিক!
একদিনের জন্য শহর থেমে যায়,
কিন্তু তাদের ক্ষমতার প্রদর্শন থামে না।
রাজতন্ত্র পড়েছিল ইতিহাসে,
কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে সেটাই যেন ফিরে এসেছে —
নতুন পোশাকে, নতুন স্লোগানে, পুরনো মানসিকতায়।
#Kolkata #CentralAvenue #TMCDrama #MamataBanerjee #AbhishekBanerjee #BengalPolitics #Hypocrisy #PeopleSuffer #DemocracyOrDynasty
সংবিধান হাতে, বুদ্ধি কোথায় রেখে মিছিল?
আজকে আমাদের প্রিয় “সংবিধান রক্ষাকারী” মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাকি হাতে সংবিধান নিয়ে মিছিল করেছেন। বাহ! অভিনন্দন জানাই— অন্তত বইটা হাতে নিয়েছেন তো!
তবে একটা ছোট্ট অনুরোধ — ওটা শুধু হাতে নিয়ে ঘোরা নয়, একটু খুলেও দেখা যায়।
শুরু করুন একদম Art. 324 থেকে। তাতে লেখা আছে নির্বাচনের দায়িত্ব কার — Election Commission of India- র। মানে, আপনি নন “দিদি”!
আপনার অবশ্য পুরোটাই পরে দেখা উচিত তাহলে বুঝতে পারবেন সংবিধান অনুযায়ী আপনি কি কি করতে পারেন না। ওটা ভালোভাবে পড়লে আপনি বুঝতে পারবেন মানুষের মৌলিক অধিকার গুলো কি কি এবং রাজ্যের ক্ষমতা কতটুকু।।
তারপর যদি মন থাকে, একটু Representation of the People Act, 1950 খুলে দেখুন।
বিশেষ করে Section 21— ওখানেই আছে সেই ভয়ঙ্কর জিনিসটা যেটা দেখে আপনার ঘুম পালিয়ে গেছে, যেটা নিয়ে আপনি গত ক’দিন ধরে নাটক করছেন — “SIR”!
পড়ে ফেললে হয়তো বুঝবেন এটা কোনও নতুন তৃণমূল-বিরোধী ষড়যন্ত্র নয়, বরং আইনের মৌলিক অংশ।
তাই অনুরোধ— বইটা শুধু মিছিলে ঘোরানো বন্ধ করে, একটু পড়াশুনাও করুন।