বৈদ্যুতিক দ্বিচক্রযান কেনার আগে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো👇
বিপরীত মোড
রিজেনারেটিভ ব্রেকিং
১০ কিলোওয়াট-ঘন্টা🔋
টায়ারে বাতাস-চাপ সেন্সর
৫জি/🛜/ব্লুটুথ/🛰️ সংযোগ
বাড়িতে ও বাইরে চার্জিং গতি
একক চার্জে ৩০০ কিলোমিটার
সামনের চাকায় দুটো ডিস্ক ব্রেক
📣 ও 🎶 এর জন্য প্রতি পাশে 🔊
ইয়েমেন থেকে সৌদি আরব হয়ে ফ্রান্স অব্দি যখন জ্বলছে, তখন আমরা ঘরে ঘরে লক্ষ্মীপুজোর আল্পনা দিচ্ছি। এটা কোনো ম্যাজিক বা রকেট সায়েন্স না, এটাই Good Governance এর সুফল।
দেশের নিরাপত্তা যখন প্রশ্নের মুখে, তখন নীরবতা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না! 🛑
যখনই দেশের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্ন ওঠে, তখনই কংগ্রেস দল এবং গান্ধী পরিবারের সিদ্ধান্ত নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।
২০০৮ সালে বেইজিং অলিম্পিকের সময় সোনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধীর উপস্থিতিতে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে স্বাক্ষরিত গোপন সমঝোতা স্মারক (MoU) হোক কিংবা রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশনের চীন থেকে পাওয়া কোটি কোটি টাকার অনুদান, এই বিষয়গুলি নিয়ে বরাবরই প্রশ্ন উঠেছে। ২০১৭ সালে ডোকলাম সংঘাতের সময়, যখন ভারতীয় সেনা সীমান্তে মোতায়েন ছিল, তখন রাহুল গান্ধীর সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের গোপন বৈঠকের উদ্দেশ্য কী ছিল? আর প্রথমে সেই বৈঠকের কথা অস্বীকার করে পরে অবস্থান বদলানোর কারণই বা কী?
শুধু তাই নয়, কংগ্রেস নেতা এবং বিভিন্ন রাজ্যের কংগ্রেস শাখার পক্ষ থেকে দেশের মানচিত্র বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা এবং পাকিস্তান-সম্পর্কিত বিভিন্ন মন্তব্যের মাধ্যমে দেশের অখণ্ডতাকে যেভাবে প্রশ্নের মুখে ফেলা হয়েছে, তা অত্যন্ত লজ্জাজনক।
রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেস দল যখন গণতন্ত্র এবং দেশের স্বার্থের কথা বলে, তখন জনগণেরও তাদের কাছে প্রতিটি কূটনৈতিক সমঝোতা ও দেশবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিষয়ে স্পষ্ট জবাব চাওয়ার পূর্ণ অধিকার রয়েছে।
দেশের স্বার্থ নিয়ে রাজনীতি নয়, এবার চাই স্পষ্ট জবাব!
পাহাড়, জঙ্গলমহলের পর এবার সুন্দরবনের পালা। ১২০০ কোটি টাকায় ঢেলে সাজবে গোটা সুন্দরবন। কাকদ্বীপ আলাদা জেলা হবে। কাকদ্বীপের প্রশাসনিক সভা থেকে ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর।
🔴 প্রতি ঘণ্টা, প্রতি মিনিট, প্রতি সেকেন্ডে সব খবর 📲LIVE দেখতে ক্লিক করুন 👉 https://t.co/GNkm5hQe3B.
#WestBengalNews #WBPolitics #RBangla #RepublicBangla #RBanglaDigital #RBanglaLive #BengaliNews #breakingnews #LiveNews #LatestNews #News #trending
#আকাশবাণী_সংবাদ_কলকাতা
রাজ্যে ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক নয়। গত বছরের থেকে এবার ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় আড়াই হাজার কম বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। পরিসংখ্যান দিয়ে তিনি জানান, গতবছর অক্টোবর পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ছিল প্রায় ১৫ হাজার।
🪷 সকলকে জানাই কোজাগরী শ্রীশ্রী লক্ষ্মীপূজার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। 🪷
মা লক্ষ্মীর অশেষ কৃপায় সকলের জীবন সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও সৌভাগ্যে ভরে উঠুক। প্রতিটি ঘরে আসুক আনন্দের বার্তা, দূর হোক সকল দুঃখ-দুর্দশা, আর সকলের জীবন হয়ে উঠুক আলোয় আলোয় পরিপূর্ণ 🪔
মা লক্ষ্মী সকলের মঙ্গল করুন। 🙏
রাহুল গান্ধীর বক্তব্য যখন বারবার চিনের সরকারি সংবাদমাধ্যমের প্রচারের হাতিয়ার হয়ে ওঠে, তখন প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক, তিনি দেশের স্বার্থে কথা বলছেন, নাকি চিনের প্রচারকেই শক্তিশালী করছেন? রাজনীতি হোক দেশের স্বার্থে, চিনের প্রচারের হাতিয়ার হয়ে নয়!
ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশ বা আইটিবিপি-র ৬৫তম প্রতিষ্ঠা দিবসে সমাজমাধ্যমে এক বার্তার মাধ্যমে আইটিবিপি-র সকল কর্মীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী
নিজ বার্তায় তিনি বলেছেন, আইটিবিপি-র হিমবীররা তাঁদের অসাধারণ বীরত্বের মাধ্যমে নিজেদেরকে স্বতন্ত্রভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন, তাঁরা সর্বদা অসাধারণ দৃঢ়সংকল্প নিয়ে প্রতিটি প্রতিকূলতার মোকাবিলা করেছেন, তাঁদের নিঃস্বার্থ সেবা ও আত্মত্যাগ জাতির জন্য এক অপার অনুপ্রেরণার উৎস
#PMModi #PMNarendraModi #PrimeMinisterNarendraModi #PrimeMinisterofIndia #NarendraModi #PrimeMinisterModi #IndoTibetanBorderPolice #ITBP #RaisingDay #ITBPRaisingDay #ITBPRaisingDay2026 #ITBP65thRaisingDay #Himveers #Valour #Steadfastness #Dedication
সুন্দরবনের সার্বিক উন্নয়ন ও জনপরিষেবা প্রদানে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সুন্দরবন বিষয়ক দপ্তরের উদ্যোগে আজ দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার কাকদ্বীপ স্টেডিয়ামে সুন্দরবনের মানুষের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত বিশেষ জনপরিষেবা প্রদান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলাম।
অনুষ্ঠানের আগে জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে একটি পর্যালোচনা বৈঠকে অংশগ্রহণ করি। বৈঠকে সুন্দরবন ও কাকদ্বীপের উন্নয়ন, আসন্ন গঙ্গাসাগর মেলার প্রস্তুতি, মুড়িগঙ্গা নদীর উপর সেতু নির্মাণ, কপিল মুনির আশ্রম-সহ দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় এবং একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
আজকের জনপরিষেবা প্রদান কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হয় বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক পরিষেবা ও সহায়তা :-
🔹 সুন্দরবন বিষয়ক দপ্তরের বিভিন্ন পরিষেবার শংসাপত্র প্রদান।
🔹 শরণার্থীদের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA)-এর শংসাপত্র প্রদান।
🔹 সমাজকল্যাণ দপ্তরের উদ্যোগে দিব্যাঙ্গজনদের হুইলচেয়ার প্রদান।
🔹 স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের অধীনে আয়ুষ্মান ভারত কার্ড প্রদান।
🔹 পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের মাধ্যমে VB-G RAM G জব কার্ড প্রদান।
🔹 পশ্চিমবঙ্গ তপশিলি জাতি, উপজাতি উন্নয়ন ও বিত্ত নিগমের সারথী প্রকল্পে ছাত্রছাত্রীদের সাইকেল প্রদান।
🔹 আদিবাসী লোকশিল্পী বিরসা মুন্ডা দলের হাতে ধামসা-মাদল তুলে দেওয়া।
🔹 মৎস্যজীবীদের জীবিকানির্বাহের সহায়তায় মাছ ধরার জাল ও হাঁড়ি প্রদান।
🔹 জাতীয় মৎস্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম (NFDP)-এর রেজিস্ট্রেশন শংসাপত্র প্রদান।
🔹 PM-কিষাণ প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের আর্থিক সহায়তা প্রদান।
🔹 উদ্যানপালন ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ দপ্তর এবং ন্যাশনাল হর্টিকালচার বোর্ডের (NHB) আওতায় সুরক্ষিত চাষাবাদের জন্য শেড নেট হাউসের শংসাপত্র প্রদান।
সুন্দরবনের মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন, জীবিকা সুরক্ষা, কৃষি ও মৎস্যচাষের প্রসার এবং সরকারি পরিষেবা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। জনকল্যাণই আমাদের অঙ্গীকার।
প্রশ্ন: একজন ইমাম নিয়োগ করা হবে, দুজনের যোগ্যতা সমান। কি করণীয়?
জবাব: যার স্ত্রী সুন্দরী সে যোগ্য হবে।
পাল্টা প্রশ্ন: দু'জনের স্ত্রীই যদি সুন্দরী হয়?
দাঁতভাঙা জবাব: যার মাথা বড় ও লিঙ্গ ছোট, সে ইমাম হবে।
সূত্র: দূররে মুখতার, কিতাবুস সালাহ, বাব আল ইমামাহ
বিশ্বাস করুন বা না করুন এর নাম ফিকাহ!
২। গাধা, গরু, ছাগল, ভেড়া এবং শিশুর সঙ্গে সঙ্গম করলে ওজু ভাঙ্গবে না।
একই বইয়ের কিতাবুস সাওমে উল্লেখ আছে, মৃত নারী, নাবালিকা, চতুষ্পদ জন্তু বা পাগল নারীর সঙ্গে জেনা করলে রোজা ভাঙ্গবে না।
এসব শিখে মানুষ হবে?
এইসব শিক্ষা গ্রহণ করে কেউ যখন মাওলানা হয়, তার মানসিক বিকাশ কতটা এবং কেমন হয় তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
মাদ্রাসায় হুজুররা শিশুদের প্রহার করে দুটি কারণে। বলৎকারে ব্যর্থ হলে বা শিশু রাজী না হলে। দ্বিতীয়ত: উন্নত বিশ্বের মনোবিজ্ঞানীরা অমানবিক প্রহারকে মানসিক রোগ হিসেবে চিহ্নিত করেন। শিশুদের প্রহার করলে সাইকোরা অন্য রকম আনন্দ পায়। সিরিয়াল কিলারদের মনস্তত্ত্বের সীমিত একটি রূপ এটি।
এছাড়া অসুখী দাম্পত্য জীবনের কারণেও এটি হয়। এরা জৈবিক চাহিদার জন্য কখনো পরিণত কোনো নারীর কাছে যায় না। তাদের টার্গেট থাকে শিশুরা। বা এরা যখন ছাত্র ছিল তাদের উপরও ভয়াবহ যৌন নির্যাতন চালানো ফলে মনস্তাত্ত্বিক চিন্তাধারায় মস্তিষ্কে চেপে বসেছে সিরিয়াল কিলার মতো।
মাদ্রাসায় আজকে যাকে পশুর মতো মারা হচ্ছে, বলৎকার করা হচ্ছে, সে বড় হবে অসুস্থ মানসিকতা নিয়ে। আগামীতে সে ঠিক একই কাজ করবে তার ছাত্রদের সঙ্গে। এসবই পরম্পরায় চলে আসছে। আর এই ধারাটি মূলতঃ কওমী মাদ্রাসাতেই দেখা যায়।
যারা পরিপূর্ণভাবে মানুষ হতে পারে নাই, তাদের দাঁড়ি, জুব্বা ও টুপি দেখে জনগণ জান্নাত তালাশ করতে হুমড়ি খেয়ে পড়ে। এরা হাজিরা দিলে জীবন ধন্য হয়ে যায়। সন্তানের পিঠের চামড়া তুলে নিলে বা বলৎকার করলেও মনে করে সন্তানের ঐ অঙ্গ জান্নাতে যাবে।
২য় বিশ্বযুদ্ধ হিটলারের পরাজয়ের মধ্য দিয়ে শেষ হয় ০২-০৯-১৯৪৫সালে।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর(গুরুদেব)গত হয়েছেন ০৭-০৮-১৯৪১শে।
তাহলে অমিয় চক্রবর্তী ১৯৪৫শে গুরুদেবকে পেলেন কোথায়?
গুরুদেবই বা এতো কথা বললেন কি ভাবে?
বিকাশবাবু-
অমিয় চক্রবর্তী কার কানেকানে কথাগুলো বলেছিলেন?
@tathagata2
পবিত্র শ্রীশ্রী কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো উপলক্ষে সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। মা লক্ষ্মীর আশীর্বাদে সকলের জীবন সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও সৌভাগ্যে পরিপূর্ণ হয়ে উঠুক।
জয় মা লক্ষ্মী 🙏
পুজোর মাঝে গত ৭ দিনে ভারতের জিওপলিটিক্স বা ভূরাজনীতিতে চুপচাপ এমন একটা বিশাল ঘটনা ঘটেছে, যা অধিকাংশ মানুষ খেয়ালই করেননি হই হুল্লোড় করতে করতে।
ইতিহাসের পাতায় এই ঘটনা লেখা থাকবে। মোদীর নাম লেখা থাকবে।
এক এক করে দেখি। ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ ইউটিউব চ্যানেলে বিস্তারিত ভিডিও বানাচ্ছি। লিঙ্ক দিয়ে দেবো।
- ভেনেজুয়েলার তেল পরিশোধন করার জন্য আমেরিকা একটি উপযুক্ত তেল শোধনাগার খুঁজছিল।
- ভূরাজনৈতিক দিক থেকে নিরাপদ, সস্তা এবং উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থায় যুক্ত—এমন বিকল্প হিসেবে ভারতীয় শোধনাগারগুলিই ছিল সবচেয়ে উপযুক্ত।
- নিজেদের তেল পরিশোধন করানোর জন্য ভারতের সঙ্গে সমঝোতায় আসা ছাড়া আমেরিকার হাতে কার্যত আর কোনও বিকল্প ছিল না।
- কিন্তু আমেরিকা জানত, ভারতে তেল পরিশোধন করার অর্থ, তাদের তেল রফতানির উপর ভারতের নিয়ন্ত্রণ তৈরি হতে পারে। শুধু তাই নয়, অন্য বিষয়েও ভারত আমেরিকার উপর চাপ সৃষ্টি করার ক্ষমতা অর্জন করতে পারে।
- এই সমস্যা এড়ানোর একমাত্র উপায় ছিল, ভারতে অবিলম্বে একটি পুতুল সরকার প্রতিষ্ঠা করা, যাতে কোনও বড় ধরনের হুমকি ছাড়াই তেল পরিশোধনের কাজ চালানো যায়।
সুতরাং CJP-কে সামনে নিয়ে আসা হল। Meta এবং X-এর সাহায্যে তাদের প্রভাব বাড়ানো হল অ্যালগরিদম নিয়ন্ত্রণ করে, ভারতীয় জাতীয়তাবাদীদের পোস্ট পিছনে থেকে দেওয়া আর কংগ্রেস, AAP-সহ গোটা বামপন্থী শিবিরকে একজোট করে সরকার পরিবর্তনের দাবি তোলার চেষ্টা করা।
- তাতেও ভারতের সাধারণ মানুষ বিন্দুমাত্র গুরুত্ব দেননি। সমস্ত প্রতিবাদ কার্যত ব্যর্থ হয়েছে। সমীক্ষা বলে, এই দেশের মানুষ প্রধানমন্ত্রী পদে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে একমাত্র নরেন্দ্র মোদিকেই দেখেন।
- আমেরিকা বুঝতে পারল, এত দ্রুত ভারতে সরকার পরিবর্তন তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। এর জন্য আরও অনেকটা সময় লাগবে।
- শেষ পর্যন্ত আর কোনও বিকল্প ছিল না। তাই আর সময় নষ্ট না করে, তারা ভারতের কাছে একটি সমঝোতার প্রস্তাব নিয়ে আসে। কে আসে কেন আসে বিস্তারিত ভিডিওতে বলব। প্রস্তাব done হয়। অদ্ভুতভাবেই এমন কিছু একটা done হয়-
- তারপর থেকেই সমস্ত প্রতিবাদ আচমকা স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে।
- ভারতের উপর থেকে অধিকাংশ শুল্ক তুলে নেওয়া হয়েছে।
- রাশিয়া থেকে তেল কেনার ব্যাপারেও আমেরিকা ভারতকে বলেছে তাদের কোন আপত্তি নেই।
এখন, যদি এই চুক্তি চূড়ান্ত হয়, তাহলে আমেরিকাকে কার্যত ভারতের হাতের মুঠোয় পেয়ে যাবে নয়াদিল্লি। আর বিশ্ববাজারে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করা এবং রফতানি বাড়ানোর ক্ষেত্রে ভারতের সামনে খুলে যাবে এক সুবর্ণ সুযোগ।
এই দশকে ভারতের ভূরাজনৈতিক ক্ষেত্রে এটাই আক্ষরিক অর্থে সবচেয়ে বড় জয়!
আমি এমনি এমনি এই লোকটার ফ্যান নই ❤️💪 শেয়ার করুন। বাকিদের জানান। বাংলায় এগুলো নিয়ে খুব বেশি লেখালেখি করতে দেওয়া হত না। এখন অনেক বেশি প্রয়োজন।
—— ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ
জনবিন্যাস পরিবর্তন এক দিনে হয়না। খুব ধীরে কিন্তু সতর্কভাবে এক একটা এলাকার জনবিন্যাস পরিকল্পনা করেই পরিবর্তন করা হয়। এবং এই প্যাটার্নটা অবজার্ভ করাটা খুব জরুরী।
ধরুন আপনার পাড়ায় একজন এলেন যে আপনাদের লোক নয়। খুব বিনয়ী থাকবে সে। সব সময় আপনার বিপদে আপদে সে এসে দাঁড়াবে, আপনার পূজা পার্বনে এগিয়ে আসবে। সকলকে সম্মান দেবে। একেবারে বিনয়ের অবতার। কিছু দিন বাদে তার গ্রাম থেকে তার এক আত্মীয় বা ভাই এসে জুটবে। তারপরে বৌ আসবে, ছেলে মেয়ে আসবে।
একটু একটু করে আপনার এলাকায় তার প্রভাব বিস্তার বাড়বে। আপনার পাড়ার প্রত্যেকটা ব্যাপারে তারাও মতামত দেবে। যতদিন তারা সংখ্যায় কম থাকবে তারা আপনাদের মতামতের গুরুত্ব দেবে, সবার সাথে সদ্ভাব দেখাবে।
আসতে আসতে তাদের সংখ্যা বেড়েই যাবে। একটা সময়ের পরে দেখবেন আপনার পাড়ার অনুষ্ঠান আর করা যাচ্ছে না কারন তাদের থেকে বাধা আসছে। আসতে আসতে তাদের বিনয়ের মুখোশটা এবারে খুলতে শুরু করেছে। ততদিনে তাদের সংখ্যা এতটাই বেড়েছেযে তাদের ভিজিবিলিটি আপনার সমান হয়ে গেছে।
কয়েক বছর পরে আপনার নিজের ওই পাড়ায় থাকতে অসুবিধা হবে। দেখবেন হয় কথায় নয় কথায় আপনার পাড়ায় আপনার কথা আর আগের মতন চলছে না। আপনার পাড়ার নেতাও এখন ওদের ভোটের জন্য ওদের কথাই শোনে, ওদের মতন চাল চলন দেখায়।
একটা সময়ের পরে দেখবেন আপনার নিজের পাড়াটাকেই আর চিনতে পারছেন না। পাড়ার লোকেরাও আসতে আসতে পালাই পালাই করছে।
এভাবেই জনবিন্যাস পরিবর্তন করা হয়।
ইতিমধ্যে এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ভুয়ো চিকিৎসক শেখ সায়দুল হক, অ্যানাস্থেটিস্ট বনজকুমার দে-সহ ছ'জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ... কিন্তু যারা কুপ্রস্তাব দিয়েছে তাদেরও গ্রেফতার করা উচিৎ এবং স্যাটা ভাঙা উচিৎ।
@tjt4002@swapan55@upamanyu95@promzzz@SuvenduWB
আনন্দবাজার গতকাল থেকে একটা প্রতিবেদন চালাচ্ছে, মালদা-মুর্শিদাবাদ জেলায় নাবালিকাদের বিয়ে দেওয়া হচ্ছে, তারা গর্ভবতী হচ্ছে এবং অসুস্থ সন্তান প্রসব করছে, নিজেরাও অসুস্থ হয়ে পড়ছে।
খাঁটি সত্য, কিন্তু অর্ধসত্য। বিশেষ করে এই দুটো জেলায় কেন? এর কারণ, এই দুটো জেলা মুসলমানপ্রধান। এবং এদের মেয়েদের শুধু নাবালিকা অবস্থায় বিয়ে দেওয়া হয় না, নিকট-আত্মীয়দের মধ্যেও বিয়ে দেওয়া হয়, যার ফলে শিশুদের জন্মগত অসুখ বা বিকৃতি এদের মধ্যে খুব বেশী।
এর মধ্যে লক্ষ্য করার বিষয়, একবারও ‘মুসলমান’ কথাটা বলা হয় নি, কিন্তু বারবার ইমামদের নাম উল্লেখ করায় বোঝা যাচ্ছে, কোন সম্প্রদায়ের মেয়েরা ও শিশুরা এই বীভৎসতার শিকার। এতেও আশ্চর্যের কিছু নেই, কারণ স্বয়ং মোহনদাস গান্ধী শিখিয়ে গেছে, মুসলমানের কোন দোষ ধরা চলবে না। বর্তমানে সেই পরম্পরা চালিয়ে যাচ্ছে বামপু (বামপন্থীরা) এবং মোহনদাসের পার্টি কংগ্রেস ও তার থেকে উদ্ভূত তৃণমূল-গোছের যত পার্টি।
উদ্দেশ্য খুবই স্পষ্ট, মুসলমান ভোট পেতেই হবে। কিন্তু এর ফলে কি দুই সম্প্রদায়েরই ক্ষতি হচ্ছে না? এবং যদি তাই হয় তাহলে ‘ধর্মনিরপেক্ষতা'র নামে এই নোংরা ভণ্ডামি কবে বন্ধ হবে ?