আমাকে নিয়ে যা ফেক উল্টোপাল্টা দেখাচ্ছে টিভি তে বা অন্য কোথাও, ওগুলো আমার মেঘা এপার্টমেন্ট এর সিপিএম এর হারাম খোর টুম্পা প্রামাণিক প্রীতি মন্ডল আর একটা রুটি বানানো ক্যাডার দেখাচ্ছে। সব ফেক। মমতা চোর তাই চোর দের অ্যারেস্ট করেনি, এখন শুভেন্দু কি করেন দেখা যাক
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে বলি, সত্যিই এমন দল বানিয়েছেন আর এমন লোকদের পদে বসিয়েছেন যে একটা ভোট হারতেই সব পাল্টি মেরে দল টাকেই হাইজ্যাক করে নিতে চাইছে। আপনার পার্টির ব্যাংক অ্যাকাউন্ট কোষাগার এখন পুরো বারোয়ারি হয়ে গেছে । ছি ছি
যারা আমার ব্যাপারে উল্টো পাল্টা কিছু দেখছেন, তারা জেনে রাখুন ওগুলো ফেক আর দেখাচ্ছে আমার মেঘা এপার্টমেন্ট এর সিপিএম এর হারাম খোর টুম্পা প্রামাণিক প্রীতি মন্ডল, এদের মুখ দেখলে বমি উঠে আসবে
বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বিমান বসু আর সিপিএম পার্টি দুটো কে এক করে দেখবেন না। ওনারা সততার আদর্শে অনুপ্রাণিত করতে চেয়েছিলেন কিন্তু হয়ে গেছে লক্ষ লক্ষ হারাম খোর ক্যাডার। ওনাদের দুর্ভাগ্য এই বাংলায় ওনারা সিপিএম করেছেন
শুভেন্দু অধিকারী কে উদ্যমে চিন্তা ভাবনায় বাংলার রূপকার বিধান চন্দ্র রায় হতে হবে আর সততায় বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বিমান বসু হতে হবে, তবেই তিনি পারবেন এই বিপন্ন বিচিত্র বাংলাকে বাঁচাতে
প্রাথমিক ভাবে একটা রোজগার বাড়ানোর উপায় হলো, যারা শয়ে শয়ে কোটি টাকা দুর্নীতি করেছে বিগত পঞ্চাশ বছর ধরে তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে নিলাম , ওসব ডিম থেরাপি করে কোনো উপকার নেই, জেলে পাঠিয়েও খরচ বাড়বে, তাই টাকা উদ্ধার বাজেয়াপ্ত এগুলোই সঠিক পদক্ষেপ
নিউ সেক্রেটারিয়েট থেকে পঞ্চায়েত অফিস, হাসপাতাল কলেজ স্কুল থেকে সরকারি ব্যাংক পোস্ট অফিস, লালবাজার থেকে এ জি বেঙ্গল , হাই কোর্ট সর্বত্র কর্ম সংস্কৃতি তে জোয়ার আনতে হবে বাংলায়, তবেই ভারী শিল্প আসবে
সরকারি অফিসে কর্ম সংস্কৃতি ফেরাতে একজন কড়া ভিজিলেন্স অফিসার ইনচার্জ নিয়োগ করে তার ওপর দায়িত্ব দিতে হবে , তিনিই রিপোর্ট দেবেন কাদের বিদায় করতে হবে আর কাদের বেতন বাড়াতে হবে ওয়ার্ক ইনসেনটিভ দিয়ে
বাংলায় কর্ম সংস্কৃতি ফেরাতে পারলে বাংলার ছেলে মেয়েরাও ব্যাঙ্গালোরে পুনা এসব জায়গার মত সমান হারে বেতন পাবে। বাংলায় প্রচুর ট্যালেন্ট কিন্তু সিপিএম এর ভুল রাজনীতির জন্য কর্ম সংস্কৃতি ধ্বংস হয়ে ধুঁকছে বাংলার অর্থনীতি ও শিল্প
বাংলায় সিপিএম আর টিএমসি র পাপ বকেয়া ডিএ। এটা শিল্প না হলে রোজগার না হলে বিজেপি সরকার দিতে পারবে না। কিন্তু ২০২৯ এ ভোট আছে। তাই বেশি মানুষ যেদিকে আছে সেই যোজনা গুলো চালাতে হবে, যতদিন শিল্পের জোয়ার না আসে। শিল্প যাতে আসে তার জন্য কর্ম সংস্কৃতি ঠিক করতে হবে
বাংলার সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো ধ্বংস হয়ে যাওয়া কর্ম সংস্কৃতি আর ২৪ঘণ্টা ৩৬৫ দিন সর্বত্র রাজনীতি। এর সাথে বেআইনি হকার যদিও তারা ভুল রাজনীতির শিকার, আর ভুল শিক্ষানীতি
বিজেপি সরকার কে শিল্প গড়ার উপযুক্ত পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে বাংলায়, তার জন্য প্রথম কর্ম সংস্কৃতির সংস্কার সাধন বিশেষ প্রয়োজন, শুধু সরকারি ক্ষেত্র নয়, সাথে বেসরকারি ক্ষেত্রেও। সরকারি ক্ষেত্র দিয়ে শুরু হলে সবটা বদলাবে। যারা কাজে ফাঁকি দেয় তাদের বিদায় করুন
এগুলো সব আমার মেঘা এপার্টমেন্ট এর সিপিএম এর হারাম খোর যারা সব মিথ্যে জিনিস দেখাচ্ছে টিভি তে ও সবাইকে। এরা প্রচুর টাকা খেয়ে এসব করছে। এদের টাকা দিচ্ছে দালাল গুলো, যারা আমার বাড়ির সামনে রাস্তায় ঘুরে বেড়ায় বাইক নিয়ে সব সময়
বিজেপি যে হকার উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে সেটা একদম সঠিক সিদ্ধান্ত এবং একদম সঠিক সময়ে করছে। কিন্তু একটা জিনিস সেটা হলো এই অভিযান যত তাড়াতাড়ি শেষ হয় সারা বাংলা জুড়ে ততই ভালো। আর পুরানো জায়গায় নতুন যদি কেউ বসে সেটা কিন্তু ভয়ঙ্কর একশন নিতে হবে