Today marks a significant milestone in empowering the women of Bengal. Guided by the vision of Hon’ble PM Shri @narendramodi Ji and in direct fulfillment of our '#BhorsarSopoth' manifesto commitment, West Bengal government led by CM Suvendu Adhikari is proud to introduce free transit for women on all state-operated buses, starting June 1st.
Ensuring the safety, freedom, and dignity of our mothers and daughters remains our highest priority. We stand firmly by our promises as we continue the vital work of rebuilding a secure, prosperous, and self-reliant Sonar Bangla.
@SuvenduWB
ये पब्लिक है, ये सब जानती है! ✅
सहानुभूति पाने के लिए खुद को ही पिटवाना और पट्टी बांधना... TMC और उसके नेताओं की यह नौटंकी अब बुरी तरह फ्लॉप हो चुकी है। 🎭
যে দল বছরের পর বছর দুর্নীতির অভিযোগে জর্জরিত, সেই দলের বিরুদ্ধে এবার নিজেদের বিধায়কদের সই জাল করার অভিযোগ উঠেছে। বাংলার রাজনীতিতে এর চেয়ে লজ্জার আর কী হতে পারে? #SignChorTMC
গণতন্ত্রে মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু নথিতে সই জাল করার অভিযোগ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের উপর সরাসরি আঘাত। এই অভিযোগের পূর্ণ সত্য সামনে আসা দরকার। #SignChorTMC
তৃণমূল বিধায়কদের সই জালের যে অভিযোগ সামনে এসেছে, তা শুধু একটি দলের অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়, এটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে একটা বড় প্রশ্ন। #SignChorTMC
না,অভিযোগ বিজেপির নয়, তৃণমূলেরই বিধায়কদের। নিজেদের দলের বিধায়করাই যদি বলেন তাঁদের সই জাল করা হয়েছে, তাহলে বিষয়টি কতটা গুরুতর তা সহজেই বোঝা যায়। #SignChorTMC
“পশ্চিমবঙ্গে টাটা ফিরবেই”
২০০৮ সালের ৩ অক্টোবর সিঙ্গুর থেকে বাংলা ছাড়তে বাধ্য হয়েছিল টাটা।
আক্ষেপ নিয়েই বাংলা ছেড়েছিলেন প্রয়াত শিল্পপতি রতন টাটা।
আজও বাংলার মানুষ সেই ক্ষত ভুলতে পারেননি।
কারণ শিল্প চলে গেলে শুধু একটি কোম্পানি যায় না, হারিয়ে যায় হাজার হাজার চাকরি, থমকে যায় উন্নয়ন, অন্ধকার নামে যুবসমাজের ভবিষ্যতের উপর।
বিজেপি বিশ্বাস করে — বাংলার উন্নয়নের একমাত্র পথ শিল্পায়ন।
তাই বাংলায় আবার টাটাকে ফেরানোর দায়িত্ব নিয়েছে বিজেপি।
যে বাংলায় একদিন শিল্পের গৌরব ছিল, সেই বাংলাকেই আবার বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে চায় বিজেপি।
“টাটা ফিরবে, শিল্প ফিরবে, চাকরি ফিরবে — আর পশ্চিমবঙ্গও আবার এগিয়ে যাবে।”
বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে ভারত সরকার ও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের যৌথ উদ্যোগে রাজ্যব্যাপী বিনামূল্যে HPV টিকাকরণ কর্মসূচির শুভ সূচনা হলো।
এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য কিশোরী ও নারীদের সার্ভাইক্যাল ক্যান্সারের ঝুঁকি কমানো এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষাকে আরও শক্তিশালী করা।
HPV টিকা ভবিষ্যতে ক্যান্সার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবং রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ধাপে ধাপে এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হবে।
ডাবল ইঞ্জিন সরকারের এই জনমুখী উদ্যোগ স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি, প্রতিরোধমূলক চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রসার এবং সুস্থ সমাজ গঠনের ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
পশ্চিমবঙ্গে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা প্রয়োজন। সুস্থ, সুশৃঙ্খল সমাজ গঠনের স্বার্থে পরিবার পরিকল্পনা সম্পর্কে আরও সচেতনতা বৃদ্ধি এবং কার্যকর নীতি গ্রহণ সময়ের দাবি।
এই প্রেক্ষিতে পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচিকে আরও শক্তিশালী ও প্রয়োজনে নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক করার সম্ভাবনা নিয়ে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর সদয় বিবেচনার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা, শিক্ষা ও প্রশাসনিক উদ্যোগ একসঙ্গে কাজ করলে রাজ্যের সামগ্রিক উন্নয়ন আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা যায়।
Two leaders linked to the and close associates of Shahjahan Sheikh have been arrested in connection with the attack on the ED.
Sabita Roy, President of Sandeshkhali No. 1 Panchayat Samiti and a key face of the TMC women’s wing in Basirhat, has been arrested, along with Mithu Sardar.
For years, such elements operated with impunity, but the crackdown has begun.
This is what accountability looks like when political protection ends and the law takes its course.
Bengal is watching, and justice is catching up.
₹16 lakh electricity bill pending in a school run by a MLA from Malatipur, Abdur Baxi.
After 15 years in power, even institutions linked to their own leaders were burdened with unpaid dues, exposing a system where accountability was never a priority.
This is the true picture of TMC’s governance model: mismanagement, ignored responsibilities, and public institutions treated without care.
ডিটেক্ট, ডিলিট আর ডিপোর্ট এই আইন আজ থেকে কার্যকর হলো। মাননীয় ডিজিপি ও হোম সেক্রেটারিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত সংলগ্ন সমস্ত থানায় আজ থেকেই এই আইন কার্যকর করতে হবে। দেশের স্বার্থে এবং পশ্চিমবঙ্গের নিরাপত্তার স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে।