@TuhinIsLam71@HridoyBD36@TheGuyFromBklyn That's a completely ridiculous take tbh. And for your kind information this isn't "gali". Please look at your beloved Jane Alom, Anik, sifat and Yusuf first before blaming him and learn what "gali" actually means.
NB: By this logic Itor is also Gali😔🙏🏻
Man,when Yunus came to Bangladesh after the revolution my hopes for the country peaked. I thought we could at least become a flawed democracy like Indonesia. It declined little by little since then and I completely lost it when BNP got elected, that too with a supermajority.
শরিফাদের গনত্রন্ত্র কথন
Collected :
----------------------০(শূন্য)----------------------
"জনগণ ভোট দিয়ে নিয়ে পাঁচ বছরের জন্য ক্ষমতায় বসিয়েছে।
কাজকর্ম পছন্দ না হলে পরবর্তী নির্বাচনে ভোট দেবেন না। পাঁচ বছর সরকারি দল এবং এর অঙ্গ সংগঠন গুলোকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিন। " : শরিফা
----------------------০(শূন্য))----------------------
----------------------০১(এক)----------------------
নির্বাচিত সরকার ,প্রতিটি সিদ্ধান্ত সবার পছন্দ হবে না। কিন্তু নির্বাচিত সরকারকে বারবার বাধা দিলে রাষ্ট্র এগোতে পারে না।
সমালোচনা থাকতে পারে, তবে রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। অতিরিক্ত বিরোধিতা উন্নয়নের পথে বাধা সৃষ্টি করে।
জনগণ তাদের রায় দিয়েছে। এখন প্রয়োজন ঐক্য, শৃঙ্খলা এবং সরকারের কর্মসূচির প্রতি আস্থা।
সব মতামত সমান মূল্যবান নয়; যারা নির্বাচিত হয়নি, তাদের উচিত জনগণের রায় মেনে চলা।
রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য একটি সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা প্রয়োজন। অতিরিক্ত বিতর্ক ও ভিন্নমত অনেক সময় অগ্রগতিকে ধীর করে দেয়।
যারা বারবার প্রশ্ন তোলে, তারা বুঝতে চায় না যে জাতীয় স্বার্থ ব্যক্তিগত মতের ঊর্ধ্বে।
দেশের স্বার্থে কখনও কখনও কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে হয়। সবাই তা বুঝবে না, কিন্তু সবাইকে তা মেনে চলতে হবে।
" : শরিফা
----------------------০১(এক)----------------------
----------------------০২(দুই)----------------------
"জনগণ শুধু সরকার নির্বাচন করেনি, একটি দিকনির্দেশনাও নির্বাচন করেছে।
তাই বারবার একই প্রশ্ন তোলা বা প্রতিটি সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক করা আসলে জনগণের রায়কেই প্রশ্নবিদ্ধ করা।
ভিন্নমত থাকতে পারে, কিন্তু ভিন্নমতেরও সীমা থাকা উচিত। যখন সমালোচনা রাষ্ট্রের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করে, তখন তা আর গঠনমূলক থাকে না।
সবাই স্বাধীনতার কথা বলে, কিন্তু স্বাধীনতা কখনোই বিশৃঙ্খলার লাইসেন্স হতে পারে না।
রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অবিশ্বাস ছড়ানো, জনগণের নির্বাচিত নেতৃত্বকে দুর্বল করা এবং উন্নয়নের পথে বাধা সৃষ্টি করা,এসবকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বলা যায় না।
একটি জাতি শক্তিশালী হয় যখন তার একটি অভিন্ন লক্ষ্য থাকে। অতিরিক্ত মতভেদ জাতিকে দুর্বল করে।
যারা প্রতিনিয়ত বিরোধিতা করে, তারা হয়তো বুঝতে পারে না যে তাদের আচরণ বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করছে।
এই মুহূর্তে দেশের প্রয়োজন বিতর্ক নয়, আনুগত্য; বিভাজন নয়, শৃঙ্খলা।" শরিফা
----------------------০২(দুই)----------------------
----------------------০৩(তিন)----------------------
"অনেক শুনেছি বিরোধিতা। অনেক শুনেছি ভিন্নমত। এখন শোনার সময় শেষ।
রাষ্ট্র কোনো বিতর্ক ক্লাব নয়। রাষ্ট্র চলে আদেশে, শৃঙ্খলায়, আর আনুগত্যে।
যারা প্রতিদিন প্রশ্ন তোলে, তারা উত্তর খুঁজছে না; তারা কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করছে।
আমি স্পষ্ট করে বলছি,জাতির অগ্রযাত্রার পথে কেউ দাঁড়ালে তাকে সরিয়ে দেওয়া হবে।
কেউ যদি বিশৃঙ্খলা ছড়ায়, তার কণ্ঠস্বর আর জনস্বার্থের বিষয় নয়; সেটা রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার বিষয়।
আপনারা এটাকে কঠোরতা বলতে পারেন। আমি বলি দায়িত্ব।
দেশের এক নেতা থাকবে, এক দিক থাকবে, এক লক্ষ্য থাকবে।
যারা সেই লক্ষ্যের সঙ্গে থাকবে, তারা জাতির অংশ।
আর যারা বারবার বাধা হয়ে দাঁড়াবে, ইতিহাস তাদের কথা মনে রাখবে না, রাষ্ট্রও না।
ভয় পাওয়ার কিছু নেই, যদি আপনি অনুগত হন। " শরিফা
----------------------০৩(তিন)----------------------
----------------------০৪(চার)----------------------
" আপনারা একে ভিন্নমত বলেন। আমি একে বলি জাতির বিরুদ্ধে অবস্থান।
যখন দেশ এগোচ্ছে, তখন যারা প্রতিনিয়ত সন্দেহ ছড়ায়, তারা উন্নয়নের শত্রু।
যখন মানুষ শান্তি চায়, তখন যারা অস্থিরতা সৃষ্টি করে, তারা শান্তির শত্রু।
যখন জাতি সমৃদ্ধির পথে হাঁটে, তখন যারা বাধা দেয়, তারা সমৃদ্ধির শত্রু।
আমি আজ স্পষ্ট করে বলছি, নিরপেক্ষ থাকার সময় শেষ।
আপনি হয় দেশের সঙ্গে, নয় দেশের বিরুদ্ধে।
যারা আমাদের বিরোধিতা করে, তারা শুধু সরকারের বিরোধিতা করে না; তারা জাতীয় ঐক্যের বিরোধিতা করে।
তারা নিজেদের সমালোচক বলে পরিচয় দেয়, কিন্তু তাদের কথার ফল বিশৃঙ্খলা, বিভাজন এবং অস্থিরতা।
রাষ্ট্র তাদের ভয় পায় না। রাষ্ট্র তাদের চেনে।
জাতির শান্তি ও সমৃদ্ধির বিরুদ্ধে যারা দাঁড়াবে, তাদের জনগণের সামনেই চিহ্নিত ও নিশিহ্ন করা হবে। " শরিফা
----------------------০৪(চার)----------------------
----------------------০৫(পাঁচ)----------------------
"এরা নিজেদের বিরোধী দল বলে। এরা জাতির ভেতরে লুকিয়ে থাকা বাধা, শত্রু, দেশের লোক নয়।
এরা বিদেশি শক্তির ভাষায় কথা বলে, বিদেশি স্বার্থের পক্ষে কাজ করে, আর তারপর নিজেদের দেশপ্রেমিক বলে পরিচয় দেয়।
অনেক সহ্য করা হয়েছে। অনেক সুযোগ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু একটি জাতি অনন্তকাল নিজের ভেতরের শত্রুদের বহন করতে পারে না।
এই মাটিতে থাকার অধিকার তাদেরই, যারা এই সরকারের প্রতি অনুগত।
এই বিরোধীদের দেশে থাকার অধিকার নেই। তারা এই দেশ ছেড়ে তাদের প্রভুদের দেশে চলে যাক, নচেৎ আমরা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তাদের মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়া হবে দেশ ও থেকে চিরতরে বিদায় করব।" শরিফা
----------------------০৫(পাঁচ)----------------------
Under him how strong has the BGB become?
Yes bro, we've seen the "strength" BSF has become even stronger and Bangladeshis are still dying.
Real identity is not in words but in actions.
Exactly. Judge by actions Bangladeshi bodies are falling on the border while the Home Minister is giving lectures about "inside the border or outside the border."
Border killing is only when it happens on our soil or at the zero line otherwise it's defined by the other country's law, said with a smile during the press briefing.
Does this mean there isn't even the strength to protect your own citizens anymore? Even international law does not justify such killings.
একটা জিনিস খেয়াল করলেন? এই যে গুম অধ্যাদেশ বাতিল করা হলো, এটা নিয়ে চারদিকে কত কথাবার্তা হচ্ছে! মানুষ ভাবছে এতে নাকি মানবাধিকার রক্ষা পাবে। কিন্তু একটু ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করে দেখেন তো, আসল খেলাটা খেলল কারা? এই অধ্যাদেশ বাতিলের ফলে রাজনৈতিক দমন-পীড়নের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় সুবিধাটা কিন্তু পেয়ে গেল বিএনপি।
এতদিন যারা আওয়ামী লীগের আমলের গুম-খুন আর আয়নাঘরের গল্প শুনেছেন, তারা এখন একটু বিএনপির ট্র্যাক রেকর্ডটাও মনে করে দেখেন। রাজনীতিতে যখন কেউ ক্ষমতায় যাওয়ার লাইনে থাকে বা ক্ষমতা পেয়ে যায়, তখন তাদের আসল চেহারা বের হয়। এই আইনটা না থাকার মানে কী? মানে হলো, ভবিষ্যতে বিএনপি যখন ক্ষমতায় আসবে বা রাজনৈতিক মাঠে প্রভাব বিস্তার করবে, তখন বিরোধী দলকে সাইজ করার জন্য তাদের হাতে একটা মারাত্মক অস্ত্র চলে আসলো।
এখন তারা চাইলে ঠিক হাসিনার আমলের মতোই বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর দমন-পীড়ন চালাতে পারবে, আর তাদের জবাবদিহি করার মতোও শক্ত কোনো আইনি দেয়াল থাকবে না। দিনশেষে এই রাজনৈতিক দলগুলোর চরিত্র কিন্তু একই। ক্ষমতায় টিকে থাকতে বা ক্ষমতা পেতে এরা সবাই এক কায়দায় কাজ করতে চায়।
সাধারণ মানুষের কী লাভ হলো বলেন? আমরা তো শুধু ক্ষমতার হাতবদল দেখি। আগে এক দল ধরে নিয়ে যেত, এখন আরেক দল সেই সুযোগটা লুফে নেওয়ার অপেক্ষায় আছে। এই অধ্যাদেশ বাতিল করে আসলে বিএনপির মতো দলগুলোর জন্য বিরোধী দলকে দাবায়ে রাখার পথটাই আরও পরিষ্কার করে দেওয়া হলো।
ক্ষমতার এই নোংরা খেলায় সাধারণ জনগণের কপালে যে আবার সেই পুরনো দিনের মতোই কষ্ট লেখা আছে, সেটা বুঝতে আর বাকি রইল না ভাই!