Chinese FM Wang Yi held a phone conversation with Iranian FM Seyed Abbas Araghchi.
China believes that the Iranian government and people will unite to overcome difficulties, maintain national stability, and safeguard their legitimate rights and interests.
The Chinese side is willing to play a constructive role in promoting all parties to cherish peace, exercise restraint, and resolve differences through dialogue.
অত্যন্ত বিশ্বস্ত সূত্রে প্রাপ্ত এই কল রেকর্ডের মারফতে জানা যায়, ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের সেনা কর্মকর্তাদের পক্ষ নেয়ায় ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা র'এর সাথে জড়িত সন্দেহভাজন এক ব্যক্তির কাছে তৎকালীন (২০২১ সালে) প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান (বর্তমানে সেনাপ্রধান) এর বিষয়ে কিভাবে বিষোদগার করছিলেন সে সময়ের সামরিক গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (পরবর্তীতে লেফটেন্যান্ট জেনারেল ও সম্প্রতি অকালীন বাধ্যতামূলক অবসর প্রদান) মোঃ সাইফুল আলম।
২০২১ সালের সামরিক কর্মকর্তাদের পদোন্নতী বোর্ড পরবর্তী এই কথোপকথনে বেশ স্পষ্টতই সাইফুল আলম একজন চাকরীরত সেনা কর্মকর্তা হওয়া সত্বেও তার সিনিয়র কর্মকর্তা ওয়াকার-উজ-জামানের বিষয়ে সামরিক বাহিনীর স্পর্শকাতর তথ্য প্রদান ও তিরস্কার করছিলেন। তিনি তাঁকে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির সাথে জড়িত বলে কটাক্ষ করেন। ডিজিএফআইয়ের মত একটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর সংস্থার প্রধান হয়েও লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অবঃ) সাইফুল আলম বিদেশী গোয়েন্দা সংস্থার সাথে সম্পর্ক আছে বলে সন্দেহ করা হয় এমন এক ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ স্থাপন করে বেশ গর্হিত অপরাধ করেছেন বলেই প্রতীয়মান হয়। একটু ভালো করে শুনলে বুঝতে পারবেন টেলিফোনের অপরপ্রান্তের ওই ব্যক্তি প্রতিটি তথ্যের নোট নিচ্ছিলেন।
এছাড়াও, এই কথোপকথনে আরো পরিস্কার প্রমাণ পাওয়া যায় যে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে আত্মীয়তার সম্পর্ক থাকলেও সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান অন্যায়ের বিরুদ্ধেই সব সময় অবস্থান গ্রহণ করেছেন, এবং নিজের মতামত প্রকাশ করতেও কোন অপারগতা প্রকাশ করেননি। ঠিক একইভাবে দেশের ক্রান্তিলগ্নে এই সেনা কর্মকর্তা ছাত্র-জনতার আন্দোলন সমর্থন করে সত্যের পথেই হেঁটেছেন বলেই আমার অভিমত।
আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, ছাত্র-জনতার বিপ্লবের পরবর্তী সময়ে সকল প্রতিষ্ঠানের মত সেনাবাহিনীতেও সংস্কার নিয়ে কার্যক্রম চলমান রয়েছে। যেহেতু সেনাবাহিনী একটি সুশৃংখল সংস্থা, সে কারণেই সংস্কার করতে একটু সময় লাগছে, এটা বাস্তবতা। এছাড়াও, আরেকটি বিষয় আমাদের বিবেচনায় নিতে হবে সেটি হচ্ছে বিপ্লব পরবর্তী সময়ে খুব বেশি সময় সেনাপ্রধান হাতে পাননি। ফলশ্রুতিতে, চোখে পড়ার মতো সংস্কার এখনো দৃশ্যমান হয়নি। কিন্তু আমার জানামতে সেনাবাহিনীতে নিম্নে বর্ণিত সংস্কার কার্যক্রম চলমান
ক। রাজনৈতিকভাবে বঞ্চিত অফিসারদের ক্রমান্বয় পদোন্নতির আওতায় আনা হয়েছে।
খ। রাজনৈতিক বিবেচনায় ও গুম খুনের বিরোধিতার জন্য সেনাসদস্যদের প্রদত্ত হয়রানি মূলক শাস্তি বাতিল করার জন্য ইতোমধ্যে সেনা সদরে একটি পর্ষদ গঠন করা হয়েছে।
গ। সৈনিকদের ডিএ বিল বৃদ্ধি, FRA বৃদ্ধি, অবিবাহিত অফিসারদের বাড়ি ভাড়া প্রাপ্তি, চাকরি ৭ বছরের আগে ট্রাস্ট ব্যাংকের লোন সুবিধা এবং সৈনিকদের বাসস্থান বৃদ্ধি ইত্যাদি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
নিঃসন্দেহে সাম্প্রতিক সময়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়ন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আমি নিশ্চিত সেনাবাহিনী প্রধান বৈদেশিক সফর শেষে উক্ত পদায়নসমূহ পুনঃ বিবেচনা করবেন এবং সেনাবাহিনীতে চিহ্নিত খুনি ও দুর্নীতিগ্রস্ত সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: কথোপকথেনে নানু শব্দটি সম্ভবত শেখ হাসিনার কোড নেইম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এখানে জামাত শিবিরের পক্ষে কথা বলার জন্য আবার আপনারা সেনাপ্রধান কে জামাত শিবির বানিয়ে দিয়েন না। প্রকৃতপক্ষে সেনা প্রধান যে কোন বঞ্চিত বা যোগ্য ব্যক্তির পক্ষে রাজনৈতিক মতাদর্শের থেকে প্রফেশনাল ক্যাপাবিলিটি কে গুরুত্ব প্রদান করে থাকেন।