শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি ❤️
টাইমলাইনে আজ হাজারো ইস্যু ভেসে বেড়াচ্ছে,
কিন্তু একটাও যেন আমাদের হাদি ইস্যু ভুলিয়ে দিতে না পারে। তাই টাইম লাইনে রেখে দিলাম।
হাদি কোনো সাময়িক ট্রেন্ড ছিল না—
হাদি ছিল এক চেতনাঃ
ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো এক সাহসী নাম।
যোগাযোগ খাতে তুলনামূলক বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে কিছু খাতে ব্যয় কমিয়ে তারা মানবসম্পদ উন্নয়ন ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির দিকে বেশি জোর দেওয়ার চেষ্টা করেছে।
আপনারাই সিদ্ধান্ত নিন—কোন বাজেট বাংলাদেশের জন্য বেশি সম্ভাবনাময়
একদিকে বিএনপি সরকারের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট, যা রাষ্ট্রের সব প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক কাঠামো ব্যবহার করে তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে এনসিপির ছায়া বাজেট, যা একটি বিরোধী রাজনৈতিক দল নিজেদের গবেষণা, পরিকল্পনা ও দক্ষতার
ভিত্তিতে প্রণয়ন করেছে। এনসিপি সম্প্রতি ৮.৫২ লাখ কোটি টাকার একটি ছায়া বাজেট প্রকাশ করেছে, যেখানে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ ও সংস্কারকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
এনসিপির প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষা ও প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য, স্থানীয় সরকার, সামাজিক নিরাপত্তা এবং
তামিম বাল খান একাই 99% ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন
এটা পৃথিবীর ইতিহাসে অন্যতম একটা নজির হয়ে থাকবে
যেটা
কিম জং উন
শেখ হাসিনা
বাসার আল আসাদ
কেউ করতে পারে নাই সেটাই করে দেখিয়েছেন
তামিম বাল খান
তামিম ইকবাল ৯৯% ভোট পেয়ে বিসিবির সভাপতি নির্বাচিত হইছে। পৃথিবীর ইতিহাসে এরকম জনপ্রিয় ছিলো মাত্র আর ৩ জন ব্যক্তি।
উত্তর কোরিয়ার কিং জং উন ( ৯৬% ভোট পেয়েছিলো)
সিরিয়ার বাসার আল আসাদ ( ৯৭% ভোট পেয়েছিলো)
ভারতের শেখ হাসিনা ( বাংলাদেশে ৮৮% ভোট পেয়েছিলো)
কারণ, শরীফ ওসমান হাদিকে আপনার ভাই হওয়ার কারণে বা পারিবারিক দ্বন্ধে খু ন করা হয় নাই।
তাকে খু ন করা হইছে, রাজনৈতিক কারণে, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র হওয়ার কারণে।
সুতরাং, তার রাজনৈতিক সহযোদ্ধারাই মামলা করবে, লড়বে, এটাই স্বাভাবিক।
পারিবারিক কারণে হলে, আপনারাই করতেন।
Join us LIVE on X Spaces with Abdul Hannan Masud to discuss youth leadership, politics, and the future of Bangladesh.
🗓 June 6 | 🕙 10 PM (BD Time)
https://t.co/iWURDi8Fc0…
বাংলাদেশের অর্থনীতিকে নতুন পথে এগিয়ে নেওয়ার সময় এসেছে।
সংস্কার, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগকে কেন্দ্র করে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) উপস্থাপন করতে যাচ্ছে ছায়া বাজেট ২০২৬–২৭, যেখানে থাকবে একটি উৎপাদনশীল, প্রতিযোগিতামূলক ও দুর্নীতিমুক্ত অর্থনীতির রূপরেখা।
মা, আমি যদি বেঁচে না ফিরি, তবে কষ্ট না পেয়ে গর্বিত হয়ো
শহীদ আনাস
একটি সন্তানের মুখে উচ্চারিত এই কথাগুলো শুধু একটি পরিবারের জন্য নয়, পুরো জাতির জন্য এক গভীর বার্তা। নিজের জীবনকে তুচ্ছ করে আদর্শ,ন্যায় ও মানুষের অধিকারের জন্য যারা দাঁড়ায়, তাদের আত্মত্যাগ ইতিহাসে অমর হয়ে থাকে