In a safe country, these young and beautiful girls and women would be enjoying life and working to build their future...
How many more innocent people must be killed before the world stops supporting the Islamic Republic and stands with the people of Iran?
#IranRevolution2026
#DigitalBlackoutlran
Shocked that @X is suspending voices exposing Hindu atrocities in Bangladesh. The ban on @VHindus71 is unjust and a blow to free speech. I urge @X@Support to restore his account immediately.
JUST IN | Prime Minister #NarendraModi arrived in Jeddah for a two-day visit at the invitation of Crown Prince Mohammed bin Salman. A Saudi Arabian singer performed 'Ae Watan' to welcome him.
https://t.co/qTOds0KKqv
CAPTURED: HARPREET SINGH, part of an alleged foreign terrorist gang here illegally in the United States, who we believe was involved in planning multiple attacks on police stations both in India and the United States.
@FBISacramento conducted the investigation coordinating with our partners locally as well as in India.
Excellent work from all, and justice will be done.
The FBI will continue finding those who perpetrate violence — no matter where they are.
CAPTURED: HARPREET SINGH, part of an alleged foreign terrorist gang here illegally in the United States, who we believe was involved in planning multiple attacks on police stations both in India and the United States.
@FBISacramento conducted the investigation coordinating with our partners locally as well as in India.
Excellent work from all, and justice will be done.
The FBI will continue finding those who perpetrate violence — no matter where they are.
CAPTURED: HARPREET SINGH, part of an alleged foreign terrorist gang here illegally in the United States, who we believe was involved in planning multiple attacks on police stations both in India and the United States.
@FBISacramento conducted the investigation coordinating with our partners locally as well as in India.
Excellent work from all, and justice will be done.
The FBI will continue finding those who perpetrate violence — no matter where they are.
যোগেন 'সেক্যুলার' মন্ডল এর চেপে যাওয়া সত্যি:
দেশভাগের সময় যোগেন মণ্ডল ছিলেন পূর্ববঙ্গের নমঃশূদ্রদের সবচেয়ে বড় অবিসংবাদী নেতা।পূর্ববঙ্গের নমঃশূদ্রদের কাছে ওঁর কথাই ছিল শেষ কথা।
দেশ ভাগের সময় উনি বলেছিলেন, "আমাদের কোন নমঃশূদ্র ভাই বর্ণহিন্দুদের সঙ্গে হিন্দুস্তানে যাবে না। আমরা নমঃশূদ্র, আমরা কেউ হিন্দু নই। পাকিস্তান দিতে হবে, দিতেই হবে! সেই পাকিস্তানে আমরা মুসলমানরা আর নমঃশূদ্ররা একসাথে ভাই ভাই হয়ে থাকব। আমরা কোন অবস্থাতেই বর্ণহিন্দুদের সঙ্গে থাকব না। আমাদের মুসলমান দের সঙ্গে থাকতে কোনরকম অসুবিধাই হবে না!"
যোগেন মণ্ডলের আদেশে ও নেতৃত্বে সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানের দিকে দিকে আওয়াজ উঠল, "নমঃশূদ্র মুসলিম ভাই ভাই, বর্ণহিন্দুর রক্ত চাই!" এরপর পাকিস্তানের জন্ম হল, পাকিস্তানের প্রথম আইন মন্ত্রী হলেন যোগেন্দ্র নাথ মণ্ডল।
রাজনৈতিক দিক থেকে যোগেন মণ্ডলের সরাসরি পাকিস্তানের স্বপক্ষে ভূমিকা নেওয়ার কারণেই মুসলিম দলিত সম্মিলিত ভোটে সিলেটের মত গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল আসামে যুক্ত না হয়ে পূর্ব পাকিস্তানে যুক্ত হয়েছিল সেদিন।
এই পর্যন্ত সবই ঠিকঠাক চলছিল, তারপরেই শুরু হল মহা গন্ডগোল! যা হওয়াটাই স্বাভাবিক, যোগেনের মত মূর্খ হিন্দুরা আগে বুঝতে পারে না। পাকিস্তান হওয়ার পর ১৫ই আগস্ট ১৯৪৭ থেকে হিন্দুদের ওপর নেমে এল অমানুষিক নির্যাতন। তারপর ফেব্রুয়ারী ১৯৫০ থেকে সবচাইতে বেশী অত্যাচার নেমে এল গরীব নমঃশূদ্রদের ওপর। ততদিনে উচ্চবর্ণের প্রায় সমস্ত হিন্দুরা হয় সীমান্ত পার হয়ে ভারতে পালিয়েছেন, মৃত্যুবরণ করেছেন অথবা চাপাতির কোপের সামনে কলমা পড়ে মুসলমান হয়ে গিয়েছেন। তাই এবার নমঃশূদ্র জাতের মেয়ে বৌদের ওপরে নৃশংসতা সমস্ত ইতিহাসের সীমা ছাড়িয়ে চলে গেল।
১৯৪৬ এর কোজাগরী লক্ষ্মী পূজার জন্য নোয়াখালীতে নমঃশূদ্র জেলেদের আট থেকে সত্তর বছর পর্যন্ত বয়স্ক দুই হাজার তফশিলী মহিলাকে একদিন দুপুরবেলা খোলা মাঠে শুইয়ে 'গণ-ধর্ষণ' করা হল! সর্বত্র তথাকথিত তফশিলী মেয়ে বৌদের তাঁদের নিজেদের বাড়ির উঠোনে ফেলে সারাদিন ধরে 'গণ-ধর্ষণ' করা হতে লাগল, তারপর সন্ধ্যাবেলা রাতের অন্ধকারে স্বামী এবং শিশুপুত্র ও কন্যাদের হত্যা করার ভয় দেখিয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হতে লাগল। সারারাত 'ধর্ষণে'র পর অবশ্য রোজ ভোরবেলা তাঁদের ফেরত দিয়ে যাওয়া হত। এবং এটা প্রতিটিদিনের স্বাভাবিক ঘটনা ছিল!
স্বামী পুত্র কন্যাদের প্রাণ রক্ষার জন্য তফশিলী মেয়েবৌরা এতে সম্পূর্ণ সহযোগীতা করতে লাগলেন, কোন বিকল্প উপায় ছিল না।
যোগেন মণ্ডলের পরিবারে ছিল তাঁর স্ত্রী আর দুই কন্যা। অবস্থা বেগতিক দেখে যোগেন মণ্ডল তাঁর নিজের মেয়েদের আর বৌকে নিয়ে তাঁর পরম ভক্ত নমঃশূদ্র গরীব ভাই বোনেদের জেহাদী হায়ে়নাদের মুখে ফেলে রেখে রাতের অন্ধকারে লুকিয়ে কলকাতায় পালিয়ে এসেছিলেন তাঁর সেই পরম ঘৃণিত বর্ণহিন্দুদের কাছে, তাঁর চোখে পরম শত্রুর দেশ সেই হিন্দুস্থানে যা এককালে তাঁর কাছে চক্ষুশূল ছিল।
পেছনে পড়ে রইল তাঁর দেড় কোটি গরীব নমঃশূদ্র ভাই বোনেরা, যাঁরা তাঁর কথায় পরম বিশ্বাস করে ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় ভারতে আসেননি। তিনি তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা দিয়ে বুঝলেন পূর্ব পাকিস্তানে আর তফশিলী জাতির হিন্দুরা থাকতে পারবে না! এইভাবে পাকিস্তানের প্রথম আইনমন্ত্রী দেশের এক আইন মন্ত্রী প্রাণের ভয়ে রাতের অন্ধকারে বৌ আর মেয়েদের নিয়ে কলকাতায় পালিয়ে এসে সেখান থেকে তৎকালীন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খানকে তাঁর পদত্যাগ পত্র পাঠিয়ে দিলেন! সময়টা তখন ১৯৫০ এর অক্টোবর।
নিয়তির কি নিষ্ঠুর পরিহাস! যে ভারতের সংখ্যাগরিষ্ঠদের বিরোধীতা করে যোগেন মন্ডল জিন্নার পাকিস্তানের দাবীতে সোচ্চার হয়েছিলেন সেখানে তিনি হয়ে গেলেন শত্রু। ১৯৫০এ তাঁর নিজের স্বঘোষিত বন্ধুদের কাছ থেকে পালিয়ে এসে তাঁকে আশ্রয় নিতে হল তাঁর শত্রু ভারতে। পাকিস্তানের মুসলিম লীগ ১৯৫০ সালেই যোগেন মণ্ডলকে শত্রু বলে ঘোষণা করল।
যখন তিনি এলেন পশ্চিমবঙ্গে, পূর্ববঙ্গের নমঃশূদ্র দলিতদের একটা বিশাল অংশ তখন বাংলাভাষী পাকিস্তানীদের আক্রমণে পশ্চিমবঙ্গমুখী উদ্বাস্তু। যোগেন মণ্ডল তাঁদের নিয়ে আবার নতুন করে তাঁর বর্তমানে যাকে বলা হয় বহুজন সমাজবাদী রাজনীতি। অর্থাৎ তফশিলী বাঙালী হিন্দুদের সন্ত্রাসী হায়েনাদের মুখে ছেড়ে দিয়ে এসে সেই উদ্বাস্তুদের মধ্যেই আবার নতুন করে একই রাজনীতি করা শুরু করেছিলেন।
বনগাঁতে ১৯৬৮ সালে মারা গিয়েছিলেন কোটি কোটি তফশিলী জাতির হাহাকারের কারণ, আর তফশিলী ও নমঃশূদ্র বাঙালী হিন্দুদের এক অপূরণীয় ক্ষতির রূপকার।
এই হচ্ছে আদর্শ সেকুলার বিপ্লবী বিচার এবং চিন্তাধারার উদাহরণ।
পশ্চিমবঙ্গের সেকুলারদের ভন্ডামি প্রকাশ্যে আনুন...
@tathagata2@Avroneelbiswas@avroneel80@Deblinabose17@debajits3110@theAshleyMolly@HinduVoice24@RadharamnDas@VHindus71@KrishanuOnline