আজ বাবরি মসজিদ দিবস।
১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর বিশ্ব হি*ন্দু পরিষদ এবং তাদের সহযোগী সংগঠনের কর্মীরা বাবরি মসজিদ গুড়িয়ে দেয়। যার ফলে পুরো ভারত জুড়েই দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে। এই দাঙ্গা পুরো ভারতজুড়ে প্রায় ২০০০ মানুষ মারা যায়, যাদের বেশিরভাগই ছিলেন মুসলিম।
হে বাবরি মসজিদ!কি করে ভুলবো সেই ভয়ঙ্কর দৃশ্যগুলো🥺
আজ নাহোক কাল বাবরি মসজিদে পুনরায় মুয়াজ্জিনের কন্ঠে আজানের ধ্বনি উচ্চারিত হবেই! ইনশাআল্লাহ।
দিল্লির লাল কেল্লায় আমরা কালিমার পতাকা ওড়াবো বি-ইযনিল্লাহ।☝️☝️
আমাদের ছাত্রদের অভিনব কর্মসূচি
রাষ্ট্রীয় শোক প্রত্যাখান করে আজকে চোখে ও মুখে লাল কাপড় বেঁধে ছবি তোলা এবং সেই ছবি অনলাইনে ব্যাপক প্রচার কর্মসূচি!
আজ বারোটার পরপর ব্যাপকহারে ফেসবুক প্রোফাইলে লাল রঙের ছবি দেখা যাচ্ছে৷ এই নিরব প্রতিবাদে আপনিও অংশ নিন৷
#Bangladesh#StepDownHasina
সেনাবাহিনী যদি গণহত্যাকারী মাফিয়া খুনীদের পক্ষ ত্যাগ না করে ছাত্র-জনতার শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে এভাবে হস্তক্ষেপ করে তবে ছাত্র-জনতা তাদেরকে প্রতিরোধ করতে বাধ্য হবে।
আমরা দেখতে চাই গণহত্যাকারীদের পক্ষ নিয়ে তারা কিভাবে আমাদের ভাই-বন্ধুদের বুকে গুলি চালাতে পারে।
শ্রীলঙ্কা দেউলিয়া হয়ে স্বৈরাচারমুক্ত হওয়ার তিন মাসের মধ্যে অসাধারণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল। আমাদের দেশও শেখ হাসিনার বিদায়ের পর ঠিকই ঘুরে দাঁড়াবে।
তাই আপাতত কষ্ট হলেও তা মানতে হবে। আপনার একটি ডলারও যেন এই সময়ে দেশে না যায়।
তাই এই মুহুর্তে সবাইকে সচেতন হতে হবে।