মাত্র ১৩ বছরের এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে তুলে নিয়ে দুই সপ্তাহ আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন করেছেন সেই মাদ্রাসারই ৩৫ বছর বয়সী, দুই সন্তানের পিতা বিবাহিত এক শিক্ষক।
পুলিশ ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় পরিবার মেয়েটিকে উদ্ধার করে।
এরপর ঘটনাটা ধামাচাপা দিতে অভিযুক্ত শিক্ষক ঘটনার এক মাস পরের তারিখে একটি এফিডেভিট তৈরি করেন। কিন্তু সেই এফিডেভিটে অভিযুক্ত শিক্ষক কিংবা ভুক্তভোগী কারও স্বাক্ষর নেই। আরও বিস্ময়কর বিষয় হলো, স্থানীয় এক নারী আইনজীবী সেই এফিডেভিটটি সত্যায়িত করেছেন।
থানাও প্রথমে মামলা নিতে চায়নি। পরে আদালতের আদেশে মামলা হলে, নিয়োজিত তদন্ত কর্মকর্তা ঘটনাটিকে বিয়ে হিসেবে উল্লেখ করে প্রতিবেদন দাখিল করেন। সেই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে নারাজি আবেদন করা হয়।
অথচ এখন উল্টো এই মামলাতেই নাস্তানাবুদ হতে হচ্ছে ভুক্তভোগী মেয়েটির পরিবারকে।
আগে বিল আসত ১৪৭ টাকা, লোডশেডিংয়ের মাঝেও গত ৩ মাসে বিদ্যুৎ বিল ৩৬ হাজার করে মোট ১ লাখ ৮ হাজার টাকা |
বাহ আবার টাকা ঘুস দিলে ঠিক করে দিবে
এত টাকা ঘুস খেয়ে সাথে করে কবরে কি নিয়ে যাবে এরা?
ই'য়া'বাসহ আ'টক জামায়াত নেতা, কি বলছে দ্যা ডিসেন্ট?
ইত্তেফাকের সাংবাদিক ভাই ভিউ ব্যবসা বন্ধ করুন,
হেডলাইনে কি লিখলেন, আর রিপোর্টে জানা গেল আওয়ামীলীগের নেতা
https://t.co/1UGgkOkoD8