কারও মুখে দাড়ি গজাতে দেখলেই খুশিতে গদগদ হয়ে তাঁকে পাক্কা মুমিন ভাবতে শুরু কইরেন না। দাঁড়ি আবু জাহেলের ছিল, আবু লাহাবের ছিল। ইয়াহুদী ধর্মযাজকরাও দাঁড়ি রাখে। দাঁড়ি রঠারও ছিল।
এখন চিন্তা করি, এখানে Israel Defense Forces এর পক্ষ নিয়ে বিভিন্ন মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের সামরিক বাহিনী গিয়েছে, আর এই একই কন্ঠস্বর না চাইতে মন থেকে কোনো অভিযোগ করে দিসেন! তারপর, সেই অভিযোগ ও মহান আল্লাহ তা'আলার সিংহাসনের মাঝপথে আসমানের সকল পর্দা সরে গিয়েছে!
পালাব কোথায়!
🌋
আলোকিত গাজা ঊপত্যকার বোমায় বিধ্বস্ত আল-ঊমারি মসজিদে তারাবিহর জামা'আত।
সম্মানিত ইমামের কন্ঠস্বরে যে অনুযোগ, কষ্ট, অভিমান আর শ্রদ্ধার সংমিশ্রণের ছাপ, তা আসলে স্রেফ একটি বোমার আঘাতে উড়ে যাওয়া মসজিদের বিধ্বস্ত মিহরাবে, ক্ষুধা ও পিপাসায় কাতর অবস্থায় দাঁড়িয়ে আসা সম্ভব।
গাজার এক বাচ্চার ইন্টারভিউ থেকে —
বাচ্চাটাকে জিজ্ঞাসা করা হলো, ❝তুমি বড় হয়ে কি হতে চাও?❞
বাচ্চাটার চোখে-মুখে কোনো এক্সপ্রেশন(অভিব্যক্তি) ছিলোনা,সে সরলভাবে বলেছিলো,❝আমাদের এখানে বাচ্চারা বড় হয় না।❞
________________
কীভাবে একজন যুবক পুরো একটি রিজিয়নের আন্দোলনের ব্যানার হয়ে যেতে পারে - চিন্তাও করা যায় না!
ভারত-অধিকৃত কাশ্মীরের স্বাধীনতাকামীরাও শ্রীনগর শহরের দেয়ালে শহীদ ওসমান হাদিকে নিয়ে একটি গ্রাফিতি এঁকেছে।
আর-রাহমান চাহেন তো—
আমরা আসবো,
এক ভীষণ তুফানে, বিপুল প্রলয়-গর্জন নিয়ে।
অবিরল রকেট বৃষ্টি, সৈনিকের সীমাহীন স্রোত;
শত সহস্র মানুষের ঢল আর নিরবিচ্ছিন্ন যিকরের ধ্বনি নিয়ে।
জোয়ারের মতো অনিবার্য, প্লাবন হয়ে
আমরা ঠিক তোমাদের দরজায় এসে তবেই থামব।
~ইয়াহিয়া