ফজরের নামাজের জন্য অজু করতে বের হয়েছিলেন সন্দ্বীপ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মশিউর রহমান বেলাল ভাইয়ের স্ত্রী।
ঘরের কয়েক হাত দূরেই কলঘর। অজু করে ঘরে ঢুকার সময় চার পাঁচজন মিলে অতর্কিত পেছন থেকে তার গলায় বটি দিয়ে পোচ দিয়ে তাকে ফেলে চলে যায়। কা'টা গলায় চিৎকার করতে থাকেন তিনি। এসময় তার পাড়া প্রতিবেশিরা এগিয়ে আসেন। তিনি বলতে থাকেন চার পাঁচজন মিলে তাকে জবাই করে চলে গেছে।
সবাই মিলে ধরাধরি করে তাকে ঘরে নিয়ে যায়। ওই ঘরের পুরুষরা কেউ বাড়িতে নেই। পাড়া প্রতিবেশি যারা আসে তারও পুলিশের হস্তক্ষেপ ছাড়া তাকে হাসপাতাল নিতে সাহস করে না। এই অবস্থায় দীর্ঘ এক ঘন্টা পর পুলিশ আসে। সেখানেই ছটফট করছিলেন তিনি। এক পর্যায়ে কন্ঠ রোধ হয়ে যায়। এখনো তিনি বেঁচে আছেন। তবে কথা বলছেন ইশারায়। পুলিশ যাওয়ার পর তাকে নিয়ে যাওয়া হয় সন্দ্বীপ মেডিক্যাল সেন্টার। সেখান থেকে এখন চট্টগ্রাম আনা হচ্ছে।
ঘটনা সন্দ্বীপ রহমতপুরের। আজ ৪ জুন ২০২৫।
জুলাই ক্যালেন্ডার হিসেবে ৩৩৯ জুলাই....
#YunusMustGo
#BangladeshCrisis
#SaveBangladeshWomens
গোষ্ঠী সহ সব ধর্মান্ধ গোষ্ঠী। তারা যাকে তাকে খুন করছে, যাকে তাকে দেশছাড়া করছে, যাকে তাকে হেনস্থা করছে। যাকে তাকে চাকরিতে নিয়োগ দিচ্ছে, যাকে তাকে ক্ষমতায় বসাচ্ছে। ইউনুস কিন্তু এসবের খবরও রাখেন না, খবর রাখলেও কী করে সন্ত্রাস আর অরাজকতা বন্ধ করতে হয়, জানেন বলে মনে হয় না।@2
ইউনুসের মতো অশীতিপর মহাজন এঞ্জিও চালাতে গিয়েই দরিদ্রের প্রচুর সর্বনাশ করেছেন, দেশ চালাতে গিয়ে ১৭ কোটি মানুষের সমূহ সর্বনাশ করবেন, এতে কোনও সন্দেহ নেই। তাঁর হয়ে যে জিহাদিরা দেশ চালাচ্ছে, তাদের তো বড় সড় লাভ হচ্ছেই । তাছাড়া এর মধ্যে লাভবান হচ্ছে জামাত শিবির রাজাকার@1
১৯৭১ সালের ৫ ও ৬ সেপ্টেম্বর দৈনিক সংগ্রামে গোলাম আযমের পশ্চিম পাকিস্তান সফরকালের একটি সাক্ষাৎকারের পূর্ণ বিবরণ দুই কিস্তিতে ছাপা হয়। এই সাক্ষাৎকারে তিনি মুক্তিবাহিনীর সাথে তার দলের সদস্যদের সংঘর্ষের বিভিন্ন বিবরণ ও পূর্ব পাকিস্তান পরিস্থতির ওপর মন্তব্য করেন। তিনি বলেন,
অভিযোগে বলা হয় সেপ্টেম্বরের প্রথম দিকে তিনি রাও ফরমান আলীর সাথে এক গোপন বৈঠক করে এই হত্যাকান্ডের নীলনকশা তৈরি করেন।[৭৪] উল্লেখ্য ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনী কর্তৃক বাংলাদেশের অসংখ্য বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়।