আল ফিরদাউস এর সম্পাদক মুহতারাম ইবরাহীম হাসান হাফিযাহুল্লাহ'র কলাম:
বাংলাদেশে মুসলিম বোনদের উপর হি_ন্দুত্ব-বাদী স_ন্ত্রাসের কালো ছায়া: নব•বী মান_হাজ অনুযায়ী উম্মাহর করণীয়
https://t.co/J7ExxogUAQ
গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর থানার সুরাবাড়ীতে পূজা মণ্ডপের পাশে আট বছরের এক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ অভিযুক্ত ভজেন্দ্র সরকারকে গ্রেফতার করেছে। ১ অক্টোবর (বুধবার) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এ নৃশংস ঘটনা ঘটে।
ইসকন হাসিনার আমলে কি করেনি এই বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বিসিএসের জন্য অথচ এখন খুব সহজেই পেয়ে গেলো।
এই বিশেষ বা স্পেশাল বিসিএস এর মজা হলো এটি এতো লম্বা প্রক্রিয়া নেই এবং নম্বর মান ১১০০ ও নয় মাত্র ২০০/৩০০ নাম্বারের পরীক্ষা।
যা অযোগ্য ইসকন সন্ত্রাসীদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এর মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতাসীন পদবীর অধিকারী বানিয়ে দিবে।
এই ব্যাপারটা ঘটবে ঈদের ১০ দিন ছুটি দেয়া অন্যদিকে পূজার জন্য ৪দিন ছুটি দিয়ে দেয়ার মতো।
ফলাফল, ১০ দিন ঈদের ছুটি মুসলমানদের উপরে চাপিয়ে দেয়া না হলেও হিন্দুরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হতে ৪দিন পূজার ছুটি পালনে মুসলমানদের বাধ্য করার মতো।
অযোগ্য ইসকন সন্ত্রাসী নিয়োগের এই আয়োজন অনতিবিলম্বে বাতিল চাই, বাতিল করতে হবে।
প্রীতম নামে এই সিরিয়াল রেপিস্টের বিষয় বরিশালের সকল মুসলমান সতর্ক হন।
১২/১৩ জন মুসলিম মেয়ে সে একাই নস্ট করছে।
সে মুসলিম পরিচয় দিয়ে মুসলিম মেয়েদের নস্ট করতো।এরপর তাকে কোন মুসলিম মেয়ের সাথে দেখলে আমাদেরকে জানাবেন।
বরিশালের প্রতিটি খবরের গ্রুপ
পন্য কেনা বেচার গ্রুপ
সহ সকল গ্রুপে তাকে নিয়ে পোস্ট দিন সবাই
#সবাই
শিক্ষার্থীদের অধিকার বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, আমি বললে হয়তো আপনাদের কাছে তাজ্জব লাগতে পারে। ছাত্রদেরকে যে রাজনীতিতে ব্যবহার করা হয়, এটা ছাত্রদের উপর জুলুম। কলেজ ভার্সিটির ছাত্রদেরকে রাজনীতিতে ব্যবহার করা হয়, এটি তাদের সাথে অন্যায়।
এই একই মিডিয়া রাজধানীর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যায়গা খিলক্ষেতে সরকারি জমি জোরপূর্বক দখল করে বানানো কথিত দেবীর নামে মন্দির বানানোর পক্ষে সাফাই নিয়ে পক্ষপাত মূলক একাধিক খবর প্রকাশ করেছিলো।
হটাৎ এই উগ্র হিন্দুত্ত্ববাদী সন্ত্রাসী মিডিয়াটির জ্বালাপোড়ার কারণ হলো আপনি আমি এমনকি জামায়াতের হয়তো এটি বুঝ নেই।
হিন্দুত্ত্ববাদী সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসী মিডিয়াটির সংবাদের কারণ মুসলমানদের ন্যায্য কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে এর মাধ্যমে।
ওদের চোখে সরকারি জমিতে মুসলমানদের দলের কার্যালয়।
নাবালক ১৩ বছর বয়সী হিন্দু মেয়েটা মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করার জন্য এসেছিল বয়ফ্রেন্ডের সাথে।
যে আইনজীবীর কাছে এসেছিল সে একজন উগ্র -ইসকন সমর্থক আর র য়ের গোপণ এজেন্ট।
সকালে কোর্টে রেস্টুরেন্টে নাস্তা করার সময় আমার পাশের টেবিলে তাদের কথোপকথন গুলো শুনে বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলো। কারণ সচরাচর নাবালকদের এসব গুরুত্বপূর্ণ কাজে মাস্টভি গার্ডিয়ানেরা উপস্থিত থাকে।
আমি আমার সিনিয়র স্যারকে জানাই সিনিয়র বিষয়টি সিরিয়াসলি আমলে নেয়। বললো ছেলে মেয়ে দুজনকে আইনজীবী সমিতি’র অফিসে পাঠিয়ে দাও। সমিতির দু-জন স্টাফ এসে ছেলে মেয়ে দু-জনকে সমিতির অফিসে নিয়ে যায়। ততক্ষণে বিষয়টি ঐ ইসকনের দালাল আইনজীবীর কানে গেলে সে নরম সুরে কথা বলা শুরু করলো।
সমিতির অফিস উভয়ের মা বাপের পরিচয় জানতে চাইলে থলের বিড়াল বের হয়। নাবালক মেয়েটা প্রথমে কিছু বলেনি পরে পুলিশী ভয় দেখালে মেয়েটা বলে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে একটা প্ল্যানের দাবার গুটি।
ছেলেটার সাথে তার পরিচয় কোচিং সেন্টারে। ছেলেটা নামাজি কালামি দাড়িও আছে।
এবার শুনেন মেইন গেমস বিষয়টি হলো মেয়েটা প্রথমে মুসলিম হবে এরপর ছেলেটাকে বিয়ে করবে। এরপর ইসকনেরা দালালেরা ঐ মেয়ের হিন্দু মা বাপকে বাদী সাজিয়ে মুসলমান ছেলের বিরুদ্ধে মামলা করবে।
ততক্ষণে দেশ ও দিল্লীর পল্লীর নিউজগুলো বড় বড় নিউজ করবে নাবালক হিন্দু মেয়েকে ব্রেইন ওয়াশ করিয়ে মুসলমান ধর্মে ধর্মান্তরিত করলো মুসলিম যুবক।
এরপর পুরো দেশজুড়ে নিউজটি আলোচিত হবে।
সুশীল মিডিয়াগুলো ল্যাংটা হয়ে সংখ্যালঘু নির্যাতন বলে ভিকটিম কার্ড খেলবে।
এরপর নিশ্চয়ই বহিঃবিশ্ব বিষয়টি নজরে আনবে।
আমি আগেও বলেছি উগ্র হিন্দুরা বাংলাদেশকে নিয়ে বড়সড় ষড়যন্ত্রের জাল এঁকেছে। বাংলাদেশ থেকে ইতিমধ্যে ২০---৩০ বছর বয়সী অনেক হিন্দু ছেলে ভারত থেকে ষড়যন্ত্র বিষয়ে ট্রেনিং নিয়ে দেশে এসেছে বাকি কিছু ট্রেনিংয়ে আছে।
এডভোকেট কামাল ফারাবী
চট্টগ্রাম জজ কোর্ট
সম্প্রতি মেট্রোরেলের পিলারে ছাত্র উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ভুইয়ার মন্ত্রনালয়
কিছু গ্রাফিতি একেছে। তার মধ্যে একটি গ্রাফিতি হচ্ছে নাসিরনগর হামলা।
যে ছবিতে দেখা যাচ্ছে, এক হি ন্দু মহিলা কাঁদছে আর তার পেছনে ভাঙচুর করা ঘরবাড়ি।
আমার মনে হয়, বর্তমান তরুণ প্রজন্ম অনেকেই জানে না, সেই সময় বি-বাড়িয়ার নাসিরনগরে কি ঘটেছিলো এবং কেন ঘটেছিলো এবং বর্তমানে প্রচার পাচেছ কী। এ ইতিহাসগুলো যদি মানুষ না জানে, তবে বর্তমান প্রজন্ম ভুল জিনিসই জেনে যাবে।
ঘটনাটি ঘটে ২০১৬ সালে। WASHIM BD নামক ই*স*কনের একটি আইডি থেকে একটি ছবি প্রকাশ করা হয়, যেখানে দেখা যায় মুসলমানদের পবিত্র কাবা ঘরের উপর হি ন্দু দে ব তা শি*ব বসে আছে। ঐ ছবিটি নাসিরনগরের ই*স*কন সদস্য রসরাজ দাস তার নিজের ফেসবুক আইডিতে শেয়ার করে। তখনই ঘটে বিপত্তি। নাসিরনগরের মুসলমানরা প্রতিবাদে ফেটে পড়ে এবং রসরাজ দাসের বিচার দাবী করে।
অনেকে ভাবতে পারেন, এ ছবিটা বোধ হয় উস্কানি তৈরী করতে অযথা তৈরী করা হয়েছে। আসলে বিষয়টি তেমন না। ২০১৪ সালে ভা র তের বি*জে*পি ক্ষমতায় আসার পর হি ন্দু ত্ব বাদীরা মসজিদ ভে*ঙ্গে সেখানে ম*ন্দির বানানোর উদ্যোগ নেয়। এজন্য তারা গুজব রটাতে থাকে যে, বিভিন্ন মসজিদ এক সময় মন্দির ছিলো। এ দাবীর স্বপক্ষে তারা প্রচার করে- কাবা ঘরও এক সময় শি*বের মন্দির ছিলো। মুসলমানদের শেষ নবী মক্কা বিজয়ের সময় মূ*র্তিগুলো ধ্বং*স করেছেন। সেই বিষয়টি প্রমান করতে গিয়েই হি*ন্দু*রা এসব ধর্মীয় অবমা**ননাকর ছবি তৈরী করে অনলাইনে প্রচুর পরিমাণে ছাড়ে এবং বাংলাদেশের হি**ন্দুরা সেগুলো শেয়ার করতে থাকে। আর তখনই ঘটে বিপত্তি।
ঘটনাক্রমে WASHIM BD নামক ই*স*কনের একটি আইডির সেই ছবিটা শেয়ার করে নাসিরনগরের ই*স*কন সদস্য রসরাজ দাস তার ব্যক্তিগত আইডি rasraj das থেকে। এতে এলাকার জনগণ ক্ষোভে ফেটে এবং স্থানীয়ভাবে প্রতিবাদ করে। কিন্তু সেই প্রতিবাদ শান্তিপূর্ণ ছিলো। কিন্তু সেই সময় স্থানীয় হি*ন্দু*রা কৌশল করে নিজেরাই নিজেদের ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে মুসলমানদের উপর দোষ দিয়ে দেয়। মূলতঃ হাসিনা আমলে হি*ন্দুরা একই কাজটা বেশি করেছে। কারণ হাজার টাকার গোয়াল ঘর ভাঙ্গলেও হাসিনা ১০-২০ লক্ষ টাকা দিয়ে পাকা ঘর বানিয়ে দিতো। ফলে হি*ন্দুরা এই গেম প্রায়শই খেলতো। সেটাই ঘটে নাসিরনগরে। একই সাথে ঘর ভাঙ্গার মামলা দেয়া হয় মুসলমানদের নামে। অজ্ঞাতনামা করা হয় কয়েক হাজার মুসলমানকে। ফলে পুলিশের ধরপাকড়ের ভয়ে পুরো গ্রাম পুরুষশূণ্য হয়ে যায়। মুসলমানদের ঘরে কোন পুরুষ মানুষ থাকতে পারেনি। অনেক মুসলমানকে গ্রেফতার করে জেলে ভরে পুলিশ।
হাসিনার আমলে মুসলমানদের কোনঠাসা করে ভারতের ছত্রছায়ায় ‘সুপার-মাইনোরিটি রাজ্য বাংলাদেশ’ তৈরীর জন্য যে কয়টি ঘটনা ছিলো তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলো নাসিরনগরের ঘটনা। ভারতের বয়ান ছিলো- বাংলাদেশের হি*ন্দুরা মুসলমানদের দ্বারা নির্যাতিত হচ্ছে। আশ্চর্যজনক বিষয় হচ্ছে, সম্প্রতি মেট্রোরেলে যে গ্রাফিতি আঁকা হয়েছে, সেখানে ভারতের বানানো সেই মিথ্যা বয়ান-ই ফুটে উঠেছে। এবং ছাত্র উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ভুইয়ার মন্ত্রনালয় থেকে টাকা দিয়েই সেটা করা হচ্ছে। আমি এর প্রতিবাদ জানাই এবং অবিলম্বের সেই গ্রফিতি মুছে দেয়ার দাবী জানাই।
গার্মেন্টস থেকে ময়লার গাড়ি– চাঁদাবাজি সর্বত্র, অ্যাকশন নিতে গিয়ে দেখি ‘এক সপ্তাহের মধ্যে বদলি হয়ে গেছি’ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ পুলিশের সহকারী সুপার (এএসপি) দিদার নূর। শনিবার (১২ জুলাই) সামাজিক মাধ্যমে নিজ আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।
হিন্দুরা মুসলমানদের উপরে ভয়ানক নজরদারি চালায় এবং পুলিশ সহায়তা করছে।
হাসিনা চলে গেলেও পুলিশের সহযোগিতায় এক হিন্দু সন্ত্রাসী একাই গিয়ে মুসলমানদের গ্রামে গিয়ে নওমুসলিম প্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে তুলে নিয়ে এসেছেই না সাথে বিনা ওয়ারেন্টে মুসলমান ছেলেকেও তুলে এনেছে।
পুলিশের কাজ দেখুন তারা বজরং দলের মতো কাজ করলো এই একটি ঘটনায়, বিনা ওয়ারেন্টে প্রাপ্তবয়স্ক ছেলে ও মেয়ে তারা সদর থানায় আনবার মতো অপরাধ ঘটিয়েছে।
পিনাকি গ্যাং এর কথা শুনে সেনাবাহিনীর বিরোধিতা বন্ধ করুন। পুলিশ এখনো পুরোপুরিভাবে হিন্দুত্ত্ববাদী সন্ত্রাসী বাহিনী হিসেবে কাজ করছে, তাদের ভালো পুলিশ সাজবার অভিনয়টা গোবিন্দ প্রামাণিকের মুসলমানদের প্রসংশা করবার মতো ব্যাপার।
নীচে যে মেয়েটি লাশ দেখতে পাচ্ছেন তার নাম সুলতানা পারভীন ..!!
সুলতানা পারভিন — পূর্ব বর্ধমানের কুরমুনা চন্দনপুরের মেয়ে।
মাত্র ৮ মাস আগে পরিবারের অমতে ভিন্ন ধর্মের প্রীতম নন্দীকে বিয়ে করেছিলেন। কয়েক মাসের মধ্যেই বুঝেছিলেন ভুলটা।
ফিরে যেতে চেয়েছিলেন — মায়ের, বাবার, নিজের ঘরে।
গত ২৭ জুন সুলতানা ফোন করে বলেছিলেন —
👉 “বাবা, আমাকে ফিরিয়ে নিয়ে চলো!”
বাবা-মা যখন শ্বশুরবাড়ি গেলেন, ওরা তাদের মারধর করল, গাড়ি ভেঙে দিল, তাড়িয়ে দিল।
পরের দিন সুলতানার দেহ ঝুলতে দেখা গেল — আত্মহত্যার নাম করে হত্যার নোংরা নাটক!
❗ এটা নিছক খুন। ঠান্ডা মাথায়, নির্মম খুন।
এখন ভাবুন — যদি ছেলেটা মুসলিম হতো, মেয়েটা হিন্দু — মিডিয়া, সোশ্যাল মিডিয়া, নিউজ চ্যানেল সব আগুন জ্বালিয়ে দিত।
ব্রেকিং নিউজ চলত দিনরাত! পুরো মুসলিম সমাজকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হতো!
কিন্তু এখন কোথায় তারা? এত চুপ কেন?
যারা কথায় কথায় “ফ্রিজ, ফ্রিজ” বলেন — এবার কি বলবেন?
একটা মেয়ের জীবন শেষ করে দিলেন !🙂
#bagwalovetrap
অবশেষে নোয়াখালীতে বাঁধেরহাট ফাজিল মাদ্রাসার ছাত্রীকে ভাগওয়া লাভ ট্র্যাপে ফেলে ধ #র্ষণ ও ঢাকার পতিতালয়ে বিক্রির মুলহোতা ইসকন সদস্য শুভজিৎ কে র্যাব আটক করেছে। হিন্দু ধ #র্ষকের ফাঁ _সির দাবি মাদ্রাসা ছাত্রীর।