আবূ ���াঈদ এবং আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তাঁরা বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “যখন তিনজন কোন সফরে বের হয়, তখন তারা যেন একজনকে আমীর বানিয়ে নেয়।” (আবূ দাউদ ২৬০৮)
‘‘সে সত্তার কসম যাঁর হাতে আমার জীবন! তোমাদের কেউ পরিপূর্ণ ঈমানদার হতে পারবে না যতক্ষণ না আমি তার নিকট তার নিজ মাতা-পিতা, ছেলে-সন্তান ও সকল মানুষ চেয়েও অধিক প্রিয় হই’’।
-বুখারী ৬৬৩২
🎥 আইনজীবী ��াইফুল ইসলাম আলিফ হত্যাকাণ্ড কি পরিকল্পিত?
কারা ছিল কিলিং মিশনে?
খুঁজে বের করা জরুরি...
---
আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যাকাণ্ডটিকে পরিকল্পিত ভিন্নদিক মোর দিয়ে ধর্মের সাইনবোর্ড লাগিয়ে নতুন ইস্যু তৈরী করা যাতে জনগন ধর্মের নামের ভাগ হয়ে সহিংসতায় লিপ্ত হয় এবং বর্তমান অবৈধ সরকার যে দেশ চালাতে পুরপুরো ব্যর্থ তা যেনো সাধারন মানুষকে ভুলিয়ে রাখা যায়। এবং এই হত্যার সাথে সনাতনীরা জড়িত নয় সেটা বুঝতে কোনো রকেট সাইন্স প্রয়োজন হয়না।সনাতনীরা তাদের নেতা চিন্ময় প্রভুর জামিন ও মুক্তির দাবিতে নেমে সহিংসতা করে তাদের নেতার মুক্তির পথ বন্ধ করবে এটা কেউই বিশ্বাস করবেনা।তারা তাদের নেতার মুক্তির দাবিতে শান্তিপূর্ন অবস্থান নেয় বরং আইনশৃঙ্গলা রক্ষাকারী বাহিনী ও��� বিজিবির লাঠিচার্জে ও ইউনুস ও সমন্বয়ক দের উগ্র পেটোয়া বাহিনীর হামলায় সেটা সহিংসতায় রূপ নেয়।আইনজীবী সাইফ হত্যাকান্ডের মাধ্যমে অবৈধ সরকার এক ঢিলে দুই পাখি মারার মতো একটা প্ল্যান এক্সিকিউট করেছে।
১, সারাদেশে ইস্কন ও ভারতবিরোধী মতবাদ তৈরী এবং
২.সনাতনীদের যৌক্তিক দাবির আন্দোলনকে কোনোভাবেই দমানোর কোনো উপায় তারা পাচ্ছিলো না যা এই হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে তারা পেয়ে গেলো,চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে অভিযান চালানো তাই প্রমাণ করে।সনাতনীরা জড়িত থাকলে এইসময়ের মধ্যে এই অবৈধ সরকার পক্ষ অনেকগুলো ফুটেজ এনে মিডিয়ায় প্রচার করা শুরু করতো। তা না বরং আমরা দেখতে পেলাম আইনজীবী সাইফ কে জামায়াত তাদের সদস্য বলে দাবি তোলা শুরু করলো, আর অপরপক্ষে বিএনপি তাদের আইনজীবী ফোরামের সদস্য বলে দাবি তোলা শুরু করলো। এই দাবি তোলার পেছনা আসল কারন হলো
এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে তাদের দলীয় কেউ জড়িত না এটা প্রমানে মরিয়া তারা,কারন জনমুখে শোনা অবৈধ সরকারের ভাড়াটে পেটোয়া বাহিনীদের রাজনৈতিক পরিচয় হলো হয় তারা জামায়াত নাহয় তারা বিএনপির সমর্থক বা নেতাকর্মী।
বাস্তবতা ও চিরন্তন সত্য হলো আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ কে সনাতনী ও চিন্ময় প্রভুর আইনজীবী প্যানেলের সদস্য ভেবেই ন��শংস ভাবে হত্যা করা হয়। আর এখন এই হত্যাকান্ডতে সনাতনীদের ফাঁসি��়ে সনাতনীদের আন্দোলনকে চিরতরে দমিয়ে দিয়ে ভারত ও ইস্কনবিরোধী একটা জনমত তৈরী করা হচ্ছে।
এরা নাকি শান্তির দেবদূত!! বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার দাওয়াত দেয়।
সন্ত্রা'সী জ'ঙ্গি গোষ্ঠী ইসকনের খুনিরা চট্টগ্রাম জজকোর্টের আইন কর্মকর্তা, সাইফুল ইসলামকে কু'পিয়ে হ'ত্যা করেছে।
টুইটার কর্তৃপক্ষের কাছে বিনয়ী প্রশ্ন আমার।
টুইটার কি সমাজিক ব্যবহরের জন্য, নাকি অসামাজিক ব্যবহারের জন্য?
সমাজিক ব্যবহারের জন্য হলে অসামাজিক হারামজাদাদের স্থান কেন টুইটারে?
আর অসামাজিক ব্যবহারের জন্য হলে ��মাদের আইডি disqualified করে দেন।