অনেক নারীই মনে করে যে,তাঁদের যৌনাকাঙ্ক্ষার অভাব রয়েছে।কিন্তু সমস্যাটি আসলে যৌনাকাঙ্ক্ষা নয়।
আসল সমস্যাটি হলো—তাঁদের শরীর কখনোই নিজেকে পুরোপুরি সঁপে দেওয়ার মতো যথেষ্ট নিরাপদ বোধ করেনি।
যে নারী নিজেকে নিরাপদ মনে করে না, সে যৌনতার স্বর্গীয় পরমানন্দের স্বাদ পেতে পারে না।
বয়স বাড়ার সাথে সাথে কামুক নারীরা আরও বেশি আবেগপ্রবণ হয়ে ওঠে। কামুকতা একজন নারীকে তার চূড়ান্ত শিখরে পৌঁছায়। সহবাসের সময় এই তীব্র আবেগ যেন অনিয়ন্ত্রিতভাবে জ্বলে ওঠে। তার শরীরে প্রজ্বলিত এই আগুন ততক্ষণ পর্যন্ত শান্ত হয় না,যতক্ষণ না নারী চূড়ান্ত পরিসমাপ্তি লা��� করে।
যখন কোনো নারী যন্ত্��ণার অনুষঙ্গে সঙ্গমে লিপ্ত হন,তখন নারীর সেই মুহূর্তের সাধারণ সুখ রূপান্তরিত হয় এক নিছক যৌণ সুখে।ধীরে ধীরে এই যন্ত্রণা অসীম সুখে পরিণত হতে শুরু করে এবং তার কোমল যোনিগহ্বরে কঠিন, গাঢ় ও স্থূ�� লিঙ্গের প্রবেশ নারীর জীবনকে চালিত করে চরম সুখের শিখরের দিকে।
স্ত্রী তোমার হোক বা প্রতিবেশীর,অন্তরের গভীরে সে নিজেকে যতই তৃপ্ত বোধ করুক না কেন—তোমাকে অবশ্যই তাঁর চোখের ভাষা পড়তে হবে।চোখই সব কথা বলে দেয়,চোখের নীরব ভাষা একবার বুঝে গেলে,শারীরিক ঘনিষ্ঠতা তখন তার পরিণতি হয়ে দাঁড়ায়। নারীর শরীর তো একে অপরের সাথে ভাগ করে নেওয়ার জন্যই সৃষ্টি।
প্রায়ই এমন ধারণা শোনা যায় যে, নারীরা দীর্ঘ সময় ধরে যৌন সম্পর্ক ছাড়াই কাটিয়ে দিতে পারে।
বাস্তবতার কিছু পর্যবে���্ষক মনে করেন যে—এটি নিছকই একটি বিভ্রম। তাঁদের মতে, যৌন মিলন ছাড়া একজন নারীর জীবন অসম্পূর্ণ।