Visited Ward No. 15, Ward No. 16, Ward No. 13, Ward No. 3, and Ward No. 24 to inspect the ongoing Special Intensive Revision (SIR) activities. I also reviewed the functioning of the SIR Helpline Desk and interacted with the teams on the ground.
এখানে সুমন বাবু কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছেন, যেগুলো আমাদের মনোযোগ সহকারে শুনে বিরোধীদের পদক্ষেপ নেওয়া উচিৎ! আমরা হয়তো হাসি ঠাট্টা করে উড়িয়ে দিচ্ছি যে সমীক বাবু অথবা বিজেপি ভোটের আগে এক কথা বলেছেন আর এখন ঠিক তার উল্টোটা করছেন। কিন্তু এই বিষয়টিকে শুধু বঙ্গ-বিজেপি নয় কেন্দ্রীয় বিজেপিও খুব সিরিয়াসলি নিয়েছে, এবং এগুলো কেন্দ্রীয় বিজেপির নির্দেশেই হচ্ছে! বিজেপির এখন সংখ্যার প্রয়োজন, তাই তারা সংখ্যা বৃদ্ধি করছে!
একটা বিষয় দেখুন, বিজেপি কাদের জয়েন করালো? রাজ্যসভার সাংসদদের! তারা সাংসদ পদ পদত্যাগ করে বিজেপিতে জয়েন করলেন। এবং বিজেপি তাদেরই আবার রাজ্যসভার প্রার্থী ( বলা চলে বিজেপির টিকিটে রাজ্যসভার সাংসদ) নির্বাচিত করলেন। এদিকে দেখুন লোকসভার সাংসদ পদ আকড়ে ধরে বিক্ষুব্ধ তৃণমূলে রয়েছেন বেশ কিছু তৃণমূল সাংসদ! সময় মতো তাঁদেরও বিজেপিতে যোগদান করিয়ে নেবে বিজেপি।
কিন্তু দেখুন এই লোকসভার সাংসদরা পদত্যাগ করছে না, কারণ বিজেপির টিকিটে দাঁড়ালেও সবার জেতার সম্ভাবনা কম, তাই সেই রিস্ক বিজেপি নিতে চাইছে না। তাই এরা তৃণমূলের সাংসদ থেকেও লোকসভায় বিজেপিকে সমর্থন করবে। এটা সুনিশিত হবার পর, এরপর বিজেপি যেটা করবে সেটা হলো, সুমন বাবুর ধারণা মতোই চারটি বিল আনতে চলেছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। সেই বিল গুলোকে পাশ করাতেই বিজেপি এতো লম্বা খেলা খেলছে।
বিজেপির মূল লক্ষ্য হলো ‘লোকসভার আসন সংখ্যা বৃদ্ধি’ এবং ‘One Nation One Vote’ এটা করতেই বিজেপি এক্কেবারে উঠেপড়ে লেগেছে। এটা যদি বিজেপি কোনওভাবে করে নিতে পারে, তাহলে ২০২৯ সালে এমন কোনো রাজনৈতিক (সমস্ত বিরোধী রাজনৈতিক দল মিলেও) দলের ক্ষমতা নেই যে বিজেপিকে হারাতে পারে! তাই বিজেপি চাইছে ২০২৯ এর আগে এই বিল গুলোকে পাশ করিয়ে নিতে, এবং সেটা পারলে ২০২৯ এর পর সারা দেশে বিরোধী রাজনৈতিক দল বলে আর কিছু থাকবে না!
তাই একটা বিষয় আমাদের মাথায় রাখতে হবে সমীক বাবু কি করলো সেটাকে নিয়ে হাসি ঠাট্টা বা ইয়ার্কির ছলে না নিয়ে সেটাকে আমাদের ভীষণ গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে যে এটা কেনো করলো? এবং তার থেকে নতুন কোনো শিক্ষা নিতে হবে। বিরোধীরা যদি এই দল ভাঙানোকে রুখতে না পারে তাহলে আগামীতে বিশাল বিপদ আসতে চলেছে বিরোধীদের জন্য।
তাই দেশের সকল বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে বলবো আপনারা একজোট হয়ে এই স্বৈরাচারী বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে এখন থেকেই ঐক্যবদ্ধ লড়াই শুরু করুন! এবং বিজেপি কোন এজেন্ডায় এগচ্ছে সেটাকে ধরার চেষ্টা করুন যাতে আপনারা বুঝতে পারেন বিজেপি কোন রাস্তায় হাঁটবে। এবং আপনারা আগাম সতর্ক থেকে বিজেপিকে রুখতে পারেন। নইলে ঘোর বিপদ আসছে….
যে চারটি বিলের কথা বলা হয়েছে সেগুলো যদি বিজেপি পাশ করিয়ে নিতে পারে তাহলে সত্যি বলছি বিজেপিকে হারানোর শক্তি আর কোনো দলের থাকবে না! আর একটা কথা বলে রাখি এই বিলগুলো দেশের স্বার্থে নয়, বিজেপির স্বার্থে কাজে লাগানো হবে॥
বি দ্র: আমার যতটুকু ধারণা ছিল আমি জানালাম, আপনার যদি বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলের প্রতি কোনো সুবক্তব্য থাকে তাহলে অবশ্যই জানান, যে এই স্বৈরাচারী বিজেপি সরকারকে কীভাবে উৎখাত করা যায়॥
জয় হিন্দ 🇮🇳
উদ্যেশ্য কি এটাই…..?
যে কারণেই পরিবর্তনের দু-মাসে নারী নিরাপত্তার এই হাল!👇
১. ২১ মে ২০২৬ — বেহালা-সরশুনা - স্কুলছাত্রী গণধর্ষণ।
২. ২৪ মে ২০২৬ — দুর্গাপুর হোটেল ১৪ বছরের নাবালিকা গণধর্ষণ
৩. ২৮ মে ২০২৬ — হাঁসখালি নাবালিকাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে আটকে রেখে লাগাতার ধর্ষণ।
৪. ৩ জুন ২০২৬ — দিনহাটায় ১১ বছরের নাবালিকা ধর্ষণ ও খুন।
৫. ১৫ জুন ২০২৬ — কলকাতার তিলজলায় ৪ বছরের শিশুকে যৌন নিগ্রহ ও খুন।
৬. ২২ জুন ২০২৬ — ময়নাগুড়িতে গৃহবধূকে ধর্ষণ ও মারধর।
৭. ৫ জুলাই ২০২৬ — বারুইপুর নাবালিকাকে গণধর্ষণ ও নৃশংস ভাবে খুন
৮. ৫ই জুলাই, ২০২৬ -- দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ে অষ্টম শ্রেণীর একটি ছাত্রীকে টিউশন থেকে ফেরার সময়ে ৭ জন যুবকের যৌন নির্যাতন
৮. ৫ই জুলাই, ২০২৬ -- মালদার ইংলিশ বাজারে ১২ বছরের একটি ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ
৯. ৬ ই জুলাই, ২০২৬ -- উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগরে জলাশয় থেকে এক মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার হয়।
১০. ৭ ই জুলাই, ২০২৬ -- বর্ধমানের পালিতপুর ক্যানালপাড়ের একটি মাঠ থেকে আদিবাসী গৃহবধূর ধর্ষণ ও খুন
১১. ৭ ই জুলাই, ২০২৬ -- কলকাতার নেতাজি নগরে ১১ বছরের একটি নাবালিকাকে শ্লীলতাহানি
১২. ৭ই জুলাই, ২০২৬ -- আলিপুরদুয়ারের ফালাকাটায় একটি জলাশয় থেকে এক ধর্ষিতা মহিলার দেহ উদ্ধার
১৩. ৮ই জুলাই, ২০২৬ -- লেকটাউনে ৬ বছরের শিশুর ওপর যৌন নির্যাতন
১৪. ৯ই জুলাই, ২০২৬ -- হাবড়ায় অষ্টম শ্রেণীর নাবালিকা ছাত্রী নিজ আত্মীয় দ্বারা ধর্ষিতা।
১৫. ৯ই জুলাই, ২০২৬ -- মঙ্গলকোটে মূক ও বধির গৃহবধূকে ধর্ষণ।
১৬. ৯ই জুলাই, ২০২৬ -- পুরুলিয়ার বোরো থানার আঁকরো গ্রামে এক তরুণীকে 'শরীর বন্ধন' ও বিশেষ পুজোর নাম করে ধর্ষণ।
১৭. মেদিনীপুরে প্রথম বর্ষের এক পড়ুয়া কে স্কুলের অস্থায়ী কর্মীরা দ্বারা যৌন হেনস্তা।
অথচ দেখুন এই খবরগুলো কোনো মিডিয়াই দেখাচ্ছে না!!