‘বিশ্ববাংলা' নামের মধ্যে ওতপ্রোত ছিল মমতার ভয়াবহ পরিকল্পনা। বাঙালি হিন্দুদের মধ্যে প্রচার করা যে বাংলাদেশের বাঙালি মুসলমানেরা বাকি ভারতের হিন্দুদের চাইতে তাদের অনেক বেশি নিকটাত্মীয় - যদিও এই বাঙালি মুসলমানেরা পূর্ববাংলার হিন্দুদের উপর বীভৎসতম নির্যাতন করে তাদের দেশ ছাড়তে বাধ্য করেছিল, এবং তখন বাঙালি হিন্দুদের আশ্রয় দিয়েছিল হিন্দু ভারত। তার পরের ধাপ হত পশ্চিমবঙ্গকে ভারতের থেকে বিচ্ছিন্ন করে বাংলাদেশের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া। পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুরা শেষ মুহূর্তে এই কু-উদ্দেশ্য বুঝতে পেরে এই শয়তান তৃণমূল নেত্রীকে আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করেছে। এইজন্যই বিশ্ববাংলা কথাটি মুছে দিতে হবে।
পশ্চিমবঙ্গের হিন্দু ! আপনারা ভন্ড বামপন্থী প্ররোচনায় কিউবা, ভিয়েতনাম, প্যালেস্টাইনের জন্য চোখের জল ফেলেছেন, শয়তান গান্ধীর প্ররোচনায় মুসলমানের দোষ লুকিয়ে রাখতে আপনারা সিদ্ধহস্ত। কিন্তু আপনাদের নিকটতম আত্মীয় বাংলাদেশের হিন্দুরা যে সেদেশের মুসলমানের হাতে বীভৎসতম নির্যাতনের শিকার হচ্ছে সে বিষয়ে কি আপনারা বোবাকালা হয়েই থাকবেন ? https://t.co/IMB9XI8ani
আজকে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার আসার পরেই অনুপ্রবেশকারীরা পালাতে আরম্ভ করেছে - এই প্রক্রিয়া SIR-এর সময়েই আরম্ভ হয়েছিল । কিন্তু এরা কবে থেকে চোরাপথে ভারতে ঢুকছে ? উত্তর, উনিশশো আশির দশক থেকে ।
১৯৮৮ সাল নাগাদ রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের কয়েকজন প্রতিনিধি মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর সঙ্গে দেখা করে সমস্যাটার কথা জানিয়েছিলেন । উত্তরে জ্যোতিবাবু অসহ্য নাটুকেপনা করে টেবিলের নীচে উঁকি মেরে বলেছিলেন, কই, আমি তো কোনো অনুপ্রবেশকারী দেখতে পাচ্ছি না ! প্রতিনিধিরা সঙ্গে সঙ্গে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে যান। এর পরে ১৯৯০ সাল নাগাদ পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল টি ভি রাজেশ্বর (যিনি আগে গোয়েন্দা দপ্তরের কর্তা ছিলেন) একই আশংকা প্রকাশ্যে ব্যক্ত করেছিলেন। পশ্চিমবঙ্গ সরকার আবার তার বিরোধিতা করেছিল।
তার প্রায় পয়ঁত্রিশ বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গে বাংলাদেশী মুসলমান অনুপ্রবেশকারী ঢুকেছে। এদের মধ্যে মায়ানমার থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গিয়াও আছে। দেশের কি পরিমাণ সম্পদ এরা শুষে খেয়েছে, কি পরিমাণ রাজ্যের ধর্মীয় ভারসাম্য বদলে দিয়েছে, কি পরিমাণ ভারতীয় নাগরিককে চাকরি থেকে বঞ্চিত করেছে, সেটা অনুমান করা কঠিন নয়।
এই অন্ধকার এবার শেষ হতে চলেছে । Detect, Delete, Deport । ধন্যবাদ, অমিত শাহ, ধন্যবাদ শুভেন্দু অধিকারী !
২৬ মে বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিক হকার দিবসে আমার খেটে খাওয়া হকার ভাই বোনেদের জানাই অভিনন্দন। তার সাথে তাঁদের জানাই সমবেদনা। যেভাবে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এসেই বিজেপি সরকার হকারদের উপর অত্যাচার চালাচ্ছে, উচ্ছেদ করছে, তাদের দোকান ভেঙে দিচ্ছে, তাদের চোখের জলকে তোয়াক্কা না করে তাদের পথে বসাচ্ছে সেটা দেখে আমি বিস্মিত, ক্রুদ্ধ, মর্মাহত। অত্যাচারীরা এর জবাব নিশ্চয়ই পাবে। আপনাদের পাশে ছিলাম, আছি, থাকবো।
পথচলতি বিক্রেতা, হকার এবং অনানুষ্ঠানিক ক্ষেত্রের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা যেভাবে স্থানীয় অর্থনীতির মেরুদণ্ড হিসেবে কাজ করেন, এই দিনটি মূলত তাঁদের সেই অবদানকে স্বীকৃতি জানানোর জন্য উৎসর্গীকৃত।
হকার অর্থনীতির বাস্তব চিত্র
রাস্তার হকাররা হলেন একেবারে তৃণমূল স্তরের অর্থনীতির প্রতীক। তাঁরা একদিকে যেমন বড় মাপের উৎপাদন ব্যবস্থার সাথে সাধারণ মানুষের দৈনিক চাহিদার যোগসূত্র তৈরি করেন, অন্যদিকে ঠিক তেমনই অত্যন্ত সুলভ মূল্যে জরুরি পণ্যসামগ্রী মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেন। তবে এই ব্যবস্থার টিকে থাকা এবং নগর পরিকল্পনার মধ্যে সবসময়ই একটি সূক্ষ্ম ভারসাম্য বজায় রাখতে হয়:
অর্থনৈতিক অবদান: উন্নয়নশীল দেশগুলির কর্মসংস্থানে এই অনানুষ্ঠানিক ক্ষেত্রটির ভূমিকা অপরিসীম। হকাররা লাখ লাখ মানুষের স্বনির্ভরতার পথ তৈরি করেন, যার ফলে বহু নিম্নবিত্ত পরিবার কর্পোরেট বা সরকারি চাকরির ওপর নির্ভর না করেই জীবিকা নির্বাহ করতে পারে।
পথচারী ও স্থায়ী দোকানদারদের অধিকার রক্ষা করার পাশাপাশি হকারদের রুটি-রুজি —এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে ভারতে ‘স্ট্রিট ভেন্ডর (সুরক্ষা ও নিয়মকানুন) আইন, ২০১৪’ (Street Vendors Act, 2014) পাস হয়েছিল, যাতে যানজট এড়ানো যায় আবার হকারদের আকস্মিক উচ্ছেদ থেকে সুরক্ষা দেওয়া যায়।
একটি আদর্শ ও সুপরিকল্পিত শহরের লক্ষ্য হকার উচ্ছেদ করা নয়, বরং তাঁদের শহর ব্যবস্থার অঙ্গ করে নেওয়া। হকারদের জন্য সুশৃঙ্খল ও পরিকাঠামোযুক্ত পুর-বাজারের ব্যবস্থা করা গেলে পথচারীদের নিরাপত্তাও বিঘ্নিত হয় না, আবার শহরের প্রাণবন্ত ক্ষুদ্র-অর্থনীতিও সচল থাকে।
মাননীয় সুপ্রিম কোর্ট বিভিন্ন ঐতিহাসিক রায়ের মাধ্যমে হকারদের অধিকারকে আইনি স্বীকৃতি ও সুনির্দিষ্ট রূপ দিয়েছেন। গত কয়েক দশক ধরে শীর্ষ আদালতকে সংবিধানের ১৯(১)(ছ) অনুচ্ছেদ [Article 19(1)(g)] অনুযায়ী হকারদের স্বাধীনভাবে ব্যবসা বা জীবিকা অর্জনের মৌলিক অধিকার এবং জনসাধারণের পরিষ্কার ও নিরাপদ রাস্তায় চলাচলের অধিকারের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে হয়েছে।
যেমন,
১. বোম্বে হকার্স ইউনিয়ন বনাম বোম্বে মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (১৯৮৫)
রাস্তার হকিং বা হকার ব্যবস্থা নিয়ে পদ্ধতিগতভাবে আলোচনা করা প্রথম দিকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মামলা এটি। সুপ্রিম কোর্ট স্বীকার করে যে হকারদের জীবিকা নির্বাহের অধিকার রয়েছে, তবে জনস্বার্থ ও যাতায়াতের সুবিধার কথা মাথায় রেখে এই অধিকারের ওপর 'যুক্তিযুক্ত নিষেধাজ্ঞা' জারি করা যেতে পারে।
২. সোদান সিং বনাম নিউ দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কমিটি (১৯৮৯)
হকারদের সাংবিধানিক মর্যাদার ক্ষেত্রে এই রায়টিকে সবচেয়ে মৌলিক এবং ভিত্তিপ্রস্তর হিসেবে গণ্য করা হয়। সুপ্রিম কোর্ট অত্যন্ত স্পষ্টভাবে ফুটপাথের ব্যবসাকে মৌলিক অধিকারের সাথে যুক্ত করে।
৩. গেন্দা রাম বনাম মিউনিকিপাল কর্পোরেশন অফ দিল্লি (২০১০)
হকারদের সুরক্ষায় বর্তমান আধুনিক আইন প্রণয়নের পেছনে এই মামলাটিই ছিল সবচেয়ে বড় অনুঘটক। নির্দিষ্ট কোনো আইনি কাঠামো না থাকায় হকারদের যেভাবে বারবার স্থানীয় প্রশাসনের মর্জির ওপর নির্ভর করতে হতো এবং উচ্ছেদ বা তোলাবাজির শিকার হতে হতো, তা দেখে সুপ্রিম কোর্ট গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে।
ফলাফল: আদালতের এই স্পষ্ট ও বাধ্যতামূলক নির্দেশের ফলেই পরবর্তীকালে তৈরি হয় ‘স্ট্রিট ভেন্ডর (সুরক্ষা ও নিয়মকানুন) আইন, ২০১৪’ (Street Vendors Act, 2014)।
৪. মহারাষ্ট্র একতা হকার্স ইউনিয়ন বনাম মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন অফ গ্রেটার মুম্বাই (২০১৩)
২০১৪ সালের কেন্দ্রীয় আইনটি কার্যকর হওয়ার ঠিক আগে সুপ্রিম কোর্ট এই মামলার রায়ে গেন্দা রাম মামলার নির্দেশিকাকে পুনরায় পুনর্ব্যক্ত করে, যাতে অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে হকারদের সুরক্ষা দেওয়া যায়।
আদালতের আইনি অবস্থানের সারসংক্ষেপ
এই সমস্ত রায়ের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্ট একটি স্পষ্ট আইনি মতবাদ (Legal Doctrine) প্রতিষ্ঠা করেছে:
জীবিকার অধিকারকোনো সমীক্ষা বা বিকল্প ব্যবস্থার সুযোগ না দিয়ে আকস্মিক বা খামখেয়ালি উচ্ছেদ করা সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদ (জীবন ও জীবিকার অধিকার)-এর লঙ্ঘন। নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাহকারদের অধিকার পরিচালনার দায়িত্ব টাউন ভেন্ডিং কমিটি (TVC)-র মতো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মাধ্যমে হতে হবে, যাতে নগর পরিকল্পনায় হকারদের নিজস্ব মতামত প্রতিফলিত হয়।
7 करोड़ की वस्ती वाले फ़्रांस की हालत देख लो, पेरिस में भीषण गर्मी में ट्रेन में एयर कंडीशन बंध है.
प्रत्येक छोटी छोटी बातो में अश्विनी वैष्णव जी को टैग करने वाले चमचे मुँह छुपा लेंगे.
#GoaCasinoReality#CNBCAwaazBES2026#JAINOnline#Glorious12Years
কুখ্যাত ‘ডায়মন্ড হারবার’ মডেল পরিণত হলো ‘তৃণমূলের হার-বার’ মডেলে !!!
সর্বপ্রথমে আমি ফলতা বিধানসভা আসনের পুনর্নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির প্রার্থী শ্রী দেবাংশু পাণ্ডাকে বিপুল জনাদেশ দিয়ে বিধানসভায় পাঠানোর জন্য ফলতার জনতা-জনার্দন গণদেবতাকে নত মস্তকে প্রণাম জানাই। ফলতার ভোটারদের কাছে বিশেষ ভাবে কৃতজ্ঞ, বিজেপির প্রার্থী কে এক লক্ষ ভোটে জেতানোর আবেদন করেছিলাম, জয়ের ব্যবধান এক লক্ষ আট হাজার পেরিয়েছে। উন্নয়নের মাধ্যমে আপনাদের এই ঋণ শোধ করব। সোনার ফলতা গড়ার জন্য আমরা দায়বদ্ধ।
একটি নীতি-আদর্শহীন দল, যা মাফিয়া কোম্পানিতে রূপান্তরিত হয়েছিল, ক্ষমতা হারাতেই তার কঙ্কালসার দশা উন্মোচিত হয়েছে। রাষ্ট্রীয় শক্তির অপব্যবহার করে সরকারি ধন লুঠ, মানুষের কষ্টার্জিত অর্থ তোলাবাজি, সিন্ডিকেট ও থ্রেট কালচারের মাধ্যমে কেড়ে নিয়ে এই দলের নেতারা ধরাকে সরা জ্ঞান করেছিল।
প্যারাসুটে নেমে সেনাপতি আখ্যা পাওয়া এক জালিয়াত, এমন কোনো অপরাধ নেই যা সংগঠিত করেনি। নিজের অপরাধ সিন্ডিকেটকে প্রতিষ্ঠিত করতে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করতেও কোনো কসুর করেনি এই ‘বাঘের ছাল পরিহিত বেড়াল’। ফলস্বরূপ, বিগত নির্বাচনকে পরিহাসে পরিণত করে এই বিধানসভা ক্ষেত্রে দেড় লাখ ভোটের লিড নিয়েছিল তৃণমূল। ১৫ বছর পরে যখন মানুষ নিজের ভোট নিজে দেওয়ার স্বাধীনতা ফিরে পেলেন, তখন আসল বাস্তব প্রকাশিত হলো।
এ তো সবে শুরু, প্রত্যাখ্যানের দীর্ঘ যাত্রা এবার অতিক্রম করতে হবে। আগামী দিনে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্বের সামনে নির্বাচনে ‘নোটা’-র বিরুদ্ধে কঠিন লড়াই অপেক্ষা করছে। সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস ইতিমধ্যেই ত্রিপুরা রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে ‘নোটা’-র কাছেও পরাজিত হয়েছে। আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গেও এই জমজমাট লড়াই প্রত্যক্ষ করার অপেক্ষায় রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গবাসী...
Today is the anniversary of the Chuknagar massacre, which arguably, is the biggest case of mass murder on a single day in the subcontinent. Many times the size of Jallianwala Bag. Estimated casualties 10,000, including many women and children, all Hindus, at the hands of the Pakistani Army and Bengali Muslim Razakars.
So where is Chuknagar? And what happened there?
Chuknagar is a small town near Khulna, near the West Bengal border, in present-day Bangladesh. A huge number of frightened Hindus, including women and children, had gathered here trying to escape to India to escape the onslaught of the army. The army and Razakars landed there from the nearby Jessore cantonment and started shooting at random. Many died in the stampede. When the army ran out of bullets they resorted to bayonets. The water of the River Bhadra ran red with human blood.
Say a prayer for the human beings slaughtered like pigs for the crime of having been Hindus in an Islamic state.
যে সব অতি চালাকেরা পেট ভরে বিজেপির দুধ খেয়ে আরো মিষ্টি খাবার লোভে তৃণমূলে চলে গিয়েছিল - যেমন বাবুল সুপ্রিয়, রাহুল চক্রবর্তী, শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি, পার্নো মিত্র ইত্যাদি - তারা এখন কি করছে জানতে বড় ইচ্ছা হয় । তারা যাবার সময় যে সব অজুহাত দিয়েছিল - যেমন বাবুলের ‘প্রথম একাদশে খেলতে চাই' - সেগুলো সম্বন্ধেই বা তাদের কি বক্তব্য?
জাহাঙ্গীর দৌড় দেবার পরে ফলতায় বিজেপি বিরাট ভোটাধিক্যে জিতবে এ তো স্বতঃসিদ্ধ ! কিন্তু চিন্তার বিষয় হচ্ছে সিপিএমের উত্থান। সাধারণ মানুষের স্মরণশক্তি সীমিত, তাই বলি: সাঁইবাড়ি, মরিচঝাঁপি, আনন্দমার্গী, কান্দুয়া, বিরাটি, বানতলা, ছোট আঙ্গারিয়া, নেতাইয়ের হত্যাকাণ্ড; ইংরেজি তুলে দেওয়া, “যে কোন মূল্যে কম্পিউটার রুখছি, রুখব” - এগুলো যেন এত সহজে ভুলে না যাই ।
নীচের ছবিটা হাওড়ার আমতা থানার কান্দুয়া গ্রামের এক কংগ্রেস সমর্থকের। হাতে ছাপ দেবার অপরাধে কব্জি থেকে হাত কেটে নেওয়া হয় । উল্লেখ্য, এর প্রতিবাদে কংগ্রেস কিচ্ছুটি করে নি ।
কিছু পুরোনো কথা, আজকের পরিপ্রেক্ষিতে - কাকলি ঘোষ দস্তিদার সমীপে ।
২০১০ সালে উত্তর ২৪-পরগনার দেগঙ্গায় বসিরহাটের এমপি হাজি নুরুল ইসলাম, বর্তমানে জাহান্নামবাসী, একটি দাঙ্গা লাগিয়েছিল এবং হিন্দু মন্দির অপবিত্র করেছিল । বিজেপির তরফ থেকে সেই দাঙ্গার তদন্ত করতে আমি দেগঙ্গা গিয়েছিলাম । আমার কথায় আডবানিজি কেন্দ্রীয় বিজেপির তরফ থেকে একটি জনসভার ব্যবস্থা করেছিলেন । প্রচুর হিন্দুর সমাগম হয়েছিল । সেই সভার প্রবেশের রাস্তায় আপনার নেতৃত্বে তৃণমূলের ক্যাওড়ারা বিক্ষোভ দেখিয়েছিল এবং জুতো, ঝাঁটা ইত্যাদি ঝুলিয়ে রেখেছিল ।
আজকে আপনি আপনার দলের হারের নৈতিক দায়িত্ব স্বীকার করে পদত্যাগ করছেন দেখছি । চীফ হুইপের পদ থেকে বরখাস্ত হওয়াতেও আপনি ক্ষুব্ধ । স্বাভাবিক, শুধু একটু দেরি হয়ে গেছে । হিন্দু নারী হিসাবে আপনার কর্তব্য ছিল হিন্দু নির্যাতনের প্রতিবাদে তখনি সোচ্চার হওয়া ।