রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় দুই হিন্দু যুবককে মিথ্যা ভ্যানচুরির সন্দেহে নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যা করেছে জনতা।
নিহতরা হলেন—তারাগঞ্জের ঘনিরামপুর এলাকার রুপলাল দাস (৪০) ও মিঠাপুকুরের বালুয়াভাটা গ্রামের প্রদীপ দাস (৩৫)। তারা দু’জনই আত্মীয় ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার সয়ার ইউনিয়নের বুড়িরহাট বটতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ওই সময় রুপলাল ও প্রদীপ একটি বিয়ের দিনক্ষণ ঠিক করতে যাচ্ছিলেন। পথে জনতা ভ্যানচোর সন্দেহে তাদের ধরে বেধড়ক মারধর করে, ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।
এভাবে মিথ্যা অভিযোগে মব গঠন করে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের দুই নিরপরাধ মানুষকে হত্যা—এটি শুধু জঘন্য অপরাধই নয়, মানবতার জন্য কলঙ্ক।
আমরা এই ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো নিরীহ মানুষ মবের হাতে প্রাণ না হারায়।
@albd1971@ANI@sajeebwazed@CJBdingo25@DrSJaishankar@MAarafat71@Eastsidepc71Ali@narendramodi@HRUpdatesbd@hrw@MeghUpdates@UNHumanRights@USAmbHRC@htTweets@HinduVoice_in@SBHPage@hrw
নমরুদের মৃত্যুর আগে আল্লাহ তার মাথায় পোকা ঢুকিয়ে দিছিল তখন প্রজারা নমরুদের মাথায় জুতা পেটা করলে সাময়িক শান্তি পেত।রাজাকারের সাবকরা জন্ম থেকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত অমর্যাদা করে আসচ্ছে, যা করে তাদের একটু মনে শান্তি মিলে।
মুক্তিযুদ্ধের সময় অনেক মুসলিম না-বুঝে মুক্তিযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছিল, এটা তাদের ব্যর্থতা ও অদূরদর্শিতা ছিল। আল্লাহ্ তাদের ক্ষমা করুন। এদিকে শিবিরই মার্চে স্বাধীনতাদিবস পালন করে, ডিসেম্বরে বিজয়মিছিল বের করে, জামায়াতের নেতারা দাবি করে তারা মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে ছিল না। এদিকে ৫ আগস্টের পরে তারা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস স্লোগান জয় বাংলা নিশ্চিহ্ন করে দিতে চায়, মুক্তিযুদ্ধার গলায় জুতার পড়িয়ে প্রশান্তি নিচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধাদের দেশে মুক্তিযুদ্ধাদের মাটি জুটছে না অর্থাৎ একই দল দাবি করছে মুক্তিযুদ্ধে জড়ানো ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যর্থতা ও অদূরদর্শিতা, আবার সেই দলই কপালে-কবজিতে লাল-সবুজ পতাকা বেঁধে ডিসেম্বরের ষোলো তারিখে বের করে বিজয়মিছিল। তাদের কাছে রাজাকার আলবদর বঙ্গবন্ধুর খুনিরা জাতীয় সূর্য সন্তান।
দলটির কাছে মুক্তিযুদ্ধ অদূরদর্শিতা, আবার সেই অদূরদর্শী মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের দিনে প্রতিবছর মিছিল বের করা দূরদর্শিতা। পরাজিত শক্তি বিজয়ীর ভূমিকায় অভিনয় করতে গেলে অভিনয়টা যে হয় না, এর উপযুক্ত প্রমাণ জামায়াত-শিবির। এদিকে মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যায় অংশ নিয়ে সদলবল পরাজিত হয়ে জামায়াতও বুঝে উঠতে পারছে না তারা এখন কি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কথা বলবে, নাকি বিপক্ষে। পক্ষে বললে তাদের একাত্তরের অবস্থান ভুল প্রমাণিত হয়, বিপক্ষে বললে বাংলাদেশের রাজনীতির কোথাও তাদের ঠাঁই হয় না। জামায়াতের জুব্বা এতই ছোট যে, পেট ঢাকলে পিঠ উদাম হয়ে যায়, পিঠ ঢাকলে পেট উদাম হয়ে যায়।