আমাদের মন স্থির না। মন এখান থেকে সেখানে,
সেখান থেকে এখানে ঘুরে বেড়ায়। সেই অস্থির মনকে দমন
করতে না পারলে পুনঃজন্ম হবে না তা অসম্ভব।
অর্থাৎ মনকে দমন/স্থির/শান্ত করতে না পারলে
পুনঃজন্ম হবেই । ইহাই আমার উপলব্ধি।
মানুষের জীবনচক্র অনিত্য।
যেটা অনিত্য সেটা দুঃখের।
পরবর্তী জন্মে/মৃত্যুর পরও কি হবে
সেটা ভেবেই আমার মনে হাহাকার
করে উঠে। কারণ ভবিষ্যত
আমি নিজেও জানি না।
ত্রিপিটক অনুযায়ী শ্রোতাপত্তি ফল লাভ করলে অপায় গমন নিরুদ্দ হয় । আর অর্হৎ ফল লাভ করলে মন সম্পূর্ণভাবে স্থির হয় আর পুনঃজন্ম লাভ হয় না অর্থাৎ আর কোন জন্ম হয় না ।
মানুষের অনেক লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য থাকে ।
এটা যার যার ব্যক্তিগত ইচ্ছা অনুযায়ী ।
৯.দিব্য চক্ষু জ্ঞান অর্জন
১০.দিব্য শ্রুতি জ্ঞান অর্জন
১১. চ্যুতি উৎপত্তি জ্ঞান অর্জন
১২.জাতিস্মর জ্ঞান অর্জন
১৫.নানা ঋদ্ধি জ্ঞান অর্জন
এবং
সর্বশেষ আসব ক্ষয়কর জ্ঞান অর্জন (যদি তা সম্ভব হয়)
যা মুক্তি লাভের উপায়।
পৃথিবীর একটা আশ্চর্য অদ্ভুত ব্যাপার
হলো আপনি যেকোন ভাবে একটি
মানুষ বিরক্ত করলেন যেকোন ভাবে
হোক (সেটা শরীর টার্চ ....বা অন্যান্য)।
আবার পরক্ষনেই
ঐ একই ভাবে অপর এক লোক সেই ই
মানুষটিকে বিরক্ত করল। এখন সেই ই
মানুষটি আপনার কাছে বিচার দিলো
এই লোকটা আমার সাথে এই রকম
আচরন করেছে !
জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক 💖।
যারা সুখে আছে তাদের
সুখ বর্ধিত হোক 💖 ।
যারা দুঃখে আছে তারা দুঃখ থেকে মুক্তি লাভ করুক।
যারা রোগী তারা রোগমুক্ত হোক।
আমিও রোগমুক্ত হই এবং সুখী ও নীরোগ
হয়ে বাস করি।
জগতের সকল প্রাণী সুখী ও নীরোগ হয়ে
বাস করুক এই কামনা করি 💝।
প্রশ্নঃ আমার গুরু কে ? কাকে বর্তমানে
আমি অনুসরণ করি বা মেনে চলি।
উত্তরঃ ত্রিপিটক বা বুদ্ধকেই আমি অনুসরণ করি।
৮৪ হাজার ধর্মস্কন্ধ ই আমার গুরু।
আমার অন্য কোন গুরু নাই।
আমি কাউকেই অনুসরণ কারি না।
বৌদ্ধ ধর্মীয় গ্রন্থে উল্লেখ করা হয়েছে
ঐ সময়ে (বুদ্ধের জীবিত অবস্থায়)
মানুষের আয়ু ছিল অল্পাধিক
১০০ (একশত) বৎসর । বর্তমানে
২৫৬৯ বুদ্ধ বর্ষ । মানুষের
মধ্যে হিংসা-বিদ্বেষ বৃদ্ধির জন্য
মানুষের আয়ু ধীরে ধীরে কমে যায়।
বর্তমানে প্রতি শত (১০০) বৎসরে
মানুষের আয়ু এক বছর কমে।