ছবিতে জীবিত থাকা মাত্র ৪ জন বীরউত্তম ....
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বীরউত্তম খেতাবপ্রাপ্ত ৬৮ জনের মধ্যে এখন জীবিত আছেন মাত্র এই চারজন। কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম, মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর বীরউত্তম এবং মেজর জেনারেল আজিজুর রহমান বীর উত্তম।
বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জনের ৭ জনই মুক্তিযুদ্ধে নিহত হয়েছেন।
৬৮ জন বীরউত্তম খেতাবপ্রাপ্তদের মধ্যে মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান, জেনারেল কেএম সফিউল্লাহ, এয়ার ভাইস মার্শাল একে খন্দকার ও বিগ্রেডিয়ার খালেদ মোশাররফও রয়েছেন।
বর্তমানে জীবিত বীরউত্তম চারজনের মধ্যে:
১. কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম, বিখ্যাত কাদেরিয়া বাহিনীর প্রধান ছিলেন। একসময় আওয়ামী লীগের রাজনীতি করলেও পরবর্তীতে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ নামে দল গঠন করেন এবং সে দলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
২. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম, চাঁদপুর থেকে নির্বাচিত আওয়ামী লীগের এমপি ছিলেন। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
৩. ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর বীরউত্তম, বিএনপির সাবেক এমপি ও বেগম খালেদা জিয়া সরকারের সময়ের মন্ত্রী ছিলেন। সর্বশেষ ২০২৪ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগে যোগদান করে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন।
৪. মোহাম্মদ আজিজুর রহমান বীরউত্তম, বিডিআরের মহাপরিচালক ছিলেন ১৯৯৬ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত। পরবর্তীতে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান ও রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
৬৮ জন বীর উত্তমের মধ্যে মাত্র ৪ জন জীবিত রয়েছেন আমাদের মাঝে। আর কয়েক বছর পর হয়তো আর কেউ থাকবে না আমাদের মাঝে।
আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য মোট ৬৭৬ জনকে বিভিন্ন খেতাবে ভূষিত করেন বঙ্গবন্ধু সরকার।
তারমধ্যে :
বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন,
বীরউত্তম ৬৮ জন,
বীর বিক্রম ১৭৫ জন,
বীর প্রতীক ৪২৬ জন।
পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধের পর পার্বত্য চট্টগ্রামে সশস্ত্র সংঘাতের সময় দায়িত্ব পালনকালে বীরত্বের জন্য ৫ জনকে বীরউত্তম, ২০ জনকে বীরবিক্রম ও ৮২ জনকে বীরপ্রতীক খেতাব দেওয়া হয় এবং ১৯৭৫ সালের ১৫ ই আগস্টে হত্যা প্রতিরোধ করতে আসার পথে নিহত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জামিলকে সে রাতের বীরত্বের জন্য ২০১০ সালে বীরউত্তম খেতাব দেওয়া হয়।
বাংলাদেশে Shayla Ahmed Lopa আপাদের পরিবার সম্ভবত একমাত্র পরিবার, যে পরিবারে ৪ জন খেতাবপ্রাপ্ত রয়েছেন।
৪ জন হলেন;
কর্নেল তাহের বীরউত্তম,
আবু ইউসুফ খান বীরবিক্রম,
ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল বীরপ্রতীক,
সাখাওয়াৎ হোসেন বাহার বীরপ্রতীক।
শয়তানের বাচ্চাটা মাইলস্টোনে এতগুলো বাচ্চা মারা গেল একটিবার কোন আহত নিহত কোন বাচ্চাদের দেখতে যায় নি। দেশ বাচ্চাদের ভেকসিন কার্যক্রম বন্ধ রেখে আগত নবজাতকদের মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে এদিকে আমেরিকার পাপেট বিদেশে বাচ্চাদের সাথে খুশগল্প করছে। বাংলাদেশের সকল সেক্টরকে ধ্বংস করে জনগনের উপর এক পৈসাচিক প্রতিশোধ নিয়ে গেছে
এতদিন শুনলাম লক্ষ-লক্ষ লিটার জ্বালানি তেল মজুদ আছে? এখন এ অবস্থা কেন?
যদি জ্বালানি তেল সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায় তাহলে দেশের কি অবস্থা হবে চিন্তা করতেও ভয় লাগে৷ কারন এর প্রভাব জীবনের প্রতিটি স্তরে পড়বে৷
যাতে ভুলে না যাই সেজন্য টাইমলাইন রেখে দিলাম।😡
নাম: নাহিদুল ইসলাম সাজু
বাবার নাম: নজরুল ইসলাম (কাটাখালি ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি)।
বাড়ি: রাজশাহীর কাটাখালী।
মোবাইল: 01904785901
খাম্বু বাঈয়ার হাতের ফোনটির নাম কি?
ফোনটি হলো Solarin (সোলারিন), যা ইসরায়েলি স্টার্টআপ Sirin Labs (সিরিন ল্যাবস) দ্বারা তৈরি।
২০১৬ সালে লন্ডনে এটি বিশ্বের "সবচেয়ে নিরাপদ স্মার্টফোন" হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল।
নির্মাতা: ফোনটির পুরো নাম Sirin Labs Solarin। এটি তৈরি করেছে ব্রিটিশ-ইসরায়েলি কোম্পানি সিরিন ল্যাবস।
নিরাপত্তা: এতে সামরিক গ্রেডের (Military-grade)
এনক্রিপশন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। ফোনের পেছনে একটি ফিজিক্যাল 'সিকিউরিটি সুইচ' আছে, যা অন করলে ফোনটি একটি অত্যন্ত সুরক্ষিত মোডে চলে যায়, যা হ্যাক করা প্রায় অসম্ভব বলে দাবি করা হয়।
উৎপত্তি: এটি লন্ডনের একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে উন্মোচন করা হয় এবং এর ডিজাইন ও প্রযুক্তিগত কাজ মূলত ইসরায়েল ও লন্ডনে সম্পন্ন হয়েছে।
দাম: ফোনটির দাম প্রায় ১৪,০০০ থেকে ১৭,০০০ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশের বাজারে এর দাম ছিল প্রায় ১২ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা।
ইজ// রায়েলি পণ্য কি বয়কট করবেন নাকি কোলে নিবেন আপনাদের ব্যাপার 😁😁।
বান্দির পুতেরা সারাক্ষণ স্লোগান দেয়-
"দিল্লি না ঢাকা?
গোলামী না আজাদী?"
আবার সেই ভারতীয় দূতাবাসে ফাও খেতে গিয়ে কূটনীতিকের সাথে হাস্যরসে মেতে উঠেছে!যেন অনেকদিন পরও হারানো বাপের সন্ধ্যান পাইল!
জুলাই স'ন্ত্রাসী বান্দির পুতগো পুরো রাজনীতিটাই ভন্ডামি আর প্রতারণাপূর্ণ!
শাহ এএমএস কিবরিয়াকে গণফোরামে যোগদানের জন্য ড. কামাল হোসেনও আহ্বান করেছিলেন। আহ্বানের উত্তরে শাহ কিবরিয়া বলেছিলেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের স্মৃতি আমার মনে জ্বলজ্বল করছে, তাঁর আদর্শের ঐতিহ্য বহন করে চলেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, আওয়ামী লীগের অসাম্প্রদায়িক ও ধর্মনিরপেক্ষ নীতিমালায় আমি বিশ্বাস করি।’
আজ এই মহান মানুষটির মৃত্যুবার্ষিকী। মৃত্যুবাষিকীতে স্মরণ করছি পরম শ্রদ্ধায়।
"১৯৭৮ বা ১৯৭৯ সালে জামায়াত #রগ কাটা সিস্টেম চালু করেছে তার জন্য ক্ষমা চায়নি, আবার মানুষের কাছে ভোট চায়" –জনতার কন্ঠ
---
একাত্তরের ঘাতক-দালাল এবং মুনাফেক দল জামায়াতের ইসলামির প্রতি বাংলাদেশের মানুষের ঘৃণা চির অম্লান। এদেশের মানুষ ভুলে যায়নি জামায়াতের কুকর্মের ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে জামায়াতের পাক হানাদারদের দালালি। একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লক্ষ তাজা প্রাণ, দুই লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমহানী এবং শহীদ বুদ্ধিজীবীদের হত্যায় জামায়াতের যোগসাজশ ইতিহাসের পাতা থেকে মোছা যাবে না।
শুধু একাত্তর কেন? দেশ স্বাধীনের পর আশির দশকে স্বৈরশাসক জিয়ার আশীর্বাদে এই জামায়াত সুযোগ পেয়ে মানুষের রগ কাটার মাধ্যমে আবারো শুরু করে রক্তের হলি খেলা, পরবর্তীতে বিএনপির হাত ধরেই ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত তারা চালায় সাম্প্রদায়িক নিপীড়ন। জামায়াত ক্ষমা চায়নি— না একাত্তরের যুদ্ধাপরাধ স্বীকার করে, না স্বাধীন দেশে বাঙালীর রক্ত ঝরিয়ে। জামায়াতের আমির বলে তারা নাকি ক্ষমা চেয়েছে, এটা স্রেফ মুনাফেকি। তারা স্পষ্ট করেনি কি কারণে ক্ষমা চেয়েছে। আর যদি একাত্তরে বাংলাদেশ বিরোধীতা ও যুদ্ধাপরাধের ক্ষমা তারা চেয়ে থাকে তবে আজও কেন তারা বলবে 'গোলাম আযমের বাংলাদেশ', কেন তারা যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি চায় না। কারণ, বাংলাদেশ বিরোধীতা জামায়াতের রক্তে।
জামায়াত দেশের মানুষকে বোকা ভেবে প্রোপাগান্ডার জোয়ার বইয়ে দিতে চাইছে। কিন্তু জনগণ জামায়াতের মুনাফেকি গ্রহণ করেনি, বরং এসব প্রোপাগাণ্ডা ও ইতিহাস বিকৃতির প্রয়াস দেখে দেশের মানুষের জামায়াতের প্রতি আরও বেশি ঘৃণার উদ্রেগ হয়েছে।
#Bangladesh #BangladeshCrisis #Jamaat #PublicOpinions