বিশ্বের প্রাচীনতম চালু থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পেছনে ছিলেন এক মুসলিম নারী—ফাতিমা আল-ফিহরি। ৮৫৯ খ্রিস্টাব্দে তাঁর প্রতিষ্ঠিত আল-কারাউইয়্যিন আজও জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে যাচ্ছে। ইতিহাসে নারীর এমন অবদান সত্যিই অনুপ���রেরণাদায়ক।
#FatimaAlFihri #AlQarawiyyin #IslamicHistory #MuslimWomen #History #Education
অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাব তলব, মন্ত্রীপুত্রদের হিসাব কবে তলব হবে? - “মনিরা শারমিন”
বিএনপির লোকজন চাঁদাবাজি করছে, ঠিকই তো আছে। এতদিন তারা অভুক্ত ছিল, এখন খাবে না? পুরা দুনিয়াটা খাবে।
সালমান মুক্তাদির সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি হয়ে প্রকাশ্যে এর বিচার দাবি করেছে। এজন্য একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটরের ব্যাংকিং হিসাব তলব করে তাকে হয়রানি করছে বিএনপি সরকার।
আমরা জানতে চাই, অন্যায়ের প্রতিবাদ করার জন্য যদি তার ব্যাংক হিসাব তলব করা হয়, তাহলে বাপের ক্ষমতার অপব্যবহার করে সুবিধা নেয়া প্রতিমন্ত্রী শাহজাদা মীর শাহে আলমের ছেলে ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাহউদ্দীন এর ছেলের ব্যাংক হিসাব কেন তলব করা হবে না?
Baby killer Terrorıst Israel !
Baby killer Terrorıst Israel !
Baby killer Terrorıst Israel !
Baby killer Terrorıst Israel !
Baby killer Terrorıst Israel !
Baby killer Terrorıst Israel !
Baby killer Terrorıst Israel !
মৃতুর আগে শেষ চাহনি!
মহেশখালীর ফয়সাল মৃত্যুর আগে শেষবারের মতো তার হাতের বাঁধনটা খুলে দিতে বলছিল, এক গ্লাস পানি খাবে বলে। ফয়সালকে চোর সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। অমানুষিক নির্যাতনের কারণে গলা শুকিয়ে মুখ দিয়ে ফেনা বের হচ্ছিল। ফয়সাল তার ছোট্ট শিশুটির জন্য বাঁচতে চেয়েছিল
প্রধানমন্ত্রীকে গালি দিলে জেল।
প্রশ্ন করলে মামলা।
সমালোচনা করলে রিমান্ড।
তাহলে জুলাইয়ের পর আমরা আসলে কী বদলালাম?
গাজী সালাউদ্দীন তানভীর প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুকে আপত্তিক�� পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন। আদালত তাকে তিন দিনের রিমান্ড দিয়েছেন। পরে কারাগারে থাকা অবস্থায় তিনি গুরুতর অসুস্থ হন। তার আইনজীবীর ভাষ্য অনুযায়ী, ১৫ আগস্ট তার ব্রেন স্ট্রোক হয়। ৯ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে এক বছরের জামিন দেন এবং মুক্তির পর উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
এখন প্রশ্নটা খুব সোজা:
কেউ প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ ভাষা ব্যবহার করলে তার বিচার হবে আইনের আদালতে, নাকি ক্ষমতার আদালতে?
অভিযোগ সত্য হলে মামলা হোক। বিচার হোক। শাস্তি হোক।
কিন্তু হেফাজতে একজন মানুষের শারীরিক নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে তারও জবাব দিতে হবে রাষ্ট্রকে।
আরেকটি ঘটনা আরও উদ্বেগজনক।
সিফাত আব্দুল্লাহ বিদ্যুৎ বিল নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী ও সরকারকে কটূক্তি করে একটি ভিডিও প্রকাশ করার পর আটক হন। পরে তাকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। ৭ সেপ্টেম্বর তার জামিনও নামঞ্জুর হয়েছে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, একজন নাগরিকের অশালীন ভাষা কি তাকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আসামি বানানোর জন্য যথেষ্ট?
এখানে শুধু সিফাতের ভাষা নয়, রাষ্ট্রের প্রতিক্র���য়াও আলোচনার বিষয়।
কারণ গালি দেওয়ার অধিকার কেউ দাবি করছে না।
কিন্তু রাষ্ট্রের সমালোচনা করার অধিকার একটি গণতান্ত্রিক সমাজে নাগরিকের মৌলিক প্রশ্ন।
আজ যদি ক্ষমতাসীন দলের বিরুদ্ধে কথা বললেই মামলা হয়, কাল সেই একই আইন অন্য কারও বিরুদ্ধে ব্যবহার হবে।
হাসিনা আমলে যে আইন ও দমনমূলক সংস্কৃতির বিরুদ্ধে আমরা রাস্তায় নেমেছিলাম, সেই একই মানসিকতা যদি নতুন পোশাকে ফিরে আসে, তাহলে শুধু মুখ বদ��েছে, রাষ্ট্রের চরিত্র বদলায়নি���
আর সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো, ক্ষমতার সঙ্গে থাকা অবস্থায় যারা গতকালের অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছিল, তারা যদি আজ নিজেদের পক্ষের অন্যায়ের সামনে নীরব থাকে, তাহলে ইতিহাস তাদেরও ছাড়বে না।
আজ আওয়ামী লীগ নেই বলে স্বাধীনতা নিরাপদ নয়।
আজ বিএনপি ক্ষমতায় বলে স্বাধীনতা নিরাপদ নয়।
আজ যে দল ক্ষমতায়, তার বিরুদ্ধেও কথা বলার অধিকার থাকতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, এমপি, দল, নেতা, আমলা, পুলিশ, এমনকি নতুন রাজনৈতিক শক্তিও নাগরিকের সমালোচনার ঊর্ধ্বে নয়।
গালি ও সমালোচনা এক জিনিস নয়।
অপরাধ ও অপছন্দের কথাও এক জিনিস নয়।
রাষ্ট্রের কাজ অপছন্দের কণ্ঠ বন্ধ করা নয়।
রাষ্ট্রের কাজ আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রয়োগ করা।
তানভীরের ঘটনায় হেফাজতে তার অসুস্থতার পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা চাই।
সিফাত কোথায়, তার আইনগত অবস্থান কী, দশদিনের মতো তার সাথে পরিবারের যোগাযোগ নেই, কারাগারে ফোনেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরিবারের সঙ্গে তার যোগাযোগের সুযোগ ��ছে কি না, সেটিও স্পষ্ট করা হোক।
আর যারা আজ ক্ষমতায় আছেন, তাদের মনে রাখা দরকার ঃ
জবান বন্ধ করার আইন শেষ পর্যন্ত জবান বন্ধ রাখে না।
শুধু একদিন সেই আইন কার বিরুদ্ধে ব্যবহার হবে, সেটি বদলায়।
হায় স্বাধীনতার রাজনীতি!
আর কতবার ক্ষমতার মুখ বদলাবে, কিন্তু নাগরিকের ভয় একই থাকবে?
@NahidIslam_24 @NCPDiasporaUSA
বুধবার রাত ১০ টার দিকে ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার মধ্যহিস্যা এলাকা অন্ধকার রাস্তায় হঠাৎ জ্বলে উঠেছে আ'গুনের ঝলকানি। দৌঁড়িয়ে নিজের গায়ের আগুন থেকে বাঁচার চেষ্টা করে ফরহাদ। বিবস্ত্র অবস্থায় রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন তিনি।
গ্যাস -বিদ্যুৎ নিয়ে ভিডিও পোস্ট করায় ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় ফরহাদ হোসেনকে গায়ে পে'ট্রোল ঢেলে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তার স্ত্রী রুনা।
#BNP #Bangladesh