আল-বাকারা 21
یٰۤاَیُّہَا النَّاسُ اعۡبُدُوۡا رَبَّکُمُ الَّذِیۡ خَلَقَکُمۡ وَ الَّذِیۡنَ مِنۡ قَبۡلِکُمۡ لَعَلَّکُمۡ تَتَّقُوۡنَ
হে মানুষ, তোমরা তোমাদের রবের ইবাদাত কর, যিনি সৃষ্টি করেছেন তোমাদেরকে এবং তোমাদের পূর্বে যারা ছিল তাদেরকে, যাতে তোমরা তাকওয়া অবলম্বন কর।
তোমার মত জাহেল বাবা সমাজের জন্য ক্যান্সার, তোমার মেয়েকে গানের সাথে অভিনয় করিয়ে তা আবার সোস্যাল মিডিয়ায় প্রচার করো,একটা লাইক, কমেন্টর জন্য নিজের মেয়েকে কোন দিকে ঠেলে দিচ্ছে? তুমি বাবা না ব্যাবসায়ী?
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ
এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তিকে যেন পাপাচারী বা কাফের বলে অভিহিত না করে। বাস্তবে সেই ব্যক্তি তদ্রুপ না হলে উক্ত অপবাদ অপবাদ দানকারীর উপর পতিত হয়
আদাবুল মুফরাদ ৪৩৪
বাঘ,সাপ,বেগুন,বাইঙ্গমাছ মুরিদ হলেও মুরিদ হয়নি মানুষ,কারণ মানুষের একটা ধর্ম আছে, যাদের ধর্ম নেই তারাই হয়েছে মুরিদ(ভোট) দিয়েছে।
কারো ব্যাবসার পন্য না হয়ে মুল ধর্মে ফিরে আসুন, কুরআন ও সহিহ হাদিসের পথে।
বর্তমান জিহাদের সবচেয়ে বড় অস্ত্র হচ্ছে গালি,
মুসলিম নামধারী জিহাদীরা গালি দিয়েই ইসলামী হুকুমত কায়েম করবে!!
রাসুলুল্লাহ সাঃ বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি মুসলিমকে গালি দেয় সে ফাসেক,
ফাসেক ইসলামের খাদেম হয় কি করে??
সত্য জানা আর (হেদায়েত) সত্যের উপর থাকা এক নয়,
সত্য অনেকেই জানে, তা মানেনা,
একটা খারাপ জানার পরেও তার উপর থাকা সত্যকে প্রত্যাখ্যান করার মতোই,
আল্লাহ আমাকে হেদায়েত দান কর তুমি যাদেরকে হেদায়েত দান করেছো তাদের মতো।
রাসুলুল্লাহ (ﷺ)-এর মাধ্যম ছাড়া দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণের পথ সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা, অপবিত্র বস্ত্ত থেকে পবিত্র বস্ত্তকে পার্থক্য করা এবং আল্লাহর রেযামন্দি অর্জন করা সম্ভব নয়।
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ
নামাযের জামাআত শুরু হয়ে গেলে তোমরা দৌড়ে বা তাড়াহুড়া করে এসো না, বরং ধীরেসুস্থে হেঁটে এসো। জামাআতে যতটুকু পাও আদায় করে নাও, যতটুকু ছুটে যায় তা সালামের পরে পুরা কর।
তিরমিজি ৩২৭
মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল (বুখারী) বলেনঃ
ইবনু আবী লাইলা একজন সত্যবাদী লোক। কিন্তু আমি তার নিকট হতে হাদীস বর্ণনা করি না। কেননা তিনি সহীহ এবং যঈফ হাদীসের মধ্যে কোন ভেদাভেদ করেন না। এ ধরনের যে কোন ব্যক্তির নিকট হতে আমি হাদীস বর্ণনা করি না।
তিরমিজি ৩৬৪