পানি শুধু নিজের পথ করে নেয়। পাথর সামনে এলে পানি থামে না, পাশ কেটে যায়। তুমিও পানি হও। কঠিন হয়ো না, তরল হও। কঠিন ভাঙে, তরল বহে। যে বহে, সে-ই পৌঁছায়।
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, মহান আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন—"হে আদম সন্তান! তুমি যদি সম্পূর্ণ পৃথিবী পরিমাণ গুনাহ নিয়ে আমার নিকট আসো এবং আমার সঙ্গে কাউকে অংশীদার (শিরক) না করে থাকো, তাহলে তোমার কাছে আমিও পৃথিবীপূর্ণ ক্ষমা নিয়ে হাজির হবো।
সুনান আত-তিরমিজী ৩৫৪০
জানো তুমি কে? তুমি হচ্ছ একটা ঐশ্বরিক চিঠির খসড়া,
তুমি একটা আয়না আর দেখাচ্ছ একটা মহৎ চেহারা, মহাবিশ্ব তোমার বাইরে নয়, নিজের ভিতরে তাকাও, তুমি যা চাও সবই তুমি নিজে!
– রুমি।
ঐশ্বরিক মহাসংকটে মানুষের কোনো কর্তৃত্ব নেই। প্রতিটি লাঞ্ছনা ও মহিমান্বিত মুহূর্ত তাঁরই অমোঘ নিয়তি। না-পাওয়ার হাহাকার এক আসন্ন মহোত্থানের প্রচ্ছন্ন পটভূমি। তিমিরাচ্ছন্ন অধ্যায় শেষে তিনি জ্যোতির্ময় পথের উন্মেষ ঘটাবেনই—জানবেন, সততার কষ্টিপাথর কখনো নিষ্ফল হয় না।
অভিযোগ জমিয়ে রাখতে নেই। হয় ক্ষমা করে দিতে হয়, না হয় সরে আসতে হয়। আমি ক্ষমা করার মতো মহত্ত্ব নিয়ে পৃথিবীতে আসিনি; তাই সরে আসি নিঃশব্দে, নিভৃতে, গোপনে।