@ComSoumyaB ১) হেমচন্দ্র কানুনগো বামপন্থী ছিলেন, আর বামপন্থী মানেই marxist leninist হবে তার কোনো মানে নেই।
২) সভারকর সম্পর্কে তাঁর কোনো উল্লেখ নেই।
৩) হেমচন্দ্র ধর্ম ভিত্তিক জাতীয়তাবাদের বিরোধী ছিলেন মানে বিজেপির রাজনৈতিক অবলম্বনের বিরোধী ছিলেন
প্রেস বিবৃতি
সোহরাওয়ার্দী এভিনিউ-এর নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত: ইতিহাস বিকৃতির বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত
সোহরাওয়ার্দী এভিনিউ-এর নাম পরিবর্তন করে ‘গোপাল মুখার্জী রোড’ করার কলকাতা পুরসভার সিদ্ধান্ত এবং সেই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও রাজ্যের উচ্চশিক্ষামন্ত্রীর প্রকাশ্য মন্তব্যে আমরা গভীর ক্ষোভ ও তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
এই ঘটনায় সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হল, সমগ্র প্রচারাভিযানটি একটি সুস্পষ্ট ঐতিহাসিক অসত্যের উপর দাঁড়িয়ে আছে। জনসাধারণের সামনে এমন ধারণা তৈরি করার চেষ্টা চলছে যেন সোহরাওয়ার্দী এভিনিউ-এর নাম অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নামে রাখা হয়েছিল এবং সেই নাম অপসারণ করাই নাকি ‘ইতিহাস সংশোধন’। বাস্তব সত্য সম্পূর্ণ ভিন্ন।
কলকাতার সোহরাওয়ার্দী এভিনিউ-এর নামকরণ করা হয়েছিল বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, চিকিৎসক, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বুদ্ধিজীবী এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য স্যার হাসান সোহরাওয়ার্দীর স্মৃতিতে। তিনি ১৯৩৪ থেকে ১৯৩৮ সাল পর্যন্ত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, তাঁর পরেই উপাচার্যের দায়িত্ব গ্রহণ করেন ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। শিক্ষা, চিকিৎসা ও জনজীবনে স্যার হাসান সোহরাওয়ার্দীর অবদান ইতিহাসে সুপ্রতিষ্ঠিত ও স্বীকৃত।
তাই প্রশ্ন উঠছে, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং উচ্চশিক্ষামন্ত্রী কি এই প্রাথমিক ঐতিহাসিক তথ্যটুকুও জানেন না? যদি না জেনে থাকেন, তাহলে তা তাঁদের অজ্ঞতার পরিচয়। আর যদি জেনেশুনেই এই প্রচার চালিয়ে থাকেন, তাহলে তা ইতিহাস সম্পর্কে সচেতন মিথ্যাচার ছাড়া আর কিছুই নয়।
আরও উদ্বেগের বিষয়, একজন শিক্ষাবিদ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্যের নামকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অন্য এক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের সঙ্গে গুলিয়ে দিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে। এটি কেবল তথ্যগত ভুল নয়; এটি ইতিহাসকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করার একটি বিপজ্জনক প্রবণতার বহিঃপ্রকাশ।
সবচেয়ে লজ্জাজনক বিষয় হল, এই অসত্য প্রচারের নেতৃত্ব দিচ্ছেন স্বয়ং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং উচ্চশিক্ষামন্ত্রী। যে রাজ্য একদিন বিদ্যাসাগর, রবীন্দ্রনাথ, জগদীশচন্দ্র বসু, মেঘনাদ সাহা এবং অসংখ্য মনীষীর জ্ঞানচর্চার ঐতিহ্য বহন করেছে, সেই রাজ্যের শাসকরা আজ ইতিহাস ও শিক্ষার প্রশ্নে এমন নির্লজ্জ তথ্যবিকৃতি করছেন—এটি সমগ্র বাংলার সাংস্কৃতিক পরম্পরার প্রতি অপমান।
আমরা মনে করি, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। ইতিহাসকে বিকৃত করে, মানুষকে বিভ্রান্ত করে এবং সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের উপাদান হিসেবে ব্যবহার করে রাজনৈতিক ফায়দা তোলার একটি বৃহত্তর প্রকল্পেরই অংশ। তথ্য, গবেষণা ও দলিলভিত্তিক ইতিহাসচর্চার বদলে আবেগ, বিদ্বেষ ও অর্ধসত্যকে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা চলছে।
আমরা কলকাতা পুরসভা ও রাজ্য সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি—
১. অবিলম্বে এই নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে হবে।
২. সোহরাওয়ার্দী এভিনিউ-এর প্রকৃত ইতিহাস এবং নামকরণের প্রেক্ষাপট জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে।
৩. মুখ্যমন্ত্রী, উচ্চশিক্ষামন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিভ্রান্তিকর ও অসত্য বক্তব্য প্রত্যাহার করতে হবে।
৪. ইতিহাসকে রাজনৈতিক প্রচারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।
আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, বাংলার মানুষ ইতিহাস বিকৃতি মেনে নেবে না। বাংলার ঐতিহ্য সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ, রাজনৈতিক প্রচার কিংবা শাসকের খেয়ালখুশির উপর প্রতিষ্ঠিত নয়; তা প্রতিষ্ঠিত সত্য, যুক্তি, শিক্ষা ও মানবতাবাদের উপর।
আজ প্রশ্ন কেবল একটি রাস্তার নামের নয়। প্রশ্ন হল— ইতিহাসের জায়গায় মিথ্যা, শিক্ষার জায়গায় অজ্ঞতা এবং সত্যের জায়গায় রাজনৈতিক প্রচারকে বসিয়ে দেওয়ার এই অপচেষ্টার বিরুদ্ধে আমরা কোথায় দাঁড়াব।
ইতিহাসের সংশোধন নয়, ইতিহাস বিকৃতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়াই আজকের প্রধান কর্তব্য।
@DibyenduDa21375 ফাঁকা ফ্ল্যাটে লেনিন বুঝবে না শ্যামা বুঝবে সেটা প্রত্যেকের ব্যক্তিগত ব্যাপার এবং এক্ষেত্রে ইতিহাস শ্যামা প্রসাদকে উগ্র রাজনীতিবিদ হিসেবেই মনে রাখে যেটা নেতাজির আদর্শ বিরোধী। তাই আমার দাবি ভরা কক্ষে ইতিহাস পড়ানো হোক।
@hutomp উনিজি ভাগ করেছেন, নেহেরুকে উনিজী বলেছিলেন, মেরে পেঁয়ারে জওহর বাংলা কো ভাগ করো ওর সাড়ে আরোপ ইয়া ইলজাম শ্যামা পে থোপ দো তা কি লোগ ৮০ সাল বাদ ইসকো লেকে চর্চা করে আর হাম দেশ বরবাদ কারনে মে লাগ জাউ।
@DibyenduDa21375 এ আবার নতুন কি, এ তো অনেক আগে থেকেই ছিল, শুধু implement করা হতো না বা কম implement করা হতো।
IPC 188, IPC 269
Railway র নিয়ম, station এর লেখা থাকে।
এবার ইমপ্লিমেন্ট হবে তো???
টুইট ১/৫:
আজকের রাজনীতিতে নেতাজি এবং ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়—উভয়কেই বাঙালি আইকন দেখানোর চেষ্টা চলে। কিন্তু ইতিহাস এই দুই চরিত্রের চরম আদর্শিক সংঘাতের কথা বলে। বাঙালি আসলে কার উত্তরাধিকার বহন করবে? একটি জরুরি থ্রেড। 👇🧵
#Netaji#WestBengalDay#History
@kakoligdastidar ১) মানুষের mandate ছিল বিজেপি বিরোধী হিসেবে। আপনি সেটাকে জেনেবুঝে ignore করছেন।
২) যদি national security নিয়ে এত চিন্তা, তাহলে আগে বলেননি কেনো?? তখন কেনো mp পদপ্রার্থী হয়েছিলেন??
You are a disgrace to political representation.
@swatiatrest এরা এত অলস যে transliteration আর translation এর পার্থক্যও দেখতে পায় না।
এর জন্য লোক নিয়োগ করা জরুরি, নাহলে এইরকম প্রত্যাবর্তন আর গমন করে যেতে হবে সারাক্ষণ।
টুইট ১/৫:
আজকের রাজনীতিতে নেতাজি এবং ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়—উভয়কেই বাঙালি আইকন দেখানোর চেষ্টা চলে। কিন্তু ইতিহাস এই দুই চরিত্রের চরম আদর্শিক সংঘাতের কথা বলে। বাঙালি আসলে কার উত্তরাধিকার বহন করবে? একটি জরুরি থ্রেড। 👇🧵
#Netaji#WestBengalDay#History
টুইট ১/৫:
আজকের রাজনীতিতে নেতাজি এবং ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়—উভয়কেই বাঙালি আইকন দেখানোর চেষ্টা চলে। কিন্তু ইতিহাস এই দুই চরিত্রের চরম আদর্শিক সংঘাতের কথা বলে। বাঙালি আসলে কার উত্তরাধিকার বহন করবে? একটি জরুরি থ্রেড। 👇🧵
#Netaji#WestBengalDay#History
টুইট ১/৫:
আজকের রাজনীতিতে নেতাজি এবং ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়—উভয়কেই বাঙালি আইকন দেখানোর চেষ্টা চলে। কিন্তু ইতিহাস এই দুই চরিত্রের চরম আদর্শিক সংঘাতের কথা বলে। বাঙালি আসলে কার উত্তরাধিকার বহন করবে? একটি জরুরি থ্রেড। 👇🧵
#Netaji#WestBengalDay#History
টুইট ৫/৫:
নেতাজির জাতীয়তাবাদ ছিল সম্পূর্ণ ধর্মনিরপেক্ষ, আর বর্তমান সরকারের আসল এজেন্ডা শ্যামাপ্রসাদের বিভাজনের রাজনীতি। বাঙালির ভোটব্যাঙ্ক টানতে নেতাজিকে কেবল 'পলিটিক্যাল টুল' হিসেবে ব্যবহার করার এই চক্রান্ত এবার বাঙালি সমর্থকদের বুঝতে হবে। (শেষ)
#Netaji#WestBengalDay#History
টুইট ৪/৫:
মুসলিম লীগের সাথে জোট: আজ যারা মুসলিম লীগকে দেশভাগের একক ভিলেন বানায়, তারা কি জানে ১৯৪১-৪২ সালে এই শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ই বাংলায় ফজলুল হক ও মুসলিম লীগের সাথে জোট সরকার গড়েছিলেন? ক্ষমতার জন্য এই সমঝোতা কি স্পষ্ট দ্বিচারিতা নয়?
#Netaji#WestBengalDay#History
টুইট ২/৫:
যুদ্ধ বনাম তোষণ: ১৯৪২ সালে নেতাজি যখন আজাদ হিন্দ ফৌজ (INA) নিয়ে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ লড়ছেন, তখন শ্যামাপ্রসাদ বাবুর হিন্দু মহাসভা ব্রিটিশদের সামরিক হাত শক্ত করতে ভারতীয় যুবকদের ব্রিটিশ আর্মিতে যোগ দেওয়ার প্রচার চালাচ্ছিল। এটা কি নেতাজির পিঠে ছুরি মারা ছিল না?
টুইট ১/৫:
আজকের রাজনীতিতে নেতাজি এবং ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়—উভয়কেই বাঙালি আইকন দেখানোর চেষ্টা চলে। কিন্তু ইতিহাস এই দুই চরিত্রের চরম আদর্শিক সংঘাতের কথা বলে। বাঙালি আসলে কার উত্তরাধিকার বহন করবে? একটি জরুরি থ্রেড। 👇🧵
#Netaji#WestBengalDay#History
জুবিনের মুখ কি এতটাই দৃশ্যদূষণ করছিল?"— প্রশ্ন জুবিনপত্নী গরিমা সইকিয়া গার্গের। আগামী ১ জুলাই তিন দিনের সফরে আসামের রাজধানী গুয়াহাটি আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সঙ্গে আসতে পারেন জাপানের প্রধানমন্ত্রীও। তাই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শহরের সব অপরিচ্ছন্নতাকে সৌন্দর্যের মলাট পরানো চলছে। সেই সঙ্গে রাজ্যের বিজেপি মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্ত নিয়েছে, গুয়াহাটি হবে 'পার্পল সিটি'। তাই সৌন্দর্যায়নের অংশ হিসেবে সব উড়ালপুলে বেগুনি রং করা হচ্ছে। সেই অভিযান চলাকালীনই জুবিনের প্রয়াণের পর গণেশগুড়ি উড়ালপুলের গায়ে আঁকা জুবিনের ছবিও মুছে দেওয়া হয়। ছবিটি এঁকেছিলেন শিল্পী মার্শাল বরুয়া। ক্যাপশনে লেখা ছিল, 'কমরেডস্ নেভার ডাই'। জুবিনের প্রয়াণের পর থেকে রাজ্য জুড়ে যে আবেগের বন্যা বইছে, ছবি মুছে দেওয়ার ঘটনায় জুবিন দার ভক্তরা রাস্তায় নেমেছেন। তাঁদের অভিযোগ, ছবির সঙ্গে "কমরেড অমর রহে" লেখা থাকার ফলেই ছবিটি মুছে দেওয়া হয়েছে। কারণ— ফ্যাসিস্ট শাসকরা তো ভয় পাবেই 'কমরেড' শব্দকে! সামাজিক মাধ্যমে এই ঘটনা দ্রুত প্রতিবাদ আন্দোলনের রূপ নেয়।
জনতার অনুরোধে ওই ছবি ফের আঁকার সিদ্ধান্ত নেন মার্শাল। কিন্তু পুলিশ তাঁকে ফোন করে নিষেধ করে দেয়। সেই নির্দেশ অমান্য করে মার্শাল গণেশগুড়ি উড়ালপুলের নিচে নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছে জুবিন অনুরাগী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে আলোচনা করার পর আবার রং-তুলি হাতে তুলে নেন। হাজারো জনতা রাস্তায়, সেতুর ওপর থেকে জুবিনের গানে গলা মেলান। অনেককে কাঁদতেও দেখা যায়। সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েন অনেকে। পরিস্থিতি আঁচ করে পুলিশ পিছু হটে। এটাই হয়তো বিদ্রোহী গায়ক জুবিন দার প্রতি তাঁর ভক্তদের অসাধারণ এক 'ট্রিবিউট'।
✍️ ময়ূখ বিশ্বাস।
ধরিত্রী গঙ্গোপাধ্যায় আর উমাপদ মজুমদার ব্রিটিশ জ্যাক পতাকাকে সেলাম না জানানোই বেতের আঘাত মারেন সর্বসমক্ষে শ্যামাবাবু।পরবর্তীতে ক্ষমা চাওয়ার শর্তে ছাত্ররা "ক্ষমা চাইব না আবার সেলামও করব না" সিদ্ধান্তে অনড় থাকাতে তাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করে