আজ ব্যারাকপুর স্বামী বিবেকানন্দ পুলিশ ট্রেনিং একাডেমি পরিদর্শন করেন মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারী। পরিশেষে প্রশিক্ষণরত পুলিশকর্মী ও আধিকারিকদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে অংশ গ্রহণ করেন।
#SwamiVivekanandaStatePoliceAcademy
Commendable job by our Law Enforcement personnel for the crackdown on Sand Mafia.
Following a precise operation based on source based information, Birbhum Police conducted a major raid under Mohammad Bazar PS targeting the hideout of illegal sand mafia Tullu Mondal alias Mohd Nazibuddin.
The operation has uncovered staggering amounts of illegally amassed wealth:
Cash Recovered So Far: ₹5.5 crore with counting still ongoing.
Gold Recovered: 15 kg
I deeply appreciate the @WBPolice DGP, SP @BirbhumPolice and the Birbhum District Police Personnel involved in this operation for their swift, professional and decisive action.
West Bengal Govt's ongoing drive against the corrupt will go on with 'Zero Tolerance Policy against Corruption' as our guiding principle.
Let it be unequivocally clear: no person with a chequered past who has amassed wealth through the exploitation of public resources and hobnobbing with the then ruling political party will be spared.
Public wealth belongs to the people, and those who loot it will face the full might of the law. Vigilance and uncompromising action will continue. Crackdown on mafia syndicates will go on.
নাবালিকাকে যৌন নির্যাতন: ১০ বছরের কারাবাস অপরাধীর
২০২৩ সালের ১৯ আগস্ট। ঘড়ির কাঁটা তখন সকাল সাড়ে এগারোটার দোরগোড়ায়। বাবা-মা কাজে চলে গেলে নিজের ঘরে একাই থাকত ১৫ বছরের মেয়েটি। সেই সুযোগে সেখানে হঠাৎ উপস্থিত হয় প্রতিবেশী সৌমেন বাগদি। চারপাশে কাউকে না থাকতে দেখে বিকৃত মানসিকতায় ভর করে সৌমেন নাবালিকা মেয়েটির উপর যৌন নির্যাতন চালায়। মেয়েটি চিৎকার করতেই আশপাশ থেকে প্রতিবেশীরা ছুটে আসলে সৌমেন দৌড়ে পালিয়ে যায়।
মামলা রুজু হয় দুবরাজপুর থানায়। মামলার তদন্তকারী অফিসার সাব-ইন্সপেক্টর অভিষেক ঘোষ অভিযুক্ত সৌমেন বাগদিকে গ্রেফতার করেন এবং পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে চার্জশীট জমা করেন।
বিচার শেষ হয়েছে সম্প্রতি। মহামান্য আদালত অভিযুক্তকে অর্থদণ্ডসহ দীর্ঘ ১০ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছেন।
@BirbhumPolice
I commend the swift, coordinated and resolute action of our Law Enforcement Agencies.
In a major breakthrough, last night @KolkataPolice STF, in coordination with the Purulia District Police, successfully intercepted a major interstate drug trafficking operation.
Acting on a tip-off, a truck was intercepted on NH-18 near the Belkuri Toll Plaza under Purulia Muffasil PS. A large quantity of contraband (ganja) was recovered from a specially concealed cavity behind the driver's seat. Two escort vehicles moving from Odisha towards Asansol alongside the truck was also intercepted and 7 individuals have been detained in total.
West Bengal Govt maintains a Zero-tolerance Policy towards illegal drug trafficking and any unlawful activities that threaten the safety and well-being of our Youth and Society.
I appreciate our Police Personnel for their relentless vigilance and dedication. We will continue to root out criminal networks with an iron fist.
@PuruliaPolice
ফ্লিমি কায়দায় তিস্তায় ঝাঁপ দিয়ে কিশোরের প্রাণ বাঁচালো ভিলেজ পুলিশ!
কোচবিহারের মেখলিগঞ্জ থানার অন্তর্গত নিজতরফ সেতুর কাছে তিস্তা নদীতে এক কিশোর (অর্ধ-অচেতন অবস্থায়) ভেসে যাচ্ছিল। মেখলিগঞ্জ থানার ভিলেজ পুলিশ কর্মী কমল বর্মন নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে তাকে উদ্ধার করেন। কমল বর্মনের এই সাহসিকতাকে কুর্নিশ জানাই। উদ্ধার হওয়া কিশোরকে তার আত্মীয়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
@CBR_Police
সাইবার-জালিয়াতির প্রচুর টাকা ফেরত প্রতারিত মানুষের কাছে।
সারা রাজ্য জুড়েই চলছে সাইবার-প্রতারকদের বিরুদ্ধে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের লাগাতার অভিযান। প্রায়ই প্রতারিত হচ্ছেন বহু মানুষ। কষ্টের টাকা জলে যাচ্ছে সাইবার-সতর্কতার অভাবে। জালিয়াতদের ফাঁদে পড়ে খোওয়া যাওয়া টাকা উদ্ধার করে প্রতারিত মানুষের কাছে সেই টাকা ফিরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়াও চলছে নিরন্তর। গত কয়েক দিনে প্রচুর টাকা এভাবেই রাজ্য পুলিশ ফিরিয়ে দিয়েছে প্রতারিতদের কাছে। ভাগ করে নিলাম, কিছু ছবি।
বিনীত অনুরোধ, সতর্ক থাকুন। অচেনা লিঙ্ক বা মেসেজে সাড়া দেবেন না। আপনার পরিশ্রমের টাকা যেন প্রতারকরা হাতিয়ে না নিতে পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকুন প্রতি মুহূর্তে।
#WBP #cybersecurity
নাবালিকাকে যৌন নির্যাতন: দোষীর ১০ বছরের কারাবাস
২০২০ সালের ২৬ জানুয়ারি। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পুলিশের তপন থানার ঘটনা। ভদ্রাইল (সাহাপুকুর) এলাকার বাসিন্দা ১৩ বছরের মেয়েটি সেদিন সন্ধ্যাবেলা প্রতিবেশী পরমেশ্বর বেসরার বাড়িতে টিভি দেখতে গিয়েছিল। বাড়িতে আর কোনো সদস্য না থাকার সুযোগ নিয়ে পরমেশ্বর মেয়েটির উপরে যৌন নির্যাতন চালায় এবং প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। আতঙ্কিত মেয়েটি সবটা তার মাকে জানায়।
বিষয়টি জানা মাত্রই তপন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন মেয়েটির মা। মামলার দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার সাব-ইন্সপেক্টর বৃতিসুন্দর সাহা তৎক্ষণাৎ তদন্তে নেমে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেন। এরপর সমস্ত তথ্যপ্রমাণ জোগাড় করে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দাখিল করেন চার্জশীট।
মামলার রায় ঘোষণা হয়েছে সদ্য। মহামান্য আদালত অভিযুক্ত পরমেশ্বর বেসরাকে দোষী সাব্যস্ত করে ১০,০০০/- টাকা অর্থদণ্ড সহ ১০ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন।
যদিও কোনও ক্ষতিপূরণই যথার্থ নয়, তবু, মহামান্য আদালত মানবিক দিক বিবেচনা করে নাবালিকার পরিবারের জন্য ৩ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দিয়েছেন।
@spdakshin
অফিস কর্মীকে পুড়িয়ে খুন : যাবজ্জীবন কারাদন্ডের নির্দেশ
দুর্গাপুর থানার অন্তর্গত কামালপুর, বেনাচিতি এলাকার ঘটনা। স্বামীর সঙ্গে সাংসারিক অশান্তি থেকে বাঁচতে আলাদা ঘর ভাড়া করে ছেলেকে নিয়ে থাকতেন বেসরকারি অফিসের কর্মরতা গীতা সিংহ সাহাস রায়। অফিসের মালিক সেলিম রহমান মণ্ডলের একটা সম্পর্ক গড়ে ওঠে গীতা দেবীর সঙ্গে। সেলিম বিভিন্ন অছিলায় গীতা দেবীকে শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার করতো এবং এটা দিন দিন সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে যাওয়ায় গীতা দেবী তাঁর ছেলের সুরক্ষার জন্য স্বামীর কাছে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এতে সেলিম চরম রেগে গিয়ে প্রথমে তাঁকে মারধর করে গায়ে কেরোসিন তেল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। স্থানীয় মানুষ গীতা দেবীকে গুরুতর অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করে। টানা ৩ দিন লড়াইয়ের পর চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে গীতা দেবীর মা শিবানী রায় চৌধুরী দুর্গাপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তৎক্ষণাৎ একটি মামলা রুজু হয় এবং তদন্তের ভার বর্তায় ওই থানার অফিসার সাব-ইন্সপেক্টর অলোক কুমার মন্ডলের উপর ( ইন্সপেক্টর ৺অলোক কুমার মন্ডল )। তিনি দ্রুত তদন্ত শুরু করে সমস্ত তথ্য প্রমাণ সংগ্রহ করে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেন এবং সব শেষে একটি সুদৃঢ় চার্জশীট জমা দেন।
সদ্য প্রকাশিত রায়ে মহামান্য আদালত অভিযুক্ত সেলিম রহমান মণ্ডলকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০,০০০ টাকা জরিমানার নির্দেশ দেন।
@Cpadpc
বন্ধুকে খুনের দায়ে যাবজ্জীবন সাজা ঘোষণা
সালটা ২০১৯। বর্ধমান থানার অরবিন্দপল্লীর ঘটনা। ৩০ সেপ্টেম্বর সকালে মানিক রায়কে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় পাড়ার বন্ধু বিশ্বনাথ রায় এবং সুরজিৎ ভাই। প্রায় দিন বিশ্বনাথের বাড়িতে বসত তাস এবং মদের আড্ডা। মানিকবাবুর মা এইসব একেবারেই পছন্দ করতেন না, তাই তাদের সাথে ছেলেকে যেতে দিতে চাইতেন না। সেদিনও অন্যথা হয়নি, বারবার বারণ করা সত্ত্বেও তারা দু'জনে এসে জোর করে মানিকবাবুকে ডেকে নিয়ে যায়।
দুপুরে মানিকবাবু বাড়ি না ফেরায় বিশ্বনাথের বাড়িতে গিয়ে জিজ্ঞেস করতে সে বলে মানিক সেখানে নেই। এরপর রাত ৯.৩০ নাগাদ মানিকবাবু বাড়ি না ফেরায় তাঁর মা আবার বিশ্বনাথের বাড়ি যান। সেখানে সুরজিৎ ও বিশ্বনাথের অস্বাভাবিক আচরণে সন্দেহ হওয়ায় তিনি বাড়ির পিছনের দরজা দিয়ে উঁকি দিতেই দেখেন মানিকবাবু মাটিতে লুটিয়ে পড়ে আছেন। তৎক্ষণাৎ প্রতিবেশীদের সহায়তায় মানিকবাবুকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
পরেরদিন অর্থাৎ ১ অক্টোবর মানিকবাবুর মা বর্ধমান থানাতে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এই লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে একটি মামলা রুজু হয়। তদন্তের দায়ভার পান ওই থানার তৎকালীন অফিসার সাব-ইন্সপেক্টর তপন কারফা (অবসরপ্রাপ্ত)। তিনি দ্রুত তদন্ত শুরু করলে জানা যায় অভিযুক্ত বিশ্বনাথ রায় এবং সুরজিৎ ভাই পূর্ব আক্রোশ বশত মানিকবাবুকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করে। দু'জন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত শেষে চার্জশীট জমা করেন।
সদ্য এই মামলার রায়ে মহামান্য আদালত এই ঘৃণ্য কাজের শাস্তিস্বরূপ অভিযুক্তদের জন্য ১০,০০০ টাকা জরিমানাসহ যাবজ্জীবন কারাদন্ডের নির্দেশ দিয়েছেন।
@BurdwanPolice
বৃদ্ধকে খুনের দায়ে যাবজ্জীবন সাজা ছেলে- নাতির
পূর্ব বর্ধমান জেলার বর্ধমান থানার অন্তর্গত সরাইটিকর আমতলা এলাকার ঘটনা। দত্ত পরিবারে দীর্ঘদিন ধরেই সম্পত্তি নিয়ে অশান্তি চলছিল। ৮৫ বছর বয়সের বৃদ্ধ শশাঙ্ক শেখর দত্ত-র প্রতি তাঁর ছেলে ফাল্গুনী দত্ত ও নাতি অনিরুদ্ধ দত্ত-র আচরণ ছিল অত্যন্ত অমানবিক। ফাল্গুনী নিজের স্ত্রীকে মারধর করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছিল এবং বৃদ্ধ বাবার ওষুধের খরচ ও দেখভালের দায়িত্ব এড়িয়ে চলত। শেষ বয়সে এসেও তাঁকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন সহ্য করতে হতো। সব মিলিয়ে ছেলে ও নাতির কাছে শশাঙ্ক বাবু বোঝা হয়ে উঠেছিলেন।
দিনটি ছিল ২৯ জুন, ২০২২। রাত তখন প্রায় ৯.১৫। ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করে শশাঙ্ক বাবুকে বেধড়ক মারধর করে ফাল্গুনী ও অনিরুদ্ধ। এই ঘটনা প্রতিবেশী এক নাবালকের কানে আসলে সে পাড়ার ক্লাবে খবর দেয়। সময় নষ্ট না করে প্রতিবেশীরা শশাঙ্ক বাবুর বাড়িতে গেলে ভেতর থেকে দরজা কেউ খুলতে চায় না, অবশেষে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকলে দেখা যায় বৃদ্ধ মাটিতে লুটিয়ে পড়ে আছেন, তাঁর মাথা ও কান দিয়ে রক্ত বেরোচ্ছে। প্রতিবেশীরা দ্রুত শশাঙ্ক বাবুকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিবেশী সুরজিৎ সূত্রধর বর্ধমান থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্তের দায়ভার বর্তায় ওই থানার অফিসার সাব-ইন্সপেক্টর শান্তনু চন্দ্রের উপর। তিনি দ্রুত তদন্ত শুরু করে অভিযুক্ত বাবা ও ছেলেকে গ্রেফতার করেন। সমস্ত তথ্য প্রমাণ সংগ্রহ করে আদালতে চার্জশীট জমা দেন।
সদ্য প্রকাশিত এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের রায়ে মহামান্য আদালত অভিযুক্ত ফাল্গুনী দত্ত এবং অনিরুদ্ধ দত্তকে দোষী সাব্যস্ত করে উভয়কেই যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ ১০,০০০ টাকা জরিমানার নির্দেশ দিয়েছেন।
@BurdwanPolice
ব্যক্তিগত আক্রোশের জেরে কুপিয়ে খুন: সাজা মৃত্যুদণ্ড
চুঁচুড়া থানার ঝিলপাড় এলাকার ঘটনা। স্থানীয় বাসিন্দা অজয় মণ্ডল পরকীয়ায় মত্ত হয়ে উঠেছিলেন প্রতিবেশী এক বিবাহিত মহিলার সঙ্গে। অনেকদিন ধরেই চলছিল তাদের এই অবৈধ সম্পর্ক, কিন্তু এই সম্পর্কের ইতি টেনে সবার সামনে পর্দা ফাঁস করে দেন স্থানীয় দুই বাসিন্দা অতনু সরকার এবং সুরজিৎ মাল। আর ঠিক এখান থেকেই অজয়ের মনে প্রতিশোধের আগুন জ্বলতে থাকে।
২০১৯ সালের ১১ জুলাই, অজয় মণ্ডল পরিকল্পিতভাবে অতনু সরকারের ওপর চপার নিয়ে হামলা চালায়। অতনুবাবুকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে সুরজিৎ মালের ওপরও প্রাণঘাতী আক্রমণ করে, ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত। স্থানীয় লোকজন গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করে দুজনকে। দীর্ঘ লড়াইয়ের পর সুরজিৎ মাল সুস্থ হয়ে উঠলেও, শেষ পর্যন্ত অতনু সরকারের মৃত্যু হয়।
এই ঘটনার পরের দিন অর্থাৎ ১২ জুলাই অভিযুক্ত অজয় মণ্ডল চুঁচুড়া থানাতে আত্মসমর্পণ করে। এই মামলার তৎকালীন তদন্তকারী অফিসার সাব-ইন্সপেক্টর রজত সিংহ পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে সমস্ত তথ্য প্রমাণ সংগ্রহ করে আদালতে নিখুঁত চার্জশীট জমা করেন।
সম্প্রতি এই নৃশংস হত্যার বিচার শেষে প্রকাশিত রায়ে মহামান্য আদালত অভিযুক্ত অজয় মণ্ডলকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন।
@ChandannagarPC
শ্বাসরোধ করে খুন: যাবজ্জীবন কারাবাসে জামাই
২০২৩ সালের ২১ আগস্ট। টামনা থানার নাথুডি পাড়ার ঘটনা। দীর্ঘদিন ধরেই চলছিল সম্পত্তি নিয়ে পারিবারিক বিবাদ। ৭০ বছরের বয়স্কা বিধবা মহিলা গীতা রায়। তিন মেয়ের বিয়ে দিয়ে তিনি একাই বাস করতেন স্বামীর ভিটে-বাড়িতে। বড় এবং ছোট মেয়ে থাকতেন অন্য শহরে, বাড়ির কাছাকাছি থাকতেন মেজো মেয়ে জয়শ্রী বিশ্বাস। মেজজামাই জনাথন বিশ্বাসের লোভ ছিল গীতা দেবীর সম্পত্তির উপর। সম্পত্তি বিক্রি করে দেওয়ার কথা প্রায়ই বলতো জামাই। কিন্তু গীতাদেবী কোন মতেই রাজি হতেন না। আর এই ঘটনা থেকেই ঝামেলার সূত্রপাত। সেদিন রাত ৯ টা নাগাদ দু'জনের মধ্যে বচসা শুরু হলে জনাথন বিশ্বাস গীতাদেবীকে মুখে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করে। তারপর পরিস্থিতি সামাল দিতে পরিবারের বাকি সদস্যের সঙ্গে অভিযুক্ত জনাথন বিশ্বাস গীতাদেবীকে নিয়ে হাসপাতালে পৌঁছয়, কিন্তু সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করে।
এই পর্যন্ত সবটা স্বাভাবিক হলেও, ঘটনার মোড় ঘুরে যায় পোস্টমর্টেম রিপোর্ট আসার পর। রিপোর্টে পরিষ্কার বলা হয়, গীতা দেবীকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে।
উক্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে ২৫ আগস্ট মৃতা গীতা রায়ের ছোট মেয়ে পূজা মুখোপাধ্যায়ের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে টামনা থানায় একটি মামলা রুজু হয়। ওই থানার অফিসার সাব-ইন্সপেক্টর তাপস কুমার মিশ্র তদন্তে নেমে শীঘ্রই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে জমা করেন চার্জশীট।
সদ্য এই মামলার রায় বেরিয়েছে। এই ঘৃণ্য কাজের জন্য মহামান্য আদালত অভিযুক্তকে অর্থদণ্ডসহ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন।
@PuruliaPolice
জমি বিবাদের জেরে খুনের চেষ্টা: অভিযুক্তের ৭ বছরের কারাদণ্ড
জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিবাদ চলছিল পাণ্ডুয়ার হদ্দেপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বাপ্পা রায় এবং দেবু রায়ের মধ্যে। দীর্ঘদিনের সেই বিবাদ একদিন চরম পরিণতিতে পৌঁছয়।
বছর চারেক আগের ঘটনা। ২০২২ সালের ১৬ নভেম্বর সকাল ৯টা নাগাদ বাপ্পা রায় দেবু রায়কে লক্ষ্য করে প্রাণঘাতী হামলা চালায়। প্রথমে সে একটি লোহার শাবল দিয়ে দেবু রায়ের কোমরে আঘাত করে। এরপর একটি কাটারি দিয়ে দেবু বাবুকে খুন করার উদ্দেশ্যে তাঁর মাথায় আঘাত করলে তিনি গুরুতর রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরিস্থিতি জটিল বুঝে অভিযুক্ত বাপ্পা রায় ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। প্রতিবেশীদের সহায়তায় জখম অবস্থায় দেবু রায়কে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।
ওই দিনেই আহতের স্ত্রী বাসন্তী রায়ের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পাণ্ডুয়া থানায় একটি মামলা রুজু হয়। তদন্তকারী অফিসার সাব-ইন্সপেক্টর সৌমিত্র তা-র তত্ত্বাবধানে দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশীট জমা দেওয়া হয়।
সম্প্রতি মহামান্য আদালত অভিযুক্ত বাপ্পা রায়কে দোষী সাব্যস্ত করে ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০,০০০ টাকা অর্থদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন।
@HglyRuralPolice
খুনের চেষ্টা — ৯ বছরের কারাদণ্ড অভিযুক্তের
১০ মে ২০২৫। আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের অন্তর্গত আসানসোল (উত্তর) থানার মৌজুরীর দীনেশ পল্লীর ঘটনা।
আফরিন খাতুন এবং রেলপাড়ার বাসিন্দা শেখ মোহাম্মদ আলি ওরফে ফারহানের মধ্যে একটা বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিল। তবে এই বন্ধুত্বটা মেনে নিতে পারছিলনা আফরিনের সৎ বাবা মোহাম্মদ ওয়াহিদ ওরফে গোলি। সেদিন সন্ধ্যে বেলায় আলি যখন আফরিনের পাড়ায় বসে আফরিনের সঙ্গে গল্প করছিল তখন হঠাৎ পিছন থেকে মোহাম্মদ ওয়াহিদ আলির ঘাড়ে ধারালো ব্লেড চালিয়ে দেয়, তাঁকে খুনের চেষ্টা করে। যদিও সে ব্যর্থ হয়। আলির আর্তনাদে সেখান থেকে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত। গুরুতর জখম অবস্থায় আলিকে হাসপাতালে নিয়ে যায় আফরিন।
এই ঘটনার রাতেই আলির বাবা মোহাম্মদ জাফরের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আসানসোল (উত্তর) থানায় একটি মামলা দায়ের হয়। তদন্তের দায়ভার এসে পড়ে ওই থানার অফিসার সাব-ইন্সপেক্টর রঞ্জিত মান্নার উপর। তদন্তে নেমে তিনি সমস্ত তথ্য প্রমাণ সংগ্রহ করে অভিযুক্তকে সেই রাতেই গ্রেফতার করেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই চার্জশীট জমা করেন।
সদ্য প্রকাশিত মামলার রায়ে মহামান্য আদালত অভিযুক্ত মোহাম্মদ ওয়াহিদ ওরফে গোলিকে ৯ বছর কারাদণ্ডসহ অর্থদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন।
@Cpadpc
পুরনো শত্রুতার জেরে খুন— অভিযুক্তের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
হুগলি গ্রামীণ জেলার পাণ্ডুয়া থানার ঘটনা। ১৩ জানুয়ারি, ঘড়ির কাঁটায় তখন রাত ১১:১৫। শ্রীপালা গ্রামের বাসিন্দা সোম মান্ডি তখন বাড়ির পথে ফিরছিলেন। রাস্তায় তাঁকে একা পেয়ে কালিসন্ডা গ্রামের বাসিন্দা মেঘনাথ বাস্কে তাঁর পথ আটকায়। শুরু হয় বচসা। পুরনো শত্রুতার জেরে শুরু হওয়া সেই বচসা ক্রমশ মারামারির রূপ নেয়। অভিযুক্ত মেঘনাথ বাস্কে সোম মান্ডিকে বেধড়ক মারধর করে গুরুতর জখম অবস্থায় ফেলে রেখে সেখান থেকে চম্পট দেয়। স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে দ্রুত গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে সেখানেই মৃত বলে ঘোষণা করেন।
এই ঘটনার পরদিন মৃত সোম মান্ডির স্ত্রী সাধনী মান্ডির লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পাণ্ডুয়া থানায় একটি মামলা দায়ের হয়। তদন্তের দায়িত্ব পান ওই থানার সাব-ইন্সপেক্টর আবিদ হাসান। তদন্তে নেমে তিনি সমস্ত তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই চার্জশিট আদালতে দাখিল করেন।
সদ্য প্রকাশিত মামলার রায়ে মহামান্য আদালত অভিযুক্তকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ ১০,০০০ টাকা জরিমানার নির্দেশ দিয়েছেন।
@HglyRuralPolice