শ্বাসরোধ করে খুন: যাবজ্জীবন কারাবাসে জামাই
২০২৩ সালের ২১ আগস্ট। টামনা থানার নাথুডি পাড়ার ঘটনা। দীর্ঘদিন ধরেই চলছিল সম্পত্তি নিয়ে পারিবারিক বিবাদ। ৭০ বছরের বয়স্কা বিধবা মহিলা গীতা রায়। তিন মেয়ের বিয়ে দিয়ে তিনি একাই বাস করতেন স্বামীর ভিটে-বাড়িতে। বড় এবং ছোট মেয়ে থাকতেন অন্য শহরে, বাড়ির কাছাকাছি থাকতেন মেজো মেয়ে জয়শ্রী বিশ্বাস। মেজজামাই জনাথন বিশ্বাসের লোভ ছিল গীতা দেবীর সম্পত্তির উপর। সম্পত্তি বিক্রি করে দেওয়ার কথা প্রায়ই বলতো জামাই। কিন্তু গীতাদেবী কোন মতেই রাজি হতেন না। আর এই ঘটনা থেকেই ঝামেলার সূত্রপাত। সেদিন রাত ৯ টা নাগাদ দু'জনের মধ্যে বচসা শুরু হলে জনাথন বিশ্বাস গীতাদেবীকে মুখে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করে। তারপর পরিস্থিতি সামাল দিতে পরিবারের বাকি সদস্যের সঙ্গে অভিযুক্ত জনাথন বিশ্বাস গীতাদেবীকে নিয়ে হাসপাতালে পৌঁছয়, কিন্তু সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করে।
এই পর্যন্ত সবটা স্বাভাবিক হলেও, ঘটনার মোড় ঘুরে যায় পোস্টমর্টেম রিপোর্ট আসার পর। রিপোর্টে পরিষ্কার বলা হয়, গীতা দেবীকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে।
উক্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে ২৫ আগস্ট মৃতা গীতা রায়ের ছোট মেয়ে পূজা মুখোপাধ্যায়ের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে টামনা থানায় একটি মামলা রুজু হয়। ওই থানার অফিসার সাব-ইন্সপেক্টর তাপস কুমার মিশ্র তদন্তে নেমে শীঘ্রই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে জমা করেন চার্জশীট।
সদ্য এই মামলার রায় বেরিয়েছে। এই ঘৃণ্য কাজের জন্য মহামান্য আদালত অভিযুক্তকে অর্থদণ্ডসহ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন।
@PuruliaPolice
জমি বিবাদের জেরে খুনের চেষ্টা: অভিযুক্তের ৭ বছরের কারাদণ্ড
জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিবাদ চলছিল পাণ্ডুয়ার হদ্দেপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বাপ্পা রায় এবং দেবু রায়ের মধ্যে। দীর্ঘদিনের সেই বিবাদ একদিন চরম পরিণতিতে পৌঁছয়।
বছর চারেক আগের ঘটনা। ২০২২ সালের ১৬ নভেম্বর সকাল ৯টা নাগাদ বাপ্পা রায় দেবু রায়কে লক্ষ্য করে প্রাণঘাতী হামলা চালায়। প্রথমে সে একটি লোহার শাবল দিয়ে দেবু রায়ের কোমরে আঘাত করে। এরপর একটি কাটারি দিয়ে দেবু বাবুকে খুন করার উদ্দেশ্যে তাঁর মাথায় আঘাত করলে তিনি গুরুতর রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরিস্থিতি জটিল বুঝে অভিযুক্ত বাপ্পা রায় ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। প্রতিবেশীদের সহায়তায় জখম অবস্থায় দেবু রায়কে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।
ওই দিনেই আহতের স্ত্রী বাসন্তী রায়ের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পাণ্ডুয়া থানায় একটি মামলা রুজু হয়। তদন্তকারী অফিসার সাব-ইন্সপেক্টর সৌমিত্র তা-র তত্ত্বাবধানে দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশীট জমা দেওয়া হয়।
সম্প্রতি মহামান্য আদালত অভিযুক্ত বাপ্পা রায়কে দোষী সাব্যস্ত করে ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০,০০০ টাকা অর্থদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন।
@HglyRuralPolice
খুনের চেষ্টা — ৯ বছরের কারাদণ্ড অভিযুক্তের
১০ মে ২০২৫। আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের অন্তর্গত আসানসোল (উত্তর) থানার মৌজুরীর দীনেশ পল্লীর ঘটনা।
আফরিন খাতুন এবং রেলপাড়ার বাসিন্দা শেখ মোহাম্মদ আলি ওরফে ফারহানের মধ্যে একটা বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিল। তবে এই বন্ধুত্বটা মেনে নিতে পারছিলনা আফরিনের সৎ বাবা মোহাম্মদ ওয়াহিদ ওরফে গোলি। সেদিন সন্ধ্যে বেলায় আলি যখন আফরিনের পাড়ায় বসে আফরিনের সঙ্গে গল্প করছিল তখন হঠাৎ পিছন থেকে মোহাম্মদ ওয়াহিদ আলির ঘাড়ে ধারালো ব্লেড চালিয়ে দেয়, তাঁকে খুনের চেষ্টা করে। যদিও সে ব্যর্থ হয়। আলির আর্তনাদে সেখান থেকে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত। গুরুতর জখম অবস্থায় আলিকে হাসপাতালে নিয়ে যায় আফরিন।
এই ঘটনার রাতেই আলির বাবা মোহাম্মদ জাফরের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আসানসোল (উত্তর) থানায় একটি মামলা দায়ের হয়। তদন্তের দায়ভার এসে পড়ে ওই থানার অফিসার সাব-ইন্সপেক্টর রঞ্জিত মান্নার উপর। তদন্তে নেমে তিনি সমস্ত তথ্য প্রমাণ সংগ্রহ করে অভিযুক্তকে সেই রাতেই গ্রেফতার করেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই চার্জশীট জমা করেন।
সদ্য প্রকাশিত মামলার রায়ে মহামান্য আদালত অভিযুক্ত মোহাম্মদ ওয়াহিদ ওরফে গোলিকে ৯ বছর কারাদণ্ডসহ অর্থদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন।
@Cpadpc
পুরনো শত্রুতার জেরে খুন— অভিযুক্তের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
হুগলি গ্রামীণ জেলার পাণ্ডুয়া থানার ঘটনা। ১৩ জানুয়ারি, ঘড়ির কাঁটায় তখন রাত ১১:১৫। শ্রীপালা গ্রামের বাসিন্দা সোম মান্ডি তখন বাড়ির পথে ফিরছিলেন। রাস্তায় তাঁকে একা পেয়ে কালিসন্ডা গ্রামের বাসিন্দা মেঘনাথ বাস্কে তাঁর পথ আটকায়। শুরু হয় বচসা। পুরনো শত্রুতার জেরে শুরু হওয়া সেই বচসা ক্রমশ মারামারির রূপ নেয়। অভিযুক্ত মেঘনাথ বাস্কে সোম মান্ডিকে বেধড়ক মারধর করে গুরুতর জখম অবস্থায় ফেলে রেখে সেখান থেকে চম্পট দেয়। স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে দ্রুত গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে সেখানেই মৃত বলে ঘোষণা করেন।
এই ঘটনার পরদিন মৃত সোম মান্ডির স্ত্রী সাধনী মান্ডির লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পাণ্ডুয়া থানায় একটি মামলা দায়ের হয়। তদন্তের দায়িত্ব পান ওই থানার সাব-ইন্সপেক্টর আবিদ হাসান। তদন্তে নেমে তিনি সমস্ত তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই চার্জশিট আদালতে দাখিল করেন।
সদ্য প্রকাশিত মামলার রায়ে মহামান্য আদালত অভিযুক্তকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ ১০,০০০ টাকা জরিমানার নির্দেশ দিয়েছেন।
@HglyRuralPolice
🚨 CYBER SAFETY ADVISORY: Beware of Call Forwarding Scams 🚨
Fraudsters may impersonate banks, telecom companies, or government officials and ask you to dial a code or enable call forwarding on your phone.
⚠️ Do NOT do it. Call forwarding can redirect your incoming calls, including OTP and verification calls, to scammers, putting your accounts at risk.
Remember: 🔹 Never enable call forwarding on the instructions of an unknown caller. 🔹 Never share OTPs, PINs, passwords, or banking details. 🔹 Verify such requests only through the official customer care of your bank or telecom service provider.
Be Alert. Stay Safe. Report Cyber Fraud Immediately.
#CyberSafety #CyberAwareness #StopCyberFraud #StayAlert #CallForwardingScam
আগুনে পুড়িয়ে গৃহবধূকে খুন: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড শ্বশুরবাড়ির দুই সদস্যের
হুগলি গ্রামীণ জেলার মগরা থানার বাসিন্দা বিনীত কোনাই বিয়ে করেন মধুমিতা সোলাঙ্কিকে। ঘটনার সূত্রপাত ৩০ নভেম্বর, ২০২০ সালে। বিয়েতে যথাসাধ্য পণ ও নগদ টাকা দিয়ে মেয়েকে বিদায় দেন অসহায় বাবা। তবুও সংসার শুরুর কিছুদিনের মধ্যেই মধুমিতার উপর শুরু হয় মানসিক ও শারীরিক অত্যাচার। স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের দাবি ছিল, বাপের বাড়ি থেকে এনে দিতে হবে আরও অনেক টাকা। সেই অতিরিক্ত দাবি পূরণ না হলেই চলত মারধর, অত্যাচার ও অশান্তি।
দিনটি ছিল ২৭ মে, ২০২২। প্রায় প্রতিদিনের মতো সেদিনও ঝামেলা শুরু হয়। অশান্তি বাড়তে বাড়তে একসময় চরমে পৌঁছয়। ঝামেলা চলাকালীন মধুমিতার গায়ে কেরোসিন তেল ঢেলে দেয় স্বামী বিনীত কোনাই এবং সঙ্গে সঙ্গে শ্বশুর বিশ্বনাথ কোনাই দেশলাই জ্বালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন মধুমিতাকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলে মধুমিতা তাঁর বয়ানে ঘটনার বিস্তারিত জানান। কিন্তু চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১১ জুলাই, কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।
এই নৃশংস হত্যার বিচার চেয়ে মধুমিতার পরিবার মগরা থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী তৎকালীন সাব-ইন্সপেক্টর কৌশিক দত্ত দুই অভিযুক্ত—বিনীত কোনাই ও বিশ্বনাথ কোনাইকে গ্রেফতার করেন এবং পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট জমা দেন।
সম্প্রতি প্রকাশিত রায়ে মহামান্য আদালত দুই অভিযুক্তকেই ১০,০০০ টাকা জরিমানাসহ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছেন।
@HglyRuralPolice
হারানো ফোন ফিরে পাওয়া
চুরি যাওয়া বা হারিয়ে ফেলা মোবাইল ফোন উদ্ধারের বিষয়ে রাজ্যের বিভিন্ন জেলার থানার পুলিশ কর্মীরা, গোয়েন্দা দফতর এবং সাইবার থানাগুলি সক্রিয় থাকে বছরভর। সব ফোন যে উদ্ধার করে ফিরিয়ে দিতে পারি, এমন নয়। কিন্তু চেষ্টা থাকে আন্তরিক। ফলও মেলে পরিশ্রমের। উদ্ধার করতে পারলে ফোনের মালিককে ফোন ফিরিয়ে দিই আমরা যত দ্রুত সম্ভব। গত কয়েক দিনে উদ্ধার হয়েছে প্রচুর হারিয়ে যাওয়া ফোন। যা তুলে দেওয়া হয়েছে ফোনের মালিকদের হাতে। রইল তার কিছু মূহুর্তের ছবি।
নাবালিকাকে যৌন নিগ্রহ — ৩ বছরের কারাদণ্ড গৃহশিক্ষকের
সালটা ২০১৮। ধনিয়াখালী থানার মুইদিপুর এলাকা। নাবালিকা মেয়েটি তখন দশম শ্রেনীর ছাত্রী। ৭ জুন সকালে সে টিউশন পড়তে যায় তনয় সিংহ নামের এক গৃহশিক্ষকের কাছে। পড়া শেষে সবার ছুটি হলেও ওই নাবালিকাকে ইচ্ছাকৃতভাবে আটকে রাখে ওই মাস্টারমশাই। মেয়েটি ইতস্তত বোধ করে এবং আটকে রাখার কারণ জিজ্ঞাসা করতেই নাবালিকার উপর চড়াও হয়ে সে তার শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। মেয়েটি কোনোরকমে সেখান থেকে পালিয়ে বাড়িতে এসে সবটা জানায়।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ১১ জুন ধনিয়াখালী থানায় অভিযোগ জানায় মেয়েটির বাবা মানিক ওরাং। নির্দিষ্ট ধারায় একটি মামলা রুজু হলে তদন্তের ভার গিয়ে পড়ে ওই থানার কর্মরত অফিসার সাব-ইন্সপেক্টর স্বর্ণেন্দু রায়ের উপর, যিনি অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত শেষে চার্জশীট জমা করেন।
সদ্য এই মামলার রায়ে মহামান্য আদালত এই ঘৃণ্য কাজের শাস্তিস্বরূপ অভিযুক্তের জন্য ২০,০০০ টাকা জরিমানাসহ ৩ বছরের কারাদণ্ড ধার্য করেন।
@HglyRuralPolice
নাবালিকাকে যৌন নির্যাতন: দীর্ঘ ২২ বছরের কারাবাস অপরাধীর
২০২০ সালের ১ আগস্ট। নিউ জলপাইগুড়ি এলাকার শ্রীনগর কলোনির ঘটনা। দুপুর গড়িয়ে প্রায় বিকেল তখন। অভিমান মন্ডল নামক এক ব্যক্তি, স্ত্রী এবং ছেলেকে নিয়ে পাড়ার এক দোকানে গিয়েছিলেন। বাড়িতে তখন একাই ছিল তাঁর ১৫ বছরের মেয়েটি।
প্রতিবেশী বৈদ্য চক্রবর্তী জল খাওয়ার নাম করে হঠাৎই মেয়েটির কাছে আসে এবং চারপাশে কেউ না থাকার সুযোগে জোর করে যৌন নির্যাতন চালায় তার উপর। এরপর মেয়েটি যাতে কাউকে কিছু না জানায় তাই হুমকি দিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। চিৎকার শুনে মেয়েটির মা ছুটে এসে দেখে মেয়ে নগ্ন অবস্থায় পড়ে আছে।
এই ঘটনার পর মেয়েটির বাবা অভিমান মন্ডল নিউ জলপাইগুড়ি থানায় একটি মামলা রুজু করেন। মামলার দায়ভার গ্রহণ করেন ওই থানার অফিসার সাব-ইন্সপেক্টর পরেশ বর্মন। তিনি দ্রুত তদন্ত চালিয়ে অভিযুক্ত বৈদ্য চক্রবর্তীকে গ্রেফতার করেন এবং পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে চার্জশীট জমা করেন।
বিচার শেষ হয়েছে সম্প্রতি। মহামান্য আদালত নাবালিকাকে যৌন নির্যাতনের মতো এহেন ঘৃণ্য কাজের জন্য অভিযুক্তকে ২০,০০০/- টাকা জরিমানাসহ দীর্ঘ ২২ বছরের কারাবাসে দণ্ডিত করেছেন।
@SiliguriPolice
Justice for Tamanna is our priority and we are delivering on our promise.
I express satisfaction and appreciate the Krishnanagar District Police Personnel for their prompt and lawful action in this case.
Following my meeting with Tamanna’s grieving Mother, the Police have acted swiftly to ensure the culprits face the full force of the law.
I am pleased to inform the People of West Bengal that almost all of the FIR-named accused have now been arrested. In the last few days, our Forces while relentlessly pursuing leads across State Lines to places like Gurgaon and Nagpur have apprehended 12 more individuals:-
* Jiarul Sk
* Sabir Sk
* Fakar Sk @ Ismile Sk
* Hafizul Sk
* Minarul Sk
* Anisur Sk
* Milan Sk
* Rajabul Sk
* Jakat Dk
* Sahibul Sk
* Amirul Sk
* Rakibul Sk
This swift action sends a clear message. Unlike the times of the previous regime, where culprits were distinguished by their political affiliations and Police action was heavily influenced by the political identity of the victims, our Government operates differently.
We have taken a strong, unyielding resolve to establish the "Rule of Law" and completely abolish the dark era where the "Law of the Ruler" prevailed.
A crime is a crime and action will be taken impartially, promptly & without any fear or favor, irrespective of the victim's or accused person's identity.
@WBPolice@KrishnanagarPD
প্রতিবেশী মহিলার ওপর অ্যাসিড হামলা — অভিযুক্তের ১০ বছরের কারাদণ্ড
সাজেদা বিবি, আফসারুল শেখের স্ত্রী। তাঁকে দীর্ঘদিন ধরে উত্যক্ত করে আসছিল প্রতিবেশী সামসাদ শেখ। প্রতিনিয়ত তার কুপ্রস্তাব ও বিভিন্ন কুরুচিকর ইঙ্গিতে একপ্রকার অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে সাজেদা বিবির জীবন। প্রতিবেশীর সঙ্গে শুরু হয় নিত্যদিনের ঝামেলা। বীরভূমের নলহাটী থানার আমাইপুর গ্রামের ঘটনা।
২০১৭ সালের নভেম্বর মাস তখন। কোনওভাবেই সাজেদাকে বাগে আনতে না পেরে ততদিনে প্রতিশোধের আগুন জ্বলে উঠেছে সামসাদের মনে। ঘটনার দিন বাজার থেকে ফেরার পথে আগে থেকেই ওঁত পেতে থাকা সামসাদ সাজেদা বিবির পিছু নেয়। সুযোগ বুঝে আচমকা সে সিরিঞ্জের মাধ্যমে সাজেদার দিকে অ্যাসিড ছুড়ে মারে। সাজেদা কোনওভাবে মুখ বাঁচিয়ে নেন, কিন্তু অ্যাসিড ছড়িয়ে পড়ে তাঁর ডান হাত ও পেটে। যন্ত্রণায় চিৎকার করতে থাকেন তিনি। বিপদ বুঝে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত।
এই ঘটনায় মামলা দায়ের হয় উপরোক্ত থানায়। সাব-ইন্সপেক্টর বিপ্লব মুখার্জীর তদন্তে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয় এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই চার্জশীট জমা পড়ে।
সদ্য প্রকাশিত মামলার রায়ে মহামান্য আদালত অভিযুক্তকে ২৫,০০০ টাকা জরিমানাসহ ১০ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন।
@BirbhumPolice
🚨 CYBER SAFETY ALERT | Beware of the "Boss Scam"
Have you received an urgent message or call from someone claiming to be your CEO, Director, or Senior Officer asking for an immediate payment or confidential information?
Pause. Verify. Protect.
Cyber criminals are increasingly using a social engineering technique known as the "Boss Scam", where they impersonate senior executives or business owners to pressure employees into transferring money or sharing sensitive information. These requests often appear genuine and create a false sense of urgency.
Stay Safe:
Always verify such requests through a direct phone call or an official communication channel.
Carefully check the sender's email address, phone number, or messaging account.
Never bypass your organisation's financial approval or verification process.
A few minutes spent verifying a request can prevent significant financial losses.
Think Before You Transfer. Verify Before You Trust.
In case of cyber fraud, immediately call 1930 or report it at the National Cyber Crime Reporting Portal.
জমি বিবাদের জেরে খুন: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দুই প্রতিবেশীর
জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিবাদ চলছিল সিঙ্গুরের শৈলেন্দ্রনাথ পাকিরা এবং তাঁর দুই প্রতিবেশী জয়দেব পাকিরা ও লক্ষণ পাকিরার পরিবারের মধ্যে। কিন্তু দীর্ঘদিনের সেই বিবাদ একদিন চরম পরিণতিতে পৌঁছয়।
বছর দু'য়েক আগের ঘটনা। ২০২৪ সালের ১৭ এপ্রিল সকালে শৈলেন্দ্রনাথ পাকিরা তাঁর ছেলে জয়ন্ত কুমার পাকিরার সঙ্গে বাজারে যাচ্ছিলেন। তাঁরা টের পাননি, তাঁদের পিছু নিয়েছে প্রতিবেশী দুই ভাই—জয়দেব পাকিরা ও লক্ষণ পাকিরা। জয়ন্ত যখন তাঁর বাবার থেকে কিছুটা এগিয়ে যান, ঠিক সেই সুযোগে দুই ভাই শৈলেন্দ্রনাথবাবুকে একা পেয়ে পিছন থেকে জাপটে ধরে গাছের মোটা ডাল দিয়ে তাঁর মাথায় একের পর এক আঘাত করতে থাকে। বাবার চিৎকার শুনে জয়ন্ত যখন ছুটে আসে, ততক্ষণে সব শেষ!
রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন শৈলেন্দ্রনাথ। বিপদ বুঝে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় দুই অভিযুক্ত। জয়ন্ত প্রতিবেশীদের সহায়তায় বাবাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
অভিযোগ পাওয়া মাত্রই সিঙ্গুর থানায় মামলা রুজু হয়। সাব-ইন্সপেক্টর সুকান্ত মণ্ডলের তত্ত্বাবধানে দ্রুত গ্রেফতার করা হয় দুই অভিযুক্তকে। পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশীট জমা পড়ে।
সম্প্রতি মহামান্য আদালত দুই অভিযুক্ত—জয়দেব পাকিরা ও লক্ষণ পাকিরাকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ ১০,০০০ টাকা অর্থদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন।
@HglyRuralPolice