সেই সময় চট্টগ্রামে র্যাবের সিইও ছিলেন #কর্নেল_এমদাদ এবং কিলিং অপারেশন এর প্রধান ছিলেন #কর্নেল_হাসিনুর_রহমান — যিনি এখন মানবাধিকার নিয়ে মিডিয়ায় বড় বড় কথা বলেন।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, #বিএনপি_জামায়াত জোট সরকারের আমলে ২০০৪ সালের ২৪ জুন থেকে ২০০৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে #ক্রসফায়ারে নিহত হয় #৭৩৮জন। এর মধ্যে #চট্টগ্রাম বিভাগেই সর্বোচ্চ ২৩৬ জনকে ক্রসফায়ারে হত্যা করা হয়।
কমেন্ট চেক।
সোনা বাহিনীর বক্তব্য হলো, তারা আত্মরক্ষার্থে গুলি করেছে। তাহলে আত্মরক্ষার্থে কেন ওপেন গুলি করতে হবে? মানলাম আত্মরক্ষার্থে ওপেন গ���লি করল, কিন্তু একটা মরা মানুষের গলায় পা দিয়ে টিপে ধরছে কি আত্মরক্ষা করার জন্য?
এই জবাব কেমনে দিবে সোনা বাহিনী?
@bbcbangla @CNNPolitics @albd1971 @ANI