জামায়াত-শিবির কেন মোনাফেক এবং ঐতিহাসিকভাবে একটি গুপ্ত সংগঠন—জানুন!
জেনে নিন, কে ছিলেন জঙ্গিবাদী নেতা ‘কথিত শহীদ’ আব্দুল মালেক এবং ইসলামী ছাত্রসংঘের সঙ্গে ছাত্রশিবিরের ঐতিহাসিক সম্পর্ক কী।
People are being attacked and killed simply for their political beliefs. When they cannot be found, their innocent families are paid a violent price.
A mother, who rushed forward to protect her son from a mob of BNP and Chhatra Dal activists, ended up dead. Why? In the unyielding landscape of modern Bangladesh, the answer is as simple as it is terrifying: her thirty-two-year-old son, SM Imran, had committed the unpardonable "crime" of being linked to a political slogan, “Joy Bangla”.
In Chittagong’s Sitakunda, a local youth activist named Zakaria Hasan Jilhan was tricked into leaving his house. Once outside, he was ambushed and hacked repeatedly with sharp weapons. The attack was so brutal that hospital workers could not even find a clear spot on his body to put an IV drip. He had to be rushed to Dhaka in critical condition just to survive
https://t.co/Ppq95FJS0m
বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধকরণ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধকরণ ও বাংলাদেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে, এবং বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে যুক্তরাজ্য আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের আলোচনা সভায় বক্তব্য প্রদানকালে...
🇧🇩🇬🇧
আমি মারা গেলে, আমার মৃত্যুর শোকে জুলাই সন্ত্রাসী জামায়াত-বিএনপি-হেফাজত তথা বাংলাদেশবিরোধী জঙ্গিগোষ্ঠীর লোকেরা কেঁদে-কুটে একাকার হয়ে যাবে- এমন আশাও আমি করি না।
আমি ষড়যন্ত্রের জুলাইয়ের বিরুদ্ধে ফ্রন্টলাইনে দুই দফা নিজের রক্তে গোসল করা এক আহত প্রতিরোধযোদ্ধা; পঙ্গুত্ব বরণকারী, ছাত্রত্ব-সনদ ও স্বদেশ হারানো বীর মুক্তিযোদ্ধার প্রজন্মের একজন। আমাদের জীবনে ‘৫ আগস্ট’-এর মতো একটি তারিখ আসার পরও দল-মত নির্বিশেষে সবাই আমাকে ভালোবাসবে- এটাকে আমি কোনো গৌরব বলে মনে করি না।
সেদিন (৫ আগস্ট) শরীরে ৩০টিরও বেশি সেলাই, হাত-মাথা ফাটা অবস্থায় চিকিৎসা না নিয়েই ছদ্মবেশে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল থেকে নিরাপদ স্থানে সরে গিয়েছিলাম। পেছনে তাড়া করছিল জুলাই সন্ত্রাসীদের দ্বারা অসহায় ছাত্রলীগ-আওয়ামী লীগ কর্মীদের হত্যার উল্লাস। চারদিকে খবর আসছিল, আমার সহযোদ্ধাদের হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হচ্ছে। সেদিনই হৃদয়টা মরে গিয়েছিল। আর সেই দৃশ্যগুলো আমি শারীরিক মৃত্যুর আগ পর্যন্ত কোনোদিন ভুলতে পারব না।
আমি নীরবে পৃথিবীতে এসেছিলাম। নীরবে, নিভৃতে মরে গুম হয়ে গেলেও আমার আফসোস থাকবে না। সবাইকে যেমন ভালোবাসতে পারব না, তেমনি সবার ভালোবাসাও আশা করি না। রাজনৈতিকভাবে আমার একটি পক্ষ আছে; আমি মোটেও নিরপেক্ষ নই। ন্যায় আর অন্যায়ের মাঝখানে নিরপেক্ষ বলে কিছু থাকতেও পারে না।
- হামজা রহমান অন্তর
১৬ মে ২০২৬, লন্ডন, যুক্তরাজ্য
‘নির্বাসন থেকে বলছি’
#WritingFromExile
হাজারেরও বেশি শিশুকে পরিকল্পিতভাবে হামে আক্রান্ত করে হত্যাকারী ইউনূস ও তার হানাদার বাহিনী- জুলাই জঙ্গিদের যেখানে পাবেন, সেখানেই প্রতিরোধ করুন। এরা শিশু হত্যাকারী। এরা দেশ ও জাতির শত্রু।
বিএনপি তাদের নির্বাচনী প্রতীক হিসেবে মোমবাতি অথবা হারিকেন দিতে পারে। ছোটবেলায় বিএনপির আমলে যা দেখেছি, এখনও তাই দেখছি।
মাঝখানে শেখ হাসিনার একটি স্বর্ণযুগও দেখেছি। শেখ হাসিনা নেই, বিদ্যুৎও নেই।
তৃণমূল কংগ্রেস যখন ২০১১ সালে ৩৪ বছরের বামপন্থী শাসনের অবসান ঘটিয়ে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় আসে, তখনকার বামফ্রন্টের নেতারা স্পষ্টভাবে বলেছিলেন- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের ‘ডিপস্টেট’ মমতা ব্যানার্জি ও তৃণমূল কংগ্রেসকে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় এনেছে বাংলাদেশে ২০০৮ সাল থেকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন অসাম্প্রদায়িক আওয়ামী লীগ সরকারকে চাপে রাখতে এবং পদে পদে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা রুখে দিতে।
এই বক্তব্যের প্রতিফলন আমরা ২০১১ সালেই দেখতে পাই। তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি এগিয়ে নিতে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং সরকার যখন বাংলাদেশের শেখ হাসিনা সরকারের সঙ্গে আলোচনায় আগ্রহী হয়, তখন মমতা ব্যানার্জি সেই চুক্তি আর নবায়ন হতে দেননি। অথচ তখন একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তির দিকে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছিল।
২০১২ সালে বাঙালি নেতা প্রণব মুখার্জি ভারতের রাষ্ট্রপতির আসনে বসার পর এই চুক্তিটি নতুন করে আলোচনায় আসে- কারণ, ভারতের কেন্দ্রীয় ক্ষমতায় একজন বাঙালি অধিষ্ঠিত হয়েছিলেন। সে সময় একটি খসড়া চুক্তি প্রস্তাব করা হয়, যাতে শুষ্ক মৌসুমে তিস্তার ৩৭.৫% পানি বাংলাদেশকে বরাদ্দ দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। তবে পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার রাজ্যের পানির সংকটের অজুহাত তুলে এর বিরোধিতা করেন। মমতার মূল উদ্দেশ্য ছিল- প্রতিবেশী রাষ্ট্রে শেখ হাসিনার শাসনব্যবস্থাকে দুর্বল ও বিতর্কিত করা; যেমনটি সর্বশেষ বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত বাম নেতারা বলে গিয়েছিলেন। নিতান্তই ভদ্রলোক প্রণব মুখার্জি আজীবন জাতীয় কংগ্রেস করেছেন, মনেপ্রাণে বাঙালি ছিলেন। বাংলাদেশের বাঙালিদের কথা তো দূরের কথা, একজন বাঙালি রাষ্ট্রপতির দিকেও তাকিয়ে তখন মমতার মন গলেনি। নাম তার ‘মমতা’, কিন্তু পুরো হৃদয়টাই যেন নির্মমতা!
অথচ তিনিই ভোটে জিততে বঙ্গবন্ধুর ‘বাঙালি জাতীয়তাবাদ’-এর আদর্শ সামনে এনে ব্যবহার করেছেন, মুক্তিযুদ্ধের ‘জয়বাংলা’ স্লোগান বারবার উচ্চারণ করেছেন। তবে শেষরক্ষা হয়নি। যুগে যুগে যারা স্বজাতির বিরুদ্ধে গিয়ে বিদেশি দালালি করে, তারা শেষ পর্যন্ত অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়ে।
বাংলাদেশের সেক্যুলারপন্থী রাজনৈতিক কর্মীরা ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগে-পরে মমতা ব্যানার্জির কার্যক্রম থেকে খুব ভালোভাবেই বুঝে গিয়েছে, তিনি আসলে কী চান। বাংলা ও বাঙালির সবচেয়ে বড় শত্রু হলো ‘ডিপস্টেট’ ও ধর্মীয় বিভাজন। অথচ মমতা ব্যানার্জি ধর্মীয় বিভাজনের সুযোগ নিয়ে সেই ডিপস্টেটের পারপাজ সার্ভ করতেই ক্ষমতায় এসেছিলেন, তাদেরই স্বার্থই রক্ষা করেছেন। এই অঞ্চলে বাঙালির সবচেয়ে বড় অর্জন- সেই মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের দলকে দুর্বল করতে বাঙালির সবচেয়ে বড় সর্বনাশের পক্ষে ছিলেন।
একজন বাঙালি হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমরা বারবার বিশ্বাস করেছিলাম, অথচ তিনি বাংলা ও বাঙালির জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি ‘জামায়াতে ইসলামী’র সঙ্গে বারবার আঁতাত করেছেন, ‘জুলাই ষড়যন্ত্র’-এর মাধ্যমে বাঙালির নিজস্ব সত্ত্বাকে হাজার বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বিপর্যয়ে ফেলতে উচ্ছ্বসিত ছিলেন। ভারতবর্ষে জন্ম নিলেও জামায়াতের নেতাকর্মীরা কখনোই নিজেদের বাঙালি মনে করে না, তাদের মূল পরিচয় আরবীয় মুসলমান। তাদের সংস্কৃতি ধার করা, এবং তারা বাঙালি সংস্কৃতিকে মনেপ্রাণে ঘৃণা করে। আর এই জামায়াতের সবচেয়ে বড় আঞ্চলিক বিদেশি মিত্র হলেন মমতা ব্যানার্জি। তিনি ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবেন।
একজন বাঙালি হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আজীবন ঘৃণা করবো। মনে রাখবো- বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও ‘জয়বাংলা’ মুখে নিয়ে বাংলা ও বাঙালির বিরুদ্ধে তিনি কীভাবে ষড়যন্ত্রে অংশ নিয়েছিলেন। আমরা একই রকম মোনাফেকি দেখেছি মমতার ‘ডিপ স্টেট’-ঘনিষ্ঠদের দ্বারা জুলাই ষড়যন্ত্রের সময়ও। তাদের মুখে ছিল ‘জয়বাংলা’ ও বঙ্গবন্ধু, আর মাথায় বাঁধা ছিল বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে লাখো শহীদের রক্তে অর্জিত জাতীয় পতাকা। অথচ ক্ষমতা পেয়েই তারা মমতার মতোই সবচেয়ে বেশি আঘাত করেছে বাঙালির নিজস্ব পরিচয়কে।
যুগে যুগে বন্ধুরূপী মীরজাফরদের আমরা সেভাবেই মনে রাখব। কারা আমাদের রাষ্ট্রহীন করে নির্বাসনে যেতে বাধ্য করেছে, সেটাও মনে রাখব। নেতাজি ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের বাংলা ও বাঙালিকে রক্ষা করতে হলে এই বন্ধুরূপী শত্রুদের চিহ্নিত করে মনে রাখা জরুরি।
- হামজা রহমান অন্তর
৭ মে ২০২৬, লন্ডন, যুক্তরাজ্য
‘নির্বাসন থেকে বলছি’
#WritingFromExile
২৮ এপ্রিল উদ্বোধন হতে যাচ্ছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, যা বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার হাত ধরে আজ বাংলাদেশের মানুষের জন্য উৎপাদনের উদ্দেশ্যে পুরোপুরি প্রস্তুত।
১৯৬১ সালে এটি নির্মাণের আলোচনা শুরু হলেও পাকিস্তান সরকার কোনো গুরুত্ব দেয়নি। বরং ১৯৬৬ সালে পূর্ব বাংলাকে বাদ দিয়ে করাচিতে একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হয়, যা ১৯৭১ সালে উদ্বোধন হয়। ১৯৬৯ সালেও বঙ্গবন্ধু রূপপুরে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের দাবি তুলেছিলেন, কিন্তু পাকিস্তানের বৈষম্যমূলক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে তা কখনো বাস্তবায়িত হতে পারেনি। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালে আবারও উদ্যোগ নিয়েছিলেন, কিন্তু কয়েক বছরের মধ্যেই তাঁকে সপরিবারে হত্যা করা হয়।
বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসে যখন পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেন, তখন বর্তমান অবৈধ বিএনপি সরকারের নেতারা একে ‘অপ্রয়োজনীয়’ উল্লেখ করে বিরোধিতা করেছিলেন। আজ তারাই শেখ হাসিনার অবদানকে স্বীকৃতি দিয়ে ঘটা করে এটি উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন। প্রকৃতির বিচার বুঝি একেই বলে।
ধন্যবাদ বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। আপনি বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সক্ষমতার রূপকার। আপনার হাত ধরেই বিশ্বের ৩৩তম পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে নাম লেখাল বাংলাদেশ। আপনি ছিলেন রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতার প্রতীক। দুর্ভাগ্য আমাদের, আপনাকে আমরা ধরে রাখতে পারিনি।
এদের চেহারা চিনে রাখুন। এরা বাংলাদেশের শত্রু। এরা বিদেশি দালাল। এরা দেশের উন্নয়নের শত্রু।
আমেরিকার পায়ের কাছে সিজদাহ্ দিয়ে ইউনূসের দেশবিরোধী গোলামী চুক্তি নিয়ে এদের একজনকেও রাস্তায় পাবেন না। এরা একেকটা জীবন্ত শয়তান।
এদের দেখামাত্র মুখে একদলা থুতু দিন।
শুনলাম, নিয়মিত নামাজ না পড়লে ও কোরআন না জানলে নাকি ওই মেয়ের সঙ্গে আমার বিয়ে দেবে না! এদিকে “মুমিনা” ব্যাপারটা শুনলেই আমি আতঙ্কে থাকি।
এরপর আমি বাসায় এই ভিডিওগুলো পাঠিয়ে দিলাম। আলহামদুলিল্লাহ। এখন আগের চেয়ে একটু শান্তি লাগছে, গায়েজ! 😎
আন্তর্জাতিক বাটপার ইউনূসের জামাতি প্রশাসনের মতে- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা, মেয়ে পুতুলসহ পুরো মাতৃপক্ষের সবার মোট স্বর্ণের পরিমাণ নাকি ৮৩২ ভরি।
অন্যদিকে, দীর্ঘ ১৭ বছর ক্ষমতার বাইরে থেকেও মাগরিবের ভোটের সংসদে সংরক্ষিত আসনের সাংসদ হতে যাওয়া “নিপুণ বৌদি”-র একার কাছেই নাকি ৫০০ ভরি স্বর্ণ, সঙ্গে আরও ১০ কোটি টাকা রয়েছে!
এখন আর তথাকথিত সিভিল সোসাইটির উহু, আহা, ইস- কিছুই শুনতে পাচ্ছি না। হ্যালো, হ্যালো- মাইক্রোফোন টেস্টিং! আর ইউ লিসেনিং?