হিন্দুদের সর্বনাশ যারা করে বা করেছে সে হিসেবে ধর্ম নিরপেক্ষ নেতাজিকে আমি হিন্দুর শত্রু বলি। আর শ্যামা প্রসাদ বাবু যদি হিন্দুদের রক্ষা করে থাকেন তিনি আমাদের নেতা ও আদর্শ হয় উচিত।
Wb এর হিন্দুরা গরিব ,ধর্ম বিনষ্টকারী, হিংসাশ্রয়ী একদল নিম্নমানের লোকের আড্ডাখানা হয়েছে বহুকাল ধরে। তাই এরাই সুনীল, মন্দাক্রান্তা, সায়নীর মতো বর্বরদের টিকে রেখেছে নিজের মনে জেনেশুনে নিজের ধর্মকে অবজ্ঞা করেই। তাই সনাতন ধর্ম ও ধর্মের মাহাত্ম্য হারিয়ে গেছে wb এ।
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়কে কাঁচা বাংলায় একজন লুচ্চাই ছিলেন বলা যায়। তাই তার জীবনাচরণে ও তাঁর সাহিত্যে ধর্মের আদর্শের সংশ্রব কখনোই পাওয়া যায় না। তাঁর মতো হিন্দু ব্রাহ্মণরা জাতিগতভাবে ধর্ম নিয়ে এমন উন্নাসিক হয় বটে। খেয়াল করে দেখেন তার বই থেকে মানবিক শিখনের কোন স্তবক নেই।
তবু ভালো আব্দুর নূর তুষার স্বীকার করলেন ভারতের সবকিছু চাল ডাল মোবাইল ব্যবহার করে ভারতের বিরুদ্ধে বাঙ্গুরা আওয়াজ তোলেন। বাঙ্গু লালবদররা তো এরকমই। তার সাথে রাজাকার স্বাধীনতা বিরোধীরাও। আবার আরেকদল আছে জাতীয়তাবাদী পাকিপন্থী রাজনীতিবিদরা। উপকারীর উপকার স্বীকার করাও ঈমানের অঙ্গ তো।
গরিবের মেয়ে শিক্ষা নিবে
যাবে সে মাদ্রাসায়,
শিক্ষক তার মোল্লা একজন,
ধর্মের দোহাই দিয়ে এমন শিক্ষা দেন মেয়েটি বলতে পারে না লজ্জায়।
সমাধানের পথ দেখাবে কি বিএনপি জামাতের এ সরকার? তাহলে আমাদের শিশুরা ভাবতে পারত তাদের বাপ দাদারা মানুষই ছিল।
+হওয়ার কৃতিত্ত্ব অর্জন করিয়া উনুসের নির্দেশেই মরিয়া গিয়া জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে কবরায়িত হইয়া শুইয়া থাকিয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নামক আধুনিক মাদ্রাসায় পরকালীয় বিদ্যাদানকারীর স্বীকৃতি লভিয়াছে। এজন্য তাকে পাঠ্য বইয়ের স্থান দেওয়া যায় বটে।
বাংলা সাহিত্যে লজ্জা প্রকাশী অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ গালিগালাজ, অশ্রাব্য শব্দচয়নযোগে সে তার আম্মা খালা বোনদের সভ্রমকে তোয়াক্কা না করে নারীদেহের বিশেষ অংশের বিশ্লেষণ করে শাহবাগিদের জনসভায় উপস্থিত হয়ে বাংলা ভাষার অজ্ঞাত শাখার নব নব ব্যবহার করিয়া ড: মুহাম্মদ উনূস এর যোগ্য চ্যালা +
: বাংলাদেশ বিশ্বকাপ খেলতে যায় নাই:
রাজনৈতিক কারণে আমাদের ছেলেরা এত বড় ক্ষতির ফল ভোগ করল। সব ওই উপদেষ্টার একগুঁয়েমির ফল। আবাল,অবোধ ,অমানুষ। তিনি লাইন মেরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হয়েছেন। এখন তখন ঢাবিতে এসবই চলছে চলত। নতুবা এ মাথা নিয়ে কী করে হয়?
For Sylhet the referendum took place whether it would be a part of India or Pakistan. Jogendranath Mondal supported Pakistan with Soharawardy and Sheikh Mujib who were preaching for Pakistan too. As a result, Hindus votes were divided and Hindus support to India was defeated.