আমি যখন ঘরে ফ্যানের নিচে বসে আরাম করে রাতের খাবার খাইতেছি তখন কতো মানুষ ক্ষুধার্ত হয়ে রাস্তায় রাত কাটানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।এই ভাবনা মাথায় আইলে আর ঘুমাইতে পারিনা।কিছুই ভাল্লাগে না!
আমি খুজিতে তারে জগৎ ঘুরিলাম,
না পাইলাম তার সন্ধান;
যে যার মতো বলিয়া গেলো
বৃক্ষের মতো নিষ্প্রান হয়ে
কেবলই তাহা শুনিলাম,শুনিয়া বুঝিলাম
বক্ষ মাঝে জ্বলিছে যে দাবানল;
যেসব রাতে ঘুম আসে না। আমি ভাবি।গভির ভাবে তলিয়ে যাই অতিতে।কেন? নিজেকে ছুড়ে দেই প্রশ্ন।কোনো উত্তর ফিরে আসে না।শুধু ঘটনা গুলো জীবন্ত হয়ে ওঠে।এপাশ-ওপ্রাশ করতে করতে একসময় মসজিদে আযান হয়।পাখিরে ডেকে ওঠে। ঘুমের তরী পাড় খুজে পায় না। ভাসতে থাকি।আজও...
যে ঘাসে জন্মায় অপেক্ষা তাকে কে পায়?
বেসামাল দমকা হাওয়া শুধুই উড়াতে চায়-
শিমুল তুলার বালিসে ডুবন্ত মাথায়
কে একে দেয় চাঁদ তোমার?
কপালের চুলের খেলা কে থামায়?
আজ কার হাতের রেখায় হাত রাখো?
আজ আমার হাতের মুঠোয় আমি নেই।