সাইবার-জালিয়াতির প্রচুর টাকা ফেরত প্রতারিত মানুষের কাছে।
সারা রাজ্য জুড়েই চলছে সাইবার-প্রতারকদের বিরুদ্ধে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের লাগাতার অভিযান। প্রায়ই প্রতারিত হচ্ছেন বহু মানুষ। কষ্টের টাকা জলে যাচ্ছে সাইবার-সতর্কতার অভাবে। জালিয়াতদের ফাঁদে পড়ে খোওয়া যাওয়া টাকা উদ্ধার করে প্রতারিত মানুষের কাছে সেই টাকা ফিরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়াও চলছে নিরন্তর। ��ত কয়েক দিনে প্রচুর টাকা এভাবেই রাজ্য পুলিশ ফিরিয়ে দিয়েছে প্রতারিতদের কাছে। ভাগ করে নিলাম, কিছু ছবি।
বিনীত অনুরোধ, সতর্ক থাকুন। অচেনা লিঙ্ক বা মেসেজে সাড়া দেবেন না। আপনার পরিশ্রমের টাকা যেন প্রতারকরা হাতিয়ে না নিতে পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকুন প্রতি মুহূর্তে।
#WBP #cybersecurity
হারানো ফোন ফিরে পাওয়া
চুরি যাওয়া বা হারিয়ে ফেলা মোবাইল ফোন উদ্ধারের বিষয়ে রাজ্যের বিভিন্ন জেলার থানার পুলিশ কর্মীরা, গোয়েন্দা দফতর এবং সাইবার থানাগুলি সক্রিয় থাকে বছরভর। সব ফোন যে উদ্ধার করে ফিরিয়ে দিতে পারি, এমন নয়। কিন্তু চেষ্টা থাকে আন্তরিক। ফলও মেলে পরিশ্রমের। উদ্ধার করতে পারলে ফোনের মালিককে ফোন ফিরিয়ে দিই আমরা যত দ্রুত সম্ভব। গত কয়েক দিনে উদ্ধার হয়েছে প্রচুর হারিয়ে যাওয়া ফোন। যা তুলে দে���য়া হয়েছে ফোনের মালিকদের হাতে। রইল তার কিছু মূহুর্তের ছবি।
হারানো ফোন ফিরে পাওয়া
চুরি যাওয়া বা হারিয়ে ফেলা মোবাইল ফোন উদ্ধারের বিষয়ে রাজ্যের বিভিন্ন জেলার থানার পুলিশ কর্মীরা, গোয়েন্দা দফতর এবং সাইবার থানাগুলি সক্রিয় থাকে বছরভর। সব ফোন যে উদ্ধার করে ফিরিয়ে দিতে পারি, এমন নয়। কিন্তু চেষ্টা থাকে আন্তরিক। ফলও মেলে পরিশ্রমের। উদ্ধার করতে পারলে ফোনের মালিককে ফোন ফিরিয়ে দিই আমরা যত দ্রুত সম্ভব। গত কয়েক দিনে উদ্ধার হয়েছে ২২৬৭ টি হারিয়ে যাওয়া ফোন। যা তুলে দেওয়া হয়েছে ফোনের মালিকদের হাতে। রইল তার কিছু মূহুর্তের ছবি।
জলপাইগুড়িতে নাবালিকার উপর যৌন নির্যাতন: ২৫ বছরের কারাদণ্ড অভিযুক্তের
২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ঘটনা। জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জ থানার পানাশগুড়ি অঞ্চলে এক নাবালিকাকে জোর করে যৌন নির্যাতন করে অভিযুক্ত খিরেন রায়। নাবালিকার বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে কেস রুজু হয় রাজগঞ্জ থানায়। মামলার দায়িত্ব পান সাব-ইন্সপেক্টর বিক্রেশ্বর রায়।
সম্প্রতি মামলার রায় বেরিয়েছে। আদালত অভিযুক্তকে ২৫ বছরের কারাদণ্ড এবং নাবালিকাকে এক লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দিয়েছেন।
বিচার পেয়েছে নির্যাতিতা। এটুকুই শান্ত���।
#JalpaiguriDistrictPolice
২৩ অক্টোবর, ২০২২। বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুর থানা এলাকার ঘটনা। সন্ধ্যেবেলা নিজের আট বছরের মেয়েকে টিউশন পড়তে দিয়ে আসেন বাচ্চাটির বাবা, আর পাঁচটা সাধারণ দিনের মতোই। কিন্তু, পড়া থেকে বাড়ি ফিরেই বাচ্চা মেয়েটি দৌড়ে ছুটে যায় টয়লেটে। অনেকটা সময় পেরিয়ে গেলেও মেয়ে টয়লেট থেকে বেরোচ্ছে না দেখে বাচ���চাটির মা ওই টয়লেটে ঢোকেন। এবং দেখেন, বাচ্চাটির যৌনাঙ্গ থেকে ভীষণ রক্তপাত হচ্ছে। মেয়েকে জিজ্ঞেস করলে ওইটুকু মেয়ে তার নিজের ভাষায় জানায়, তার টিউশন টিচার সবুজ দে তাকে ধর্ষণ করেছে, সঙ্গে, তাকে ভয় দেখিয়েছে কাউকে কিছু না জানাতে।
তৎক্ষণাৎ বিষ্ণুপুর থানায় ��ুটে যান মেয়েটির বাবা। মামলা রুজু হয় ৬ পকসো আইনে। তদন্তের দায়িত্ব পান সাব ইন্সপেক্টর বেবী মন্ডল। তিনি অভিযুক্তকে অ্যারেস্ট করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা করেন নিখুঁত চার্জশিট।
সম্প্রতি অভিযুক্ত সবুজ দে ২০ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছে। মামলার রায় বেরিয়েছে। সঙ্গে ৫০ হাজার টাকার জরিমানা।
ন্যায়বিচার পেয়েছে ওই নাবালিকা। এটুকুই প্রাপ্তি।
'গরিব বাজার'-এ পাঁচ টাকায় নতুন জামা!
একসময় তাঁর নতুন জামা কেনার সামর্থ্য ছিল না। আজ সেই অভাব নেই, কিন্তু আর কোনও শিশুর য��তে সেই গ্লানিবোধটুকু না হয়, সেই লক্ষ্যে নিরন্তর প্রয়াস করছেন ব্যারাকপুর কমিশনারেটের নিমতা থানা এলাকার সিভিক ভলান্টিয়ার অমিত সরকার। তিনি এবং তাঁর স্ত্রী চালু করেছেন 'গরিব বাজার'। কীভাবে, তারই সংক্ষিপ্ত বিবরণ রইল সঙ্গের ভিডিওটিতে।
সাবাশ অমিত!
হারানো ফোন ফিরে পাওয়া
চুরি যাওয়া বা হারিয়ে ফেলা মোবাইল ফোন উদ্ধারের বিষয়ে রাজ্যের বিভিন্ন জেলার থানার পুলিশ কর্মীরা, গোয়েন্দা দফতর এবং সাইবার থানাগুলি সক্রিয় থাকে বছরভর। সব ফোন যে উদ্ধার করে ফিরিয়ে দিতে পারি, এমন নয়। কিন্তু চেষ্টা থাকে আন্তরিক। ফলও মেলে পরিশ্রমের। উদ্ধার করতে পারলে ফোনের মালিককে ফোন ফিরিয়ে দিই আমরা যত দ্রুত সম্ভব। গত কয়েক দিনে উদ্ধার ��য়েছে ১৯১০টি হারিয়ে যাওয়া ফোন। যা তুলে দেওয়া হয়েছে ফোনের মালিকদের হাতে। রইল তার কিছু মূহুর্তের ছবি।
সাইবার-জালিয়াতির প্রচুর টাকা ফেরত প্রতারিত মানুষের কাছে।
সারা রাজ্য জুড়েই চলছে সাইবার-প্রতারকদের বিরুদ্ধে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের লাগাতার অভিযান। প্রায়ই প্রতারিত হচ্ছেন বহু মানুষ। কষ্টের টাকা জলে যাচ্ছে সাইবার-সতর্কতার অভাবে। জালিয়াতদের ফাঁদে পড়ে খোওয়া যাওয়া টাকা উদ্ধার করে প্রতারিত মানুষের কাছে সেই টাকা ফিরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়াও চলছে নিরন্তর। গত কয়েক দিনে প্রচুর টাকা এভাবেই রাজ্য পুলিশ ফিরিয়ে দিয়েছে প্রতারিতদের কাছে। ভাগ করে নিলাম, কিছু ছবি ।
বিনীত অনুরোধ, সতর্ক থাকুন। অচেনা লিঙ্ক বা মেসেজে সাড়া দেবেন না। আপনার পরিশ্রমের টাকা যেন প্রতারকরা হাতিয়ে না নিতে পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকুন প্রতি মুহূর্তে।
#WBP #CyberSecurity
পরিবারের চার সদস্যকে একা হাতে হত্যা, মৃত্যুদণ্ড মালদায়
মালদা জেলায় কালিয়াচক থানা এলাকার ঘ��না, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২১। সম্পত্তির লোভে নিজের বাবা, মা, বোন এবং ঠাকুমাকে ঠাণ্ডা মাথায় ঘুমের ওষুধ খাইয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে মহম্মদ আসিফ। হত্যার চেষ্টা করে তার দাদা আরিফকেও, তবে তিনি প্রাণে বেঁচে যান। চার-চারটি খুনই শুধু নয়, তারপর তিন মাস ধরে নিজের নিকটতম পরিজনদের দেহ নবনির্মিত ব��ড়ির গুদামঘরে পুঁতে রাখে আসিফ, এবং সেই বাড়িতে একা বসবাসও করতে থাকে।
সে বছরেরই ১৯ জুন, অর্থাৎ ঘটনার প্রায় চার মাস পর, আরিফের অভিযোগের ভিত্তিতেই দায়ের হয় মামলা। গুদামঘর থেকে উদ্ধার হয় চারটি পচাগলা দেহ। বিভিন্ন পর্যায়ে তদন্তের নেতৃত্ব দেন যথাক্রমে সাব-ইনসপেক্টর সিরাজউদ্দিন সরকার, সাব-ইনসপেক্টর রাকেশ বিশ্বাস, এবং সাব-ইনসপেক্টর পবিত্র মাহাতো। সরকার পক্ষের আইনজীবী শ্রী বিভাস চট্টো���াধ্যায়ের তত্ত্বাবধানে প্রায় চার বছর বিচারপর্ব চলে মালদা জেলা আদালতে, আসিফের দাদা সহ মোট ১৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
সম্প্রতি প্রকাশিত মামলার রায়ে আসিফকে দোষী সাব্যস্ত করে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় তাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করেছেন মালদা জেলা আদালতের বিচারপতি শুভায়ু বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়াও, প্রমাণ লোপাটের জন্য সা�� বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা, এবং হত্যা প্রচেষ্টার জন্য ১০ বছরের জেল ও ১০ হাজার টাকার জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বিরলতম এই মামলায় সাফল্যের জন্য অভিনন্দন কালিয়াচক থানা এবং বিভাসবাবু, অভিনন্দন।
@malda_police
ধূপগুড়িতে নাবালিকাকে যৌন নির্যাতন করে খুন, মৃত্যুদণ্ড আসামির
পরিচিত এক নাবালিকার বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে তার উপর পাশবিক যৌন নির্যাতন চালিয়���ছিল এক প্রতিবেশী। তার পর মেয়েটিকে খুন করে দেহ লোপাটের চেষ্টা করেছিল অভিযুক্ত। সম্প্রতি রায় বেরিয়েছে মামলার। ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। বিস্তারিত শুনুন জলপাইগুড়ির পুলিশ সুপারের মুখে, সঙ্গের এই ভিডিওয়।
@JpgPolice
নেপালের বিশেষভাবে সক্ষম কিশোরকে ঘরে ফেরাল মালদা জেলা পুলিশ
দিনতিনেক আগের ঘটনা। মালদার চাঁচল থানার গৌড়হণ্ড গ্রামে বছর পনেরোর একটি বিশেষভাবে সক্ষম ছেলেকে উদ্ধার করে স্থানীয় থানার পুলিশ। ছেলেটি উদভ্রান্তের মতো ঘুরছিল। কথা তেমন একটা বলতে পারে না। শুনতেও পায় না বিশেষ। ছেলেটির পরিচয় জানার সমস্ত প্রাথমিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হল পুলিশের।
চাঁচল থানার উদ্যোগে থানায় এলেন স্পেশাল এডুকেটর সোহানা পারভীন। দীর্ঘ সময় ধরে ছেলেটির সঙ্গে 'sign language'-এ কথা বললেন। অবশেষে ছেলেটি তার ঠিকানা বোঝাতে একটি নাম উচ্চারণ করল, "খুট্টা”। ওই একটাই শব্দ দিশা হয়ে দাঁড়াল পুলিশের কাছে।
কিন্তু সমস্যা ছিল—এই 'খুট্টা' জায়গাট�� কোথায়? অনেক সাধ্যসাধনার পরও ছেলেটি কিছুই বলতে পারে না। ফলত, চাঁচল থানার কনস্টেবল অজয় ওরাওঁ, এসআই কাজল কুমার দাস ও এসআই বিমল মন্ডল মিলে গুগল ম���যাপে খুঁজতে শুরু করেন ‘খুট্টা’ নামের সব জায়গা—মুর্শিদাবাদ, বিহার, উত্তরপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ড—আরও অনেক রাজ্যে এই নামের জায়গা খুঁজে পাওয়া যায়। সেই সব জায়গার ছবি ইন্টারনেটে দেখানো হলো ছেলেটিকে। কিন্তু না, কিছুতেই সে চিনতে পারছিল না।
শেষমেশ যখন দেশের মধ্যে কোনও মিল পাওয়া যাচ্ছে না, তখন পুলিশ খোঁজা শুরু করে দেশের বাইরেও। অনেকটা খোঁজার পর একসময় পাওয়া যায়, নেপালের একটি ছোট্ট গ্রাম—‘খুট্টা’। গুগল ম্যাপে সেই এলাকার ছবিটা দেখানো হয় ছেলেটিকে। নিমেষে তার অভিব্যক্তি পাল্টে যায়। বাচ্চাটি তার সাংকেতিক অভিব্যক্তিতে জানিয়ে দেয়, গুগল ম্যাপ এবার তার বাড়ির ঠিকানা দেখাচ্ছে। তার বাড়ি এখানেই।
এক মুহূর্ত সময় নষ্ট না করে, কনস্টেবল অজয় ওরাওঁ যোগাযোগ করেন নেপালের একটি এনজিও—Ragam Apath Anrakh-এর সঙ্গে। ছেলেটির নাম ও ছবি পাঠানো হয়। তাদের সহায়তায় ছেলেটির পরিচয় নিশ্চিত হয়। নাম ��শী যাদব, পিতা ফুলবাবু যাদব, ঠিকানা লৌহরপট্টি থানা, জেলা মহত্তারি, মধেশপ্রদেশ, নেপাল।
এরপর, ভিডিও কলে ছেলেটিকে দেখানো হয় তার মা-বাবাকে। এবং শুরু হয় তাকে ঘরে ফেরানোর উদ্যোগ।
গতকাল শশীর মা বিভা দেবী আত্মীয়স্বজনকে নিয়ে থানায় আসেন। সবরকম কাগজপত্র যাচাই করে, মালদার চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির চেয়ারপার্সনের তত্ত্বাবধানে চাঁচল থানা ছেলেটিকে ফিরিয়ে দেয় তার মায়ের কাছে।
ধন্যবাদ এবং অভিনন্দন মালদা জেলা পুলিশ এবং চাঁচল থানাকে। অশেষ কৃতজ্ঞতা সোহানা পারভীন ম্যাডামকে, এবং ধন্যবাদ সেই সব মানুষদের যারা সবাই মিলে এই বিশেষভাবে সক্ষম কিশোরকে তার ঘরে ফিরিয়ে দিতে পেরেছেন।
@malda_police
সাইবার-জালিয়াতির প্রচুর টাকা ফেরত প্রতারিত মানুষের কাছে।
সারা রাজ্য জুড়েই চলছে সাইবার-প্রতারকদের বিরুদ্ধে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের লাগাতার অভিযান। প্রায়ই প্রতারিত হচ্ছেন বহু মানুষ। কষ্টের টাকা জলে যাচ্ছে সাইবার-সতর্কতার অভাবে। জালিয়াতদের ফাঁদে পড়ে খোওয়া যাওয়া টাকা উদ্ধার করে প্রতারিত মানুষের কাছে সেই টাকা ফিরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়াও চলছে নিরন্তর। গত কয়েক দিনে প্রচুর টাকা এভাবেই রাজ্য পুলিশ ফিরিয়ে দিয়েছে প্রতারিতদের কাছে। ভাগ করে নিলাম, কিছু ছবি ।
বিনীত অনুরোধ, সতর্ক থাকুন। অচেনা লিঙ্ক বা মেসেজে সাড়া দেবেন না। আপনার পরিশ্রমের টাকা যেন প্রতারকরা হাতিয়ে না নিতে পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকুন প্রতি মুহূর্তে।
#WBP #CyberSecurity
Vagyish Feluda Chhilo!
An international criminal gang is behind a massive bank fraud worth crores, leaving the police on high alert and ordinary people in panic as their hard-earned money vanishes.
How was this complex mystery solved?
How did Feluda’s path lead to the breakthrough in this nearly impossible case?
Watch this gripping story unfold in Episode 6 of "Crime Chronicles", only on the Friends of West Bengal Police YouTube channel.
Here's the link 👇
https://t.co/mgLN8ZgKtV
হারানো ফোন ফিরে পাওয়া
চুরি যাওয়া বা হারিয়ে ফেলা মোবাইল ফোন উদ্ধারের বিষয়ে রাজ্যের বিভিন্ন জেলার থানার পুলিশ কর্মীরা, গোয়েন্দা দফতর এবং সাইবার থানাগুলি সক্রিয় থাকে বছরভর। সব ফোন যে উদ্ধার করে ফিরিয়ে দিতে পারি, এমন নয়। কিন্তু চেষ্টা থাকে আন্তরিক। ফলও মেলে পরিশ্রমে���। উদ্ধার করতে পারলে ফোনের মালিককে ফোন ফিরিয়ে দিই আমরা যত দ্রুত সম্ভব। গত কয়েক দিনে উদ্ধার হয়েছে ১৩৯৬টি হারিয়ে যাওয়া ফোন। যা তুলে দেওয়া হয়েছে ফোনের মালিকদের হাতে। রইল তার কিছু মূহুর্তের ছবি।
"Humans are cheap… just cut them up and throw them away!"
65 years ago, Kolkata woke up to horror—pieces of a pregnant woman’s body scattered in a park, wrapped in Jugantor newspaper.
Who was she? Who killed her so savagely? And why?
One of India’s most spine-chilling murder mysteries is back under the spotlight.
Watch Crime Chronicles Episode 3: "Humans are cheap…"
Only on Friends of West Bengal Police YouTube channel.
Truth is darker than fiction.
Link below 👇
https://t.co/QjPjaPjbK9
Please do like, share, and subscribe.
যৌন অত্যাচার নাবালিকাকে: ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড অভিযুক্তের
ঘটনা ২০২৩ সালের। জলপাইগুড়ি জেলার বানারহাট থানায় অভিযোগ আসে অভিযুক্ত হরিদেব দাসের বিরুদ্ধে - এক নাবালিকাকে যৌন অত্যাচারের। মামলার দায়িত্বভার নেন সাব ইন্সপেক্টর সঞ্জয় ছেত্রী। অতি দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা করেন তদন্তকারী অফিসার।
রায় বেরিয়েছে সম্প্রতি। ঘটনার দু'বছরের মধ্যে জলপাইগুড়ির বিশেষ পকসো আদালত অভিযুক্তকে ৫০,০০০ টাকা জরিমানা সহ ২০ বছরের সশ্রম কারাবাসের সাজা শুনিয়েছেন। সঙ্গে নাবালিকাকে ৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ।
নাবালিকা বিচার পেয়েছে, এটুকুই স্বস্তি।